Connect with us

top1

মেডিকেল ও ব্যবসায়ী ভিসা সহজ করতে সম্মত ভারত

Published

on

প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির শেখ বলেছেন, আগামী সপ্তাহে মেডিকেল ও ব্যবসায়ী ভিসা সহজ করতে সম্মত হয়েছে ভারত। সোমবার দুপুরে সংবাদিকদের তিনি একথা বলেন।

ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে তিনি বলেন, শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরাতে আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে। হাদির হত্যাকারীদের দেশে আসান বিষয়ে তিনি বলেন, তাদের দেশের আনার প্রক্রিয়া চলছে।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

‘আপনি ভাই দেশের ক্রিকেটের অনেক বড় ক্ষতি করে দিলেন’: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীকে বুলবুল

Published

on

By

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতির পদ খুইয়েছেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল। তার বোর্ডকে অপসারণ করে সেখানে তামিম ইকবালের নেতৃত্বাধীন অ্যাডহক কমিটিকে দায়িত্ব দিয়েছে জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ (এনএসসি)। তবে নির্বাচিত বোর্ড ভেঙে দিয়ে যেভাবে অ্যাডহক কমিটি গঠন করা হয়েছে, এই প্রক্রিয়াকে স্রেফ ‘ষড়যন্ত্র’ বলে মনে করছেন জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক বুলবুল।

দেশের একটি জাতীয় দৈনিকের সঙ্গে দীর্ঘ আলাপে তিনি নিজেকে এখনও ক্রিকেট বোর্ডের বৈধ সভাপতি দাবি করেছেন। বলেছেন, ‘আনুষ্ঠানিকভাবে আমিই এখনো বিসিবি সভাপতি। যারা বোর্ড ভেঙেছে, তারা তা করতে পারে না, এখতিয়ারে নেই।’

বোর্ড ভেঙে দেয়ার দিনের ঘটনাক্রম উল্লেখ করে সাবেক বিসিবি সভাপতি যোগ করেন, ‘আমি আর খালেদ মাসুদ পাইলট মাঠ দেখতে পূর্বাচলে গিয়েছিলাম। বিসিবিতে ফিরে শুনলাম বোর্ড ভেঙে দেয়া হয়েছে। তখন হঠাৎ করে মনে হলো, আমাদের অফিসটা একটা রাজনৈতিক অফিস হয়ে গেছে। শত শত লোক আসা-যাওয়া শুরু করল। একপর্যায়ে পাইলট আমাকে অনুরোধ করে বলল, ভাই, চলেন চলে যাই। তখন ফাহিম ভাই, আমি আর পাইলট বোর্ডে ছিলাম। আমরা চলে আসতে বাধ্য হয়েছিলাম।’

‘আমাদের মানসম্মান আছে। মানসম্মান নিয়ে জিনিসপত্র ফেলেই চলে এসেছি। কিন্তু আমি দাবি করি ও বিশ্বাস করি, এখনো আমরা বৈধ ক্রিকেট বোর্ড এবং আমি বৈধ সভাপতি’-যোগ করেন বুলবুল।

বোর্ড ভেঙে দেয়ার প্রক্রিয়াকে ‘ষড়যন্ত্র’ আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, ‘এটা কোনও প্রক্রিয়া না, এটা একটা ষড়যন্ত্র। কেন বললাম? এনএসসির কোনো এখতিয়ার নেই বোর্ড ভেঙে দেওয়ার।তাদের যেটুকু এখতিয়ার আছে, ডেকে জিজ্ঞেস করা। যদি কোনো অনৈতিক কাজ করি, ক্রিকেট ঠিকমতো চালাতে না পারি, আমাদের বোর্ড যদি ব্যর্থ প্রমাণিত হয়— সে ক্ষেত্রে তারা আমাদেরকে ডেকে জিজ্ঞেস করতে পারত; সুপারিশ করতে পারত।’

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুক হকের নির্দেশে গঠিত তদন্ত কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে নির্বাচিত বোর্ড ভেঙে দেয়া হয়েছে। তবে এই তদন্ত কমিটির বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন রেখে বুলবুল বলেন, ‘তদন্ত কমিটিকেও আমি অবৈধ ভাবি। কিসের তদন্ত করা হয়েছে? তদন্ত কমিটির রিপোর্টে কী লেখা আছে, আমরা জানিও না এবং সেটা দেখিওনি। এই কমিটি কিসের ওপর ভিত্তি করে হয়েছে?’

