Connect with us

top2

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনায় বিশ্ববাজারে আরও বাড়ল তেলের দাম

Published

on

অনলাইন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন করে সামরিক সংঘাতের আশঙ্কা এবং মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল সরবরাহে সম্ভাব্য বিঘ্নের প্রভাবে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম আরও বেড়েছে। চলতি সপ্তাহে তেলের দামের এই ঊর্ধ্বগতি জুলাইয়ের মাঝামাঝির পর সবচেয়ে বড় সাপ্তাহিক বৃদ্ধি হিসেবে দেখা দিয়েছে।

আন্তর্জাতিক বাজারের বেঞ্চমার্ক ব্রেন্ট ক্রুডের ভবিষ্যৎ সরবরাহমূল্য ব্যারেলপ্রতি ২৬ সেন্ট বেড়ে ৯৫ দশমিক ৯৩ ডলারে উঠেছে। একই সময়ে মার্কিন বেঞ্চমার্ক ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) অপরিশোধিত তেলের দাম ৩২ সেন্ট বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৯১ দশমিক ৮৮ ডলারে লেনদেন হচ্ছে।

বাজার বিশ্লেষণ অনুযায়ী, গত এক সপ্তাহে ব্রেন্টের দাম ৭ শতাংশের বেশি এবং ডব্লিউটিআইয়ের দাম ৯ শতাংশের বেশি বেড়েছে। এর আগে ২০ জুলাইয়ের পর কোনো একক সপ্তাহে তেলের বাজারে এত বড় সাপ্তাহিক উত্থান দেখা যায়নি।

বাজার সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, মধ্যপ্রাচ্যে ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা দীর্ঘস্থায়ী হলে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম আরও কয়েক দিন ঊর্ধ্বমুখী থাকতে পারে।

সূত্র: অয়েল প্রাইস ডটকম

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top2

ব্যালন ডি’অর নিয়ে মরিনিহোকে পাল্টা জবাব পিএসজি কোচ এনরিকের

Published

on

By

অনলাইন ডেস্ক

২০২৬ সালের ব্যালন ডি’অর নিয়ে এখনই শুরু হয়েছে আলোচনা। এবারের পুরস্কারের সম্ভাব্য বিজয়ী হিসেবে নিজের দলের খেলোয়াড়দের এগিয়ে রেখেছেন প্যারিস সেন্ট জার্মেই (পিএসজি) কোচ লুইস এনরিকে। তার এই মন্তব্যকে হোসে মরিনিহোর সাম্প্রতিক বক্তব্যের পাল্টা জবাব হিসেবেই দেখা হচ্ছে।

আগামী ২৬ অক্টোবর লন্ডনে ঘোষণা করা হবে এবারের ব্যালন ডি’অর বিজয়ীর নাম। টানা দ্বিতীয়বার চ্যাম্পিয়নস লিগ জয়ের পর পিএসজির একাধিক খেলোয়াড়ই পুরস্কারের দৌড়ে রয়েছেন। তাদের মধ্যে উসমান দেম্বেলে, খিচা কাভারাস্কেইয়া ও ফাবিয়ান রুইজ উল্লেখযোগ্য। স্পেনের হয়ে বিশ্বকাপ জিতে রুইজও নিজের অবস্থান শক্ত করেছেন।

মোনাকোর বিপক্ষে লিগ ওয়ানের ম্যাচের আগে সংবাদ সম্মেলনে এনরিকে বলেন, ব্যালন ডি’অর কে জিতবেন তা নিয়ে তিনি খুব একটা চিন্তিত নন। তবে তার মতে, এবারের পুরস্কার পিএসজির কোনো খেলোয়াড়েরই পাওয়া উচিত।

এনরিকের যুক্তি, পিএসজির খেলোয়াড়দের হাতে চ্যাম্পিয়নস লিগের সাফল্য রয়েছে। ফাবিয়ান রুইজ বিশ্বকাপ জিতেছেন এবং উসমান দেম্বেলে গত মৌসুমে ব্যালন ডি’অর জিতেছেন। তাই পিএসজির খেলোয়াড়দেরই এবারের পুরস্কারের দাবিদার মনে করেন তিনি।

এর আগে রিয়াল মাদ্রিদের কোচ হোসে মরিনিহো অবশ্য ভিন্ন মত প্রকাশ করেছিলেন। সরাসরি কারও নাম না বললেও নিজের দলের তারকা কিলিয়ান এমবাপেকে তিনি এগিয়ে রেখেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। ২০২৬ বিশ্বকাপে দুর্দান্ত ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সের পর এমবাপেও এবারের পুরস্কারের অন্যতম আলোচিত প্রার্থী।

