Connect with us

top1

বিশ্বকাপ থেকে বাংলাদেশকে বাদ দিল আইসিসি

Published

on

বাংলাদেশ যে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে খেলছে না, সে ইঙ্গিত মিলছিল আগেই। শুধু বাকি ছিল আইসিসির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা। তবে সেই ঘোষণার আগেই নাটকের পর্দা নামিয়ে দিল ক্রিকেট বিষয়ক বিশ্বস্ত ওয়েবসাইট ক্রিকবাজ। তাদের খবরে বলা হয়েছে, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বাংলাদেশকে সরিয়ে দিয়েছে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ সংস্থা আইসিসি।

আর সেই শূন্যস্থানে পূরণ করতে স্কটল্যান্ডকে নেওয়া হয়েছে। সরাসরি যোগ্যতা অর্জনে ব্যর্থ হলেও বাংলাদেশ ইস্যুর সুযোগে বিশ্বকাপের টিকিট পেয়ে গেছে ইউরোপের দলটি।

ঘটনার সূত্রপাত হয়েছিল ভারতের মাটিতে বিশ্বকাপ খেলতে আপত্তি জানানোর মাধ্যমে। নিরাপত্তা শঙ্কার কথা উল্লেখ করে আইসিসিকে আনুষ্ঠানিকভাবে ই-মেইল করে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। তবে আইসিসির অবস্থান ছিল একেবারেই কঠোর। তাদের দাবি, ভারতে বাংলাদেশের কোনো নিরাপত্তা ঝুঁকি নেই। সেই সঙ্গে সময় বেঁধে দিয়ে সিদ্ধান্ত জানাতে বলা হয় বিসিবিকে।

শেষ চেষ্টা হিসেবে আইসিসির বিরোধ নিষ্পত্তি কমিটির (ডিআরসি) দ্বারস্থ হয় বাংলাদেশ। কিন্তু সেখানেও আশার আলো জ্বলেনি। আইসিসির নিজস্ব আইন ১.৩ ধারা অনুযায়ী, আইসিসি বা তাদের অনুমোদিত কোনো কমিটির সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে আপিল শোনার এখতিয়ার নেই ডিআরসির। ফলে বাংলাদেশের আবেদন সরাসরি খারিজ হয়ে যায়। স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়, এটি তাদের আওতার বাইরের বিষয়।

এরপরই দৃশ্যপট দ্রুত বদলে যায়। জানা গেছে, বাংলাদেশের পরিবর্তে বিশ্বকাপে অংশ নিতে স্কটল্যান্ডের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করে দিয়েছে আইসিসি।

পরিবর্তিত সূচি অনুযায়ী, স্কটল্যান্ড খেলবে ‘সি’ গ্রুপে। কলকাতায় তারা মুখোমুখি হবে ওয়েস্ট ইন্ডিজের (৭ ফেব্রুয়ারি), ইতালির (৯ ফেব্রুয়ারি) ও ইংল্যান্ডের (১৪ ফেব্রুয়ারি)। এরপর ১৭ ফেব্রুয়ারি মুম্বাইয়ে নেপালের বিপক্ষে মাঠে নামবে স্কটিশরা।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

একুশে বইমেলাকে ‘আন্তর্জাতিক’ করার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর

Published

on

By

অমর একুশে বইমেলাকে আগামীতে ‘আন্তর্জাতিক বইমেলা’ হিসেবে আয়োজন করা যায় কি না, তা ভেবে দেখার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বৃহস্পতিবার বিকেলে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে অমর একুশে বইমেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ প্রস্তাব দেন।

তারেক রহমান বলেন, “বাংলা একাডেমির সৃজনশীল কার্যক্রমের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কাজ অমর একুশে বইমেলা। তবে সময়ের পরিপ্রেক্ষিতে আগামী বছরগুলোতে এটি আন্তর্জাতিক বইমেলা হিসেবে আয়োজন করার সুযোগ আছে কি না, সেটি আমি আপনাদের ভেবে দেখার অনুরোধ জানাব।”

আন্তর্জাতিক পরিসরে এই মেলা অনুষ্ঠিত হলে দেশের নাগরিকরা বিশ্ব সাহিত্যের পাশাপাশি বহু ভাষা ও সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত হতে পারবে বলে আশাপ্রকাশ করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে বর্তমান প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে টিকে থাকতে জ্ঞান ও মেধাভিত্তিক সমাজ গঠনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, “সমৃদ্ধি ও সম্মানের সঙ্গে টিকে থাকতে হলে জ্ঞান, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে সমৃদ্ধ হওয়ার বিকল্প নেই। একইসঙ্গে বাংলাকে জাতিসংঘের অফিশিয়াল ভাষা হিসেবে স্বীকৃতি আদায়ের জন্যও কাজ শুরু করা প্রয়োজন।”

