Connect with us

top1

‘বিজয় নিশ্চিত, তবে কোনো ভুল করা যাবে না’: পোলিং এজেন্টদের বিএনপি

Published

on

ঢাকা-১৭ আসনে বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান সমন্বয়ক ও বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সালাম বলেছেন, জনসমর্থন ধানের শীষের পক্ষে থাকলেও ভোটের দিন সামান্যতম ভুল বা গাফিলতি দলের জন্য মারাত্মক ক্ষতির কারণ হতে পারে।

মঙ্গলবার (১০ জানুয়ারি) রাজধানীর বনানীতে ঢাকা-১৭ আসনের নির্বাচনী প্রধান কার্যালয়ে পোলিং এজেন্টদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। নির্বাচনের দিন দায়িত্ব পালনের কৌশল ও সতর্কতা নিয়ে এজেন্টদের বিভিন্ন দিক-নির্দেশনা দিতে এই সভার আয়োজন করা হয়।

উপস্থিত নেতাকর্মী ও পোলিং এজেন্টদের উদ্দেশে আবদুস সালাম বলেন, “এখন পর্যন্ত সব ঠিক আছে। জনগণ আমাদের পক্ষে আছে। জয় আমাদেরই হবে ইনশাল্লাহ। তবে এমন কোনো ভুল করা যাবে না, যাতে ভোটের ফলাফল ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ভোটের দিন সামান্য কোনো ভুলও হলে তা দলের জন্য মারাত্মক ক্ষতির কারণ হতে পারে।”

সমন্বয়ে ৪৭ ভেন্যু প্রধান

নির্বাচনী এলাকার কেন্দ্রগুলো ব্যবস্থাপনার সুবিধার্থে বিশেষ সাংগঠনিক কাঠামোর কথা জানান এই বিএনপি নেতা। তিনি বলেন, প্রতিটি ভেনুতে একাধিক ভোটকেন্দ্র থাকায় সেগুলো সমন্বয়ের জন্য আলাদা করে ‘ভ্যেনু প্রধান’ নিয়োগ করা হয়েছে। মোট ৪৭টি ভ্যেনুর জন্য ৪৭ জন ভ্যেনু প্রধান দায়িত্ব পালন করবেন। কোনো জরুরি পরিস্থিতিতে এই ভ্যেনু প্রধানরাই সংশ্লিষ্ট টিম ও কেন্দ্রীয় দায়িত্বশীলদের সঙ্গে তাৎক্ষণিক যোগাযোগ রক্ষা করবেন।

কেন্দ্র না ছাড়ার কড়া নির্দেশ

পোলিং এজেন্টদের ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করে আবদুস সালাম বলেন, “কে কেন্দ্রীয় প্রধান বা ভ্যেনু প্রধান—সেটি মুখ্য নয়; সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো পোলিং এজেন্টরা। কারণ তাদের ওপরই নির্বাচনের ফলাফল নির্ভর করছে।”

ভোটের দিন এজেন্টদের করণীয় সম্পর্কে তিনি বলেন:

ফজরের নামাজের পর নিজ নিজ কেন্দ্রে উপস্থিত হতে হবে।

বিকল্প প্রতিনিধি (রিপ্লেসমেন্ট) না আসা পর্যন্ত কোনো অবস্থাতেই কেন্দ্র ত্যাগ করা যাবে না।

ভোটার উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে এবং ভোটগ্রহণের গতি যেন ‘স্লো’ না হয়, সেদিকে নজর রাখতে হবে।

দীর্ঘ লাইন হলে পুলিশের সহায়তায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে হবে।

গাফিলতিতে কঠোর ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি

দায়িত্ব পালনে কোনো ধরনের শিথিলতা সহ্য করা হবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, “কোনো কেন্দ্র বা থানায় দায়িত্বে অবহেলা হলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে। দায়িত্ব নিতে না পারলে আগেই জানাতে হবে; বিএনপিতে দায়িত্বশীল মানুষের অভাব নেই।”

এজেন্টদের সতর্ক করে তিনি আরও বলেন, ভোট গণনার সময় নির্ধারিত ফর্ম ও বক্স নম্বর অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে মিলিয়ে দেখতে হবে। কোনো গরমিল চোখে পড়লে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নিতে হবে।

