Connect with us

ক্যাম্পাস

রাবিতে সিওয়াইবির খাদ্যেভেজাল অভিযান: ৫ দোকানে ৪৮ হাজার জরিমানা

Published

on

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিবেদক, রাবি

মানসম্মত ও নিরাপদ খাবার নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সিওয়াইবি রাবি শাখার নেতৃত্বে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ, এবং রাকসু কর্তৃপক্ষ অভিযান পরিচালনা করেছে। অভিযানে চলাকালে কয়েকটা প্রতিষ্ঠানে ৪৮ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। 

সোমবার (২৪ নভেম্বর)  সকাল ১১ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের খাবারের দোকান ও সবজির দোকান গুলোতে এ অভিযান সংগঠিত হয়েছে। 

অভিযান চলাকালে দেখা যায়,” খাবারের পানির মান খুব খারাপ যা স্বাস্থ্যর জন্য ক্ষতিকর। টেবিল গুলোতে জীবানু ভরা,ফ্রিজি কয়েক দিন আগের খাবার রেখে দেওয়া। মেয়াদউত্তীর্ণ খাবার এবং অনেক খাবার দোকান গুলোতে খাবার মেয়াদের স্টিকার না থাকা ও খাবার খোলামেলা জায়গায় রাখা এবং গুড়া তেল পাওয়া যায়, খাবারে তেলাপোকা পাওয়া গিয়েছে। 

এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাপচিত্র বিভাগের শিক্ষার্থী কাজী মোছাব্বির সাজিন বলেন, ” বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও সিওয়াইবি এমন কাজ প্রশংসানীয় কাজ এ কাজ গুলো আরো আগে করা উচিত ছিলো। বিশ্ববিদ্যালয়ের খাবারের দোকান গুলোতে টাকার মানের চেয়ে খাবারের মান খুবই খারাপ। আমরা চাই এ রকম কার্যক্রম প্রতিনিয়ত চালু থাক।”

জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর রাজশাহী বিভাগীয় সহকারী পরিচালক ফজলে এলাহী বলেন,” সিওয়াইবি, নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ, ভোক্তা অধিকার অধিদপ্তর,রাকসু কতৃপক্ষ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বোর্ডের যৌথ উদ্যোগে বাজার মনিটরিং ও খাদ্যের গুণগত মান বজায় রাখার জন্য  কৃষি অনুষদ, চারুকলা,পরিবহন, সিলসিলাসহ বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে এ অভিযান পরিচালিত হয়েছে। অভিযান চলাকালে দেখা য়ায় খাবারের মাঝে তেলাপোকা, পানির গুণগত মান খারাপ, রান্নার রুমে চারিদিকে জীবাণু, মেয়াদউত্তীণ খাবার, গুড়া তেল, স্টিকার বিহীন খাবার এ সব মিলে কয়েক টি দোকানে।যে দোকান গুলোতে যেমন অনিয়ম পেয়েছি সে রকম ব্যবস্হা নিয়েছি আইন অনুযায়ী।কয়েক টা দোকান মিলে ৪৮ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। আর আমাদের এ কার্যক্রম প্রতিনিয়ত চলমান থাকবে। 

সার্বিক বিষয় নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর গিয়াসউদ্দিন বলেন, আমরা চাই এ পরিবেশ টার উন্নতি হোক,আমরা নিরাপদ খাবার চাই। ক্যাম্পাসের একটি উৎস মুখর অবস্থা বিরাজ করে খাবার দোকান গুলোতে, আর তাই খাবার মান গুলো দেহের উন্নতির জন্য যে টা দরকার সে টা হোক। আর আমরা চাই প্রতিনিয়ত এ অভিযান চলুক।

এ সময় উপস্হিত ছিলো বিশ্ববিদ্যালয়ের সিওয়াইবির সভাপতি সানমান প্যারিস,সাধারণ সম্পাদক কাজী মোজাদ্দেদী আলফে সানীসহ উক্ত সংগঠনের সদস্যরা এবং রাকসুর প্রতিনিধিরা।

