Connect with us

top1

বিশ্বজুড়ে ইসরায়েলের বৈধতা সংকট থাকলেও ভারতে নেই: নেতানিয়াহু

Published

on

বিশ্বের অধিকাংশ দেশে ইসরায়েল তীব্র বৈধতার সংকটে ভুগলেও ভারতে তাদের কোনো সংকট নেই বলে দাবি করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু।

বৃহস্পতিবার (২৮ মে) অধিকৃত পশ্চিম তীরে অনুষ্ঠিত এক বিশেষ সম্মেলনে দেওয়া ভাষণে তিনি ভারতের মতো একটি বিশাল শক্তির সঙ্গে ইসরায়েলের চমৎকার এবং অনন্য সম্পর্কের কথা তুলে ধরেন।

সম্মেলনে নেতানিয়াহু দাবি করেন যে ভারতে ইসরায়েলের প্রতি এক প্রকার অবিশ্বাস্য ও উন্মাদনাপূর্ণ সমর্থন রয়েছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, ‘বিশ্বের অনেক জায়গায় আমাদের বৈধতা নিয়ে নানা সংকট ও সমস্যা তৈরি হলেও ভারতে তা মোটেও নেই। সেখানে ইসরায়েলের প্রতি মানুষের ভালোবাসা এবং সমর্থন সত্যিই দেখার মতো।’ একই সঙ্গে তিনি মন্তব্য করেন যে বিশ্বের অন্য যেকোনো দেশের তুলনায় বর্তমানে ভারতেই ইসরায়েলের সবচেয়ে বেশি সমর্থক বা অনুসারী রয়েছে।

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী অবশ্য এর আগেও ভারতে নিজের এবং তার দেশের ব্যাপক জনপ্রিয়তা নিয়ে একাধিকবার এমন মন্তব্য করেছেন। তিনি তার স্ত্রী সারাকে নিয়ে ২০১৮ সালে নতুন দিল্লিতে করা শেষ রাষ্ট্রীয় সফরকে স্মরণ করে সেটিকে একটি ‘ভালোবাসার উৎসব’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজের ‘৬০ মিনিটস’ নামক এক বিশেষ অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে তিনি দাবি করেছিলেন যে ভারতের ১৪০ কোটি মানুষের মনে ইসরায়েলের জন্য এক বিশাল ও গভীর শ্রদ্ধা রয়েছে এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিও তাদের অত্যন্ত আন্তরিকতার সঙ্গে স্বাগত জানিয়েছিলেন।

নেতানিয়াহুর ভারতের প্রতি এই বিশেষ ভালোবাসা এবং প্রশংসামূলক বক্তব্য এমন এক সময়ে সামনে এলো যখন আন্তর্জাতিক মহলে, বিশেষ করে আমেরিকার জনগণের মধ্যে তার এবং ইসরায়েলের জনপ্রিয়তা আশঙ্কাজনকভাবে হ্রাস পাচ্ছে।

গত এপ্রিলে প্রকাশিত পিউ রিসার্চ সেন্টারের সর্বশেষ সমীক্ষার তথ্য অনুযায়ী, ৬০ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক মার্কিন নাগরিক এখন ইসরায়েলকে নেতিবাচক বা অপছন্দের চোখে দেখছেন, যা গত বছর ছিল ৫৩ শতাংশ। এ ছাড়া বিশ্ব রাজনীতি বা বৈশ্বিক বিষয়ে নেতানিয়াহু সঠিক সিদ্ধান্ত নেবেন কি না, তা নিয়ে ৫৯ শতাংশ মার্কিন নাগরিকের এখন কোনো আস্থা নেই, যা গত বছর ছিল ৫২ শতাংশ।

