Connect with us

আন্তর্জাতিক

মার্কিন হামলার জবাবে ‘যুক্তরাষ্ট্রের বিমানঘাঁটিতে’ হামলা ইরানের

Published

on

ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) দাবি করেছে, দক্ষিণ ইরানে মার্কিন হামলার জবাবে তারা যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবহৃত একটি বিমানঘাঁটিতে হামলা চালিয়েছে। এ বিমানঘাঁটি থেকেই ইরানের একটি যোগাযোগ টাওয়ারে আক্রমণ চালানো হয়েছিল।

ইরানি সংবাদ সংস্থা ফারসের বরাতে আল জাজিরা জানায়, সিরিক দ্বীপের যোগাযোগ টাওয়ারে হামলার কয়েক ঘণ্টা পর ইরান পাল্টা অভিযান চালায়।

আইআরজিসির বিবৃতিতে বলা হয়, তাদের বিমানবাহিনী সেই বিমানঘাঁটিকে লক্ষ্য করে হামলা চালায়, যেখান থেকে আগের আক্রমণটি পরিচালিত হয়েছিল। এতে নির্ধারিত লক্ষ্যবস্তুগুলো ধ্বংস করা হয়েছে বলেও দাবি করা হয়। তবে ওই স্থাপনার সুনির্দিষ্ট অবস্থান জানানো হয়নি।

এর আগে কুয়েতে আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করা হয় এবং দেশজুড়ে সাইরেন বাজতে শোনা যায় বলে স্থানীয় সূত্রগুলো জানিয়েছে।

একই সময়ে ইসরায়েলের উত্তরাঞ্চলেও সতর্কতা জারি করা হয়। দেশটির সংবাদমাধ্যম জানায়, পশ্চিম গ্যালিলি, কিরিয়াত শমোনা এবং আশপাশের এলাকায় বিমান হামলার সতর্ক সাইরেন বেজে ওঠে।

বিশ্লেষকদের মতে, একাধিক অঞ্চলে একসঙ্গে সতর্কতা ও পাল্টাপাল্টি হামলার দাবি মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনাকে আরও তীব্র করে তুলছে।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top3

মরক্কো থেকে সাঁতরে স্পেনের সেউতায় প্রবেশ করলেন প্রায় ৬০ হাজার; প্রাণহানি বেড়ে ৩৪

Published

on

By

ডিজিটাল ডেস্ক

মরক্কো থেকে উত্তর আফ্রিকায় অবস্থিত স্পেনের স্বায়ত্তশাসিত শহর সেউতায় কয়েক দিনের ব্যবধানে প্রায় ৬০ হাজার অভিবাসী প্রবেশ করেছেন। এ সময় সমুদ্র ও সীমান্ত পেরিয়ে শহরটিতে ঢোকার চেষ্টাকালে অন্তত ৩৪ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ।

শুক্রবার (৩১ জুলাই) দ্য গার্ডিয়ান-এর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

সেউতার আঞ্চলিক সরকারের প্রধান হুয়ান জেসুস ভিভাস বলেন, সাম্প্রতিক কয়েক দিনের ঘটনাপ্রবাহে প্রায় ৬০ হাজার মানুষ সেউতায় প্রবেশ করেছেন। এই সংখ্যা শহরটির মোট জনসংখ্যার অর্ধেকেরও বেশি। একই সময়ে সীমান্ত অতিক্রমের চেষ্টা করতে গিয়ে অন্তত ৩৪ জনের প্রাণহানির তথ্য পাওয়া গেছে।

এর আগে সেউতায় কতজন অভিবাসী প্রবেশ করেছেন, সে বিষয়ে কোনো নির্দিষ্ট সরকারি তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। ভিভাসের বক্তব্যের মাধ্যমে প্রথমবারের মতো সম্ভাব্য মোট সংখ্যার একটি সরকারি হিসাব সামনে এলো।

এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা গেছে, মরক্কোর উপকূল থেকে অনেক অভিবাসী ভাসমান ইনফ্ল্যাটেবল ডিভাইস ব্যবহার করে সাঁতরে সেউতায় প্রবেশ করছেন। কয়েকজনকে ‘স্পেন দীর্ঘজীবী হোক’ স্লোগান দিতেও দেখা যায়।

অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের প্রকাশিত ফুটেজে আরও দেখা যায়, বড় বড় অভিবাসী দল ব্রেকওয়াটার অতিক্রম করে সেউতার সড়কে উঠে আসছে। অন্যদিকে স্পেনের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ইএফই জানিয়েছে, অনেকেই স্থলসীমান্তের কাঁটাতারের বেড়া টপকেও শহরটিতে প্রবেশ করেছেন।

উত্তর আফ্রিকায় অবস্থিত স্পেনের দুটি স্বায়ত্তশাসিত শহর সেউতা ও মেলিলা ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে আফ্রিকার একমাত্র স্থলসীমান্ত। উন্নত জীবনের আশায় ইউরোপে প্রবেশ করতে চাওয়া অভিবাসীদের জন্য এই দুটি শহর দীর্ঘদিন ধরেই গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথ হিসেবে পরিচিত।

চলতি মাসের শুরুতে স্পেনের সুপ্রিম কোর্ট রায় দেন, সেউতা বা মেলিলায় পৌঁছানোর চেষ্টাকালে সমুদ্রে আটক হওয়া অভিবাসীদের মরক্কোতে ফেরত পাঠানো যাবে না। আদালতের ওই রায়ের পর অভিবাসীদের প্রবেশের গতি কিছুটা কমলেও সাম্প্রতিক এই ঘটনাকে ‘হঠাৎ বিস্ফোরণ’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন স্পেনের নিরাপত্তা বাহিনী গার্ডিয়া সিভিল-এর এক মুখপাত্র।

স্পেনের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, পরিস্থিতি মোকাবিলায় তারা মরক্কো সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করছে। একই সঙ্গে সুপ্রিম কোর্টের রায়ের সুযোগ নিয়ে মানবপাচারকারী চক্রগুলো অনিয়মিত অভিবাসনকে উৎসাহিত করছে বলেও অভিযোগ করেছে দেশটির কর্তৃপক্ষ।

এদিকে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে স্পেনের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ফার্নান্দো গ্রান্দে-মারলাস্কার শুক্রবার সেউতা সফরের কথা রয়েছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় গণমাধ্যম।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

Continue Reading

আন্তর্জাতিক

১৪ দেশ নিয়ে সৌদির নতুন সামুদ্রিক প্রতিরক্ষা জোট, আছে বাংলাদেশ

Published

on

By

অলটাইম রিপোর্ট

বাব আল-মান্দেব প্রণালি, লোহিত সাগর ও এডেন উপসাগরে নৌ-চলাচলের স্বাধীনতা নিশ্চিত এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও জ্বালানি সরবরাহের গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ সুরক্ষায় নতুন একটি বহুজাতিক সামুদ্রিক প্রতিরক্ষা জোট গঠনের ঘোষণা দিয়েছে সৌদি আরব। বাংলাদেশসহ ১৪টি দেশ সৌদির নেতৃত্বাধীন এই জোটে রয়েছে। 

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সৌদি আরবের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, মাল্টিন্যাশনাল মেরিটাইম ডিফেন্স অ্যালায়েন্স নামে এই জোট গঠন করা হয়েছে যৌথ সামুদ্রিক প্রতিরক্ষা সহযোগিতা আরও জোরদার করার লক্ষ্যে।

জোটভুক্ত দেশগুলো জানিয়েছে, ভারত মহাসাগরকে ভূমধ্যসাগরের সঙ্গে যুক্ত করা এই কৌশলগত সমুদ্রপথে নৌ-চলাচলের স্বাধীনতা, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য এবং জ্বালানি পরিবহণ নিরাপদ রাখাই হবে তাদের প্রধান লক্ষ্য।

বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংঘাতের কারণে হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে উত্তেজনা বেড়ে যাওয়ার প্রেক্ষাপটে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিশ্বের তেল ও গ্যাস রপ্তানির একটি বড় অংশ আগে হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হলেও সেখানে অস্থিতিশীলতা বৈশ্বিক অর্থনীতির ওপর চাপ সৃষ্টি করছে।

