Connect with us

আন্তর্জাতিক

মার্কিন হামলার জবাবে ‘যুক্তরাষ্ট্রের বিমানঘাঁটিতে’ হামলা ইরানের

Published

on

ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) দাবি করেছে, দক্ষিণ ইরানে মার্কিন হামলার জবাবে তারা যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবহৃত একটি বিমানঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে। এ বিমানঘাঁটি থেকেই ইরানের একটি যোগাযোগ টাওয়ারে আক্রমণ চালানো হয়েছিল।

ইরানি সংবাদ সংস্থা ফারসের বরাতে আল জাজিরা জানায়, সিরিক দ্বীপের যোগাযোগ টাওয়ারে হামলার কয়েক ঘণ্টা পর ইরান পাল্টা অভিযান চালায়।

আইআরজিসির বিবৃতিতে বলা হয়, তাদের বিমানবাহিনী সেই বিমানঘাঁটিকে লক্ষ্য করে হামলা চালায়, যেখান থেকে আগের আক্রমণটি পরিচালিত হয়েছিল। এতে নির্ধারিত লক্ষ্যবস্তুগুলো ধ্বংস করা হয়েছে বলেও দাবি করা হয়। তবে ওই স্থাপনার সুনির্দিষ্ট অবস্থান জানানো হয়নি।

এর আগে কুয়েতে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করা হয় এবং দেশজুড়ে সাইরেন বাজতে শোনা যায় বলে স্থানীয় সূত্রগুলো জানিয়েছে।

একই সময়ে ইসরায়েলের উত্তরাঞ্চলেও সতর্কতা জারি করা হয়। দেশটির সংবাদমাধ্যম জানায়, পশ্চিম গ্যালিলি, কিরিয়াত শমোনা এবং আশপাশের এলাকায় বিমান হামলার সতর্ক সাইরেন বেজে ওঠে।

বিশ্লেষকদের মতে, একাধিক অঞ্চলে একসঙ্গে সতর্কতা ও পাল্টাপাল্টি হামলার দাবি মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনাকে আরও তীব্র করে তুলছে।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

ইরানের কাছ থেকে হরমুজ প্রণালিতে হামলা বন্ধের অঙ্গীকার চায় যুক্তরাষ্ট্র

Published

on

By

হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া এবং সেখান দিয়ে চলাচলকারী বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা বন্ধের বিষয়ে ইরানের কাছ থেকে প্রকাশ্য অঙ্গীকার চায় যুক্তরাষ্ট্র। শনিবার থেকে যে দুই পক্ষের মধ্যে যে আলোচনা শুরু হওয়ার কথা, সেখানে এই বিষয়টিকে রাখতে চায় ওয়াশিংটন।

যুক্তরাষ্ট্রের গণমাধ্যম নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কর্মকর্তাদের উদ্ধৃত করে জানিয়েছে, তেহরান ব্যক্তিগতভাবে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের উপদেষ্টাদের কাছে স্বীকার করেছে যে জাহাজে গুলি চালানো একটি ভুল ছিল।

তবে ইরানিরা এ ঘটনার জন্য নিজেদের ভেতরের একটি নিয়ন্ত্রণহীন গোষ্ঠীকে দায়ী করেছে বলেও জানা গেছে।

ট্রাম্প বলেছেন, হরমুজ প্রণালি নিয়ে এ সপ্তাহের সংঘর্ষ সত্ত্বেও উভয় পক্ষ আলোচনা চালিয়ে যেতে সম্মত হয়েছে, যদিও হোয়াইট হাউজ এটিকে যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন হিসেবে দেখেছে।

জুন মাসে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষর করে, যার অংশ হিসেবে বাণিজ্যিক জাহাজগুলোকে নিরাপদ চলাচলের সুযোগ দেওয়ার কথা ছিল ইরানের।

বিবিসির যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক অংশীদার সিবিএস নিউজকে জ্যেষ্ঠ মার্কিন কর্মকর্তারা বলেছেন, কট্টরপন্থিদের একটি ‘পথভ্রষ্ট’ গোষ্ঠী বাণিজ্যিক জাহাজে গুলি চালিয়ে আলোচনাকে ভেস্তে দেওয়ার চেষ্টা করছিল বলে তেহরান জানিয়েছে।

মার্কিন একজন কর্মকর্তা টিভি নেটওয়ার্কটিকে বলেন, “তারা (ইরানিরা) আবার আলোচনায় ফিরে এসে বলেছে, ‘আমরা ভুল করেছি। আমরা একটি ভুল করেছি। চলুন আলোচনা চালিয়ে যাই’।”

শুক্রবার সাংবাদিকদের ব্রিফিংয়ে মার্কিন কর্মকর্তারা বলেন, আঞ্চলিক মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে তেহরানের নেতৃত্বের কাছে একটি বার্তা পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। ইরানকে প্রণালিটি উন্মুক্ত রয়েছে মর্মে একটি বিবৃতি দিতে এবং বাণিজ্যিক জাহাজে গুলি চালানো বন্ধ করার ঘোষণা দিতে বলা হয়েছে এতে, একাধিক গণমাধ্যম এ তথ্য জানিয়েছে।

Continue Reading

top2

‘আমাকে হত্যা করলে ইরানের ওপর মিসাইলের ঝড় নামবে’, ট্রাম্পের নতুন হুঁশিয়ারি

Published

on

By

ডেস্ক রিপোর্ট:

