Connect with us

top2

ভবিষ্যৎ বিশ্বের কান্ডারি ‘এআই’

Published

on

প্রযুক্তিই সব সময় মানবসভ্যতার ইতিহাসের গতিপথ বদলেছে। একসময় আগুন ও চাকা করেছিল এ কাজটি। এরপর বিজ্ঞান মানুষকে মাটির নিচ থেকে ‘তরল সোনা’ তেল আবিষ্কারের পথ দেখিয়েছে। এই আবিষ্কারের পর দীর্ঘদিন ধরে ভূ-রাজনীতি আবর্তিত হয়েছে একে কেন্দ্র করে। এমনকি এখনো। যদি আমরা রাশিয়াকে রুখতে পশ্চিমা বিশ্বের তোড়জোড় দেখি, তাহলেই বুঝব—তেল এখনো কৌশলগত অস্ত্র। কিন্তু সেই অবস্থাও দ্রুত বদলাচ্ছে। ক্রমেই তেলের জায়গা নিচ্ছে তথ্য এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই)।

মানবসভ্যতার অগ্রযাত্রায় ক্ষমতার ভারসাম্য সব সময়ই প্রযুক্তির সীমানা দিয়ে নির্ধারিত হয়েছে। যে প্রথম লোহা গলিয়েছে, সে-ই রাজ্য গড়েছে। যে প্রথম বন্দুক বানিয়েছে, সে-ই সাম্রাজ্য চালিয়েছে। আর এখন—যে প্রথম কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ন্ত্রণ করবে, সে-ই পুরো সভ্যতার নিয়ন্ত্রণ হাতে নেবে। ২১ শতকের ভূ-রাজনীতিতে ক্ষমতা ক্রমেই কেন্দ্রীভূত হচ্ছে ডেটা, অ্যালগরিদম আর কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সক্ষমতায়। এআই-ই হয়ে উঠছে আগামী দিনের নতুন ‘পারমাণবিক বোমা।’ যার কাছে এই ‘অস্ত্র’ থাকবে, তথ্য থাকবে, আগামীর বিশ্ব থাকবে তারই পদতলে।

আজকের দুনিয়ায় সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদগুলোর একটি—ডেটা। আর এর পরিচালনার ইঞ্জিন ‘অ্যালগরিদম।’ ব্রিটিশ বিজ্ঞানী নিক বোস্ট্রম লিখেছিলেন, ‘যে মুহূর্তে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা মানবমস্তিষ্ককে ছাড়িয়ে যাবে, সেই মুহূর্তে মানবসভ্যতার ভবিষ্যৎ নির্ধারিত হবে কাদের হাতে সেই শক্তি থাকবে তার ওপর।’

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এখনো হয়তো সেই অবস্থানে যায়নি, কিন্তু এরই মধ্যে তা বিশ্বরাজনীতির নয়া ‘হট জোনে’ পরিণত হয়েছে। একে শুধু প্রযুক্তিগত বিপ্লব বলা যায় না; বরং এটি ক্ষমতার পুনর্বিন্যাস।

হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনৈতিক বিশ্লেষক জোসেফ নাই বলেছেন, যে রাষ্ট্র তথ্যপ্রবাহ ও প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনের ওপর নিয়ন্ত্রণ রাখবে, ভবিষ্যতের ক্ষমতার ভারসাম্য তার হাতেই থাকবে। বিষয়টি খুব ভালোভাবেই বুঝতে পেরেছে বর্তমান বিশ্বের দুই শীর্ষ শক্তি যুক্তরাষ্ট্র ও চীন। এর বাইরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন, দক্ষিণ কোরিয়া, জাপানও প্রবেশ করেছে এই প্রতিযোগিতায়।

এআই বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে যুদ্ধের ধারণাও পাল্টে গেছে। এখন যুদ্ধক্ষেত্রে মানুষ নয়, সিদ্ধান্ত নিচ্ছে মেশিন। যুক্তরাষ্ট্র ২০১৮ সালে চালু করে জয়েন্ট আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স সেন্টার (জেএআইসি), যার লক্ষ্য যুদ্ধক্ষেত্রে এআই ব্যবহার বাড়ানো। পরে এটি একীভূত হয় চিফ ডিজিটাল অ্যান্ড আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স অফিসের (সিডিএও) সঙ্গে, যা এখন পেন্টাগনের এআই কৌশলের কেন্দ্রবিন্দু। যুক্তরাষ্ট্রের বিখ্যাত ‘প্রজেক্ট মেভেন’-এর উদ্যোগে মেশিন লার্নিং ব্যবহার করে হাজারো ঘণ্টার ড্রোন ফুটেজ বিশ্লেষণ করে লক্ষ্যবস্তু শনাক্ত করা হয় কয়েক সেকেন্ডে।