৫২-এর ভাষা আন্দোলনের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে সরকারপ্রধান বলেন, একুশে ফেব্রুয়ারি এখন আর শুধু বাংলাদেশের নয়, এটি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে সারা বিশ্বে পালিত হচ্ছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, বইমেলা কেবল কেনাবেচার মাধ্যম নয়, বরং শিক্ষা ও সংস্কৃতি বিকাশের মূল কেন্দ্রে পরিণত হবে।

বইমেলা কেবল ফেব্রুয়ারি মাসে বা ঢাকাতে সীমাবদ্ধ না রেখে সারা বছর দেশের প্রতিটি বিভাগ, জেলা ও উপজেলায় আয়োজনের পরামর্শ দেন প্রধানমন্ত্রী। এ বিষয়ে প্রকাশকদের উদ্যোগী হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, এক্ষেত্রে সরকারের পক্ষ থেকে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয় সব ধরনের সহযোগিতা করবে।

তরুণ প্রজন্মের মেধা বিকাশে বাংলা একাডেমির নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের প্রশংসা করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানান, দেশের সমৃদ্ধ সাহিত্যকে ইংরেজি ও অন্যান্য বিদেশি ভাষায় অনুবাদের কাজ আরও বেগবান করা হবে।

বক্তব্যের শেষ দিকে নিয়মিত বই পড়ার বৈজ্ঞানিক উপযোগিতা তুলে ধরে তারেক রহমান এক জার্মান দার্শনিকের উক্তি উদ্ধৃত করে বলেন, “বই ছাড়া ঘর, আত্মা ছাড়া দেহের মতন।”

গবেষণার তথ্য দিয়ে তিনি জানান, নিয়মিত বই পড়ার অভ্যাস মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা বাড়ায় এবং আলঝেইমার বা ডিমেনশিয়ার মতো রোগের ঝুঁকি কমায়।

একটি নিরাপদ, মানবিক ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সবার সহযোগিতা কামনা করে প্রধানমন্ত্রী অমর একুশে বইমেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন ঘোষণা করেন।

Continue Reading

top1

ডিএমপি কমিশনারের দায়িত্বে মো. সরওয়ার

Published

on

By

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (সুপারনিউমারারি অতিরিক্ত আইজি) মো. সরওয়ার। নতুন কেউ যোগদান না করা পর্যন্ত তিনি এই দায়িত্ব পালন করবেন।

বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) অ্যাডিশনাল ডিআইজি (পার্সোনেল ম্যানেজমেন্ট-১) শামিমা ইয়াছমিন খন্দকার স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ডিএমপির পুলিশ কমিশনার হিসেবে কোনো কর্মকর্তা যোগ না দেওয়া পর্যন্ত মো. সরওয়ার ডিএমপি কমিশনারের দায়িত্বে থাকবেন।

এর আগে গত ২৫ ফেব্রুয়ারি ‘ব্যক্তিগত ও পারিবারিক’ কারণ দেখিয়ে পদত্যাগপত্র জমা দেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী। যদিও তার চুক্তির মেয়াদ আগামী নভেম্বর পর্যন্ত ছিল।

বিসিএস পুলিশ ক্যাডারের ১৯৮৪ ব্যাচের কর্মকর্তা শেখ মো. সাজ্জাত আলী বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত আইজিপি থাকা অবস্থায় ২০১৬ সালের নভেম্বরে চাকরিচ্যুত হন।

আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকার ভূতাপেক্ষভাবে তাকে চাকরিতে পুনর্বহাল করে। ২০২৪ সালের ২০ নভেম্বর ডিএমপির ৩৮তম পুলিশ কমিশনার পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পান সাজ্জাত আলী। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছিল, যোগদানের তারিখ থেকে দুই বছর মেয়াদে তাকে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হল।

প্রসঙ্গত, গত বছরের ৭ জানুয়ারি এসবি থেকে সরওয়ারকে ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার হিসেবে পদায়ন করা হয়। এরপর তাকে ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের প্রধান করা হয়। এরপর ১১ আগস্ট অতিরিক্ত আইজিপি হিসেবে পদোন্নতি পান তিনি। রাজধানীতে যানজট নিরসনে সরওয়ার আলমের অবদান অনেক।