অন্যদিকে, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথি যোদ্ধাদের হামলায় বাব আল-মান্দেব-লোহিত সাগর-এডেন উপসাগর রুটও ঝুঁকির মুখে পড়েছে।

সৌদি আরব জানিয়েছে, জোট গঠনের বৈঠকে আমন্ত্রিত ৫১ দেশের মধ্যে ৪৩ দেশের প্রতিনিধি অংশ নেন। এতে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) একটি প্রতিনিধিদলও উপস্থিত ছিল। যদিও ইইউর ইতোমধ্যে লোহিত সাগরে অ্যাসপিডিস নামে একটি নৌ নিরাপত্তা মিশন রয়েছে, নতুন সৌদি নেতৃত্বাধীন জোটের কার্যক্রম কীভাবে আলাদা হবে, তা এখনও স্পষ্ট করা হয়নি।

সৌদি আরব ছাড়া জোটের অন্য সদস্য দেশগুলো হলো তুরস্ক, কুয়েত, বাহরাইন, কাতার, জর্ডান, মিসর, পাকিস্তান, জিবুতি, সোমালিয়া, বাংলাদেশ, ইয়েমেন, সুদান ও কোমোরোস।

তবে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও ওমান এখনো এই জোটে যোগ দেয়নি, যদিও ইরানকে কেন্দ্র করে চলমান সংকটে তাদের নিরাপত্তা স্বার্থও অনেকটাই একই ধরনের।

সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, প্রয়োজনীয় জাতীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর অন্য দেশগুলোর জন্যও এই জোটে যোগদানের সুযোগ উন্মুক্ত থাকবে।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, অংশগ্রহণকারী দেশগুলো বিশ্বাস করে যে সামুদ্রিক নিরাপত্তা একটি যৌথ দায়িত্ব এবং আন্তঃদেশীয় সামুদ্রিক হুমকি মোকাবিলায় পারস্পরিক সহযোগিতা ও সমন্বয়ই সবচেয়ে কার্যকর উপায়।

জোটে কোন দেশ কতটি যুদ্ধজাহাজ বা বিমান দেবে, সে বিষয়ে কিছু জানানো হয়নি। তবে গোয়েন্দা তথ্য বিনিময়, যৌথ পরিকল্পনা, সমন্বিত মহড়া এবং সামুদ্রিক অভিযান পরিচালনা করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

সৌদি আরব জোর দিয়ে বলেছে, এই জোটের উদ্দেশ্য সম্পূর্ণ প্রতিরক্ষামূলক এবং এটি কোনো নির্দিষ্ট রাষ্ট্রকে লক্ষ্য করে গঠন করা হয়নি। জোটটির সদর দপ্তর সৌদি আরবে হবে, তবে সুনির্দিষ্ট অবস্থান প্রকাশ করা হয়নি।

গত সপ্তাহে ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীরা সৌদি আরবের বিরুদ্ধে সামুদ্রিক অবরোধ ঘোষণা করে, যার ফলে লোহিত সাগরমুখী তেল পরিবহণ ব্যাহত হয়।

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে ইরানকে ঘিরে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর হরমুজ প্রণালি কার্যত অচল হয়ে পড়লেও সৌদি আরব পূর্ব-পশ্চিম পাইপলাইনের মাধ্যমে পূর্বাঞ্চলের তেল শোধনাগার থেকে লোহিত সাগরের ইয়ানবু বন্দরে তেল পরিবহণ অব্যাহত রাখতে সক্ষম হয়েছে।

তবে সেই তেল রপ্তানির জন্য বাব আল-মান্দেব প্রণালি অতিক্রম করতে হয়। ইরিত্রিয়া, জিবুতি ও ইয়েমেনের মাঝখানে অবস্থিত এই সংকীর্ণ জলপথের ইয়েমেন অংশ হুথিদের নিয়ন্ত্রণে থাকায় সেখানে জাহাজে হামলার ঝুঁকি রয়ে গেছে।

