Connect with us

ক্যাম্পাস

রাবি ভর্তি পরীক্ষার শেষ দিনেও সিওয়াইবি’র খাদ্য মনিটরিং কার্যক্রম

Published

on

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষার শেষ দিনেও ক্যাম্পাসে সক্রিয় ছিল ভোক্তা অধিকার সচেতনতামূলক সংগঠন কনজ্যুমার ইয়ুথ বাংলাদেশ (সিওয়াইবি)। বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে খাবারের মান নিয়ন্ত্রণ ও অতিরিক্ত মূল্য আদায় রোধে দিনব্যাপী বিশেষ তদারকি কার্যক্রম পরিচালনা করেছে সংগঠনটির রাবি শাখা।

সিওয়াইবি রাবি শাখার সভাপতি সাদমান প্যারিসের নেতৃত্বে সংগঠনের সদস্যরা বিশ্ববিদ্যালয়ের গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট যেমন— টুকিটাকি চত্বর ও আমতলা সংলগ্ন অস্থায়ী ও স্থায়ী খাবারের দোকানগুলোতে এই মনিটরিং পরিচালনা করেন।

মনিটরিং চলাকালে বেশ কিছু দোকানে নানা ধরনের অনিয়ম ও অসঙ্গতি ধরা পড়ে। উল্লেখযোগ্য অভিযোগগুলোর মধ্যে ছিল: খাবারের নির্ধারিত মূল্য তালিকা না থাকা বা সঠিকভাবে প্রদর্শন না করা।

তালিকার চেয়ে অতিরিক্ত মূল্য গ্রহণ। অস্বাস্থ্যকর তেলের ব্যবহার। অপরিচ্ছন্ন ও অনিরাপদ পরিবেশে খাবার প্রস্তুত করা।

অভিযান প্রসঙ্গে সংগঠনের সভাপতি সাদমান প্যারিস বলেন, “আজকের মনিটরিং কার্যক্রমে আমরা বেশ কিছু অসামঞ্জস্যতা লক্ষ্য করেছি। বিশেষ করে যেসব দোকানে মূল্য তালিকা ছিল না, সেখানে আমরা তাৎক্ষণিকভাবে তালিকা প্রদর্শনের ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। একই সাথে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের তালিকা অনুযায়ী মূল্য পরিশোধ করার পরামর্শ দিচ্ছি।”

তিনি আরও জানান, অনিয়ম পরিলক্ষিত হলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও সিওয়াইবি কর্তৃক নির্ধারিত মূল্য তালিকার নিচে দেওয়া হেল্পলাইন নম্বরে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে। তদারকি দল দোকানদারদের মৌখিকভাবে সচেতন করার পাশাপাশি সতর্ক করেছেন যে, পুনরাবৃত্তি ঘটলে তথ্যগুলো আইন প্রয়োগকারী সংস্থার কাছে হস্তান্তর করা হবে।

ভর্তি পরীক্ষা উপলক্ষে ক্যাম্পাসে আগত হাজার হাজার শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের স্বার্থ রক্ষায় সিওয়াইবি তাদের এই তৎপরতা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। ক্যাম্পাসে ন্যায্যমূল্য ও স্বাস্থ্যসম্মত খাবার নিশ্চিত করতে আগামীতেও তাদের এই তদারকি চলমান থাকবে বলে জানানো হয়।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ক্যাম্পাস