প্রান্ত কুমার দাশ

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

০১৭৫১৬৮৭৪৪৯

২৪ নভেম্বর, ২০২৫

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top3

ইউজিসির উদ্যোগে বেরোবিতে ‘আবদুল হাই শিকদার কর্নার’, সংরক্ষণে ১০ হাজার দুর্লভ বই

Published

on

By

আনাস মাহমুদ, বেরোবি প্রতিনিধি;

যুগান্তরের সম্পাদক আবদুল হাই শিকদারের ব্যক্তিগত সংগ্রহে থাকা প্রায় ১০ হাজার বই সংরক্ষণে উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি)| বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর-এ তাঁর নামে একটি বিশেষ কর্নার বা পৃথক গ্রন্থাগার প্রতিষ্ঠা করে বইগুলো সংরক্ষণের সিদ্ধান্ত হয়েছে|

আজ বুধবার (৮ জুলাই ২০২৬) ইউজিসি চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মামুন আহমেদের সঙ্গে আবদুল হাই শিকদারের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়| বৈঠকে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ শওকাত আলী, ইউজিসির জনসংযোগ ও প্রকাশনা বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ জামিনুর রহমানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন|

সভায় ইউজিসি চেয়ারম্যান বলেন, এটি শুধু একজন ব্যক্তির বইয়ের সংগ্রহ নয়, দেশের জ্ঞান ও গবেষণার একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ| যথাযথ সংরক্ষণ, তালিকাভুক্তকরণ এবং পর্যায়ক্রমে ডিজিটাল আর্কাইভ তৈরির মাধ্যমে বইগুলো ভবিষ্যৎ প্রজন্মের গবেষক ও শিক্ষার্থীদের জন্য উন্মুক্ত করা হবে| তিনি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে বইগুলো সংগ্রহ ও সংরক্ষণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ জানান|

প্রফেসর ড. মামুন আহমেদ বলেন, এ উদ্যোগ ব্যক্তিগত গ্রন্থসংগ্রহ সংরক্ষণের একটি অনুসরণীয় দৃষ্টান্ত হতে পারে| দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে থাকা দুর্লভ ব্যক্তিগত গ্রন্থসংগ্রহ সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের মাধ্যমে সংরক্ষণে ইউজিসি নীতিগত সহায়তা প্রদান করবে| তিনি বলেন, শুধু বই সংরক্ষণ করলেই হবে না, দুর্লভ গ্রন্থগুলো ডিজিটাল আর্কাইভসেও সংরক্ষণ করতে হবে, যাতে দেশের বিভিন্ন প্রান্তের গবেষক ও পাঠক সহজে সেগুলো ব্যবহার করতে পারেন|

আবদুল হাই শিকদার জানান, তাঁর সংগ্রহে বাংলা ভাষা ও সাহিত্য, বিশ্ব ইতিহাস, গবেষণা, প্রবন্ধ, অনুবাদ সাহিত্য, শিশু সাহিত্য, বিজ্ঞানসহ বিভিন্ন বিষয়ের প্রায় ১০ হাজার বই রয়েছে| এর মধ্যে প্রায় তিন হাজার বই দ্রুত সংরক্ষণ না করলে নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে| অনেক বই বর্তমানে বাজারে পাওয়া যায় না| তিনি বলেন, সংগ্রহের একটি অংশ তিনি উত্তরাধিকারসূত্রে বাবার কাছ থেকে পেয়েছেন| বাকি বই কয়েক দশক ধরে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন স্থান থেকে সংগ্রহ করেছেন| তাঁর ইচ্ছা, পুরো সংগ্রহ বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়কে দান করা, যাতে শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও গবেষকেরা বইগুলো ব্যবহার করতে পারেন|

