Connect with us

সর্বশেষ

মার্কেট দখলকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ, নিহত ১

Published

on

মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে নির্মাণাধীন একটি মার্কেট দখল চেষ্টার সময় বাধা দিতে গিয়ে প্রতিপক্ষের হামলায় মো. আলমগীর (৪৭) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এতে আহত হয়েছেন আরও অন্তত আটজন।

উপজেলার বালাশুর বাজার এলাকায় মঙ্গলবার সকালে এ ঘটনা ঘটে। শ্রীনগর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. জুয়েল মিঞা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নিহত মো. আলমগীর বালাশুর এলাকার বাসিন্দা। আহতদের মধ্যে ৫ জন হলেন একই উপজেলার তমিজউদ্দিন (৬৫), জাহাঙ্গীর (৫৫), তারেক (৩৫), তুষার (২৪) ও আব্দুর রহমান (২৩)। বাকিদের নাম তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। আহতদের সকলেই বর্তমানে শ্রীনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন। 

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আলমগীর ও তার ভাই তমিজউদ্দিন যৌথভাবে বালাশুর বাজারে একটি মার্কেট নির্মাণ শুরু করেন। তবে ওই জমিটি স্থানীয় হান্নান হাজী, মানিক ও তাপস ওয়ারিশ মালিকানা দাবি করে আদালতে মামলা করেন।

মামলায় ব্যর্থ হলে নির্মাণাধীন মার্কেট দখলের চেষ্টা করেন প্রতিপক্ষের লোকজন। সকালে হান্নান ও মানিক তাদের লোকজন নিয়ে মার্কেটটি দখলের জন্য যান। এ সময় বাধা দিলে প্রতিপক্ষরা আলমগীরকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর আহত করে।

আলমগীরকে বাঁচাতে স্বজনরা এগিয়ে আসলে তাদেরকেও পিটিয়ে আহত করা হয়। আহতদের উদ্ধার করে শ্রীনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়ার পথে হাসপাতাল গেইটের সামনে আবার আলমগীরের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আলমগীর মারা যায়।

এ ঘটনার প্রতিবাদে বেলা ১১টার দিকে নিহতের স্বজন ও বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন। এতে ঢাকা-দোহার সড়কের উভয়পাশে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। বিক্ষোভ চলাকালে বালাসুর এলাকায় হান্নান হাজীর মার্কেটের সামনে অগ্নিসংযোগ করা হলে এলাকায় আতঙ্ক ছড়ায়।

খবর পেয়ে সেনাবাহিনী, র‌্যাব, বিজিবি ও পুলিশের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। প্রায় এক ঘণ্টা পর যান চলাচল শুরু হয়।

এ বিষয়ে শ্রীনগর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. জুয়েল মিঞা বলেন, “প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, জমিসংক্রান্ত বিরোধের জেরেই এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযোগ পাওয়া গেছে এবং অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে”।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

রাজনীতি

এনসিপিতে যোগদান করল পীরগাছা বিএনপি ও জাতীয় পার্টির অর্ধশতাধিক নেতাকর্মী

Published

on

By

রংপুরের পীরগাছায় রাজনীতির মাঠে চমক সৃষ্টি করে বিএনপি ও জাতীয় পার্টির অন্তত ৫০ থেকে ৫৫ জন নেতাকর্মী ও সমর্থক আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-তে যোগদান করেছেন।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় পীরগাছা উপজেলার পারুল ইউনিয়নের সেচাকান্দি এতিমখানা এলাকায় জাতীয় নাগরিক পার্টির নির্বাচনি উঠান বৈঠকে এই যোগদান অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন এনসিপির সদস্যসচিব ও রংপুর-৪ আসনের (কাউনিয়া-পীরগাছা) শাপলা কলির প্রার্থী আখতার হোসেন।

এ সময় বিএনপি ও জাতীয় পার্টি থেকে আগত নেতাকর্মীদের মধ্যে পারুল ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড বিএনপির সদস্য আবু রায়হান, আব্দুল গফুর, ইমান আলী, ছাত্র সমাজের সভাপতি মিজানুর রহমান এবং জাতীয় পার্টির নেতা বাদশা মিয়া, মিনহাজুল ইসলাম, রোস্তম খান ডিপজল, আব্দুল খালেক, ময়নুল ইসলামসহ অনেকে এনসিপিতে যোগ দেন।

