Connect with us

ক্যাম্পাস

বেরোবিতে বর্ণিল আয়োজনে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস পালিত

Published

on

বেরোবি প্রতিনিধি
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুরে যথাযথ মর্যাদা ও উৎসবের সাথে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস -২০২৬’ পালিত হয়েছে। আজ বুধবার (৫ আগস্ট, ২০২৬) সকালে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের মধ্যে দিয়ে দিবসটির কর্মসূচি আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু করা হয়।

এরপর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের দক্ষিণ গেট থেকে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার উদ্বোধন করেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ শওকাত আলী। বৃষ্টিস্নাত সকালে উপাচার্যের নেতৃত্বে শোভাযাত্রায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগ ও দপ্তরের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ ব্যানার নিয়ে অংশগ্রহণ করেন। বাদ্যযন্ত্রের তালে তালে শোভাযাত্রাটি পার্কের মোড়, শহিদ আবু সাঈদ চত্বর, মডার্ন মোড় হয়ে ক্যাম্পাসের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করেন।


এরপর দিবসটি উপলক্ষে ক্যাম্পাসে বৃক্ষরোপণ করেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ শওকাত আলী। বৃক্ষরোপণ শেষে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন উপাচার্য। এ সময় তিনি বলেন, আজ আমাদের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকী। সকল ছাত্র-জনতা যেভাবে ২০২৪-এর জুলাইয়ে অভূতপূর্ব গণ-অভ্যুত্থান ঘটিয়েছিল, তার পুরো কৃতিত্ব আমাদের তারুণ্যের। এই তারুণ্যের কারণেই আজ বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক পরিবেশ ফিরে এসেছে।

বেরোবি উপাচার্য বলেন, ফ্যাসিবাদ ও বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়তে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অগ্রসৈনিক শহিদ আবু সাঈদের আত্মত্যাগ বিশ্বের বুকে বিরল ঘটনা। তিনি বলেন, শহিদ আবু সাঈদের আত্মত্যাগ ছিল এই আন্দোলনের উজ্জ্বল নিদর্শন, যা আজও তরুণ প্রজন্মের জন্য সংগ্রামের অনুপ্রেরণা হয়ে রয়েছে। তিনি আরও বলেন, আমরা চাই, আর যেন কখনো কোনো স্বৈরাচারী সরকার ফিরে আসতে না পারে।


‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে দুপুরে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। এছাড়া বিকেলে কবি হেয়াত মামুদ ভবনে রচনা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। এছাড়াও জুলাই গণঅভ্যুত্থানভিত্তিক লেখা নিয়ে রোড ম্যাগাজিন প্রকাশ করা হয়। বাদ জোহর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে জুলাই শহিদদের আত্মার মাগফিরাত এবং আহতদের আশু রোগমুক্তি কামনা করে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন আবাসিক হলের শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ খাবারের ব্যবস্থা করা হয়।


বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বাসভবন সংলগ্ন মাঠে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬ উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ও রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) প্রফেসর ড. মো. ফেরদৌস রহমানের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ শওকাত আলী। এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোঃ নজরুল ইসলাম। আলোচনা শেষে জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে স্মরণ করে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী এবং জনপ্রিয় ব্যান্ড সংগীত দল ‘বাগধারা’ তাদের গান পরিবেশন করেন।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ক্যাম্পাস

৫৩ একরে এক শান্ত চারপেয়ে সদস্য: ববি’র ‘মানতের গরু’র গল্প

Published

on

By

মাফিদুল হাসান, ববি

পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সবুজ চত্বর মানেই আড্ডা, মিছিল, স্লোগান আর একঝাঁক তরুণ প্রাণের উচ্ছ্বাস। কিন্তু বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) চিত্রটি একটু ভিন্ন। এখানে শিক্ষার্থীদের নিত্যদিনের কোলাহলের মাঝে মিশে আছে চারপেয়ে এক শান্ত সদস্য। সে কোনো শিক্ষার্থী নয়, নয় কোনো কর্মচারী—তবুও সে এই ক্যাম্পাসেরই অবিচ্ছেদ্য অংশ। জানা যায়, কয়েক বছর আগে এক অজানা মানত পূরণের উদ্দেশ্যে ক্যাম্পাসে ছেড়ে যাওয়া সেই গরুটি আজ বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের এক পরম মমতার প্রতীকে পরিণত হয়েছে।