ব্যক্তিগত গ্রন্থসংগ্রহ সংরক্ষণের গুরুত্ব তুলে ধরে আবদুল হাই শিকদার ভাষাবিদ ড. মুহাম্মদ শহীদুল্লাহর গ্রন্থাগারের প্রসঙ্গ উল্লেখ করেন| তিনি বলেন, সংরক্ষণের অভাবে তাঁর সংগ্রহের বহু দুর্লভ বই একসময় ভাঙারির দোকানে বিক্রি হয়ে যায়| এমনকি তাঁর গ্রন্থাগারের জায়গায় তেলের ঘানির দোকান গড়ে ওঠে| এ ধরনের ঘটনা দেশের জ্ঞান-ঐতিহ্যের জন্য বড় ক্ষতি| তাই ব্যক্তিগত গ্রন্থসংগ্রহ সংরক্ষণে প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগ প্রয়োজন|

তিনি আরও বলেন, ইউজিসির সাবেক চেয়ারম্যান ও শিক্ষাবিদ সৈয়দ আলী আহসান তাঁর ব্যক্তিগত গ্রন্থসংগ্রহ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়কে দান করেছিলেন| সেই অনুপ্রেরণাতেই তিনি নিজের সংগ্রহ বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়কে দিতে চান| আবদুল হাই শিকদার আরও জানান, তাঁর গ্রামের বাড়ি রংপুর বিভাগে| সেই বিবেচনায় তিনি তাঁর ব্যক্তিগত গ্রন্থসংগ্রহ বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়কে দান করতে চান, যাতে এ অঞ্চলের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও গবেষকেরা বইগুলো ব্যবহার করতে পারেন|

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর-এর উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ শওকাত আলী বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আবদুল হাই শিকদারের নামে একটি বিশেষ কর্নার বা পৃথক গ্রন্থাগার প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেবে| এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রন্থাগার সমৃদ্ধ হবে এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও গবেষকদের জন্য

Continue Reading

top3

ইবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা, আনন্দ মিছিল শেষে উপাচার্যের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ

Published

on

By

ইবি প্রতিনিধি:

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখার আহ্বায়ক কমিটি দেওয়ায় আনন্দ মিছিল করেছে শাখা ছাত্রদল।

বুধবার (৮ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ঝালচত্বর থেকে আনন্দ মিছিল শুরু হয় এবং ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রশাসন ভবনের সামনে এসে মিছিলটি শেষ হয়।
এসময় উপস্থিত ছিলেন শাখা ছাত্রদলের সদ্য সাবেক আহ্বায়ক শাহেদ আহম্মেদ, নতুন কমিটির সদস্য সচিব রাফিজ আহমেদ, যুগ্ম আহ্বায়ক নুর উদ্দিন সহ দায়িত্বপ্রাপ্ত অন্যান্য নেতৃত্ববৃন্দ।

আনন্দ মিছিল পরবর্তী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড এ কে এম মতিনুর রহমান -এর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও শুভেচ্ছা বিনিময় করেন নতুন কমিটির সদস্যরা।

এসময় উপাচার্য বলেন, তোমাদের সকলকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ্য থেকে জানাই শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। কয়েকটা বিষয় তোমরা মাথায় রাখবে, তোমাদের কোনো মিটিং ও মিছিল প্রশাসন বা একাডেমিক ভবনে করা যাবে না সবকিছু ক্যাম্পাসে করবে। তোমাদের কোনো যৌক্তিক দাবি পুরণের জন্য যেন কখনো প্রধান ফটক ও প্রশাসন ভবনের গেটে তালা না দেওয়া দেখি। ক্যাম্পাসের বিভিন্ন ছাত্রবান্ধব কাজ করার চেষ্টা করো ও বাংলাদেশ সরকার যে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুরু করেছে তার অংশ হিসেবে সবাই মিলে বিশ্ববিদ্যালয়ে বৃক্ষরোপন কর্মসূচি বাস্তবায়ন করবে।

তিনি আরো বলেন, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় স্বাধীনতা পরবর্তী প্রথম বিশ্ববিদ্যালয়। ঘোষিত নতুন আহ্বায়ক কমিটি যেহেতু আকারে ছোট কমিটি সেহেতু ছোট কমিটি নিয়েই তোমরা সারা দেশের মধ্যে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়কে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে বলে আশা রাখি।