এ ছাড়া ব্যালন ডি’অরের দৌড়ে রয়েছেন লামিন ইয়ামাল, হ্যারি কেইন, লিওনেল মেসি, রদ্রি ও মাইকেল ওলিসের মতো তারকারাও।

মরিনিহো এর আগে বলেছিলেন, শুধু চ্যাম্পিয়নস লিগ বা বিশ্বকাপ জয়ের ভিত্তিতে ব্যালন ডি’অর দেওয়া উচিত নয়। তার মতে, ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স ও একজন খেলোয়াড়ের দীর্ঘমেয়াদি প্রভাবও বিবেচনায় রাখা জরুরি।

এখন অপেক্ষা ২৬ অক্টোবরের। ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সে এগিয়ে থাকা এমবাপে, নাকি দলীয় সাফল্যের কারণে পিএসজির কোনো তারকা—শেষ পর্যন্ত কার হাতে উঠবে ফুটবলের কাঙ্ক্ষিত ‘সোনার বল’, সেটিই দেখার বিষয়।

Continue Reading

top2

আড়াই বছর ধরে শূন্য উপ-উপাচার্য, যোগ দেননি নতুন ট্রেজারার

Published

on

By

বেরোবি প্রতিনিধি:

রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) প্রায় আড়াই বছর ধরে উপ-উপাচার্য (প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর) পদটি শূন্য রয়েছে।

২০২৪ সালের মার্চে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. সরিফা সালোয়া ডিনার চার বছরের মেয়াদ শেষ হওয়ার পর থেকে গুরুত্বপূর্ণ এ পদে আর কাউকে নিয়োগ দেওয়া হয়নি। দেশের অধিকাংশ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে উপ-উপাচার্য নিয়োগ দেওয়া হলেও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রথম শহীদ আবু সাঈদের বিশ্ববিদ্যালয়টি এখনো এ পদে নিয়োগ থেকে বঞ্চিত।

শুধু উপ-উপাচার্য নয়, দীর্ঘদিন শূন্য থাকার পর নতুন ট্রেজারার নিয়োগ দেওয়া হলেও নিয়োগের এক মাস পেরিয়ে গেলেও তিনি এখনো দায়িত্ব গ্রহণ করতে পারেননি। ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শীর্ষ প্রশাসনিক কাঠামোর গুরুত্বপূর্ণ দুটি পদ ঘিরে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ থেকে ২০২০ সালের ১০ মার্চ জারি করা এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. সরিফা সালোয়া ডিনাকে চার বছরের জন্য বেরোবির প্রথম উপ-উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। তিনি ২০২০ সালের মার্চ থেকে ২০২৪ সালের মার্চ পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। তাঁর মেয়াদ শেষ হওয়ার পর থেকে প্রায় আড়াই বছর ধরে পদটি শূন্য রয়েছে।

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০০৯-এর ১২(১) ধারায় বলা হয়েছে, আচার্য প্রয়োজনবোধে তাঁর নির্ধারিত শর্তে চার বছরের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপককে উপ-উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দিতে পারবেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক শিক্ষক ও কর্মকর্তা জানান, একটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কাঠামোয় উপ-উপাচার্য পদটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। উপাচার্যের অনুপস্থিতিতে প্রশাসনিক কার্যক্রম পরিচালনা, একাডেমিক কার্যক্রমের তদারকি, বিভিন্ন নীতিনির্ধারণী কমিটির সমন্বয় এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় উপ-উপাচার্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। দীর্ঘদিন পদটি শূন্য থাকায় এসব দায়িত্বের বড় একটি অংশ উপাচার্য ও অন্যান্য প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়েছে।

এদিকে প্রায় দুই বছর ট্রেজারার পদ শূন্য থাকার পর গত ২৩ জুলাই শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আবু হানিফ সরকারকে বেরোবির ট্রেজারার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। তবে নিয়োগের এক মাস পেরিয়ে গেলেও তিনি এখনো বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদান করেননি।