অন্যদিকে, চীনও বসে নেই। প্রেসিডেন্ট সি চিনপিং ২০১৭ সালে ঘোষণা দেন ‘নিউ জেনারেশন আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ডেভেলপমেন্ট প্ল্যানের।’ যেখানে বলা হয়েছে, ২০৩০ সালের মধ্যে চীন হবে বিশ্বের প্রধান এআই শক্তি। দেশটির সেনাবাহিনী বা পিপলস লিবারেশন আর্মি এখন ‘ইন্টেলিজেন্টাইজড ওয়ারফেয়ার’ ধারণার ওপর কাজ করছে। এই ধারণা অনুযায়ী, ভবিষ্যতের যুদ্ধ মানবশক্তি নয়, তথ্যশক্তি দ্বারা পরিচালিত হবে। এরই মধ্যে চীন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা পরিচালিত রোবট ডগ, বিভিন্ন ধরনের ড্রোন তৈরি করার কাজে লেগে পড়েছে। এসব কাজে গতি আনতে চীন তাদের ‘সামরিক-বেসামরিক সমন্বয়’ নীতির মাধ্যমে বেসরকারি প্রযুক্তি কোম্পানি যেমন বাইদু, আলিবাবা ও টেনসেন্টকে সরাসরি প্রতিরক্ষা গবেষণায় যুক্ত করেছে।

নিজ দেশে নৈতিকতার কথা বললেও ওরাকল, মাইক্রোসফট, আমাজন, গুগল, স্টারলিংক, পলান্টির, ক্লিয়ারভিউয়ের মতো মার্কিন প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো ইউক্রেনকে তাদের ‘নেক্সট জেনারেশন ওয়ারফেয়ারের’ প্রযুক্তিভিত্তিক অস্ত্র পরীক্ষার ‘এআই ওয়ার ল্যাবে’ পরিণত করেছে। তবে বিষয়টি কেবল পরীক্ষার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। ইসরায়েল এরই মধ্যে গাজায় আরবেল নামক এআই–চালিত এক ধরনের অস্ত্র ব্যবস্থা ব্যবহার করেছে।

তাই বলা যায়, বিশ্ব নতুন এক ডিজিটাল শীতল যুদ্ধের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, যেখানে অস্ত্র হলো ডেটা, যুদ্ধক্ষেত্র হলো ক্লাউড, আর সৈনিকের নাম এআই। এর লক্ষণ স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র চীনে মার্কিন উৎপাদিত চিপ রপ্তানি নিষিদ্ধ করেছে। বিপরীতে চিপ উৎপাদনের জন্য প্রয়োজনীয় বিরল খনিজ রপ্তানিতে বিধিনিষেধ দিয়েছে চীন।

এ তো গেল ছোট উদাহরণ। বড় পরিসরে যুক্তরাষ্ট্র এখনো হয়তো এআই নিয়ে মাঠে নেমে যুদ্ধ করছে না, কিন্তু তারা এই খাতে বিপুল পরিমাণ বিনিয়োগ করেই চলেছে। ২০২৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের বেসরকারি এআই খাতে বিনিয়োগ ছিল ১০৯.১ বিলিয়ন ডলার, যা চীনের ৯.৩ বিলিয়ন ডলারের তুলনায় অনেক বেশি। তবে গবেষণায় কিন্তু এগিয়ে চীন। দেশটি ২০১৪-২০২৩ পর্যন্ত ৩৮,২১০টি জেনারেটিভ এআই সম্পর্কিত আবিষ্কার করেছে, যা যুক্তরাষ্ট্রের ৬,২৭৬টির তুলনায় অনেক বেশি। ২০২৫ সালের এপ্রিল মাসে, চীন প্রায় ৮.২ বিলিয়ন ডলারের রাষ্ট্রীয় তহবিল ঘোষণা করেছে, যা এআই উদ্যোগে প্রাথমিকভাবে বিনিয়োগ করা হবে।