এছাড়াও সোহেল রানা, আশরাফ আলী, আব্দুর রশিদ, হাসান মিয়া, হাবিজার রহমান, আফতাব হোসেন, রফিকুল ইসলাম, আব্দুস সাত্তারসহ মোট ৫০–৫৫ জন নেতাকর্মী ও সমর্থক দলটির শাপলা কলি প্রতীকের ব্যানার হাতে নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এনসিপিতে যোগদান করেন।

যোগদানকারী নেতাকর্মীরা বলেন, বিএনপি ও জাতীয় পার্টিতে দেশপ্রেম, গণতন্ত্র ও ত্যাগী কর্মীদের যথাযথ মূল্যায়ন না থাকায় তারা নতুন রাজনৈতিক ধারার দিকে ঝুঁকেছেন। তাদের মতে, দেশের রাজনীতিতে সত্যিকারের পরিবর্তন আনতে সৎ, সাহসী ও জনবান্ধব রাজনীতির বিকল্প নেই, আর এনসিপি সেই বিকল্প শক্তি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে।

তারা আরও বলেন, জুলাই বিপ্লবের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদী কাঠামো ভেঙে গড়ে ওঠা এনসিপির লক্ষ্য একটি ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ গড়া। পুরোনো রাজনৈতিক দলগুলো জনআকাঙ্ক্ষা পূরণে ব্যর্থ হওয়ায় সাধারণ মানুষ নতুন নেতৃত্ব ও নতুন রাজনীতির দিকে তাকিয়ে আছে। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আখতার হোসেনকে নির্বাচিত করে সংসদে পাঠাতে তারা মাঠে সক্রিয়ভাবে কাজ করবেন বলেও প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

এনসিপির সদস্য সচিব আখতার হোসেন নবাগতদের স্বাগত জানিয়ে বলেন, এই যোগদান প্রমাণ করে দেশের মানুষ পরিবর্তনের পথে হাঁটতে শুরু করেছে। আগামী দিনে আরও বহু নেতাকর্মী এনসিপিতে যোগ দেবেন বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানে উপজেলা জামায়াতের আমির বজলুর রশিদ মুকুলসহ ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ-১১ দলীয় জোটের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

Continue Reading

top1

‘জাতীয় সরকার’ গঠনে আমরা ইতিবাচক, দ্য উইককে ডা. শফিকুর

Published

on

By

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, জামায়াত একটি প্রগতিশীল ও মধ্যপন্থি ইসলামী রাজনৈতিক দল, যা সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নিজেদের নীতিমালা ধারাবাহিকভাবে পরিমার্জন করে আসছে। তিনি বলেন, জামায়াত সবসময়ই গণতান্ত্রিক ও জনমুখী রাজনীতিতে বিশ্বাসী।

ভারতের সাপ্তাহিক ইংরেজি ম্যাগাজিন দ্য উইককে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে এসব কথা বলেন ডা. শফিকুর রহমান। সাক্ষাৎকারে তিনি জামায়াতের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক পরিকল্পনা, রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি এবং নারী ও সংখ্যালঘুদের বিষয়ে দলের অবস্থান তুলে ধরেন। একই সঙ্গে বিএনপির সঙ্গে আনুষ্ঠানিক জোট না থাকলেও জাতীয় স্বার্থে গঠনমূলক সহযোগিতা এবং ‘জাতীয় সরকার’ গঠনের বিষয়ে জামায়াত ইতিবাচক বলে জানান তিনি।