বেরোবির সর্বশেষ ট্রেজারার ছিলেন অধ্যাপক ড. মজিব উদ্দিন আহমদ। তিনি ২০২৪ সালের ১৭ আগস্ট রাষ্ট্রপতির কাছে পদত্যাগপত্র পাঠিয়ে পদত্যাগ করেন। এরপর থেকে প্রায় দুই বছর পদটি শূন্য ছিল। দীর্ঘ অপেক্ষার পর নতুন ট্রেজারার নিয়োগ হলেও তাঁর যোগদান না করায় বিষয়টি নিয়ে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মধ্যে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, উপ-উপাচার্য ও ট্রেজারার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কাঠামোর গুরুত্বপূর্ণ দুটি পদ। একটি পদ দীর্ঘদিন শূন্য থাকা এবং অন্য পদে নিয়োগের পরও দায়িত্ব গ্রহণ না হওয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক কার্যক্রমে অনিশ্চয়তা তৈরি করছে। দ্রুত উপ-উপাচার্য নিয়োগ এবং নতুন ট্রেজারারের দায়িত্ব গ্রহণ নিশ্চিত করা গেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক, একাডেমিক ও আর্থিক কার্যক্রমে আরও গতি আসবে বলে মনে করছেন তারা।

যোগদানের বিষয়ে নতুন ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মো. আবু হানিফ সরকার বলেন, এক মাসে আগে যেমন ছিল এখনো তেমনি আছে। আর এ বিষয়ে আমার কাছে নতুন কোন তথ্য নাই। এ বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীলদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারেন। তারা হয়তো সঠিক তথ্য দিতে পারবেন।”

এ বিষয়ে বেরোবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শওকাত আলী বলেন, “প্রো-ভিসির নিয়োগের বিষয়ে এখনো কোনো আপডেট নেই। এ নিয়োগ আমার হাতে নয়। এ বিষয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় বলতে পারবে। আর ট্রেজারারের জন্য আমরা চেয়েছিলাম এবং নিয়োগও পেয়েছিলাম। তবে বিভিন্ন কারণে সে এখনো যোগদান করতে পারে নাই।

Continue Reading

top2

মালয়েশিয়ায় বিনা খরচে কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাবেন ক্ষতিগ্রস্ত ১৭,৭৭৭ জন

Published

on

By

ডিজিটাল ডেস্ক

সরকারের ঘোষিত ‘জিরো কস্ট স্কিম’-এর আওতায় মালয়েশিয়ায় পাঠানোর জন্য নির্ধারিত ১০ হাজার কর্মীর ক্ষেত্রে তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে চিহ্নিত ক্ষতিগ্রস্ত ১৭ হাজার ৭৭৭ জনকে অগ্রাধিকার দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (৩১ আগস্ট) এ সংক্রান্ত এক আবেদনের শুনানি শেষে বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি আজিজ আহমদ ভূঞার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ নির্দেশনা দেন।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী তানভীর আহমেদ। পরে তিনি জানান, মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর ক্ষেত্রে দুর্নীতি, অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার অভিযোগে দায়ের করা রিট মামলায় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় আদালতে একটি কমপ্লায়েন্স প্রতিবেদন দাখিল করেছে।

প্রতিবেদনে মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠাতে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের পাশাপাশি যেসব রিক্রুটিং এজেন্সি কর্মী পাঠাতে ব্যর্থ হয়েছে কিংবা অনিয়মের সঙ্গে জড়িত বলে চিহ্নিত হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে নেওয়া প্রশাসনিক ও আইনগত ব্যবস্থার বিষয়ও তুলে ধরা হয়।

শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষ আদালতকে জানায়, নতুন উদ্যোগের আওতায় সরকার কোনো ধরনের খরচ ছাড়াই ১০ হাজার কর্মীকে মালয়েশিয়ায় পাঠানোর ব্যবস্থা করছে।

এ সময় আদালত বলেন, তদন্ত কমিটির প্রতিবেদনে চিহ্নিত ১৭ হাজার ৭৭৭ জন কর্মী মালয়েশিয়ায় যেতে না পারায় আর্থিক ও মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। তাই ‘জিরো কস্ট স্কিম’-এর আওতায় কর্মী নির্বাচনের সময় তাদের অগ্রাধিকার দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করতে হবে।

একই সঙ্গে মামলাটি চার মাসের জন্য মুলতবি রেখে সরকারের পরবর্তী অগ্রগতি সম্পর্কে আদালতে কমপ্লায়েন্স প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এর আগে মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানোর প্রক্রিয়ায় দুর্নীতি, অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার অভিযোগ তুলে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট আবেদন করা হয়। ওই রিটের ধারাবাহিক শুনানিতে আদালত বিভিন্ন সময়ে একাধিক নির্দেশনা দেন।

Continue Reading

Trending