রাবি সমাজকর্ম বিভাগে গবেষণা পদ্ধতি বিষয়ক প্রশিক্ষণ কোর্সের সনদ বিতরণ

Published

on

By

রাবি প্রতিনিধি

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) সমাজকর্ম বিভাগে আয়োজিত গবেষণা পদ্ধতি বিষয়ক প্রশিক্ষণ কোর্সের সনদ প্রদান করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মমতাজউদ্দিন আহমেদ একাডেমিক ভবন-এর সমাজকর্ম বিভাগের  গ্যালারি কক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের মধ্যে সনদ বিতরণ করা হয়। কর্মসূচির সহযোগী প্রতিষ্ঠান ছিল পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অধীন সামাজিক বিজ্ঞান গবেষণা কাউন্সিল (এসএসআরসি)।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন প্রশিক্ষণ কর্মসূচির প্রধান সমন্বয়ক ও সমাজকর্ম বিভাগের অধ্যাপক ড. শাহিদুর রহমান চৌধুরী। তিনি বলেন, সমসাময়িক একাডেমিক ও পেশাগত পরিসরে গবেষণার গুরুত্ব ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে। গবেষণা পদ্ধতি সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা না থাকলে মানসম্মত গবেষণা পরিচালনা সম্ভব নয়। এ প্রশিক্ষণের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের গবেষণা নকশা প্রণয়ন, উপযুক্ত পদ্ধতি নির্বাচন, তথ্য সংগ্রহ ও বিশ্লেষণের কৌশল সম্পর্কে কাঠামোবদ্ধ ধারণা প্রদান করা হয়েছে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ফরিদ উদ্দীন খান বলেন, উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থায় গবেষণাভিত্তিক শিক্ষা নিশ্চিত করা সময়ের দাবি। শিক্ষার্থীদের গবেষণায় আগ্রহী করে তোলা এবং পদ্ধতিগত দক্ষতা বৃদ্ধি করা হলে তারা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে সক্ষম হবে। এ ধরনের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক পরিবেশকে আরও সমৃদ্ধ করবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মোহাম্মদ মাঈন উদ্দীন  বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম মৌলিক দায়িত্ব হলো জ্ঞান সৃষ্টি, সংরক্ষণ ও সম্প্রসারণ। গবেষণা পদ্ধতিতে দক্ষতা অর্জন শিক্ষার্থীদের সমালোচনামূলক চিন্তাশক্তি, বিশ্লেষণ ক্ষমতা এবং সমস্যা সমাধানের সক্ষমতা বৃদ্ধি করে। তিনি বলেন, পরিকল্পিত ও নৈতিক গবেষণা চর্চা সমাজের বিভিন্ন সমস্যা চিহ্নিত ও সমাধান প্রস্তাবনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি অব্যাহত রাখার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

সভাপতির বক্তব্যে সমাজকর্ম বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. গোলাম কিবরিয়া ফেরদৌস বলেন, সমাজকর্ম একটি গবেষণাভিত্তিক ও বাস্তবমুখী শাস্ত্র, যেখানে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের জন্য প্রমাণনির্ভর জ্ঞান অপরিহার্য। তিনি উল্লেখ করেন, সমাজের বহুমাত্রিক সমস্যা চিহ্নিতকরণ, বিশ্লেষণ এবং টেকসই সমাধান প্রস্তাবনায় সুসংগঠিত গবেষণা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এ ধরনের প্রশিক্ষণ শিক্ষার্থীদের গবেষণা-সংক্রান্ত ধারণা সুদৃঢ় করার পাশাপাশি পদ্ধতিগত দক্ষতা বৃদ্ধি করে, যা তাদের একাডেমিক গবেষণা, থিসিস প্রণয়ন এবং ভবিষ্যৎ পেশাগত জীবনে সহায়ক হবে। বিভাগের পক্ষ থেকে গবেষণামুখী শিক্ষাব্যবস্থা জোরদার করার প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি জানান।