বিশ্বের মোট সামুদ্রিক বাণিজ্যের প্রায় ১০ থেকে ১২ শতাংশ এবং প্রতিদিন কয়েক মিলিয়ন ব্যারেল তেল এই প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হয়। মাত্র ২৯ কিলোমিটার প্রশস্ত এই জলপথে যেকোনো ধরনের বিঘ্ন বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে নতুন করে মূল্যবৃদ্ধির চাপ সৃষ্টি করতে পারে।

Continue Reading

top1

বাংলাদেশসহ ১৪ দেশ নিয়ে সৌদি আরবের নতুন সামুদ্রিক প্রতিরক্ষা জোট

Published

on

By

ডিজিটাল ডেস্ক

লোহিত সাগর, বাব-এল-মানদেব প্রণালি ও এডেন উপসাগরে নৌ চলাচল এবং বাণিজ্যিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সৌদি আরবের নেতৃত্বে বাংলাদেশসহ ১৪টি দেশ নিয়ে নতুন একটি সামুদ্রিক প্রতিরক্ষা জোট গঠিত হয়েছে। ‘মাল্টিন্যাশনাল মেরিটাইম ডিফেন্স অ্যালায়েন্স’ নামের এ জোটের লক্ষ্য গুরুত্বপূর্ণ নৌপথে নিরাপত্তা জোরদার করা এবং বৈশ্বিক বাণিজ্য ও জ্বালানি সরবরাহ নির্বিঘ্ন রাখা।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতির বরাতে এ তথ্য জানিয়েছে আল জাজিরা। রিয়াদে অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক বৈঠকে ৫১টি দেশকে আমন্ত্রণ জানানো হলেও ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিনিধিদলসহ ৪৩টি দেশের প্রতিনিধিরা এতে অংশ নেন।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের চলমান উত্তেজনার মধ্যে হরমুজ প্রণালিতে নৌ চলাচল ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা এবং ইয়েমেনের ইরান-সমর্থিত হুথি বিদ্রোহীদের হামলায় লোহিত সাগর ও বাব-এল-মানদেব অঞ্চলের নিরাপত্তা ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ায় এই জোট গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সৌদি আরব ছাড়াও জোটে যোগ দিয়েছে বাংলাদেশ, তুরস্ক, কুয়েত, বাহরাইন, কাতার, জর্ডান, মিশর, পাকিস্তান, জিবুতি, সোমালিয়া, ইয়েমেন, সুদান ও কমোরোস। তবে সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং ওমান এই জোটে স্বাক্ষর করেনি।

জোটের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য হিসেবে সৌদি আরবই এর নেতৃত্ব দেবে এবং দেশটিতেই এর সদর দপ্তর থাকবে। যদিও সদর দপ্তরের নির্দিষ্ট অবস্থান এখনো প্রকাশ করা হয়নি। জোট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এটি সম্পূর্ণ প্রতিরক্ষামূলক উদ্যোগ এবং কোনো নির্দিষ্ট দেশের বিরুদ্ধে পরিচালিত নয়।

নতুন এ জোটের সদস্য রাষ্ট্রগুলো পারস্পরিক গোয়েন্দা তথ্য বিনিময়, যৌথ সামরিক মহড়া এবং সামুদ্রিক নিরাপত্তা পরিকল্পনা বাস্তবায়নে একসঙ্গে কাজ করবে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে আগ্রহী অন্যান্য দেশের জন্যও জোটে যোগ দেওয়ার সুযোগ উন্মুক্ত রাখা হয়েছে।

বিশ্ব বাণিজ্যের প্রায় ১০ থেকে ১২ শতাংশ এবং প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ জ্বালানি বাব-এল-মানদেব প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হয়। মাত্র ১৮ মাইল প্রশস্ত এই কৌশলগত নৌপথে কোনো ধরনের অস্থিরতা বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে। এ কারণেই নৌপথটির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যৌথ উদ্যোগের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে সদস্য দেশগুলো।

সূত্র: আল জাজিরা

Continue Reading

Trending