ঘটনাটি কয়েক বছর আগের। জনৈক এক ব্যক্তি তার ব্যক্তিগত মানত পূরণের উদ্দেশ্যে একটি গরু ক্রয় করেন। ধর্মীয় বা আধ্যাত্মিক বিশ্বাস থেকে তিনি গরুটি কোনো কসাইখানা বা হাটে না পাঠিয়ে বেছে নেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসকে। একদিন নিঃশব্দে গরুটি ক্যাম্পাসে ছেড়ে দিয়ে তিনি চলে যান। কোনো মালিকানা নেই, কোনো নির্দিষ্ট গোয়াল নেই—পুরো ক্যাম্পাসটাই হয়ে ওঠে গরুটির নতুন ঠিকানা।

তবে গরুটিকে বেশ কিছুদিন ধরে ক্যাম্পাসে দেখতে পাওয়া যায়নি। গরুটিকে না দেখতে পেয়ে অনেক শিক্ষার্থী বিচলিত হয়ে পড়েন। অনেকে ভাবতে থাকেন ক্যাম্পাস থেকে গরুটি চুরি হয়ে গেলো কী না? কিন্তু সম্প্রীতি গরুটিকে আবার ক্যাম্পাসে দেখতে পেয়ে আনন্দিত শিক্ষার্থীরা।

শুরুতে অনেকের মনেই প্রশ্ন ছিল, মুক্তভাবে বিচরণ করা এই প্রাণীটি শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার জন্য হুমকি হবে কি না। কিন্তু সময়ের সাথে সাথে গরুটি প্রমাণ করেছে, সে কোনো উটকো আগন্তুক নয়, বরং এই পরিবারেরই এক নীরব সদস্য।

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে যখন ফুটবল বা ক্রিকেটের আসর বসে, তখন এক অদ্ভুত দৃশ্য চোখে পড়ে। একপাশে যখন শিক্ষার্থীরা ঘাম ঝরিয়ে গোল করার নেশায় মত্ত, মাঠের সীমানায় দাঁড়িয়ে গভীর মনোযোগে তা পর্যবেক্ষণ করে এই গরুটি। তার চাহনিতে থাকে এক অদ্ভুত স্থিরতা। সাধারণ প্রাণীদের মতো সে কেবল ঘাস খেয়েই ক্ষান্ত থাকে না; বরং মানুষের খেলাধুলার প্রতি তার এই ‘মানুষের মতো’ একদৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকা শিক্ষার্থীদের মাঝে বিস্ময় জাগায়। অনেক শিক্ষার্থী মজা করে বলেন, “আমাদের এই বন্ধুটি হয়তো মনে মনে কোনো এক দলের সমর্থন দিচ্ছে!

গরুটির সবচেয়ে অবাক করা বিষয় হলো তার স্বভাবজাত শিষ্টাচার। বিশ্ববিদ্যালয়ের সরু পথগুলোতে যখন শিক্ষার্থীদের ভিড় থাকে, তখন প্রায়ই দেখা যায় গরুটি পথের মাঝে দাঁড়িয়ে আছে। কিন্তু আশ্চর্যজনকভাবে, কোনো শিক্ষার্থীকে আসতে দেখলেই সে নিজে থেকেই পথ ছেড়ে পাশে সরে দাঁড়ায়। কাউকে গুঁতো দেওয়া বা বিরক্ত করার কোনো রেকর্ড তার ডায়েরিতে নেই। এই আচরণটি কেবল সহজাত প্রবৃত্তি নয়, বরং শিক্ষার্থীদের প্রতি তার এক অদ্ভুত মায়ারই বহিঃপ্রকাশ বলে মনে করেন অনেকে।

বাংলাদেশে অসংখ্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে, যেখানে কুকুর বা বিড়ালের অবাধ বিচরণ সাধারণ চিত্র। কিন্তু একটি গরু কোনো নির্দিষ্ট মালিক ছাড়া বছরের পর বছর ক্যাম্পাসে অবস্থান করা এবং শিক্ষার্থীদের সাথে এমন আত্মিক সম্পর্ক গড়ে তোলার ঘটনা বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়কেই প্রথম এই তালিকায় স্থান করে দিয়েছে।

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের এই গরুটি আজ আর কেবল একটি প্রাণী হিসেবে সীমাবদ্ধ নেই। সে হয়ে উঠেছে ক্যাম্পাসের মায়া, মমতা আর সহনশীলতার এক জীবন্ত প্রতীক। আধুনিক যান্ত্রিক যুগে যখন মানুষের সাথে মানুষের দূরত্ব বাড়ছে, তখন একটি অবুঝ প্রাণীর এই শান্ত আচরণ এবং শিক্ষার্থীদের তাকে আপন করে নেওয়া আমাদের শেখায়—মায়া দিলে মায়া পাওয়া যায়।