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, তাকে হত্যা বা হত্যাচেষ্টা করা হলে ইরানের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ও ব্যাপক সামরিক অভিযান চালাবে যুক্তরাষ্ট্র। তিনি বলেন, এ ধরনের পরিস্থিতি মোকাবিলায় ইতোমধ্যে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে এবং ইরানকে লক্ষ্য করে এক হাজার ক্ষেপণাস্ত্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প লেখেন, ইরান যদি বিশ্বের যেকোনো প্রান্ত থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে হামলা চালায় বা হত্যার চেষ্টা করে, তাহলে সঙ্গে সঙ্গে আরও কয়েক হাজার ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হবে।

তিনি আরও দাবি করেন, প্রয়োজন হলে এক বছর বা তারও বেশি সময় ধরে ইরানের বিভিন্ন স্থানে সামরিক অভিযান পরিচালনা করার সক্ষমতা যুক্তরাষ্ট্রের রয়েছে।

ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির জানাজায় অংশ নেওয়া কিছু বিক্ষোভকারীর হাতে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে প্রতিশোধমূলক স্লোগানসংবলিত ব্যানার দেখা যাওয়ার পরই মার্কিন প্রেসিডেন্টের এ মন্তব্য আসে।

Continue Reading

top2

সমঝোতা কার্যকর থাকতেই পারমাণবিক স্থাপনা মেরামতে ইরান

Published

on

By

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের শর্ত কার্যকর থাকা অবস্থাতেই ইরান তাদের কয়েকটি সন্দেহভাজন পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র–সংশ্লিষ্ট স্থাপনায় মেরামত ও পুনর্গঠনের কাজ শুরু করেছে বলে দাবি করেছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন। স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণের ভিত্তিতে প্রকাশিত এ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তেহরানের এসব পদক্ষেপ পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে নতুন করে প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।

সিএনএন ও ‘ইনস্টিটিউট ফর সায়েন্স অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল সিকিউরিটি’ যৌথভাবে সাম্প্রতিক স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণ করে এ তথ্য প্রকাশ করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, গত জুনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে হওয়া সমঝোতা স্মারকে তেহরান পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি বা অর্জনের পথে না যাওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলেও পরবর্তী সময়েই কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় পুনর্গঠনের তৎপরতা দেখা গেছে।

বিশ্লেষণে উঠে এসেছে, তেহরানের দক্ষিণ-পূর্বে অবস্থিত পারচিন সামরিক কমপ্লেক্সের একটি স্থাপনা, যেখানে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরিতে ব্যবহৃত উচ্চক্ষমতার বিস্ফোরক নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে সন্দেহ রয়েছে, সেখানে মেরামতের কাজ চলছে। ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত ওই স্থাপনার জুন মাসের স্যাটেলাইট চিত্রে বোমার গর্তগুলো অস্থায়ীভাবে ঢেকে রাখতে দেখা যায়। জুলাইয়ের ছবিতে সেখানে আরও স্থায়ী ধরনের সুরক্ষামূলক জালের আচ্ছাদন বসানোর চিত্র ধরা পড়ে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ‘পিকঅ্যাক্স মাউন্টেন’ নামে পরিচিত আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের কয়েক দিনের মধ্যেই টানেলমুখে একাধিক যানবাহনের চলাচল শনাক্ত হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব কার্যক্রম পারমাণবিক সক্ষমতা-সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো পুনরুদ্ধারের ইঙ্গিত দিতে পারে এবং তা চুক্তির চেতনার সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

এ ছাড়া ইরানের কয়েকটি ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষেপণাস্ত্র সংরক্ষণাগারেও সংস্কারকাজ চলার প্রমাণ মিলেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে ইসফাহান, ফোরদো ও নাতাঞ্জের মতো প্রধান পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে এখন পর্যন্ত উল্লেখযোগ্য কোনো মেরামত কার্যক্রম শনাক্ত হয়নি।

গত জুনে যুদ্ধবিরতি ও উত্তেজনা প্রশমনের লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান একটি সমঝোতা স্মারকে সই করে। ওই সমঝোতায় হরমুজ প্রণালীতে নিরাপদ নৌ চলাচল নিশ্চিত করা, মার্কিন নৌ-অবরোধ শিথিল করা এবং আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি সংস্থার (আইএইএ) তত্ত্বাবধানে সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত কমানো বা নিষ্পত্তির বিষয়ে আলোচনা এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে উভয় পক্ষ একমত হয়েছিল।

তবে সমঝোতা কার্যকর থাকার মধ্যেই স্যাটেলাইট চিত্রে ধরা পড়া এসব কর্মকাণ্ড নতুন করে অবিশ্বাসের জন্ম দিয়েছে। এদিকে হরমুজ প্রণালীতে হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে সাম্প্রতিক দিনগুলোতে যুক্তরাষ্ট্র–ইরান উত্তেজনা আবারও বেড়েছে এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যুদ্ধবিরতি কার্যত শেষ হয়ে গেছে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন। এর পর থেকেই দুই পক্ষের মধ্যে নতুন করে সামরিক সংঘাত শুরু হয়েছে।

Continue Reading

Trending