অনুষ্ঠানে সমাজকর্ম বিভাগের প্রভাষক তাফহিমুল ইসলামের সঞ্চালনায় আরো উপস্থিত ছিলেন জনসংযোগ দপ্তরের প্রশাসক ও সমাজকর্ম বিভাগের অধ্যাপক মো. আখতার হোসেন মজুমদার, অধ্যাপক ড. মো. রবিউল ইসলাম, বিভাগের অধ্যাপক শরিফুল ইসলাম। এছাড়াও প্রভাষক মো. তানভীর হোসেন, প্রভাষক তাহমীদ তাজওয়ার, প্রভাষক মো. আব্দুল মজিদসহ বিভাগের অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, চতুর্থ বর্ষ ও মাস্টার্স শ্রেণির মোট ৩৯ জন শিক্ষার্থীকে প্রশিক্ষণ শেষে সনদ প্রদান করা হয়। প্রশিক্ষণ কোর্সে গবেষণা নকশা প্রণয়ন, গবেষণা প্রশ্ন নির্ধারণ, তথ্য সংগ্রহ পদ্ধতি, পরিমাণগত ও গুণগত বিশ্লেষণ এবং প্রতিবেদন প্রণয়নের কৌশলসহ গবেষণা পদ্ধতির বিভিন্ন দিক অন্তর্ভুক্ত ছিল।

Continue Reading

ক্যাম্পাস

ইবিতে ইদ বোনাস পাচ্ছেন জুলাই বিপ্লব বিরোধীরা, প্রশাসন বলছে ‘মানবিক’

Published

on

By

ইবি প্রতিনিধি

পবিত্র রমজান ও আসন্ন ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে মানবিক বিবেচনায় চলতি মাসের পূর্ণ বেতন ও আসন্ন ঈদ বোনাস পাচ্ছেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের জুলাই বিপ্লব বিরোধীতাকারীরা। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. মনজুরুল হক এই তথ্য নিশ্চিত করেন।

রেজিস্ট্রার দপ্তর সূত্রে জানা যায়, সাময়িকভাবে বরখাস্তকৃত ১৭ জন শিক্ষক ও ১১ জন কর্মকর্তার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে পবিত্র মাহে রমজান ও ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে ফেব্রুয়ারি মাসের পূর্ণ বেতন এবং ঈদ বোনাস দেওয়ার বিষয়টি কর্তৃপক্ষ অনুমোদন দিয়েছেন। এর আগে বরখাস্ত হওয়ার পর থেকে তাঁরা শুধুমাত্র জীবনধারণ ভাতা পেয়ে আসছিলেন। তবে আগামী মাস থেকে পুনরায় পূর্বের ন্যায় শাস্তির আওতায় আসবে বলে জানা যায়।

একাধিক সিন্ডিকেট সদস্যের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ অভিভাবক মানবিক বিবেচনায় বিষয়টি আমলে নিতে পারেন। তবে পূর্বে নির্ধারিত সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করতে হলে সিন্ডিকেটে পাশ করা লাগবে। যেহেতু তাদের (অভিযুক্তদের) বিষয়ে পূর্বে সিন্ডিকেটে সিদ্ধান্ত হয়েছে। সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত এককভাবে পরিবর্তনের সুযোগ নাই। সম্ভবত পরবর্তী সিন্ডিকেটে বিষয়টা এজেন্ডাভুক্ত থাকবে।

এবিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ গণমাধ্যমকে জানান, আসন্ন ঈদ উপলক্ষে মানবিক বিবেচনায় তাদেরকে এক মাসের (ফেব্রুয়ারি) পূর্ণবেতন এবং ঈদ বোনাস প্রদান করা হবে। তবে শাস্তি মাফ করা হয়নি৷ পরের মাস অর্থাৎ মার্চ মাস থেকে পুনরায় পূর্বের ন্যায় শাস্তিমূলক জীবনধারণ ভাতা পাবেন৷

উল্লেখ্য, এর আগে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৭১তম সিন্ডিকেট সভায় ১৯ শিক্ষক ও ১১ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে সাময়িক বরখাস্ত করার সিদ্ধান্ত নেয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। পরে মানবিক বিবেচনায় দুই শিক্ষককে শাস্তি থেকে অব্যহতি দেয় প্রশাসন।

Continue Reading

ক্যাম্পাস

রাবি সায়েন্স ক্লাবের ১২তম কার্যনির্বাহী পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা

