Connect with us

top1

যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শান্তি পরিকল্পনা নিয়ে ইউরোপে উদ্বেগ

Published

on

প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি-Ukrainian President Zelensky

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রায় চার বছর পর যুক্তরাষ্ট্র একটি নতুন শান্তি পরিকল্পনা প্রস্তাব করেছে, যা নিয়ে ইউক্রেন ও ইউরোপীয় দেশগুলোতে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। মার্কিন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই ২৮ দফা পরিকল্পনায় ইউক্রেনকে পূর্বাঞ্চলের ডনবাস অঞ্চলসহ রাশিয়ার নিয়ন্ত্রণে থাকা ভূখণ্ড এবং ক্রিমিয়া কার্যত ছেড়ে দিতে হবে। এছাড়া ইউক্রেনের সেনাবাহিনী অর্ধেকে নামিয়ে আনা, দীর্ঘপাল্লার অস্ত্র ত্যাগ এবং রুশ ভাষাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা দেওয়ার মতো শর্তও রয়েছে।

ইউক্রেনের অবস্থান: প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি বৃহস্পতিবার নিশ্চিত করেছেন যে তিনি মার্কিন প্রস্তাব পেয়েছেন এবং শিগগিরই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের সঙ্গে আলোচনা করবেন। জেলেনস্কি বলেছেন, ইউক্রেন ন্যায়সঙ্গত শান্তি চায়, তবে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষাই প্রধান শর্ত।

ইউরোপীয় প্রতিক্রিয়া: ইউরোপীয় ইউনিয়নের পররাষ্ট্রনীতির প্রধান কায়া কাল্লাস স্পষ্ট করে বলেছেন, “যে কোনো শান্তি পরিকল্পনায় ইউক্রেন ও ইউরোপকে অবশ্যই অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।” তিনি আরও বলেন, “আমরা দীর্ঘস্থায়ী ও ন্যায়সঙ্গত শান্তি চাই, কিন্তু রাশিয়া এখনো কোনো বাস্তব ছাড় দেয়নি। আক্রমণকারীকে চাপ দিতে হবে, ভুক্তভোগীকে নয়”। ফ্রান্সের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জ্যাঁ-নোয়েল বারো সতর্ক করে বলেছেন, “শান্তি মানে আত্মসমর্পণ নয়”।

জার্মানির অবস্থান: জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রী জোহান ওয়াডেপুল বলেছেন, “যে কোনো যুদ্ধবিরতি বা শান্তি আলোচনা ইউক্রেনের সঙ্গে এবং ইউরোপের অংশগ্রহণে হতে হবে।” তিনি মার্কিন বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ ও তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদানের সঙ্গে ফোনালাপে জোর দিয়েছেন যে শীতের শুরুতে অন্তত ইউক্রেনের জ্বালানি অবকাঠামোর ওপর হামলা বন্ধ করতে হবে।

যুক্তরাজ্যের প্রতিক্রিয়া: ব্রিটিশ সরকার জানিয়েছে, ইউক্রেন নিজেই তার ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে। লন্ডন বলেছে, তারা যুদ্ধ শেষ করার প্রচেষ্টাকে সমর্থন করে, তবে ইউক্রেনকে চাপ দিয়ে কোনো সমাধান চাপিয়ে দেওয়া যাবে না। একই সঙ্গে যুক্তরাজ্য ইউক্রেনকে সামরিক সহায়তা অব্যাহত রাখবে।

পরিকল্পনার বিতর্কিত দিক: প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই পরিকল্পনা রাশিয়ার দাবির সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে মিলে যায়। ইউক্রেনের কর্মকর্তারা এটিকে “অগ্রহণযোগ্য” বলে অভিহিত করেছেন। পরিকল্পনায় ইউক্রেনের সেনাবাহিনী অর্ধেকে নামিয়ে আনা, দীর্ঘপাল্লার অস্ত্র ত্যাগ এবং রুশ অর্থোডক্স চার্চকে বিশেষ মর্যাদা দেওয়ার মতো শর্ত রয়েছে।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

বাংলাদেশকে ৩.৩ বিলিয়ন ডলার ঋণ দিচ্ছে ইসলামিক ট্রেড ফাইন্যান্স

Published

on

By

দেশের জ্বালানি ও খাদ্য খাতের সুরক্ষায় বাংলাদেশকে ৩ দশমিক ৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণ দেবে ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ট্রেড ফাইন্যান্স করপোরেশন (আইটিএফসি)। ২০২৬-২৭ অর্থবছরে তেল, গ্যাস ও সার আমদানিতে এই অর্থ ব্যবহৃত হবে।

সোমবার (৫ জুলাই) আইটিএফসির সৌদি আরবের জেদ্দার সদর দপ্তরে এ-সংক্রান্ত চুক্তি সই হয়। আইটিএফসি ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংক (আইএসডিবি) গ্রুপের সদস্য প্রতিষ্ঠান।