ইউরোপীয় ইউনিয়ন ২০২৫ সালের মধ্যে এআই উন্নয়নে ২০০ বিলিয়ন ইউরো বিনিয়োগের ঘোষণা দিয়েছে। ফ্রান্সও এআই উন্নয়নে ১০৯ বিলিয়ন ইউরো বিনিয়োগের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে। এই বিনিয়োগের মাধ্যমে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এআই খাতে নীতি ও নিয়ন্ত্রণকাঠামো শক্তিশালী করতে চাইলেও তারা উদ্ভাবনে পিছিয়ে আছে এবং বাজারে তার প্রভাব কম। এর বাইরে, আগামী দিনে ব্যবসায় বিনিয়োগের অন্যতম জায়গা হয়ে উঠতে যাচ্ছে ডেটা সেন্টার। এমনকি দুনিয়ার বুক থেকে ডেটা সেন্টার মহাশূন্যে নিয়ে যাওয়ার নীরব এক প্রতিযোগিতা এরই মধ্যে শুরু হয়ে গেছে।

এআই এখনো হয়তো ব্যাপকভাবে যুদ্ধক্ষেত্রে ব্যবহার শুরু হয়নি। কিন্তু এমন দিন দেরি নয়, যেখানে আমরা মানুষের পরিবর্তে যুদ্ধক্ষেত্রে মেশিন দেখতে পাব। চীনের রোবট ডগ, ইসরায়েলের এআই-চালিত অস্ত্র ব্যবস্থার কথা আমরা বলেছি। ফলে, এটি স্পষ্ট যে যত সময় যাবে—এআইকে যুদ্ধক্ষেত্রে তো বটেই, কৌশলগত অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করলেও অবাক হওয়ার মতো কিছু থাকবে না। এই আশঙ্কায় ‘এআই গডফাদার’ খ্যাত জিওফ্রে হিনটন বলেছিলেন, ‘যদি কোনো ধনী দেশ গরিব দেশ আক্রমণ করতে চায়, তবে তাদের বড় সুবিধা দেবে লেথাল অটোনমাস ওয়েপনস বা স্বচালিত স্বয়ংক্রিয় মারণাস্ত্র।’

তবে পদার্থবিদ ও গবেষক ম্যাক্স টেগমার্ক সতর্ক করেছেন, ‘যে মুহূর্তে মেশিন যুদ্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া শুরু করবে, তখনই যুদ্ধ মানবিক সীমা ছাড়িয়ে যাবে।’ যার প্রমাণ আমরা গাজায় পেয়েছি। মানবিকতার সব উদাহরণ সেখানে ভূলুণ্ঠিত হয়েছে। তবু বড় শক্তিগুলো এখনো প্রতিযোগিতায় বুঁদ হয়ে আছে। কারণ, যে দেশ আগে এআই সামরিক ব্যবহারে এগিয়ে যাবে, ভবিষ্যতের ক্ষমতার মানচিত্র সে-ই আঁকবে। শুধু তাই নয়, ভবিষ্যৎ বিশ্ববাণিজ্যের গতিপথও অনেকটাই নির্ধারিত হবে এই এআই দিয়েই।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top2

যাত্রী ছাউনি থেকে পাইপগান ও বোমা উদ্ধার

Published

on

By

সিলেটের দক্ষিণ সুরমায় যাত্রী ছাউনি থেকে একটি দেশীয় তৈরি ওয়ান শুটার পাইপগান ও পাঁচটি পেট্রোলবোমা উদ্ধার করেছে র‌্যাব-৯।

মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) দুপুরে র‌্যাব-৯ এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) কে.এম. শহিদুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে সোমবার (৫ জানুয়ারি) রাত সোয়া ১০টার দিকে দক্ষিণ সুরমার লালারগাঁও যাত্রী ছাউনি থেকে অভিযান চালিয়ে একটি শপিং ব্যাগের ভেতর থেকে পাইপগান ও পেট্রোলবোমা উদ্ধার করা হয়। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করতে পারেনি র‌্যাব-৯।

র‌্যাব-৯ সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার রাত ১০টায় তারা জানতে পারে দক্ষিণ সুরমা থানার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের লালারগাঁও অটোবি কারখানার আশপাশ এলাকায় অবৈধ অস্ত্র ও পেট্রোলবোমা মজুত থাকতে পারে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে রাত সোয়া ১০টার দিকে র‌্যাব-৯ সিলেট-এর একটি আভিযানিক দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের লালারগাঁও এলাকার যাত্রী ছাউনি ও আশপাশে ব্যাপক তল্লাশি চালায়। তল্লাশির একপর্যায়ে যাত্রী ছাউনির বসার জায়গার নিচে একটি সাদা রঙের শপিং ব্যাগের ভেতর থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় একটি দেশীয় তৈরি ওয়ান শুটার পাইপগান ও ৫টি পেট্রোলবোমা উদ্ধার করা হয়।

র‌্যাবের ধারণা, এসব অস্ত্র ও পেট্রোলবোমা নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে সেখানে রাখা হয়েছিল।