আমেরিকায় নিজের এই ভাবমূর্তি ও জনপ্রিয়তা সংকটের জন্য নেতানিয়াহু সরাসরি পাকিস্তানকে তীব্রভাবে দায়ী করেছেন। ওই একই সাক্ষাৎকারে তিনি অভিযোগ করেন যে পাকিস্তান মূলত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কৃত্রিম ‘বট ফার্ম’ বা ভুয়ো অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে মার্কিন জনমতে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ইসরায়েল-বিরোধী মনোভাব তৈরি করছে।

নেতানিয়াহুর দাবি অনুযায়ী, যারা আমেরিকা ও ইসরায়েলের মধ্যকার ঐতিহাসিক বন্ধনকে দুর্বল করতে চায়, তারা ভুয়ো প্রোফাইল থেকে আমেরিকান সেজে পোস্ট করে যে তারা আগে ইসরায়েলকে সমর্থন করলেও এখন আর সহ্য করতে পারছে না। অথচ খোঁজ নিলে দেখা যায়, সেই পোস্টটি পাকিস্তানের কোনো একটি অন্ধকার বেসমেন্টে বসে করা হচ্ছে।

সূত্র: এনডিটিভি

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

জুলাই শহীদ পরিবারের সঙ্গে জামায়াত নেতাদের ঈদ উদযাপন

Published

on

By

ঐতিহাসিক জুলাই বিপ্লবের বীর শহীদদের পরিবারের প্রতি শ্রদ্ধা ও সংহতি জানাতে পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে তাদের বাসভবনে গিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ। ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন এলাকায় বসবাসরত শহীদদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিতে দিনভর এই বিশেষ কর্মসূচি পালন করা হয়। জামায়াতের কেন্দ্রীয় ও মহানগরী পর্যায়ের নেতারা শহীদদের ঘরে ঘরে গিয়ে তাদের খোঁজখবর নেন এবং পরিবারের পাশে থাকার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

এই বিশেষ গণসংযোগ কার্যক্রমে নেতৃত্ব দেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য এবং ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমির নূরুল ইসলাম বুলবুল, এমপি। তার সাথে দিনভর এই কার্যক্রমে আরও অংশ নেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমির শিক্ষাবিদ আব্দুস সবুর ফকির এবং অ্যাডভোকেট ড. হেলাল উদ্দিন। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সহকারী সেক্রেটারি মোহাম্মদ কামাল হোসেন এমপি এবং ড. আব্দুল মান্নান। মহানগরী কর্মপরিষদ সদস্য ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক শাহীন আহমেদ খান, ডাকসুর ভিপি আবু সাদিক কায়েম এবং মহানগরী সহকারী প্রচার সম্পাদক আবদুস সাত্তার সুমনসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দও এই সময় শহীদদের পরিবারের সাথে সাক্ষাৎ করেন।

নেতৃবৃন্দ তাদের এই শুভেচ্ছাসফরের অংশ হিসেবে সকালে প্রথমে রাজধানীর পল্টন এলাকায় যান। সেখানে তারা বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে আত্মত্যাগকারী শহীদ কামাল মিয়ার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। এরপর দুপুরের দিকে নেতারা ঢাকা-৫ সংসদীয় আসনের অন্তর্গত যাত্রাবাড়ী এলাকায় পৌঁছান। সেখানে আন্দোলনের অগ্রভাগের শহীদ আসলাম, শহীদ আরিফ, শহীদ শাহাদাত হোসেন শাওন, শহীদ জিহাদ এবং শহীদ জাহাঙ্গীর আলমের বাসভবনে গিয়ে তাদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের সাথে দীর্ঘ সময় কাটান।

