Connect with us

ক্যাম্পাস

রাষ্ট্রদ্রোহী শিক্ষকদের সন্ত্রাসী কার্যকলাপের বিরুদ্ধে ইবি ইউট্যাবে’র বিবৃতি

Published

on

ইবি প্রতিনিধি

গণমাধ্যমে প্রকাশিত সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সমূহের শিক্ষকবৃন্দের রাষ্ট্রবিরোধী অপতৎপরতা ও বিভিন্ন গোষ্ঠীর সন্ত্রাসী কার্যকলাপের বিরুদ্ধে ইউনিভার্সিটি টিচার্স এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইউট্যাব) ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখা বিবৃতি দিয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৬ জুলাই) ইউট্যাবের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অধ্যাপক মোহাম্মদ সেলিম ও সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. মো. রশিদুজ্জামান যৌথ স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

বিজ্ঞপ্তি সূত্রে জানা যায়, “অতি সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে বাংলাদেশের ২২টি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪০৪ জন শিক্ষকের রাষ্ট্র ও জনস্বার্থ বিরোধী বিভিন্ন কার্যক্রমের প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে। কার্যক্রম নিষিদ্ধ একটি দলের আদর্শে উদ্বুদ্ধ এই শিক্ষকগণের এ ধরনের ষড়যন্ত্রমূলক অপতৎপরতা ও নিষিদ্ধ কার্যক্রমের জন্য ইউট্যাব ইবি শাখা তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে, বিশেষ করে ইবি প্রশাসন এই বিশ্ববিদ্যালয়ে জড়িত শিক্ষকদের বিরুদ্ধে যথোপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। এ ব্যাপারে গঠিত তদন্ত কমিটি দ্রুততম সময়ের মধ্যে তাদের প্রতিবেদন পেশ করে পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে সহায়তা করবেন বলে আমরা আশা করছি।

তারা আরও বলেন, “বিপ্লবী জুলাই-আগস্টের চেতনা সকল মহল ধারণ করবে এবং প্রতিটি পর্যায়ে, বিশেষ করে বিশ্ববিদ্যালয় সমূহে শিক্ষার একটি অগ্রগতিশীল ধারা অব্যাহত রাখবে এটি আমরা প্রত্যাশা করছি। শিক্ষার পরিবেশ ব্যাহতকারী সকল সন্ত্রাসী কার্যকলাপের বিরুদ্ধেও আমরা তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি এবং ন্যায়বিচার দাবি করছি।”

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ক্যাম্পাস

ববিতে র‍্যাগিংয়ের অভিযোগ, নবীন শিক্ষার্থী জ্ঞান হারিয়ে হাসপাতালে

Published

on

By

ববি প্রতিনিধি

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) জ্যেষ্ঠ শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে ‘র‍্যাগিংয়ের’ অভিযোগ উঠেছে। মানসিক হয়রানি ও ভয়ভীতির শিকার হয়ে এক নবীন শিক্ষার্থী জ্ঞান হারিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

ভুক্তভোগী মো. শরিফুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মৃত্তিকা, পানি ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের (১৫তম ব্যাচ) শিক্ষার্থী।

বৃহস্পতিবার রাতে তাকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ভর্তি করা হয়।

ওই বিভাগের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন শশী ছাত্রীনিবাস সড়কের বালুর মাঠ এলাকায় ১৫তম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের ডেকে পাঠান ১৪তম ব্যাচের (জ্যেষ্ঠ) ৮-৯ জন শিক্ষার্থী। কয়েকজন উপস্থিত না হওয়ায় জ্যেষ্ঠ শিক্ষার্থীরা তাদের শাসিয়ে দ্রুত উপস্থিত হওয়ার নির্দেশ দেন।

পরে রাত ৯টার দিকে বাকিরা উপস্থিত হলে মধ্যরাত ১২টা পর্যন্ত নবীনদের গালিগালাজ ও ভয়ভীতি দেখানো হয় বলে অভিযোগ। একপর্যায়ে আতঙ্কিত হয়ে শরিফুল ইসলাম ঘটনাস্থলেই জ্ঞান হারান।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, এ সময় ঘটনাস্থলে মৃত্তিকা, পানি ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের ১৪তম ব্যাচের অন্তত ১০ জন শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন। তারা হলেন- নূর মোহাম্মদ পরশ, অনিক, নাজ, শ্রাবণ, অনুপম, লিমন, জয়, রিয়াদ, প্রীতম ও রাফি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ১৫তম ব্যাচের এক শিক্ষার্থী বলেন, “১৪তম ব্যাচের কয়েকজন ভাই র‍্যাগিংয়ের নামে আমাদের বন্ধুকে এমনভাবে মানসিক নির্যাতন করেছেন যে সে জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাম্বুলেন্সে করে তাকে প্রথমে ইসলামিয়া হাসপাতাল এবং পরে শেবাচিম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।”