র‌্যাব-৯ এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (মিডিয়া) কেএম শহিদুল ইসলাম বলেন, উদ্ধার অস্ত্র ও পেট্রোলবোমার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কাউকে ঘটনাস্থল থেকে আটক করা সম্ভব হয়নি। আইনি ব্যবস্থা নিতে উদ্ধার পাইপগান ও পেট্রোলবোমা জিডি মূলে দক্ষিণ সুরমা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের শনাক্তে র‌্যাব-৯ এর তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে

Continue Reading

top2

রাউজানে যুবদল নেতাকে গুলি করে হত্যা

Published

on

চট্টগ্রামের রাউজানে পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের কাছেই মুহাম্মদ জানে আলম নামে এক যুবদল নেতাকে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। সোমবার (৫ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার পূর্ব গুজরা ইউনিয়নের অলিমিয়াহাটের সিকদার পাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত মুহাম্মদ জানে আলম (৪৮) পূর্ব গুজরা ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এবং রাউজান উপজেলা যুবদলের সদস্য ছিলেন। তিনি সিকদার বাড়ি এলাকার মৃত হামদু মিয়ার ছেলে।

স্থানীয়রা জানান, একটি মোটরসাইকেলে করে তিন যুবক ঘটনাস্থলে আসে। তাদের সবার মুখে ছিল মুখোশ। বাড়ির সামনে পৌঁছেই কোনো কথা না বলেই তারা জানে আলমকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়ে। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই আবার দ্রুতগতিতে মোটরসাইকেল ঘুরিয়ে পালিয়ে যায় তারা।

গুলিবিদ্ধ অবস্থায় মাটিতে লুটিয়ে পড়েন জানে আলম। সঙ্গে সঙ্গে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে তাকে উদ্ধার করে প্রথমে রাউজান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে দ্রুত চট্টগ্রাম নগরীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হয়। তবে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ফিরোজ আহমদ বলেন, জানে আলম আমাদেরই বাড়ির মানুষ। বাজার থেকে ঘরে ফেরার পথে তাকে খুব কাছে থেকে গুলি করেছে দুর্বৃত্তরা। কেন তাকে হত্যা করা হলো— এ নিয়ে আমরা হতবাক।

পূর্ব গুজরা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের পরিদর্শক দিপ্তেষ দাশ বলেন, আমরা ঘটনাস্থলে কাজ করছি। মোটরসাইকেলে আসা দুর্বৃত্তদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে। ঘটনার পেছনে যারা জড়িত— তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।

Continue Reading

top2

ঢাবি শিবিরের নতুন কমিটির সভাপতি মহিউদ্দিন, সেক্রেটারি আশিকুর

Published

on

By

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার ২০২৬ সেশনের জন্য সভাপতি নির্বাচন এবং সেক্রেটারি ও সাংগঠনিক সম্পাদক মনোনয়ন সম্পন্ন হয়েছে। এতে সদস্যদের প্রত্যক্ষ ভোটে সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন মুহা. মহিউদ্দিন এবং সেক্রেটারি হিসেবে আশিকুর রহমান ও সাংগঠনিক সম্পাদক মু. সাজ্জাদ হোসাইন খাঁন মনোনীত হয়েছেন।

সোমবার (৫ জানুয়ারি) সকাল ৮টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সদস্যদের নিয়ে শহীদ মাহবুবুর রহমান অডিটরিয়ামে সদস্য সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

কেন্দ্রীয় এইচআরএম সম্পাদক সাইদুল ইসলামের সঞ্চালনায় সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় প্রকাশনা সম্পাদক সাদিক কায়েম।

২০২৬ সেশনের জন্য শাখা সভাপতি নির্বাচন উপলক্ষে সদস্য সমাবেশে কেন্দ্রীয় সভাপতি স্বাক্ষরিত ব্যালট পেপারে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। ভোট গণনা শেষে কেন্দ্রীয় সভাপতি নূরুল ইসলাম সর্বাধিক ভোটপ্রাপ্ত মুহা. মহিউদ্দিনকে সভাপতি হিসেবে ঘোষণা করেন এবং নবনির্বাচিত সভাপতিকে শপথবাক্য পাঠ করান।

সদস্যদের পরামর্শের ভিত্তিতে নবনির্বাচিত সভাপতি মহিউদ্দিন শাখা সেক্রেটারি হিসেবে আশিকুর রহমান ও সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে মু. সাজ্জাদ হোসাইন খাঁনকে মনোনীত করেন।

Continue Reading

Trending