যাত্রাবাড়ীর পর জামায়াত নেতারা কুতুবখালী এলাকায় যান এবং সেখানে শহীদ নাঈম হাওলাদার, শহীদ শাকিল ও শহীদ নাছির উদ্দিনের পরিবারের খোঁজখবর নেন। সবশেষে নেতৃবৃন্দ মোকাররম মসজিদ ও শেখদী এলাকায় গিয়ে শহীদ নুর হোসেন, শহীদ জিহাদ হোসেন, শহীদ আহমদ আবদুল্লাহ, শহীদ জাহাঙ্গীর খাঁ, শহীদ রবিন মিয়া এবং শহীদ আব্দুল হান্নানের বাসায় পৌঁছান। সাক্ষাৎকালে নেতারা প্রতিটি শহীদ পরিবারের সার্বিক অবস্থা, বর্তমান পরিস্থিতি ও তাদের নানা প্রয়োজনের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। জামায়াতের পক্ষ থেকে এই শহীদ পরিবারগুলোর প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশের পাশাপাশি তাদের হাতে ঈদ উপহার ও বিশেষ আর্থিক সহযোগিতা তুলে দেওয়া হয়।

Continue Reading

top1

রাজধানীর বিভিন্ন মোড়ে কম দামে বিক্রি হচ্ছে কোরবানির মাংস

Published

on

By

দেশজুড়ে যথাযথ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পালিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল আজহা। ঈদের নামাজ ও কোরবানি শেষে যথানিয়মে গরিব-অসহায় মানুষের মাঝে মাংস বিলিয়ে দিচ্ছেন সামর্থ্যবানেরা। তবে ঈদের দিন দুপুরে সেই মাংসেরই একটি অংশ আবার রাজধানীর বিভিন্ন এলাকার সড়কের পাশে বিক্রি হতে দেখা গেছে। বাজারমূল্যের চেয়ে কম দামে মাংস কিনতে এসব অস্থায়ী দোকানে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষের উপচে পড়া ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো।

বৃহস্পতিবার (২৮ মে) রাজধানীর বাংলামোটর, হাতিরপুল, কারওয়ান বাজার ও মিরপুর এলাকার বিভিন্ন সড়ক ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে। কোথাও ফুটপাতের ওপর পলিথিন বিছিয়ে, আবার কোথাও ছোট টেবিল সাজিয়ে বিক্রি করা হচ্ছিল গরু ও খাসির মাংস, ভুঁড়ি, মাথা, পা ও হাড়।

প্রতি বছরই ঈদের দিন রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় এ ধরনের অস্থায়ী মাংসের বাজার বসতে দেখা যায়। মূলত বিভিন্ন বাসাবাড়ি থেকে দুস্থ মানুষেরা যে মাংস সাহায্য হিসেবে পান, তার একটি অংশ তারা নিজেদের অন্যান্য জরুরি প্রয়োজন মেটাতে এসব মৌসুমি ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি করে দেন। আবার অনেকে সরাসরি সংগ্রহ করে এনে বাজারের তুলনায় কিছুটা কম দামে বিক্রি করেন।

সরেজমিনে বাংলামোটর ও হাতিরপুল এলাকায় দেখা যায়, বিক্রেতারা সারিবদ্ধভাবে মাংসের পসরা সাজিয়ে বসেছেন। প্রতি কেজি গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৬৫০ থেকে ৭০০ টাকায়। কোথাও আবার মিশ্র মাংস ও হাড়সহ বিক্রি হচ্ছে আরও কম দামে।

রাজধানীর বাংলামোটর মোড়ে এক মাংস বিক্রেতা জানান, শহরের বিভিন্ন স্থান থেকে কোরবানির পশুর মাংস, মাথা, পা ও হাড় সংগ্রহ করে এনে এখানে বিক্রি করছেন। কম দামে পাওয়ায় নিম্নআয়ের মানুষ ও শ্রমজীবীরা বেশি কিনছেন।

হাতিরপুল এলাকার এক বিক্রেতা বলেন, দুপুর থেকেই ক্রেতার চাপ বেশি। অনেকেই এক কেজি বা আধা কেজি করে মাংস কিনছেন। বাজারে যে দামে মাংস বিক্রি হয়, তার চেয়ে এখানে দাম বেশ কম।