Continue Reading

top3

৮ মাস পর বেরোবি ছাত্রদলের ৯৪ সদস্যের আংশিক পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা

Published

on

By

আনাস মাহমুদ, বেরোবি প্রতিনিধি।

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় (বেরোবি) শাখা ছাত্রদলের ৯৪ সদস্যবিশিষ্ট আংশিক পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। আংশিক কমিটি ঘোষণার প্রায় আট মাস পর মঙ্গলবার (৭ জুলাই) বিকালে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি মো. রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়।

ঘোষিত কমিটিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের রাফায়েল ইমতিয়াজ ইয়ামিনকে সভাপতি এবং লোকপ্রশাসন বিভাগের মো. জহির রায়হানকে সাধারণ সম্পাদক পদে বহাল রাখা হয়েছে। তবে তিন পৃষ্ঠার এ কমিটিতে সিনিয়র সহসভাপতি পদটি শূন্য রাখা হয়েছে।

কমিটির গুরুত্বপূর্ণ অন্যান্য পদের মধ্যে সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন মো. রিফাত হোসেন রাফি, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সজীব গাজী এবং দপ্তর সম্পাদক মো. সুমন হোসাইন। এছাড়া প্রচার সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন মো. মাসুদ রানা এবং সহ-সভাপতির পদমর্যাদায় ছাত্রীবিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন মোছা. আসমা আক্তার খুশী।

এ ছাড়া কমিটিতে ১৩ জন সহসভাপতি, ২৫ জন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, ১১ জন সহ-সাধারণ সম্পাদক, ১৪ জন সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক, বিভিন্ন সম্পাদকীয় পদে একাধিক নেতা এবং ৬ জন সাধারণ সদস্যকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

এদিকে, দীর্ঘদিন পর আংশিক পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণায় বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা ও ক্ষোভের মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গিয়েছে।

নবঘোষিত কমিটিতে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদ পাওয়া ইসমাইল হোসেন বলেন, ‘বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় শাখার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়ায় কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই। এই দায়িত্ব আমার জন্য যেমন গর্বের, তেমনি বড় দায়বদ্ধতা। সততা, নিষ্ঠা ও সাংগঠনিক শৃঙ্খলা বজায় রেখে শিক্ষার্থীদের অধিকার রক্ষা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদলের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে সর্বোচ্চ আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করে যাবো।’

বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি রাফায়েল ইমতিয়াজ ইয়ামিন বলেন, ‘দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা রাখা দক্ষ, মেধাবী ও রানিং শিক্ষার্থীদের সমন্বয়ে এই আংশিক পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠিত হয়েছে। আমরা বিশ্বাস করি, নতুন নেতৃত্ব শিক্ষার্থীবান্ধব, সুশৃঙ্খল ও ইতিবাচক রাজনীতির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের কল্যাণে কাজ করবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘শহীদ আবু সাঈদের বিদ্যাপীঠ বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়কে শিক্ষা, গবেষণা ও সংস্কৃতির ক্ষেত্রে আরও এগিয়ে নিতে ছাত্রদল দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করবে। পাশাপাশি পূর্ণাঙ্গ, হল, বিভাগীয় ও অনুষদভিত্তিক কমিটির মাধ্যমে নতুন নেতৃত্বের বিকাশ ঘটানো হবে।’

প্রসঙ্গত, গত বছরের নভেম্বরে ৯ সদস্যের আংশিক কমিটি ঘোষণার করা। ওই সময় পরবর্তী ৩০ দিনের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ কমিটি দেওয়ার নির্দেশনা থাকলেও, প্রায় আট মাস পর কেন্দ্রীয় সংসদ আজ ৯৪ সদস্য বিশিষ্ট কমিটির অনুমোদন দেওয়া হলো।

Continue Reading

Trending