Published

on

By

রাবি প্রতিনিধি

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সায়েন্স ক্লাবের (আরইউএসসি) ১২তম কার্যনির্বাহী পূর্ণাঙ্গ কমিটি আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়োজিত ‘আরইউএসসি ইফতার মাহফিল ২০২৬’ অনুষ্ঠানে এই নতুন কমিটি প্রকাশ করা হয়।

কমিটি ঘোষণা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রফেসর ড. ইফতিখারুল আলম মাসউদ, ছাত্র উপদেষ্টা প্রফেসর ড. মো. আমিরুল ইসলাম এবং পরিবহন দপ্তরের প্রশাসক প্রফেসর ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক সরকার।

এছাড়াও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু)-এর নেতৃবৃন্দের মধ্যে সহ-সভাপতি (ভিপি) মো. মোস্তাকুর রহমান জাহিদ, সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাহউদ্দিন আম্মার, সহকারী সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) এস. এম. সালমান সাব্বির,

তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক বি. এম. নাজমুছ সাকিব, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক: তোফায়েল আহমদ তোফা (যিনি ক্লাবের সাবেক সহ-সভাপতি) উপস্থিত ছিলেন।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সায়েন্স ক্লাবের ১২তম কার্যনির্বাহী কমিটির পূর্ণাঙ্গ তালিকা:

১. খালিদ মাহমুদ – সভাপতি

২. মো. আবু জুবায়ের – সহ-সভাপতি

৩. সোহরাব উদ্দিন – সহ-সভাপতি

৪. দিগন্ত দে – সহ-সভাপতি

৫. ইফতিয়ান আহমেদ – সাধারণ সম্পাদক

৬. আহসানুল হক দিনার – যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক

৭. মাইশা খানম – যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক

৮. মো. ইয়াসিন খন্দকার ইমন – যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক

৯. সুলাইমান – কোষাধ্যক্ষ

১০. সাদিয়া জামিল দিয়া – সাংগঠনিক সম্পাদক

১১. মাশরাফি জামান চৌধুরী – সাংগঠনিক সম্পাদক

১২. মো. শাফিন সানিয়ান সাদ – সাংগঠনিক সম্পাদক

১৩. মহজাবিন সুলতানা অন্তে – যুগ্ম-সাংগঠনিক সম্পাদক

১৪. মো. সাব্বির আহমেদ – যুগ্ম-সাংগঠনিক সম্পাদক

১৫. মো. সাইদুর রহমান রেমন – যুগ্ম-সাংগঠনিক সম্পাদক

১৬. আবদুল্লাহ আল মাসুদ নাবিল – দপ্তর সম্পাদক

১৭. নূরজাহান আরা মৌ – শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক

১৮. দেব চন্দ্র শীল – শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক

১৯. মোছা. মনিরা খাতুন – যুগ্ম-শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক

২০. মো. সাগর সরকার – যুগ্ম-শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক

২১. মোসাম্মৎ সুমাইয়া আক্তার – যুগ্ম-শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক

২২. সুপ্তিকা আচার্য – যুগ্ম-শিক্ষা ও গবেষণা সম্পাদক

২৩. শম্ম ঘোষ – প্রকাশনা সম্পাদক

২৪. মো. আসাদুজ্জামান – প্রকাশনা সম্পাদক

২৫. মো. জহির রহিম – আইটি সম্পাদক

২৬. মো. তাসরিফুল ইসলাম – আইটি সম্পাদক

২৭. শোহান আহমেদ – মিডিয়া সম্পাদক

২৮. ফাহমিদা আক্তার – মিডিয়া সম্পাদক

২৯. মো. নয়ন উদ্দিন – যোগাযোগ সম্পাদক

৩০. রাহাতুন নেসা – যোগাযোগ সম্পাদক

৩১. শেখ রায়হান – প্রচার সম্পাদক

৩২. মো. শোহান তানভীর – প্রচার সম্পাদক

৩৩. আবদুল্লাহ আল মামুন অন্তু – সমাজকল্যাণ সম্পাদক

৩৪. আলিম মিয়া – সমাজকল্যাণ সম্পাদক

৩৫. নুসরাত জাহান নূপুর – সাংস্কৃতিক সম্পাদক

৩৬. কাজী মো. ওজায়ের – সাংস্কৃতিক সম্পাদক

৩৭. মোছা. নাবিলা নুসরাত – যুগ্ম-সাংস্কৃতিক সম্পাদক

৩৮. মোছা. সুমাইয়া জাহান সিনথি – যুগ্ম-সাংস্কৃতিক সম্পাদক

৩৯. মিম আক্তার – সায়েন্স ফ্যান সম্পাদক

৪০. তামান্না তালুকদার – কার্যনির্বাহী সদস্য

৪১. ইমরান হাসান জুয়েল – কার্যনির্বাহী সদস্য

৪২. জান্নাতুল ফেরদৌস হিমা – কার্যনির্বাহী সদস্য

৪৩. ইবনাত আমিন রিদিতা – কার্যনির্বাহী সদস্য

৪৪. এইচ. এম. ফজলুল কবির রায়হান – কার্যনির্বাহী সদস্য

৪৫. মো. মাহফুজুর রহমান রেদওয়ান – জুনিয়র কার্যনির্বাহী সদস্য

৪৬. শাহরিয়ার মাহমুদ – জুনিয়র কার্যনির্বাহী সদস্য

৪৭. মো. হাবিবুল বাশার – জুনিয়র কার্যনির্বাহী সদস্য

৪৮. থাসিন ইশরাক – জুনিয়র কার্যনির্বাহী সদস্য

৪৯. আরিফ আকরাম – জুনিয়র কার্যনির্বাহী সদস্য

৫০. মোছা. হুমায়রা কবির – জুনিয়র কার্যনির্বাহী সদস্য

৫১. আশিকা আক্তার রিয়া – জুনিয়র কার্যনির্বাহী সদস্য

৫২. মোছা. আলহেরা বৃষ্টি – জুনিয়র কার্যনির্বাহী সদস্য

৫৩. সাইমন আহমেদ শিহাব – জুনিয়র কার্যনির্বাহী সদস্য

৫৪. ইয়াসির আরাফাত শিকদার – জুনিয়র কার্যনির্বাহী সদস্য

৫৫. মুকুল লাল রায় – জুনিয়র কার্যনির্বাহী সদস্য

৫৬. মো. রায়হান খান – সাধারণ সদস্য

৫৭. নিশাত তাসনিম – সাধারণ সদস্য

৫৮. প্রিয়া মন্ডল – সাধারণ সদস্য

অনুষ্ঠানে ক্লাবের স্থায়ী কমিটির সদস্য ও সাবেক সভাপতি মো: আশরাফুল আলম ও মো: আব্দুল লতিফসহ সাবেক সহ-সভাপতি মো: আব্দুর রহিম, কারিমা খাতুন ও নাজনীন আরা নিশু উপস্থিত ছিলেন। এছাড়াও সাবেক বিভিন্ন সম্পাদকীয় পদে দায়িত্ব পালন করা নেতৃবৃন্দের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ অনুষ্ঠানটিকে প্রাণবন্ত করে তোলে।

ক্লাবের বর্তমান সাধারণ সম্পাদক ইফতিয়ান আহমেদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সভাপতি খালিদ মাহমুদ। অনুষ্ঠানে নতুন কমিটির সাংগঠনিক কাঠামো, দায়িত্ব বণ্টন এবং আগামীর কর্মপরিকল্পনার রূপরেখা তুলে ধরা হয়।

পরিশেষে, দোয়া ও মোনাজাতের মাধ্যমে দেশ, জাতি ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক মঙ্গল কামনা করে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়। নতুন এই কমিটির হাত ধরে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সায়েন্স ক্লাব তাদের বিজ্ঞানমনস্ক সমাজ গড়ার লক্ষ্য ও সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও বেগবান করবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

Continue Reading

Trending