Connect with us

ক্যাম্পাস

রাবিতে ইউনিস্যাবের ‘ঈদ ফর স্ট্রিট চিল্ড্রেন’: শতাধিক পথশিশুর মুখে হাসি

Published

on

সমাজের মূলধারার সঙ্গে সুবিধাবঞ্চিত পথশিশুদের ঈদের আনন্দ ভাগ করে নিতে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) অনুষ্ঠিত হয়েছে ‘ঈদ ফর স্ট্রিট চিল্ড্রেন’। ইউনাইটেড নেশনস ইয়ুথ অ্যান্ড স্টুডেন্ট অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইউনিস্যাব) রাজশাহী অঞ্চলের উদ্যোগে শতাধিক শিশুর মাঝে নতুন পোশাক, খাদ্যসামগ্রী ও উপহার বিতরণ করা হয়।

শুক্রবার (৬ মার্চ) বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ সুখরঞ্জন সমাদ্দার ছাত্র-শিক্ষক মিলনায়তন কেন্দ্রে (টিএসসিসি) এক জমকালো আয়োজনের মাধ্যমে এই উপহার সামগ্রী তুলে দেওয়া হয়।

আয়োজনে রাজশাহীর বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা শতাধিক শিশু অংশ নেয়। নতুন পোশাক আর উপহার পেয়ে আনন্দে মেতে ওঠে তারা। আয়োজকরা জানান, ঈদের দিন যেন কোনো শিশু আনন্দ থেকে বঞ্চিত না হয় এবং সমাজের সবার সঙ্গে মিলেমিশে উৎসব উদযাপন করতে পারে, তা নিশ্চিত করতেই এই দীর্ঘমেয়াদী উদ্যোগ।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মঈন উদ্দীন। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবুর রহমান, ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক আমিরুল ইসলাম কনক, অধ্যাপক সাজ্জাদুর রহিম, অধ্যাপক জহুরুল আনিস এবং ইউনিস্যাব রাজশাহী বিভাগের লাইফটাইম অ্যালামনাই রাশেদুল ইসলাম সজীব।

ইউনিস্যাব রাজশাহী বিভাগের আঞ্চলিক সম্পাদক রাশেদুজ্জামান রাকিব বলেন, “ঈদ মানেই আনন্দের উৎসব। কিন্তু আমাদের চারপাশে অনেক শিশু আছে যারা এই আনন্দ থেকে বঞ্চিত। ‘ঈদ ফর স্ট্রিট চিল্ড্রেন’ আমাদের একটি সিগনেচার ইভেন্ট। এর মাধ্যমে আমরা চেষ্টা করেছি এই ছিন্নমূল শিশুদের মুখে হাসি ফোটাতে। তরুণ স্বেচ্ছাসেবকদের নিষ্ঠা ও সাধারণ মানুষের সহযোগিতায় এবারের আয়োজন সফল হয়েছে।”

ইউনিস্যাব সূত্রে জানা গেছে, এই কর্মসূচির আওতায় শিশুদের পোশাকের পাশাপাশি তাদের পরিবারের জন্য প্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রীও দেওয়া হয়েছে। এই আয়োজনের জন্য গত ২২ ফেব্রুয়ারি থেকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন আবাসিক হল, নগরীর বিভিন্ন এলাকা এবং অনলাইনে তহবিল সংগ্রহ করা হয়। সংগঠনের বর্তমান ও সাবেক সদস্যদের অনুদানও এতে বড় ভূমিকা রেখেছে।

সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে ইউনিস্যাব জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে তরুণদের সম্পৃক্ত করে এ ধরনের মানবিক ও উন্নয়নমূলক কার্যক্রম অব্যাহত রাখবে।

উল্লেখ্য, ‘স্বেচ্ছাসেবী কার্যক্রমের মাধ্যমে নেতৃত্বের বিকাশ’ স্লোগান নিয়ে ২০১৪ সালে যাত্রা শুরু করে ইউনিস্যাব রাজশাহী অঞ্চল। প্রতিষ্ঠার পর থেকে সংগঠনটি ‘প্রজেক্ট ক্লিন অ্যান্ড কেয়ার’, ‘ন্যাশনাল ট্যালেন্ট ফেস্ট’ এবং ‘ছায়া জাতিসংঘ (UNYSAB MUN)’-এর মতো গুরুত্বপূর্ণ ইভেন্ট সফলভাবে আয়োজন করে আসছে।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top3

