Connect with us

ক্যাম্পাস

বুটেক্স বিজনেস ক্লাবের নেতৃত্বে রাকিব–রাইহান 

Published

on

অভিষেক দত্ত, বুটেক্স প্রতিনিধি

বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয় (বুটেক্স) বিজনেস  ক্লাবের কার্যকরী কমিটি ২০২৫-২৬ গঠন করা হয়েছে। এতে সভাপতি হয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং ম্যানেজমেন্ট বিভাগের ৪৭তম ব্যাচের শিক্ষার্থী মো. রাকিবুল ইসলাম এবং সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের একই ব্যাচের শিক্ষার্থী আশরাফুল হক রাইহান।

গত শনিবার (৪ অক্টোবর) রাতে বুটেক্স বিজনেস ক্লাবের মডারেটর বিশ্ববিদ্যালয়ের ডাইজ অ্যান্ড কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আব্বাস উদ্দীন কার্যকরী কমিটি ২০২৫-২৬ ঘোষণা করেন৷ 

কার্যকরী কমিটির সহ-সভাপতি হয়েছেন নাজমুস সাকিব অয়ন, অন্বয় দেবনাথ, মো.আবু রায়হান প্রান্ত, অর্পন সাহা, তাসমিয়া বিনতে ফাইজুর, হায়াতুন বিনতে হাই ত্বোয়া, জুবায়ের আল মাহমুদ, মোহাম্মদ সাজ্জাদুর রহমান, সৌমিক হাসান তরফদার, এস.এম. মুনতাসির ও মুশফিক আহমেদ। 

নবগঠিত কমিটির সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল হক রাইহান বলেন, বুটেক্স বিজনেস ক্লাবের সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পাওয়া আমার জন্য এক নতুন চ্যালেঞ্জ। এই সীমিত সময়ের কমিটিতে আমার লক্ষ্য থাকবে প্রতিটি দায়িত্ব যথাযথভাবে সম্পন্ন করা এবং ক্লাবের কার্যক্রমে নতুনত্ব ও সৃজনশীলতার ধারা বজায় রাখা।

আমি বিশ্বাস করি, একসাথে কাজ করার মাধ্যমেই বড় সাফল্য অর্জন করা সম্ভব। তাই টিমওয়ার্ক ও পারস্পরিক সহযোগিতাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে এবং বিজনেস ক্লাবকে এমনত এক প্ল্যাটফর্মে উন্নীত করা, যা কেবল বুটেক্সের ফেস ভ্যালু বাড়াবে না, বরং এখান থেকে ভবিষ্যতের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক নেতৃত্ব গড়ে তুলতে সহায়ক হবে।

সভাপতি মো. রাকিবুল ইসলাম বলেন, আমি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি বুটেক্স বিজনেস ক্লাব পরিবারের প্রতি, আমাকে ২০২৫-২৬ কার্যবছরের সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়ার জন্য এবং নতুন কমিটির সবাইকে প্রাণঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা। আগের কমিটিতে ডিরেক্টর (অ্যাডমিন) হিসেবে কাজ করার সময় আমি দেখেছি—এই ক্লাব শুধু একটি সংগঠন নয়, এটি বুটেক্স শিক্ষার্থীদের নেতৃত্ব, পেশাগত দক্ষতা ও সৃজনশীলতার এক অসাধারণ প্ল্যাটফর্ম।

তিনি আরোও বলেন, নতুন দায়িত্বের এই শুরুতে আমি প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি, আমরা একসাথে মিলে এই ক্লাবকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যাব। আমাদের লক্ষ্য থাকবে—সৃজনশীলতা, পেশাগত প্রস্তুতি এবং দলগত চেতনাকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের বাস্তব ব্যবসায়িক জগতে প্রস্তুত করা। আমি আগের কমিটির সকল নেতৃবৃন্দ ও সদস্যদের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই, যাদের প্রচেষ্টায় ক্লাবটি আজকের এই অবস্থানে পৌঁছেছে। নতুন কমিটি হিসেবে আমরা তাদের অর্জনের ওপর দাঁড়িয়ে আরও বড় সাফল্য গড়া এবং ক্লাবকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার জন্য কাজ করবো।