Continue Reading

ক্যাম্পাস

বেরোবি শহিদ ফেলানী হলের আধুনিক রিডিং রুম ও সেমিনার রুমের উদ্বোধন

Published

on

By

বেরোবি প্রতিনিধি

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর এর শহিদ ফেলানী হলের শিক্ষার্থীদের উন্নত সুবিধা নিশ্চিত করতে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত আধুনিক রিডিং রুম ও সেমিনার রুমের আধুনিকীকরণ কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। আজ বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬) সকালে শহিদ ফেলানী হলের নিচ তলায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাসহ আধুনিকায়ন করা রিডিং রুম ও সেমিনার রুমের উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ শওকাত আলী।

উদ্বোধন শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ শওকাত আলী বলেন, “শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টিতে আমরা বদ্ধপরিকর। শহিদ ফেলানী হলের বিভিন্ন সমস্যা আমরা ধাপে ধাপে সমাধান করছি। গরমের দিনে বা পরীক্ষার সামনে শিক্ষার্থীরা যেন কোনো প্রকার বিঘ্ন ছাড়াই পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারেন, সেজন্য এসি রুম ও পর্যাপ্ত আধুনিক সুযোগ-সুবিধার ব্যবস্থা করা হয়েছে।”

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) প্রফেসর ড. মোঃ ফেরদৌস রহমান এবং শহিদ ফেলানী হলের প্রভোস্ট প্রফেসর ড. মোছাঃ সিফাত রুমানা। এছাড়াও হলের সহকারী প্রভোস্টবৃন্দ, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ উপস্থিত ছিলেন।

Continue Reading

ক্যাম্পাস

ইবিতে ডেঙ্গু প্রতিরোধে ছাত্রদলের পরিচ্ছন্নতা অভিযান

Published

on

By

ইবি প্রতিনিধি

দেশব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযানের অংশ হিসেবে ক্যাম্পাসে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি পালন করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল।

আজ বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন ইবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এমতাজ হোসেন ও কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. ইদ্রিস আলী। এ ছাড়া শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মাসুদ রুমি মিথুন ও সদস্য সচিব রাফিজ আহম্মেদসহ সংগঠনটির অন্য নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মাসুদ রুমি মিথুন বলেন, “বাংলাদেশ সরকার ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক কার্যক্রম হাতে নিয়েছে এবং সেই ধারাবাহিকতায় ইবি শাখা ছাত্রদল আজ এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেছে। এই কার্যক্রম চলমান থাকবে। পাশাপাশি ক্যাম্পাস পরিচ্ছন্ন রাখার জন্য দোকানসমূহের সামনে ও বিভিন্ন স্থানে ময়লা ফেলার ঝুড়ি স্থাপন করেছি।”

উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. মতিনুর রহমান বলেন, “ডেঙ্গু প্রতিরোধসহ যেকোনো রোগ-জীবাণু ও ময়লামুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করতে আমাদের সর্বদা সজাগ থাকতে হবে। আগে থেকেই প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নিলে যেকোনো বিপর্যয় থেকে আমরা নিজেদের ও দেশের মানুষকে রক্ষা করতে পারব। আমাদের ক্যাম্পাস এমনিতে সুন্দর ও পরিবেশবান্ধব। ইতোমধ্যে আমরা প্রায় দেড় হাজার গাছ লাগিয়েছি এবং ১০ হাজার বৃক্ষরোপণের লক্ষ্য নিয়ে এগোচ্ছি। ক্যাম্পাস পরিষ্কার রাখার এই ধারা বজায় রাখতে সবার সহযোগিতা চাই।”

তিনি আরও বলেন, “ক্যাম্পাস আঙিনার পাশাপাশি হল, বিভাগ ও অফিসগুলোতেও ডেঙ্গুর বিস্তার রোধ করতে হবে। জমে থাকা পরিষ্কার পানিতে এডিস মশা লার্ভা ফেলে এবং সাধারণত দিনে কামড়ায়। তাই ডেঙ্গুর প্রজননক্ষেত্র বিনষ্টে আমাদের সবাইকে সচেতন ও উদ্যোগী হতে হবে।”

উল্লেখ্য, এই কর্মসূচির আওতায় ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে পরিচ্ছন্নতা অভিযানের পাশাপাশি ডেঙ্গু প্রতিরোধে ফগার মেশিনের সাহায্যে মশা নিধনের ওষুধ ছেটানো হয়। এছাড়া ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ ৩০টি পয়েন্টে ময়লা ফেলার ঝুড়ি স্থাপন করে ছাত্রদল।

Continue Reading

Trending