Connect with us

জাতীয়

ভাষা সৈনিক আহমদ রফিকের মৃত্যুতে প্রধান উপদেষ্টার শোক

Published

on

ডেস্ক নিউজ 


ভাষা সৈনিক, কবি, প্রাবন্ধিক ও রবীন্দ্র বিশেষজ্ঞ আহমদ রফিকের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। বৃহস্পতিবার (৩ অক্টোবর) রাত ১০টা ১২ মিনিটে রাজধানীর বারডেম হাসপাতালে তিনি মারা গেছেন।

শোকবার্তায় প্রধান উপদেষ্টা বলেন, আহমদ রফিক ছিলেন আমাদের ভাষা আন্দোলনের এক অগ্রগণ্য সাক্ষী ও সংগ্রামী কণ্ঠস্বর। একই সঙ্গে তিনি ছিলেন একজন অনন্যসাধারণ কবি, প্রাবন্ধিক, গবেষক ও রবীন্দ্রতত্ত্বচর্চার দিশারী। শতাধিক গ্রন্থ রচনা ও সম্পাদনার মাধ্যমে তিনি বাংলা সাহিত্য, সংস্কৃতি ও ভাষা আন্দোলনের ইতিহাসকে সমৃদ্ধ করেছেন। রবীন্দ্রচর্চার ক্ষেত্রে তার অবদান দুই বাংলায় সমানভাবে শ্রদ্ধার আসন পেয়েছে। কলকাতার টেগর রিসার্চ ইনস্টিটিউট তাকে ‘রবীন্দ্রতত্ত্বাচার্য’ উপাধি দিয়ে সম্মানিত করেছে, যা তার বিদগ্ধতার স্বীকৃতি।

প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, দেশের সংস্কৃতি ও মুক্তচিন্তার জগতে আহমদ রফিকের প্রয়াণ এক অপূরণীয় ক্ষতি। দৃষ্টিশক্তি ও শারীরিক অসুস্থতা সত্ত্বেও তিনি শেষ দিন পর্যন্ত জ্ঞানের আলো ছড়িয়ে গেছেন।

তিনি মরহুমের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং বলেন, আহমদ রফিকের জীবন ও কর্ম আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে। জাতি কৃতজ্ঞচিত্তে তাকে স্মরণ করবে।

প্রধান উপদেষ্টা শোকসন্তপ্ত পরিবার-পরিজন, শুভানুধ্যায়ী ও সাহিত্য–সংস্কৃতিমনা জনগণের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

আহমদ রফিক ১৯২৯ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি লেখালেখি, গবেষণা ও সংস্কৃতিচর্চায় জীবনের দীর্ঘ সময় কাটিয়েছেন। পেয়েছেন একুশে পদক, বাংলা একাডেমি পুরস্কারসহ বহু সম্মাননা।

জানা গেছে, কিডনির সমস্যার পাশাপাশি সাম্প্রতিক সময়ে একাধিকবার মাইল্ড স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়েছেন তিনি। গত ১১ সেপ্টেম্বর রাজধানীর ল্যাবএইড হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পাওয়ার পর তাকে পান্থপথের হেলথ অ্যান্ড হোপ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। গত রবিবার তাকে বারডেমে স্থানান্তর করা হয়।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

কৃষক সচ্ছল থাকলে ভালো থাকবে বাংলাদেশ : প্রধানমন্ত্রী

Published

on

By

বিএনপির নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিগুলোর মধ্যে অন্যতম কৃষক কার্ড উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় তিনি স্থানীয় ১৫ জন কিষান-কিষানির হাতে কৃষক কার্ড ও গাছের চারা তুলে দেন।

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) দুপুরে টাঙ্গাইলের শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে প্রথম ধাপে এ কার্ড উদ্বোধন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, কৃষক সচ্ছল থাকলে সমগ্র বাংলাদেশ ভালো থাকবে। পয়লা বৈশাখ বাংলা সংস্কৃতির ঐতিহ্য, যা কৃষক ভাই-বোনদের সঙ্গে মিশে আছে। এর লক্ষ্যেই কৃষক কার্ড উদ্বোধনের জন্য দিনটিকে বেছে নেওয়া হয়েছে। এ সরকার জনগণের সরকার। তাই নির্বাচনে দেওয়া প্রতিশ্রুতিগুলো কালি মোছার আগেই বাস্তবায়ন করছে সরকার।

তিনি আরও বলেন, আজকের এ প্রি পাইলট প্রজেক্টের মাধ্যমে ২২ হাজার কৃষক কার্ড পাচ্ছেন। পয়লা বৈশাখ কৃষকদের সঙ্গে জড়িত বলেই এ দিনে কৃষক কার্ড কর্মসূচি উদ্বোধন করলাম।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ১১টি উপজেলায় প্রায় ২২ হাজার কৃষককে কৃষক কার্ড দেওয়া হয়েছে। ৫ বছরে ২ কোটি ৭৫ লাখ কৃষকদের হাতে পর্যায়ক্রমে কৃষক কার্ড বিতরণ করা হবে।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের লক্ষ্য কৃষককে আত্মনির্ভরশীল ও স্বচ্ছল হিসেবে গড়ে তোলা। কৃষক কার্ডে থাকছে ১০টি সুবিধা। এর মাধ্যমে কৃষকের অবস্থার পরিবর্তন হবে। খাদ্যঘাটতি মেটাতে, ফসল সংরক্ষণে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে কোল্ড স্টোরেজ স্থাপনের পরিকল্পনাও সরকারের রয়েছে।