উল্লেখ্য,টেক্সটাইল ইন্ডাস্ট্রির চলমান ব্যবসায়িক সমস্যা ও সম্ভাবনাকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থীদের বাস্তব জ্ঞান ও মানোন্নয়ন সাধনের উদ্দেশ্যে বুটেক্স বিজনেস ক্লাবের আয়োজনে নিয়মিতভাবে ‘টেক্সবিজ’, ‘টেক্সপ্রেস’সহ নানা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের ক্যারিয়ার উন্নয়ন ও দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে নিয়মিত সেমিনার, ওয়ার্কশপ ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের আয়োজন করে থাকে ক্লাবটি।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top3

ভাইভাতে নম্বর বৃদ্ধির মাধ্যমে মেধার অবমূল্যায়নের প্রতিবাদে ববিতে মানববন্ধন

Published

on

By

ববি প্রতিনিধি

সরকারি চাকরিতে অযৌক্তিক হারে নম্বর বৃদ্ধির মাধ্যমে মেধার অবমূল্যায়ন ও রাজনৈতিক সুপারিশ সৃষ্টির প্রতিবাদ জানিয়ে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) শিক্ষার্থীরা মানববন্ধন করেছে।

বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩ নম্বর গেটের সামনে এ মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় শিক্ষার্থীরা তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির সরকারি চাকরিতে মৌখিক পরীক্ষার নম্বর বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান। একই সঙ্গে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও মেধার যথাযথ মূল্যায়ন নিশ্চিত করার দাবি জানান তারা।

এ সময় ববির আইন বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ইমন আলী বলেন, “আমরা চাই, দেশের সব নাগরিকের চাকরিতে সমান অধিকার থাকবে। এখানে কোনো দলীয়পন্থি বা দলীয় গোষ্ঠীর লোকজন চাকরি করবে এমনটা হবে না। আমরা এসব মানি না। আমরা বছরের পর বছর পড়াশোনা করি, আর আপনারা হঠকারী সিদ্ধান্ত নেন। আপনারা দ্রুতই এই হঠকারী সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসুন। আমরা কোনো সরকারের বিপক্ষে নই, আমরা কোনো ভাইবার বিপক্ষেও নই। আমরা আপনাদের এই হঠকারী সিদ্ধান্তের বিপক্ষে।”

ববি রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী হাফিজ বলেন, “সরকারের উদ্দেশ্য কী, সাধারণ জনগণ তা বুঝতে পেরেছে। আমরাও জানি ভাইভায় নম্বর বৃদ্ধির কারণ কী। আমরা আমাদের সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিতে চাই অনতিবিলম্বে সরকারকে এই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসতে হবে। এই সিদ্ধান্ত থেকে তাদের ফিরে আসতে হবে। তাদের এই লিটমাস টেস্ট থেকে সরে আসতে হবে। যদি আপনারা এই সিদ্ধান্ত থেকে সরে না আসেন, তাহলে হাসিনার মতো একই পরিণতি ভোগ করতে হবে।”

উল্লেখ্য, গত ৬ সেপ্টেম্বর মন্ত্রণালয়, বিভাগ এবং এর আওতাধীন দপ্তর-সংস্থায় ১১ থেকে ২০তম গ্রেডের (তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণি) নিয়োগে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় সমান ৫০ নম্বর রাখার সিদ্ধান্ত নেয় প্রশাসনিক উন্নয়নসংক্রান্ত সচিব কমিটি। এ সিদ্ধান্তের পর থেকেই বিভিন্ন স্থানে এর প্রতিবাদ জানিয়ে আসছেন চাকরিপ্রত্যাশী ও শিক্ষার্থীরা।

Continue Reading

top3

সরকারি চাকরিতে মৌখিক পরীক্ষা নম্বর বৃদ্ধির প্রতিবাদে ববিতে জাতীয় ছাত্রশক্তির মানববন্ধন

Published

on

By

ববি প্রতিনিধি

তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির সরকারি চাকরিতে মৌখিক পরীক্ষার নম্বর বৃদ্ধির প্রগতিবাদে  বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) মানববন্ধন করেছে বাংলাদেশ জাতীয় ছাত্রশক্তি ববি শাখা। মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন নাম্বার গেটের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধননে ছাত্রশক্তির নেতারা মৌখিক পরীক্ষার নম্বর বৃদ্ধিকে অযৌক্তিক মনে করেন এবং দ্রুত এই পদক্ষেপ থেকে সরকারকে সরে আসার জন্য অনুরোধ জানান৷

মানববন্ধনে ছাত্রশক্তির মুখ্য সংগঠক শহিদুল ইসলাম শাহেদ, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ইমরান আল আমিনসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শাখা ছাত্রশক্তির আরো কয়েকজন নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