বাংলামোটরে মাংস কিনতে আসা জাকের আলী বলেন, বাজারে প্রতি কেজি গরুর মাংস কিনতে গেলে ৮০০ টাকার ওপরে লাগে। কিন্তু এখানে ভালো মানের মাংস ৬০০ থেকে ৭০০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে। মাংসের পাশাপাশি গরুর ভুঁড়িও বিক্রি হচ্ছে ২০০ থেকে ২৫০ টাকা কেজি দরে। এতে আমাদের মতো নিম্নআয়ের পরিবারের মাংসের চাহিদা পূরণ হচ্ছে।

রাজধানীর মিরপুর এলাকার মৌসুমি মাংস ব্যবসায়ী রফিক বলেন, যাদের মাংস কেনার সামর্থ্য কম, তারা কম দামে ভুঁড়ি, কলিজা বা হাড় কিনছেন। মানভেদে প্রতি কেজি গরুর মাংস ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। কেউ আধা কেজি চাইলে আমরা তাও দিচ্ছি।

এদিকে এসব অস্থায়ী বাজারে ক্রেতাদের উপস্থিতিও ছিল উল্লেখযোগ্য। অনেকেই পরিবারের মুখে ঈদের দিন একটু মাংস তুলে দিতে এখানে ভিড় করেছেন।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ক্রেতা বলেন, কোরবানি দেওয়ার সামর্থ্য নেই। বাজারে মাংসের দামও অনেক বেশি। তাই প্রতি বছর ঈদের দিন রাস্তার পাশ থেকে মাংস কিনি। এখানে একটু কম দামে পাওয়া যায়।

নাসিমা বেগম নামে এক গৃহকর্মী বলেন, যে বাসায় কাজ করি তারা ঈদে গ্রামের বাড়ি গেছে। তাই এবার কোরবানির মাংস পাইনি। বাচ্চারা মাংস খেতে চেয়েছিল, তাই রাস্তার পাশ থেকে ৭০০ টাকা দিয়ে এক কেজি মাংস কিনলাম।

Continue Reading

top1

ইরানে আবার মার্কিন হামলা, বিশ্ববাজারে তেলের দামে বড় লাফ

Published

on

By

ইরানের কৌশলগত ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বন্দরনগরী বন্দর আব্বাসের একটি সামরিক স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্রের অতর্কিত হামলার পরপরই বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম হু হু করে বাড়তে শুরু করেছে।

বৃহস্পতিবার (২৮ মে) ইরানে আবার নতুন করে মার্কিন হামলার ঘটনা ঘটেছে।

মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) এক বিবৃতিতে এই হামলার খবর নিশ্চিত করেছে। তারা দাবি করেছে, হরমুজ প্রণালির আশপাশে আন্তর্জাতিক নৌ চলাচলে হুমকি সৃষ্টি করায় ইরানের চারটি ড্রোনও তাদের বাহিনী সফলভাবে ভূপাতিত করেছে।

মার্কিন হামলার পরপরই বিশ্ববাজারে তেলের মানদণ্ড ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ৩ দশমিক ৭৫ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৯৭ দশমিক ৮৩ ডলারে (৭৩ দশমিক ১৫ পাউন্ড) পৌঁছেছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রে লেনদেন হওয়া ক্রুড অয়েলের দাম ৪ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৯২ দশমিক ২২ ডলারে উঠেছে।

তেহরান ও ওয়াশিংটনের মধ্যে যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকা এবং তিন মাস ধরে চলা সংঘাতের অবসানে আলোচনার মধ্যেই এই হামলা হয়েছে। এই সংঘাতের কারণে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি কার্যত বন্ধ হয়ে গেছে, ফলে বিশ্বজুড়ে জ্বালানির দাম বেড়েছে। বিশ্বের মোট তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) প্রায় পাঁচ ভাগের এক ভাগ সাধারণত এই প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হয়।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে হামলা চালানোর পরপরই তেহরান হরমুজ প্রণালি ব্যবহারকারী জাহাজগুলোয় হামলার হুমকি দিয়েছিল।

Continue Reading

Trending