আইটিএফসির এই অর্থায়ন কর্মসূচির আওতায় বাংলাদেশের তিনটি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ঋণ সুবিধা পাবে। সেগুলো হলো—বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি), তেল, গ্যাস ও খনিজ সম্পদ কর্পোরেশন (পেট্রোবাংলা) এবং কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি)। ২০২৬ সালের জুলাই থেকে ২০২৭ সালের জুন পর্যন্ত সময়ের মধ্যে পেট্রোলিয়াম পণ্য, তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) এবং সার আমদানির সুবিধার্থে এই অর্থ ব্যবহার করা হবে।

চুক্তিতে বাংলাদেশের পক্ষে স্বাক্ষর করেন জেদ্দা সফররত অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের সিদ্দিকী এবং আইটিএফসির পক্ষে সই করেন প্রতিষ্ঠানটির চিফ অপারেটিং অফিসার (সিওও) নাজিম নুরদালি। চুক্তি সই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আইটিএফসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইঞ্জিনিয়ার আদিব ইউসুফ আল আমা।

আইটিএফসি এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, এই অর্থায়ন কর্মসূচি জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সরকার ও আইটিএফসির মধ্যকার যৌথ অংশীদারত্বকে আরও দৃঢ় করবে। ১৯৭৭ সাল থেকে শুরু করে এ পর্যন্ত বাংলাদেশ সরকারকে জ্বালানি তেল ও এলএনজি আমদানিতে সহায়তার জন্য ২২ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলারের বেশি অর্থায়ন দিয়েছে আইটিএফসি-আইএসডিবি।

Continue Reading

top1

বাংলাদেশি শ্রমিকদের জন্য খুলল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার: প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী

Published

on

By

বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় উন্মুক্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।

তিনি বলেন, সরকারের ধারাবাহিক কূটনৈতিক প্রচেষ্টার ফলেই এই অগ্রগতি এসেছে। একই সঙ্গে পর্যায়ক্রমে আরও কয়েকটি দেশের শ্রমবাজারও বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য উন্মুক্ত হবে।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) বিকেলে সিলেট সার্কিট হাউসে বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই নতুন শ্রমবাজার সৃষ্টি এবং বিদ্যমান শ্রমবাজার সম্প্রসারণে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় চালু হয়েছে। ভবিষ্যতে আরও নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।

সৌজন্য সাক্ষাতে সিলেটের সার্বিক উন্নয়ন, যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বাংলাদেশি, বিশেষ করে সিলেটি প্রবাসীদের অবদান, দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। এই সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী ও ফলপ্রসূ করতে দুই দেশ নিবিড়ভাবে কাজ করছে। এ ধরনের সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতা, অর্থনৈতিক সম্পর্ক এবং উন্নয়ন অংশীদারত্বকে আরও গতিশীল করবে।

সাক্ষাতে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আব্দুর রহমান তরফদার, সিলেটের ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক পিংকি সাহাসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Continue Reading

top1

সরকারি চাকরিতে ৫ লাখের বেশি শূন্যপদ পূরণে মহাপরিকল্পনা

Published

on

By

দেশের সরকারি অফিসগুলোতে শূন্য পদ পূরণে ৬ মাস, ১ বছর ও ৫ বছর মেয়াদি বিশেষ কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার। বর্তমানে সরকারি বিভিন্ন দফতরে অনুমোদিত পদের বিপরীতে ৫ লাখ ২১ হাজার ৯২২টি পদ খালি রয়েছে।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্য সাবিকুন্নাহারের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে এই তথ্য জানান জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী। জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে এই অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়।

সংসদে উত্থাপিত তথ্যে প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী জানান, ২০২৫ সাল পর্যন্ত সর্বশেষ হালনাগাদ তথ্য অনুযায়ী, সরকারি অফিসগুলোতে মোট অনুমোদিত পদের সংখ্যা ১৯ লাখ ৮৬ হাজার ২৭২টি। এর মধ্যে বর্তমানে শূন্য রয়েছে ৫ লাখ ২১ হাজার ৯২২টি পদ।

জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী ‘স্বচ্ছতা ও দ্রুততার সঙ্গে পাঁচ লাখ সরকারি কর্মচারী নিয়োগ’ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে ইতোমধ্যে সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগের নিয়োগের সর্বশেষ অবস্থা, শূন্য পদের তথ্য এবং নিয়োগের চাহিদাপত্র (রিকুইজিশন) পাঠানোর জন্য জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে চিঠি দেওয়া হয়েছে।

পাশাপাশি, দ্রুততম সময়ের মধ্যে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ এবং খালি পদগুলো পূরণে সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা তৈরি করতে সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগকে অনুরোধ জানানো হয়েছে বলেও সংসদকে অবহিত করেন তিনি।

Continue Reading

Trending