বিজয় নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করে আবদুস সালাম বলেন, “জনগণ এখন প্রস্তুত। ধানের শীষ ছাড়া বিকল্প নেই—এ কথা তারা বুঝে গেছে। এখন মাঠে থাকা ধান কেটে ঘরে তোলার দায়িত্ব আপনাদের।”

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

ইসরায়েলে দফায় দফায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

Published

on

By

লেবাননে হামলার জবাবে এবার ইসরায়েলে দফায় দফায় রকেট ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহ। সোমবার (১৩ এপ্রিল) ইসরায়েলের ওপর একাধিক এই হামলার দায় স্বীকার করে দেওয়া এক বিবৃতিতে তারা জানায়, অবৈধ ইসরায়েলি বসতি ও সামরিক ঘাঁটিগুলোকে লক্ষ্য করে এই ধারাবাহিক হামলা চালানো হয়েছে। খবর আল জাজিরার।

বিবৃতিতে গোষ্ঠীটি আরও জানায়, ইসরায়েলের মিসগাভ আম বসতি, কাফার গিলাদি অঞ্চলে ইসরায়েলি সৈন্যদের ঘাঁটি এবং জারিট ব্যারাক লক্ষ্য করে দফায় দফায় রকেট ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়।

হিজবুল্লাহর ক্রমাগত রকেট ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় এসব অঞ্চল ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত এবং ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। নিরাপত্তা ঝুঁকির কারণে সেখানকার বাসিন্দাদের সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলেও জানা গেছে। তবে এসব হামলায় হতাহতের কোনো খবর পাওয়া যায়নি।

এর আগে হিজবুল্লাহ দাবি করে, তারা মধ্যরাতে উত্তর ইসরায়েলের দুটি শহরে রকেট ব্যারেজ ছুড়েছে। ইসরায়েলি সেনাবাহিনী যুদ্ধবিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করে দক্ষিণ লেবাননের গ্রামগুলোতে বারবার হামলা চালানোর জবাবে এই হামলা চালানো হয়।

হিজবুল্লাহ জানিয়েছে, স্থানীয় সময় রোববার রাত ১টা ২০ মিনিটে কিরিয়াত শমোনা শহর এবং রাত ২টা ৪৫ মিনিটে ডোভিভ বসতিতে রকেট হামলা চালানো হয়।

উল্লেখ্য, গত ২৪ ঘণ্টায় হিজবুল্লাহ উত্তর ইসরায়েল ও দক্ষিণ লেবাননে ইসরায়েলি সামরিক অবস্থান, বসতি, সামরিক ঘাঁটি ও অবকাঠামো লক্ষ্য করে ৪৩টি হামলা চালিয়েছে।

Continue Reading

top1

গণভোটের রায় না মানলে দেশ সংকটে পড়বে: শিশির মনির

Published

on

By

জনগণের দেওয়া গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না করলে দেশ সাংবিধানিক ও অনাস্থার সংকটে পড়বে বলে জানিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির।

সোমবার (১৩ এপ্রিল) রাজধানীর ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন (আইইডিবি) মিলনায়তনে এক জাতীয় সেমিনারে উপস্থিত হয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

শিশির মনির বলেন, সুইজারল্যান্ড থেকে শ্রীলঙ্কা পর্যন্ত ২৬টি দেশের নজির সংগ্রহ করেছি। দুনিয়ার ইতিহাসে এমন একটা উদাহরণ নেই, যেখানে মানুষ গণভোটের রায় দিয়েছে আর সরকার তা মানেনি।

গণঅভ্যুত্থান প্রসঙ্গে তিনি বলেন, সংবিধান মেনে তো অভ্যুত্থান হয় না, এটি হয় সংবিধানের বাইরে থেকে। এখন এই রাজনৈতিক বিষয়টিকে আদালতের সাবজেক্ট ম্যাটারে পরিণত করা হয়েছে।

জ্যেষ্ঠ এই আইনজীবীতি বলেন, আমরা আশা করছি আদালত খোলার পর সংবিধান সংস্কার বাস্তবায়ন আদেশের প্রশ্নটি উত্থাপিত হবে। যদি বাংলাদেশের আদালত তার মেরুদণ্ড সোজা করে দাঁড়াতে পারে, তবে এই ক্ষেত্রে তাদের উচিত হবে সরকারের বিরুদ্ধে রায় দেওয়া।