Continue Reading

top1

রুমিন ফারহানার এনসিপিতে যোগ দেওয়ার গুঞ্জন, কী বলছেন নেতাকর্মীরা

Published

on

By

ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি) যোগদানের গুঞ্জনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল-আশুগঞ্জ) আসনসহ রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা চলছে। তবে এ বিষয়ে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা পাওয়া যায়নি।

স্থানীয় নেতাকর্মী ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সম্প্রতি বিভিন্ন মহলে রুমিন ফারহানার দল পরিবর্তনের আলোচনা ছড়িয়ে পড়ে। বিষয়টি নিয়ে কৌতূহল ও মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে তার অনুসারী ও সাধারণ ভোটারদের মধ্যে।

রুমিন ফারহানার পক্ষে নির্বাচনি কার্যক্রমে যুক্ত সরাইল উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. রাসেল বলেন, ‘এ ধরনের কোনো আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্তের তথ্য আমাদের কাছে নেই। কিছু আলোচনা শোনা যাচ্ছে, তবে বিষয়টি গুজব বলেই মনে হচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘এ ধরনের আলোচিত ব্যক্তিকে নিয়ে গুজব ছড়ানো রাজনৈতিক শিষ্টাচারের মধ্যে পড়ে না। এনসিপিতে যোগদানের মিথ্যা গুজবে আপনারা কান দেবেন না।’

তার ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত একাধিক নেতাকর্মীও একই ধরনের বক্তব্য দিয়েছেন। তারা জানান, রুমিন ফারহানা দল পরিবর্তনের বিষয়ে এখনও কোনো ইঙ্গিত দেননি। এমন কোনো সিদ্ধান্ত নিলে সংশ্লিষ্টদের অবহিত করা হতো বলেও তারা মনে করেন।

স্থানীয় ভোটারদের মধ্যেও এ নিয়ে বিস্ময় দেখা গেছে। তাদের ভাষ্য, গুঞ্জনটি সঠিক নয় বলেই ধারণা করছেন তারা। তবে যদি তা সত্যি হয়, তাহলে সেটি তার অনুসারীদের জন্য বড় ধাক্কা হবে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মীরা জানান, রাজনীতিতে অনেক কিছুই পরিবর্তন হয়। ইতিহাসে নেতাকর্মীদের রাজনৈতিক দল-বদলের অনেক উদাহরণ রয়েছে। তবে রুমিন ফারহানা যেহেতু বিএনপির বহিষ্কৃত নেত্রী, আমরা চাই যে অবস্থানে থাকুন না কেন, তিনি যেন মানুষের জন্য কাজ করে যান।

অন্যদিকে সরাইল উপজেলা এনসিপির একাধিক নেতা জানান, আমাদের দলে নতুন কেউ যোগ দিলে অবশ্যই স্বাগত জানাব। তবে রুমিন ফারহানার বিষয়ে এখনও আনুষ্ঠানিক কোনো আলোচনা বা সিদ্ধান্তের খবর আমাদের কাছে আসেনি। বিষয়টি গুজব বলেই মনে হচ্ছে।

এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের যুগ্ম মুখ্য সংগঠক মোহাম্মদ আতাউল্লাহ বলেন, এ ধরনের গুঞ্জন রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন নয়। রুমিন ফারহানা স্পষ্টভাষী মানুষ। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়াবাসী ও জনগণের জন্য কাজ করতে চান। আমাদের এনসিপির মূলনীতিও জনগণের অধিকার জনগণকে ফিরিয়ে দেওয়ার। আমরা তার সঙ্গে মিলেই কাজ করব।

