ইরানের ওপর ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। এ হামলায় যুক্তরাষ্ট্রও অংশগ্রহণ করেছে বলে জানা গেছে। আলজাজিরাকে এক মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী এই হামলায় সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিল।
হামলার সময় তেহরানসহ দেশটির কয়েকটি জায়গায় বিস্ফোরণ শোনা গেছে। ইরানি কর্তৃপক্ষ এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।
ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, জনগণকে প্রতিশোধমূলক ক্ষেপণাস্ত্রের সম্ভাবনার বিষয়ে সতর্ক করতে দেশজুড়ে সাইরেন বাজানো হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের অংশগ্রহণ এ হামলার মাধ্যমে ইরানের ওপর চাপে রাখতে সাহায্য করেছে।
ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র সম্প্রতি ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক আলোচনার চেষ্টা করলেও কোনো সমাধানের পথ খুঁজে পায়নি। নিরাপত্তা সূত্র বলছে, শেষ ২৪ ঘণ্টায় তারা সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, কোনো আলোচনার সুযোগ নেই।
এরপরই সংঘাত শুরু হওয়ার সম্ভাবনা ইসরায়েলি সীমান্ত থেকে দেখা দেয়। ইতোমধ্যে ইসরায়েলের আকাশসীমা বন্ধ করা হয়েছে এবং সতর্কবার্তা জারি করা হয়েছে।
এর আগে ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্র সফরে এসে ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের সঙ্গে আলোচনায় সংঘাত এড়ানোর চেষ্টা হিসেবে অংশ নিয়েছিলেন। তবে এখন পরিস্থিতি আরও উত্তেজক এবং সংঘর্ষ অনিবার্য বলে মনে করা হচ্ছে।
উল্লেখ্য, শনিবার সকালে ইসরায়েল ইরানের রাজধানী তেহরানে হামলা চালিয়েছে। এ ঘটনার পর দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা আরও বেড়ে গেছে। পরিস্থিতি ঘনিষ্ঠভাবে পর্যবেক্ষণ করছে সংশ্লিষ্টরা।
সূত্র : আলজাজিরা, এপি