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগকে অর্থায়নের অভিযোগ, রতনের স্থায়ী বহিষ্কারের দাবি ববি ছাত্রদলের

Published

on

By


‎ববি প্রতিনিধি


‎বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগকে সহযোগিতা, শিক্ষার্থীদের ভয়ভীতি প্রদর্শন ও হুমকির অভিযোগে সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তদন্ত ও আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল। এ দাবিতে বরিশাল কর কমিশনার শেখ বুলবুলের কাছে স্মারকলিপি জমা দিয়েছেন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। কবিরকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের দাবিও জানানো হয়।


‎গত ১ সেপ্টেম্বর বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে ছাত্রদল সমর্থন প্রকাশ করে উপাচার্য কার্যালয়ের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করে। সেখানে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের মধ্যে থেকে বহিরাগতসহ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা উপস্থিত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে নানা উসকানিমূলক স্লোগান দেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।


‎সরকারি দায়িত্বে থাকা কয়েকজন ব্যক্তি নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে না দেওয়ার জন্য প্রভাব ও অর্থ প্রদর্শন করেছেন। পাশাপাশি ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগও তোলা হয়েছে।

‎বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের এপি-ডিসি বা অন্য কোনো সরকারি কর্তৃপক্ষের নাম ব্যবহার করে ভয় দেখানোর অভিযোগ তদন্ত করতে হবে। একই সঙ্গে  শিক্ষার্থীদের তুলে নেওয়ার হুমকির অভিযোগও তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে।


‎অভিযোগে তিনজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তারা হলেন—মো. রতন, ইস্নপেক্টর অব ট্যকস।সুমন কুমার বর্মন  অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য কল রেকর্ড, ডেপুটি কমিশনার অব ট্যাকস।এবং কবির, পটুয়াখালী কর কর্মকর্তা।  সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের তথ্য, প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য ও অন্যান্য প্রাসঙ্গিক নথি তদন্তের আওতায় আনার দাবি জানানো হয়েছে।


‎ববি ছাত্রদল দাবি করেছেন, মো. রতনকে কর বিভাগ, বরিশাল থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার এবং তার বিরুদ্ধে অবৈধ অর্থ সহায়তা ও দুর্নীতির অভিযোগ তদন্ত করা হোক। পাশাপাশি নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের কোনো সরকারি কর্মকর্তা অর্থ, আশ্রয়, প্রশাসনিক সহযোগিতা বা অন্য কোনো সহায়তা দিয়েছেন কি না, তা তদন্তের দাবিও জানানো হয়েছে।


‎বরিশাল কর কমিশনার শেখ বুলবুল বলেন, আমি স্মারকলিপি গ্রহণ করেছি। অভিযোগগুলো যাচাই করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Continue Reading

ক্যাম্পাস

ইবির পাবলিক এডমিনিস্ট্রেশন ডিবেটিং সোসাইটির নেতৃত্বে সেতু-নোমান-হাম্মাদ

Published

on

By

ইবি প্রতিনিধি:

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) পাবলিক এডমিনিস্ট্রেশন ডিবেটিং সোসাইটির ২০২৬-২৭ সেশনের কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে সভাপতি হিসেবে ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের মিস সেতু খানম এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের আব্দুল্লাহ আল নোমানকে মনোনীত করা হয়েছে। একইসাথে সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে মনোনীত হয়েছেন ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের মো. হাম্মাদ তালুকদার। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সংগঠনটির মডারেটর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সেলিম ও বিভাগটির সভাপতি অধ্যাপক ড. মুন্সি মুর্তজা আলী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা যায়।