সাক্ষাৎকারে *দ্য উইক*-এর দিল্লি ব্যুরোপ্রধান নম্রতা বিজি আহুজার প্রশ্নের জবাবে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, প্রথাগত নির্বাচনি রাজনীতির বাইরে থাকলেও জামায়াত কখনোই গণতান্ত্রিক কার্যক্রম থেকে সরে আসেনি। তিনি বলেন, ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে বিএনপির সঙ্গে জোটবদ্ধ হয়ে একই প্রতীকে অংশ নেওয়ার অভিজ্ঞতা থেকে জামায়াত শিখেছে—গণতন্ত্র হুমকির মুখে পড়লে সব গণতান্ত্রিক শক্তির ঐক্য কতটা জরুরি।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, দীর্ঘদিনের এই সময় জামায়াতকে আরও শক্তিশালী করেছে। সংগঠনের কাঠামো মজবুত করা হয়েছে, শৃঙ্খলা আরও কঠোর করা হয়েছে এবং তৃণমূল পর্যায়ে জনসংযোগ গভীর হয়েছে। একইসঙ্গে সমসাময়িক বাস্তবতার সঙ্গে তাল মিলিয়ে রাজনৈতিক কৌশলও নতুন করে সাজানো হয়েছে।

তিনি জানান, ২০১৩ সাল থেকে কার্যত নিষিদ্ধ অবস্থার মধ্যেও জামায়াত সাধারণ মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করেনি। বর্তমানে দেশের তরুণ প্রজন্মের একটি বড় অংশ দুর্নীতি ও অপশাসনের বিকল্প হিসেবে জামায়াতের সুশৃঙ্খল সাংগঠনিক কাঠামোর প্রতি আগ্রহী হচ্ছে। বিশেষ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্র সংসদ নির্বাচনে জামায়াতপন্থি ছাত্র সংগঠনের সাফল্য এ আগ্রহের প্রমাণ বলে তিনি উল্লেখ করেন।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জামায়াত এখন কেবল একটি আদর্শিক দল নয়; বরং কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও দক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে তরুণদের দেশ গঠনের অংশীদার করার পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে।

জোট রাজনীতি প্রসঙ্গে জামায়াত আমির বলেন, দলটি নির্দিষ্ট কোনো আদর্শের গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ থাকতে চায় না। জামায়াত বহুদলীয় গণতন্ত্র ও অন্তর্ভুক্তিমূলক শাসনে বিশ্বাসী। ইতোমধ্যে ১০টি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে নির্বাচনি জোট গঠন করেছে দলটি। তবে বিএনপির সঙ্গে কোনো আনুষ্ঠানিক জোট না থাকলেও জাতীয় স্বার্থে গঠনমূলক সহযোগিতা এবং জাতীয় সরকার গঠনের বিষয়ে তারা ইতিবাচক।

তিনি জানান, জোটবদ্ধ রাজনীতির ক্ষেত্রে জামায়াতের তিনটি মূলনীতি রয়েছে—জুলাই অভ্যুত্থানের চেতনা রক্ষা, দুর্নীতির বিরুদ্ধে আপসহীন অবস্থান এবং দেশপ্রেমিক রাজনীতি।

নারী ও সংখ্যালঘুদের বিষয়ে ওঠা সমালোচনার জবাবে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, জামায়াত সব নাগরিকের সমান অধিকার ও মানবিক মর্যাদায় বিশ্বাসী। এর প্রমাণ হিসেবে তিনি হিন্দু সম্প্রদায়ের একজন প্রার্থীকে মনোনয়নের কথা উল্লেখ করেন। তবে আসন বণ্টন ও জোটগত সমীকরণের কারণে এবার নারী প্রার্থী দেওয়া সম্ভব হয়নি। জোটের নারী প্রার্থীদের জামায়াত পূর্ণ সমর্থন দিচ্ছে বলেও জানান তিনি। পাশাপাশি স্থানীয় সরকার নির্বাচনে জামায়াতের নারী জনপ্রতিনিধিদের নির্বাচিত হওয়ার নজিরও তুলে ধরেন।

অতীতের বিতর্ক প্রসঙ্গে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ১৯৪৭ সাল থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত জামায়াতের কোনো সদস্যের কারণে যদি কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকেন, তবে তার জন্য আমি ক্ষমাপ্রার্থী।