শিশির মনির আরও বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমরা রাজনৈতিকভাবে প্রবর্তন করেছিলাম। সেটাকে কোর্টে নিয়ে গিয়ে ‘অসাংবিধানিক’ বলা হলো। ফলে ১৭ বছর দেশে আগুন জ্বলল। এখন আবার কোর্ট বলছেন, সেটা সাংবিধানিক। রাজনৈতিক প্রশ্নের সমাধান যখন কোর্টে খোঁজা হয়, তখন সংকট আরও বাড়ে।

Continue Reading

top1

‘আপনি ভাই দেশের ক্রিকেটের অনেক বড় ক্ষতি করে দিলেন’: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীকে বুলবুল

Published

on

By

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতির পদ খুইয়েছেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল। তার বোর্ডকে অপসারণ করে সেখানে তামিম ইকবালের নেতৃত্বাধীন অ্যাডহক কমিটিকে দায়িত্ব দিয়েছে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি)। তবে নির্বাচিত বোর্ড ভেঙে দিয়ে যেভাবে অ্যাডহক কমিটি গঠন করা হয়েছে, এই প্রক্রিয়াকে স্রেফ ‘ষড়যন্ত্র’ বলে মনে করছেন জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক বুলবুল।

দেশের একটি জাতীয় দৈনিকের সঙ্গে দীর্ঘ আলাপে তিনি নিজেকে এখনও ক্রিকেট বোর্ডের বৈধ সভাপতি দাবি করেছেন। বলেছেন, ‘আনুষ্ঠানিকভাবে আমিই এখনো বিসিবি সভাপতি। যারা বোর্ড ভেঙেছে, তারা তা করতে পারে না, এখতিয়ারে নেই।’

বোর্ড ভেঙে দেয়ার দিনের ঘটনাক্রম উল্লেখ করে সাবেক বিসিবি সভাপতি যোগ করেন, ‘আমি আর খালেদ মাসুদ পাইলট মাঠ দেখতে পূর্বাচলে গিয়েছিলাম। বিসিবিতে ফিরে শুনলাম বোর্ড ভেঙে দেয়া হয়েছে। তখন হঠাৎ করে মনে হলো, আমাদের অফিসটা একটা রাজনৈতিক অফিস হয়ে গেছে। শত শত লোক আসা-যাওয়া শুরু করল। একপর্যায়ে পাইলট আমাকে অনুরোধ করে বলল, ভাই, চলেন চলে যাই। তখন ফাহিম ভাই, আমি আর পাইলট বোর্ডে ছিলাম। আমরা চলে আসতে বাধ্য হয়েছিলাম।’

‘আমাদের মানসম্মান আছে। মানসম্মান নিয়ে জিনিসপত্র ফেলেই চলে এসেছি। কিন্তু আমি দাবি করি ও বিশ্বাস করি, এখনো আমরা বৈধ ক্রিকেট বোর্ড এবং আমি বৈধ সভাপতি’-যোগ করেন বুলবুল।

বোর্ড ভেঙে দেয়ার প্রক্রিয়াকে ‘ষড়যন্ত্র’ আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, ‘এটা কোনও প্রক্রিয়া না, এটা একটা ষড়যন্ত্র। কেন বললাম? এনএসসির কোনো এখতিয়ার নেই বোর্ড ভেঙে দেওয়ার।তাদের যেটুকু এখতিয়ার আছে, ডেকে জিজ্ঞেস করা। যদি কোনো অনৈতিক কাজ করি, ক্রিকেট ঠিকমতো চালাতে না পারি, আমাদের বোর্ড যদি ব্যর্থ প্রমাণিত হয়— সে ক্ষেত্রে তারা আমাদেরকে ডেকে জিজ্ঞেস করতে পারত; সুপারিশ করতে পারত।’

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুক হকের নির্দেশে গঠিত তদন্ত কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে নির্বাচিত বোর্ড ভেঙে দেয়া হয়েছে। তবে এই তদন্ত কমিটির বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন রেখে বুলবুল বলেন, ‘তদন্ত কমিটিকেও আমি অবৈধ ভাবি। কিসের তদন্ত করা হয়েছে? তদন্ত কমিটির রিপোর্টে কী লেখা আছে, আমরা জানিও না এবং সেটা দেখিওনি। এই কমিটি কিসের ওপর ভিত্তি করে হয়েছে?’

Continue Reading

Trending