২৯ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির অন্যরা হলেন— সহ সভাপতি মরিয়ম খাতুন ও সিফাত আমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আকলিমা আক্তার পুঁথি, ইজাজ আহমেদ ও ওয়াসেদ আলী, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আরাফ মাহমুদ ও তানহা আবিনা, অর্থ সম্পাদক তুষার আহমেদ, সহ-অর্থ সম্পাদক তাহমিদ তারিক, দপ্তর সম্পাদক মিরাজুল ইসলাম, প্রেস ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক আলী আকবর রমজান, প্রচার সম্পাদক মোঃ আব্দুল্লাহ, তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক সাইফুজ্জামান শান্ত, সংস্কৃতি সম্পাদক আলিফ নূর, গবেষণা সম্পাদক রিয়াদ আফরোজ এবং লজিস্টিক সম্পাদক রিতু মনি।

এছাড়া কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে সানজিনা ইয়াসমিন, তাসমিন তিসা, মারজিয়া মিম, জাবিদ হাসান, সুদক্ষিণা সকাল, তাসনিম তাপ্তি, ঐন্দ্রিলা বিশ্বাস, সুমাইয়া মেধা, মাহিন সোহানা এবং মারিয়া মনিকে মনোনীত করা হয়েছে।

নব মনোনীত সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল নোমান বলেন, এই দায়িত্বকে আমি ব্যক্তিগত অর্জনের চেয়ে একটি দায়িত্ব ও আস্থার বিষয় হিসেবেই দেখছি। সংগঠনের সকল সদস্যের সহযোগিতা নিয়ে বিতর্কচর্চা, যুক্তিবোধ ও শিক্ষার্থীদের দক্ষতা উন্নয়নে কাজ করতে চাই। আশা করি, সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সংগঠনটি আরও সুন্দরভাবে এগিয়ে যাবে।

সভাপতি মিস সেতু খানম বলেন, শ্রদ্ধেয় শিক্ষকবৃন্দ ভরসা করে যে দায়িত্ব দিয়েছেন, সততা এবং নিষ্ঠার সাথে তা পালন করার চেষ্টা করব। সংগঠনের প্রতিটা এক্সেকিউটিভ মেম্বারকে অনুরোধ জানাব, সবাই যেন এক্টিভলি নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করেন। ইনশাআল্লাহ আমরা একসাথে ভালো কিছু করব।

Continue Reading

top3

‘দেশের প্রতিটি সন্তানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে’ ; কুবি শিক্ষক

Published

on

By

কুবি প্রতিনিধি:

“সন্তান মানুষের ভবিষ্যৎ। আর যদি সেই ভবিষ্যৎ কেড়ে নেওয়া হয়, তাহলে মানুষ বাঁচবে কী করে? আমাদের দাবি শুধু অপ্রতিমের জন্য নয়, দেশের প্রতিটি সন্তানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাতে হবে।” কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের ছেলে ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম হত্যার প্রতিবাদে আয়োজিত মানববন্ধনে এসব কথা বলেন শিক্ষক সমিতির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. শামিমা নাসরিন।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে শিক্ষক সমিতির উদ্যোগে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকরা অংশ নিয়ে অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার ও জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

বক্তব্যে অধ্যাপক ড. শামিমা নাসরিন বলেন, “অপ্রতিমের নৃশংস হত্যাকাণ্ড শুধু কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘটনা নয়, এটি সারা দেশের মানুষের নিরাপত্তাহীনতার প্রতিচ্ছবি। যেখানে আইনশৃঙ্খলার সংকট রয়েছে, সেখানে প্রশাসনকে সবার আগে কার্যকর ভূমিকা নিতে হবে।”

তিনি বলেন, “আমরা ভাগ্যবান যে অপ্রতিমের ঘটনায় শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন একসঙ্গে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু দেশে এমন অনেক অপ্রতিম রয়েছে, যাদের জন্য কথা বলার কেউ নেই। তারা কেবল প্রশাসনের ওপর নির্ভর করে।”

দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি আরও বলেন, “অনেক সময় আমাদের মনে হয় এই দেশ যেন আমাদের নয়। কিন্তু রাষ্ট্র যদি মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে এবং আইনশৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনে, তাহলে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, জেলে, মজুর সবাই মিলে একটি নিরাপদ ও ন্যায়ভিত্তিক দেশ গড়ে তুলতে পারব।”

মানববন্ধনে উপস্থিত শিক্ষকরা অপ্রততিম হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং দেশের প্রতিটি নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান।

Continue Reading

Trending