Continue Reading

রাজনীতি

সিঙ্গাপুর-কানাডা নয়, ইনসাফভিত্তিক ‘উত্তম বাংলাদেশ’ গড়তে চাই: জামায়াত আমির

Published

on

By

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, আগামী ১২ তারিখের নির্বাচন কোনো সাধারণ নির্বাচন নয়; এটি জাতির ভাগ্য পরিবর্তন এবং দেশকে সঠিক পথে ফিরিয়ে আনার নির্বাচন। তিনি প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেন, “আমরা নিজেরা দুর্নীতি করব না এবং কোনো দুর্নীতিবাজকে প্রশ্রয় দেব না। ইনসাফ ভিত্তিক এমন এক সমাজ গড়ব যেখানে অপরাধ করলে প্রধানমন্ত্রী বা সাধারণ নাগরিক—সবার সাজা হবে সমান।”

বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার মহিষালবাড়ি মহিলা ডিগ্রি কলেজ মাঠে আয়োজিত এক বিশাল নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। রাজশাহী-১ (গোদাগাড়ী-তানোর) আসনের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী অধ্যাপক মুজিবুর রহমানের সমর্থনে এই সভার আয়োজন করা হয়।

ডা. শফিকুর রহমান জানান, একটি নতুন বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে ১১টি দল ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। তিনি বলেন, “জুলাই সনদ এবং সংস্কারের সমস্ত প্রস্তাব মেনে নিয়ে তা বাস্তবায়নের ওয়াদা যারা করেছে, আমরা তাদের নিয়ে ১১ দলে একত্রিত হয়েছি। আমাদের এই জোটে কোনো ব্যাংক ডাকাত, চাঁদাবাজ, ঋণখেলাপি বা নারী নির্যাতনকারী নেই। আমরা বেছে বেছে সৎ লোকদের মনোনয়ন দিয়েছি।”

বিদেশের সাথে তুলনা না করে দেশকে নিজস্ব গৌরবে সাজানোর প্রত্যয় ব্যক্ত করে জামায়াত আমির বলেন, “অনেকে বাংলাদেশকে সিঙ্গাপুর বা কানাডা বানানোর কথা বলেন। আমরা বলি, আমরা একে একটি ‘উত্তম বাংলাদেশ’ হিসেবে গড়তে চাই। যেখানে সীমানা ঠিক থাকবে, কিন্তু ব্যবস্থার পরিবর্তন হবে। প্রতিটি নাগরিক গর্ব করে বলবে—আমিই বাংলাদেশ।”

নারীদের নিরাপত্তা ও অধিকারের বিষয়ে তিনি বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট প্রতিশ্রুতি দেন:

মা-বোনেরা ঘরে, বাইরে এবং কর্মস্থলে সম্পূর্ণ নিরাপদ থাকবেন।

কর্মজীবী নারীদের সুবিধার্থে বিভিন্ন স্থানে বেবি কেয়ার ও ডে-কেয়ার সেন্টার স্থাপন করা হবে।

শিল্প এলাকায় শ্রমিক ও নারীদের জন্য বিশেষায়িত হাসপাতাল নির্মাণ করা হবে।

শ্রমিকদের ন্যায্য পাওনা না চাইতেই পরিশোধের নীতিমালা করা হবে।

শিক্ষা ব্যবস্থা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এমন শিক্ষানীতি প্রণয়ন করা হবে যা যুবকদের বেকার বানাবে না, বরং দেশ গড়ার লড়াকু সৈনিক হিসেবে তৈরি করবে। এছাড়া বিচার বিভাগে কোনো রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ সহ্য করা হবে না বলেও তিনি হুঁশিয়ারি দেন।

বক্তব্যের শেষে ডা. শফিকুর রহমান রাজশাহী-১ আসনের প্রার্থী ও দলের কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমানের হাতে ‘দাঁড়িপাল্লা’ প্রতীক তুলে দেন। তিনি উপস্থিত জনতাকে উদ্দেশ্য করে বলেন, “প্রথম ভোট হবে ‘হ্যাঁ’, আর দ্বিতীয় ভোট হবে দুর্নীতিমুক্ত ও মানবিক বাংলাদেশের জন্য ইনসাফের প্রতীক দাঁড়িপাল্লায়।”

জেলা জামায়াতের আমির আব্দুল খালেকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই জনসভায় গোদাগাড়ী ও তানোর উপজেলার হাজার হাজার নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষ অংশ নেন। সভায় নারী কর্মীদের জন্য আলাদা বসার ব্যবস্থা করা হয়েছিল।

Continue Reading

Trending