Connect with us

রাজনীতি

মন্ত্রী বা এমপি হওয়ার জন্য রাজনীতিতে আসিনি: ইশরাক

Published

on

ঢাকা-৬ আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) মনোনীত প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন বলেছেন, মন্ত্রী বা এমপি হওয়ার জন্য রাজনীতিতে আসেননি। ব্যক্তিগত অর্থবিত্ত, ব্যবসা-বাণিজ্য কিংবা কোনো ধরনের স্বার্থসিদ্ধির মনোবাসনা তাঁর রাজনীতিতে আসার কারণ নয়। নগরবাসীর নিত্যদিনের সমস্যা সমাধান, জনগণের অধিকার রক্ষা এবং গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই তিনি রাজনীতিতে যুক্ত হয়েছেন।

বুধবার ১৪ জানুয়ারি রাজধানীর ৯১, নবাবপুর মেউ চাকায় নবাবপুর দোকান মালিক সমিতির উদ্যোগে সাবেক তিন বারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন।

ইশরাক হোসেন বলেন, “আমাদের এই শহর যানজট, জলাবদ্ধতা, গ্যাস সংকট, ভাঙাচোরা রাস্তা, ড্রেনেজ ব্যবস্থার দুরবস্থাসহ নানা সমস্যায় জর্জরিত। শিক্ষা ব্যবস্থা, স্বাস্থ্য ব্যবস্থা, বেকারত্ব ও দারিদ্র্য যে পর্যায়ে পৌঁছেছে, সেখান থেকে উত্তরণ ঘটিয়ে মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন করাই আমার রাজনীতিতে আসার মূল উদ্দেশ্য।

তিনি আরও বলেন, বেগম খালেদা জিয়াকে কারাবন্দি করার পর থেকেই আমি আরও সক্রিয়ভাবে রাজনীতিতে যুক্ত হই। জনগণের ভোটাধিকার, বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠার জন্য যে আন্দোলন-সংগ্রাম শুরু হয়েছে, সেই লড়াই আজীবন চলবে। ইনশাআল্লাহ, বাংলাদেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হবে এবং জনগণ প্রতি পাঁচ বছর অন্তর ভোটের মাধ্যমে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নির্ধারণ করবে।

স্থানীয় ব্যবসায়ীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, আমরা একটি ব্যবসা-বান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে চাই। কোনো চাঁদাবাজি থাকবে না, অবৈধ স্থাপনা দিয়ে রাস্তা ও ফুটপাত দখল করতে দেওয়া হবে না। আমাদের মা-বোনেরা যেন নিরাপদে চলাচল করতে পারেন, শিশুরা যেন দূষণমুক্ত পরিবেশে বেড়ে উঠতে পারে সেই লক্ষ্যেই আমরা কাজ করব।

মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার ত্যাগ ও অবদানের কথা স্মরণ করে ইশরাক হোসেন বলেন, তিনি শুধু বাংলাদেশের নেত্রী নন, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে একজন বিশ্বনেতায় পরিণত হয়েছিলেন। অশ্লীল ও অসভ্য আক্রমণের শিকার হয়েও তিনি কখনো কটু ভাষায় প্রতিক্রিয়া জানাননি। সহনশীলতা, ধৈর্য ও মানবিক রাজনীতির যে শিক্ষা তিনি দিয়ে গেছেন, আমরা সেই পথেই চলতে চাই।

তিনি বলেন, মতপার্থক্য থাকবে, কিন্তু জাতিকে বিভক্ত করা যাবে না। সবাইকে সঙ্গে নিয়ে শান্তিপূর্ণ সমাজ গড়াই আমাদের লক্ষ্য।

ইশরাক হোসেন মরহুমা বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং দেশবাসীর কাছে দোয়া প্রার্থনা করেন।

বিএনপির সহ সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক কাজী আবুল বাশার,নবাবপুর দোকান মালিক সমিতি সভাপতি মো. মামুন,সাধারণ সম্পাদক শহিদুল হক শহীদ, দোকান মালিক সমিতির সহ-সভাপতি মুসা সহ দোকান মালিক সমিতির নেতৃবৃন্দ, আলেম-ওলামা, ব্যবসায়ী প্রতিনিধি ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