জাতীয় ছাত্রশক্তি ববি শাখার সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক এস এম ওয়াহিদুর রহমান বলেন, “সরকারি তৃতীয়  ও চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী নিয়োগের ক্ষেত্রে ভাইবা বোর্ডে পঞ্চাশ শতাংশ মার্ক নির্ধারণ করার মাধ্যমে দলীয় পোষ্য ক্যাডার এবং লেজুর ভিত্তিক যত কর্মী আছে তাদেরকে নিয়োগ দেওয়ার এক নীল নকশা চলছে। যার ফলে আমাদের চব্বিশ এর কোটা আন্দোলন ব্যর্থ হতে চলছে। এই স্বার্থপরী সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। পাশাপাশি আমরা চাই দেশের সাধারণ মানুষও এই নীল নকশার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাক।”

এবং জাতীয় ছাত্রশক্তি ববি শাখার আহ্বায়ক মোহাম্মদ বেলাল বলেন, “আমরা দেখতে পেলাম গত নির্বাচনে বিএনপি সরকার গঠন করার পরে সকল জেলা ও উপজেলায় দলীয় প্রশাসক নিয়োগ করলো। আর এখন সরকারি চাকরিতেও দলীয়করণের চেষ্টা। যেখানে একজন গরীব ছাত্র পড়াশোনা শেষ করে জীবিকা নির্বাহ করবে সেখানে যদি আপনি দলীয়করণ করা শুরু করে দেন তাহলে তা আওয়ামী লীগের কোটা পন্থার চেয়েও ভয়াবহ। এটা কারের সম্পূর্ণ ভুল সিদ্ধান্ত। সরকারের উচিত এই সিদ্ধান্ত বিবেচনা করা, যদি বিবেচনা না করে তাহলে চব্বিশে যেমন আমরা মাঠে নেমেছি তেমন মাঠে নামতে বাধ্য হব।”

উল্লেখ্য, গত ৬ই সেপ্টেম্বর মন্ত্রণালয় বিভাগ এবং এর আওতাধীন দপ্তর-সংস্থায় ১১ থেকে ২০তম গ্রেডের (তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণি) নিয়োগে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষায় সমান ৫০ নম্বর রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রশাসনিক উন্নয়নসংক্রান্ত সচিব কমিটি।

Continue Reading

ক্যাম্পাস

প্রথম বারের মত দেশের সব বিভাগেই অনুষ্ঠিত হবে রাবি ভর্তি পরীক্ষা

Published

on

By

রাবি প্রতিনিধি:

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ২০২৬–২৭ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষার কেন্দ্র হিসেবে এবার বরিশাল বিভাগ যুক্ত করা হয়েছে। এর ফলে দেশের মোট আটটি বিভাগীয় শহরেই ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীরা। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. ফরিদুল ইসলাম।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, প্রাথমিকভাবে ঢাকা, রাজশাহী, রংপুর, খুলনা, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ ও সিলেটে পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছিল। বরিশাল বিভাগ বাদ পড়লেও পরবর্তীতে শিক্ষার্থীদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে প্রথমবারের মতো দেশের সব বিভাগীয় শহরেই ভর্তি পরীক্ষা নেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদুল ইসলাম বলেন, ​’বাইরে পরীক্ষা নেওয়ার ক্ষেত্রে আমাদের অনেক শিক্ষককে পরীক্ষা কেন্দ্রে পাঠাতে হয়। বরিশাল বিভাগে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীর সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম হওয়ায় এবং আমাদের যেন শিক্ষক সংকট না হয়, সে কথা বিবেচনা করে প্রথমে বরিশাল বিভাগকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। পরবর্তীতে শিক্ষার্থীদের স্মারকলিপির ভিত্তিতে তাদের ভোগান্তি কমাতে বরিশালকেও অন্তর্ভুক্ত করে দেশের সব বিভাগেই পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।’

​পরবর্তী বছরে এই সিদ্ধান্ত পরিবর্তিত হতে পারে বলেও তিনি জানিয়েছেন।

উল্লেখ্য,  ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে রাবির স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা  আগামী ৮, ৯ ও ১৬ জানুয়ারি ২০২৭ অনুষ্ঠিত হবে। ৮ জানুয়ারি ‘বি’ ইউনিট, ৯ জানুয়ারি ‘সি’ ইউনিট এবং ১৬ জানুয়ারি ‘এ’ ইউনিটের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।


Continue Reading

Trending