তিনি বলেন, তিনি আমাদের সঙ্গে কাজ করতে চাইলে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্বাগতম জানাব। আমাদের দলে যোগ দিতে চাইলে দলের নীতিনির্ধারকরা নীতিমালার ভিত্তিতে বিষয়টি বিবেচনা করে দেখবেন; কীভাবে সম্মানের সঙ্গে রুমিন ফারহানাকে দলে যোগদান করানো যায়।

এ বিষয়ে জানতে ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার সঙ্গে মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।

তবে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি একটি ইংরেজি উদ্ধৃতি শেয়ার করেন, যার মর্মার্থ— গুজব রটায় নিন্দুকরা, ছড়ায় বোকারা, আর বিশ্বাস করে গাধারা।

যদিও তিনি সরাসরি কোনো দলের নাম উল্লেখ করেননি, তবে এটি চলমান গুঞ্জনের প্রতিক্রিয়াই হতে পারে।

বিভিন্ন সূত্রে খবর ছড়িয়েছে, জুলাই আন্দোলনের পক্ষের শক্তিগুলোকে এক প্ল্যাটফর্মে আনার চেষ্টা করছে এনসিপি। ফলে রুমিন ফারহানাসহ কয়েকজন পরিচিত মুখ এনসিপিতে যোগ দিতে পারেন। দলটির শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে তার নিয়মিত যোগাযোগের খবরও গণমাধ্যমে উঠে আসে।

Continue Reading

top1

পিলখানা হত্যাকাণ্ড চালিয়ে সেনাবাহিনীকে দুর্বল করা হয়েছিল: প্রধানমন্ত্রী

Published

on

By

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, পিলখানা হত্যাকাণ্ড চালিয়ে সেনাবাহিনীকে দুর্বল করে দেওয়া হয়েছিলো। পরের শাসনামলে নানা কর্মকাণ্ড করে সেনাবাহিনীকে বিতর্কিত করার চেষ্টাও করা হয়েছিল।

রোববার (১২ এপ্রিল) ঢাকা সেনানিবাসে সশস্ত্র বাহিনীর দরবারে তিনি এ কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সশস্ত্র বাহিনী কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি, দল বা গোষ্ঠীর সম্পত্তি নয়। দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষাই সেনাবাহিনীর একমাত্র পবিত্র দায়িত্ব।

এসময় তিনি ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট পরবর্তী এবং অন্তর্বর্তী সরকারের পুরো আমলে সেনাবাহিনীর ভূমিকার কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও সেনাবাহিনী স্বতঃস্ফূর্তভাবে তাদের দায়িত্ব পালন করেছে।

তিনি বলেন, সশস্ত্র বাহিনী যদি ঐক্যবদ্ধ থাকে, তবে বাংলাদেশকে কখনও কেউ পরাজিত করতে পারবে না। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশপ্রেমের যে অগ্নিশিখা সেনাবাহিনীর মধ্যে জ্বালিয়েছিলেন, তা যেন নিভে না যায়।

জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী মিশনে অংশগ্রহণে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে বিএনপি সরকারই অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছিল জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, শুধু সেনাবাহিনী নয়, দেশের প্রতিটি সেক্টর সংস্কার ও প্রতিটি মানুষের উন্নয়নের ইশতেহার আমরা বাস্তবায়ন করতে চাই।

রাষ্ট্র মেরমতের লক্ষ্যে বিএনপি জুলাই সনদে স্বাক্ষর করেছিল উল্লেখ করে তারে জুলাই সনদের প্রতিটি দফা ঠিক যেভাবে ছিল, সেভাবেই বাস্তবায়নে এই সরকার বদ্ধপরিকর।

দরবারে তিন বাহিনীর প্রধান, তিন বাহিনীর শীর্ষ জেনারেল, সেনা-নৌ-বিমান বাহিনীর সেনানিবাস, ঘাঁটি ও ইউনিটের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়াও সারাদেশের সশস্ত্র বাহিনীর কর্মকর্তারা ভার্চুয়ালি সংযুক্ত ছিলেন।

Continue Reading

Trending