ধর্ষণ-হত্যায় জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি জামায়াত আমিরের

Published

on

By

ঢাকা ও নরসিংদীতে সাম্প্রতিক সময়ে সংঘটিত একাধিক শিশু ও কিশোরী হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। একই সঙ্গে এসব ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবি জানিয়েছেন তিনি।

শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ দাবি করেন।

ফেসবুক পোস্টে তিনি লেখেন, ঢাকায় ৬ বছর বয়সী শিশুকে পাশবিক নির্যাতনের পর হত্যা, নরসিংদীতে ১৫ বছর বয়সী এক কিশোরীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের পর খুন এবং হাজারিবাগে স্কুল ছাত্রীকে হত্যা; এই ঘটনাগুলো গোটা জাতিকে স্তম্ভিত করেছে। এসব ঘটনায় আমরা নগ্ন রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা এবং ক্ষেত্র বিশেষে প্রশাসনের চরম শৈথিল্য লক্ষ্য করছি। অপরাধীর বিচার নিশ্চিত করার বদলে ধর্ষকের রক্ষক হয়ে ভুক্তভোগী পরিবারকে এলাকা ছাড়া করতে চাওয়ার মত মৌলিক মানবাধিকার লঙ্ঘনের দুঃসাহস ক্ষমতায় মত্ত একটি দলের নেতারা কিভাবে দেখাতে পারে?

তিনি আরও লেখেন, শিশু তাহিয়া হত্যার পর কার বা কাদের ইশারায় একে ‘দুর্ঘটনা’ বলে চালিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হলো? কারা এখন সেই মামলা তুলে নেওয়ার জন্য পরিবারকে হুমকি-ধমকি দিচ্ছে? এরা কারা এবং তাদের উদ্দেশ্য কী— জনগণের কাছে আজ তা স্পষ্ট।

জামায়াত আমির লেখেন, দলীয় পদবি ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে নির্যাতিতদের দমিয়ে রাখা এবং নিপীড়কদের রক্ষা করা কোনো সভ্য ও গণতান্ত্রিক দেশের সংস্কৃতি হতে পারে না।

বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান আরও লেখেন, আমাদের কথা সুষ্পষ্ট, ইনসাফের প্রশ্নে কোনো আপস চলবে না। অবিলম্বে দোষীদের আইনের আওতায় এনে স্বচ্ছ তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক বিচার নিশ্চিত করতে হবে। একইসাথে রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর নিরাপত্তা, চিকিৎসা, আইনি সহায়তা ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করতে হবে।

সবশেষ তিনি লেখেন, আমি মরহুমাদের রুহের মাগফিরাত কামনা করছি ও পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি। আমরা দেশের সব মজলুমের জন্য ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে শামিল থাকব, ইনশাআল্লাহ।

Continue Reading

top2

নূরাকে ধরতে হবে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে: হাসনাত আবদুল্লাহ

Published

on

By

ধর্ষক নূরাকে ধর‌তে হ‌বে ২৪ ঘণ্টার ম‌ধ্যে। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) মধ্যরাতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই দাবি জানিয়েছেন সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহ।

ফেসবুক পোস্টে তিনি লিখেন, ‘নর‌সিংদী‌তে কি‌শোরী‌কে ধর্ষণ ও বাবার কাছ থে‌কে ছি‌নি‌য়ে নি‌য়ে হত‌্যায় জানা যা‌চ্ছে, স্থানীয় বিএন‌পি নেতাও জ‌ড়িত। তি‌নি হ‌লেন, মহিষাশুরা ইউনিয়নের মেম্বার ও ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি আহম্মদ আলী দেওয়ান।’

সংবাদমাধ‌্যমের খবরের বরাত দিয়ে তিনি আরও লিখেন, ‘সংবাদমাধ‌্যমের খবর অনুযায়ী, নরসিংদীর মাধবদীতে দিন ১৫ আগে স্থানীয় নূরার নেতৃত্বে ৫/৬ জনের একটি বখাটে দল কর্মস্থল থেকে বাড়ি ফেরার পথে কিশোরীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ করে। মেয়েটির বাবার বিচার চেয়ে স্থানীয় মেম্বারের কাছে বিচার দেন। কিন্তু ধর্ষক‌দের কাছ থে‌কে টাকা খে‌য়ে বিএন‌পি নেতা ও মেম্বার আহম্মদ আলী দেওয়ান আপো‌সের না‌মে ধর্ষণ ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা ক‌রেন। মামলা কর‌তে দেন‌নি। উল্টো মে‌য়ে‌টির প‌রিবার‌কে এলাকা ছাড়তে ব‌লেন।’