Continue Reading

top1

ইসির সংশোধনীতে পাল্টে গেল গণভোটের ফলাফল

Published

on

By

‘জুলাই জাতীয় সনদ’ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে অনুষ্ঠিত গণভোটের ফলাফলে বড় ধরনের সংশোধনী এনেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। পূর্বে ঘোষিত ফলাফলের তুলনায় প্রায় ১১ লাখ ভোট কমিয়ে নতুন করে সংশোধিত গেজেট প্রকাশ করা হয়েছে। নতুন সংশোধনী অনুযায়ী, পূর্বে ঘোষিত ফলাফলের তুলনায় ‘হ্যাঁ’ এবং ‘না’—উভয় ভোটের সংখ্যাই কমেছে।

বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ স্বাক্ষরিত এক অতিরিক্ত গেজেটের মাধ্যমে এ সংশোধনী তথ্য জানানো হয়।

উল্লেখ করা হয়, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে সংঘটিত ছাত্র-জনতার সফল অভ্যুত্থানের মাধ্যমে প্রকাশিত জনগণের সার্বভৌম ক্ষমতা প্রয়োগের উদ্দেশ্যে ‘জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫’ এবং সংবিধান সংস্কারের প্রস্তাবের বিষয়ে জনগণের সম্মতি যাচাইয়ে গত ১২ ফেব্রুয়ারি গণভোট অনুষ্ঠিত হয়। ওই ভোটের ফলাফল যা গত ১৩ ফেব্রুয়ারি গেজেটে প্রকাশিত হয়েছিল।

গেজেটে জানানো হয়, প্রথম গেজেটের হিসাব অনুযায়ী ‘হ্যাঁ’ ভোটের সংখ্যা ছিল ৪ কোটি ৮২ লাখ ৬৬০ জন, ‘না’ ভোটের সংখ্যা ছিল ২ কোটি ২০ লাখ ৭১ হাজার ৭২৬ জন। হ্যাঁ এবং না ভোট মিলে সর্বমোট প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা ছিল ৭ কোটি ৭৬ লাখ ৯৫ হাজার ২৩ জন। এর মধ্যে বাতিল হয়েছিল ৭৪ লাখ ২২ হাজার ৬৩৭ জন। বাতিল ভোট বাদ দিয়ে মোট বৈধ ভোটার সংখ্যা দাঁড়ায় ৭ কোটি ২ লাখ ৭২ হাজার ৩৮৬ জন।

সংশোধিত গেজেটের হিসেব অনুযায়ী, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের সংখ্যা ৪ কোটি ৭২ লাখ ২৫ হাজার ৯৮০ জন, ‘না’ ভোটের সংখ্যা দাঁড়াবে ২ কোটি ১৯ লাখ ৬০ হাজার ২৩১ জন। হ্যাঁ ও না ভোট মিলে সর্বমোট প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭ কোটি ৬৬ লাখ ২১ হাজার ৪০৭ জন। এর মধ্যে বাতিল হয়েছে ৭৪ লাখ ৩৫ হাজার ১৯৬ জন। বাতিল ভোট বাদ দিয়ে মোট বৈধ ভোটার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬ কোটি ৯১ লাখ ৮৬ হাজার ২১১ জন।

আগের তুলনায় ৯ লাখ ৭৪ হাজার ৬৮০টি ‘হ্যাঁ’ ভোট কমেছে। অন্যদিকে ‘না’ ভোটের সংখ্যা কমেছে ১ লাখ ১১ হাজার ৪৯৫টি। বাতিলকৃত ভোটের সংখ্যা আগের চেয়ে ১২ হাজার ৫৫৯টি বেড়েছে। সার্বিকভাবে মোট প্রদত্ত ভোটের সংখ্যা ১০ লাখ ৭৩ হাজার ৬১৬টি কমেছে।

নির্বাচন কমিশন সংশোধনের সুনির্দিষ্ট কারণ উল্লেখ করেনি। গেজেটে কেবল বলা হয়েছে, কমিশনের আদেশক্রমে সংশোধিত ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। ফলে এত বড় অঙ্কের ভোট কমে যাওয়ার কারণ নিয়ে জনমনে কৌতূহল ও আলোচনা তৈরি হয়েছে। নির্বাচন বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ফলাফল পুনঃযাচাই, তথ্য সংকলনে ত্রুটি সংশোধন কিংবা কেন্দ্রভিত্তিক পুনর্গণনার কারণে এ পরিবর্তন আসতে পারে।

উল্লেখ্য, এই গণভোটের মাধ্যমেই ‘জুলাই জাতীয় সনদ’-এর সাংবিধানিক বৈধতা ও জনসমর্থন চূড়ান্ত করার কথা রয়েছে। 

Continue Reading

Trending