তারেক রহমান বলেন, পাঁচ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন করা হবে। খাল ও নদী খননের মাধ্যমে ভূগর্ভস্থ পানির স্তর বাড়বে। এখন দেশ গড়ার সময়। নারীদের স্বাবলম্বী করার পাশাপাশি নির্বাচনের আগে জনগণকে দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করবে বর্তমান সরকার। বিএনপির লক্ষ্য হচ্ছে দেশের মানুষের ভাগ্য উন্নয়ন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন- প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম-মহাসচিব রহুল কবির রিজভী, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন (টুকু)। এ সময় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে কৃষক কার্ড বিতরণ উদ্বোধন শেষে প্রধানমন্ত্রী কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ শহরের শহীদ স্মৃতি পৌর উদ্যানে যান এবং সেখানে কৃষি মেলার উদ্বোধন করেন।

Continue Reading

top1

বিদ্যুতের দাম সমন্বয়ে ৬ সদস্যের মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন

Published

on

By

দেশে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে ক্রমবর্ধমান চাপ সামাল দিতে বিদ্যুতের পাইকারি (বাল্ক) ও খুচরা (রিটেইল) মূল্যহার সমন্বয়ের লক্ষ্যে একটি মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন করেছে সরকার।

গত ৯ এপ্রিল ২০২৬ রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়। সোমবার (১৩ এপ্রিল) এটি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হয়।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, অর্থমন্ত্রীকে আহ্বায়ক করে ছয় সদস্যের এই কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে থাকা অন্য সদস্যরা হলেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, বাণিজ্যমন্ত্রী, অর্থবিভাগের সচিব, বিদ্যুৎ বিভাগের সচিব এবং জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের সচিব।

এই কমিটির প্রধান দায়িত্ব হলো বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে বিদ্যুতের মূল্যহার নিয়ে সার্বিক পর্যালোচনা করা এবং মন্ত্রিসভার জন্য একটি সুস্পষ্ট প্রস্তাব তৈরি করা।

এ ছাড়া প্রয়োজন অনুযায়ী নতুন সদস্য কো-অপ্ট করার সুযোগ রাখা হয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হবে। বিদ্যুৎ বিভাগ এই কমিটিকে সার্বিক সাচিবিক সহায়তা প্রদান করবে।

অতিরিক্ত সচিব (কমিটি ও অর্থনৈতিক) মো. হুমায়ুন কবির স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, এই নির্দেশনা অবিলম্বে কার্যকর হবে

Continue Reading

top1

রাজধানীর যেসব জায়গায় বসবে পহেলা বৈশাখ উপলক্ষ্যে মেলা

Published

on

By

পহেলা বৈশাখ বাঙালির প্রাণের উৎসব, যা ঢাকায় নানা আয়োজনের মাধ্যমে উদযাপিত হচ্ছে। লাল-সাদা পোশাক, মেলা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং ঐতিহ্যবাহী খাবারের সমাহারে মুখরিত হয়ে উঠেছে রাজধানী।

বিসিক মেলা বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় ১৪ থেকে ২০ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এখানে হস্তশিল্প, নকশিকাঁথা, মাটির পণ্যসহ দেশীয় ঐতিহ্যের নানা সামগ্রী পাওয়া যাবে। মেলা সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

এসএমই বৈশাখী মেলা বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে ১২ থেকে ১৮ এপ্রিল চলবে। এ মেলায় ৩০০টির বেশি স্টল, দেশীয় পণ্য, খাবার ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান থাকবে।

কামাল আতাতুর্ক পার্ক, বনানীতে ‘লাল বৈশাখী’ আয়োজনের অংশ হিসেবে দুই দিনব্যাপী বিভিন্ন রাইপ, নাগরদোলা, বায়োস্কোপ, ফটোবুথ, বালিশ খেলা ও মিউজিক্যাল চেয়ারের মতো আকর্ষণীয় কার্যক্রম থাকবে। এখানে হাবিব ওয়াহিদসহ কয়েকটি ব্যান্ডের কনসার্টও অনুষ্ঠিত হবে। প্রবেশমূল্য ৩০০ টাকা।

হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে প্রিমিয়াম বৈশাখী আয়োজনের মধ্যে নাচ, গান, নাগরদোলা এবং বৈশাখী খাবারের সমাহার থাকবে। প্রবেশমূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২৫০০ টাকা।

এয়ার ফোর্স বেইজক্যাম্প, আগারগাঁওয়ে দিনব্যাপী আয়োজনে বাউল গান, পটারি, ঐতিহ্যবাহী খেলাধুলা ও খাবারের ব্যবস্থা থাকবে। সন্ধ্যা ৬টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত চলা এ আয়োজনে মেহেদি উৎসব এবং ফেস পেইন্টিংও থাকবে।

শেফস টেবিল কোর্টসাইড, ভাটারায় ‘উৎসবে বৈশাখ’ শিরোনামে বিভিন্ন খেলাধুলা, আলপনা, পাপেট শো এবং কনসার্টের আয়োজন করা হয়েছে। সাধারণ প্রবেশ টিকিট ২০০ টাকা এবং কনসার্টের জন্য ৮০০ টাকা খরচ হবে।

‘আর্কা বৈশাখ ১৪৩৩’ আয়োজনের মাধ্যমে গুলশানে বৈশাখের আমেজ ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে।

পুরান ঢাকা, বিশেষ করে চকবাজারসহ বিভিন্ন স্থানে পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে ঐতিহ্যবাহী মেলা অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যেখানে দেশি খাবার, খেলনা, মাটির সামগ্রী এবং পুরান ঢাকার বৈশাখী পরিবেশ পাওয়া যাচ্ছে।

Continue Reading

Trending