শেষে তিনি লিখেন, ‘এতে চা‌পে প‌ড়ে বুধবার বিকেলে কিশোরী মেয়েকে খালার রেখে আসতে যাচ্ছিলেন বাবা। সে সময় তুলে নিয়ে নুরা। বৃহস্পতিবার সরিষা ক্ষেতে মেয়েটির লাশ পাওয়া যায়। পু‌লিশ মহিষাসুর ইউনিয়ন বিএনপির সহ-সভাপতি আহম্মদ আলী দেওয়ান, তার ছেলে ইমরান দেওয়ানসহ চারজন‌কে গ্রেপ্তার ক‌রে‌ছে। যা য‌থেষ্ট নয়। ধর্ষক নূরাকে ধর‌তে হ‌বে ২৪ ঘণ্টার ম‌ধ্যে। আহম্মদ আলী দেওয়ানের শ‌ক্তির উৎস বিএন‌পি নেতা‌দের ধর‌তে হ‌বে। স্বারাষ্ট্রমন্ত্রী‌কে বল‌তে হ‌বে, বিএন‌পি নেতা‌দের প্রশ্রয়ে ধর্ষণ অপহরণ খু‌নের মত জঘণ‌্য অপরাধ ক‌বে থাম‌বে?’

Continue Reading

top3

প্রধানমন্ত্রীর গাড়ির পেছনে ছাত্রদল সভাপতির দৌঁড়ানো আমাদেরকে কষ্ট দেয়: সারজিস

Published

on

By

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান– এর গাড়ির পেছনে ছাত্রদল সভাপতির দৌঁড়ানোর ঘটনা তাকে কষ্ট দিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও ১১ দলীয় জোটের সংসদ সদস্য সারজিস আলম।

বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তন– এ জাতীয় ছাত্রশক্তির প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এ মন্তব্য করেন।

সারজিস আলম বলেন, অমর একুশে বইমেলার উদ্বোধনে গেলে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গাড়ির পেছনে ছাত্রদল সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব–কে দৌড়াতে দেখা যায়। বিষয়টি তার কাছে দুঃখজনক বলে উল্লেখ করেন তিনি।

তবে ভিডিও বিশ্লেষণে দেখা যায়, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান অমর একুশে বইমেলা উদ্বোধনে গেলে প্রোটোকল রক্ষায় ভিড় নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করছিলেন ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব।

সারজিস বলেন, “তার নেতৃত্বে লাখ লাখ ছাত্র রয়েছে। একজন ছাত্রনেতা হিসেবে এ ধরনের আচরণ সম্মানজনক নয়। এমন দৃশ্য আওয়ামী লীগের সময়েও দেখিনি।”

ছাত্রদলের উদ্দেশে তিনি আহ্বান জানান, ছাত্ররাজনীতিতে নতুন একটি মানদণ্ড তৈরি করতে হবে। এমন রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে, যা বাংলাদেশের ছাত্ররাজনীতির ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে।

অনুষ্ঠানে সারজিস আলম আরও বলেন, দেশে নতুন করে রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা শুরু হয়েছে। তার দাবি, একদিকে ক্ষমতাসীন দল নিজেদের কর্মকাণ্ডে আগের সরকারের চেয়েও এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে, অন্যদিকে রাজনৈতিক কার্যক্রমের পরিবর্তে ‘অভিনয় প্রতিযোগিতা’ চলছে।

তিনি অভিযোগ করেন, দেশে সমঝোতার রাজনীতি শুরু হয়েছে এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে অনিয়ম ও দুর্নীতির পুনরাবৃত্তি ঘটছে। এ অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে ছাত্রশক্তিকে সংগঠিত হওয়ার আহ্বান জানান তিনি

Continue Reading

Trending