নিরাপত্তাহীনতার কথা তুলে ধরে আরেক নবীন শিক্ষার্থী বলেন, “পড়াশোনা করতে এসে যদি নির্যাতিত হতে হয়, তবে কীভাবে নিশ্চিন্তে থাকব? আমরা এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।”

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকায় এ বিষয়ে ভুক্তভোগী শরিফুলের কোনো বক্তব্য জানা যায়নি।

তবে ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকার কথা স্বীকার করলেও র‍্যাগিংয়ের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত ১৪তম ব্যাচের শ্রেণি প্রতিনিধি (সিআর) নূর মোহাম্মদ পরশ।

তিনি বলেন, “আমি সেখানে পরে গিয়েছিলাম। ছেলেটা আগে থেকেই অসুস্থ ছিল। পরে আমরাই তাকে হাসপাতালে ভর্তি করি।” এরপর তিনি কল কেটে দেন। পরে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি আর সাড়া দেননি।

মৃত্তিকা, পানি ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. জামাল উদ্দিনও র‍্যাগিংয়ের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

তিনি বলেন, “র‍্যাগিংয়ের কোনো ঘটনা ঘটেনি। ছেলেটার আগে থেকেই পেটের সমস্যা ছিল। অসুস্থ হওয়ার পর তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আমি রাতে হাসপাতালে গিয়েছিলাম, তার বাবার সঙ্গেও কথা হয়েছে। এরপরও র‍্যাগিংয়ের কোনো লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর মো. মেহেদী হাসান সোহাগ বলেন, “র‍্যাগিংয়ের ঘটনায় কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। আমি ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীকে দেখতে হাসপাতালে যাব। অভিযোগের তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে।”

Continue Reading

ক্যাম্পাস

৫৩ একরে এক শান্ত চারপেয়ে সদস্য: ববি’র ‘মানতের গরু’র গল্প

Published

on

By

মাফিদুল হাসান, ববি

পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সবুজ চত্বর মানেই আড্ডা, মিছিল, স্লোগান আর একঝাঁক তরুণ প্রাণের উচ্ছ্বাস। কিন্তু বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) চিত্রটি একটু ভিন্ন। এখানে শিক্ষার্থীদের নিত্যদিনের কোলাহলের মাঝে মিশে আছে চারপেয়ে এক শান্ত সদস্য। সে কোনো শিক্ষার্থী নয়, নয় কোনো কর্মচারী—তবুও সে এই ক্যাম্পাসেরই অবিচ্ছেদ্য অংশ। জানা যায়, কয়েক বছর আগে এক অজানা মানত পূরণের উদ্দেশ্যে ক্যাম্পাসে ছেড়ে যাওয়া সেই গরুটি আজ বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের এক পরম মমতার প্রতীকে পরিণত হয়েছে।

ঘটনাটি কয়েক বছর আগের। জনৈক এক ব্যক্তি তার ব্যক্তিগত মানত পূরণের উদ্দেশ্যে একটি গরু ক্রয় করেন। ধর্মীয় বা আধ্যাত্মিক বিশ্বাস থেকে তিনি গরুটি কোনো কসাইখানা বা হাটে না পাঠিয়ে বেছে নেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসকে। একদিন নিঃশব্দে গরুটি ক্যাম্পাসে ছেড়ে দিয়ে তিনি চলে যান। কোনো মালিকানা নেই, কোনো নির্দিষ্ট গোয়াল নেই—পুরো ক্যাম্পাসটাই হয়ে ওঠে গরুটির নতুন ঠিকানা।

তবে গরুটিকে বেশ কিছুদিন ধরে ক্যাম্পাসে দেখতে পাওয়া যায়নি। গরুটিকে না দেখতে পেয়ে অনেক শিক্ষার্থী বিচলিত হয়ে পড়েন। অনেকে ভাবতে থাকেন ক্যাম্পাস থেকে গরুটি চুরি হয়ে গেলো কী না? কিন্তু সম্প্রীতি গরুটিকে আবার ক্যাম্পাসে দেখতে পেয়ে আনন্দিত শিক্ষার্থীরা।

শুরুতে অনেকের মনেই প্রশ্ন ছিল, মুক্তভাবে বিচরণ করা এই প্রাণীটি শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার জন্য হুমকি হবে কি না। কিন্তু সময়ের সাথে সাথে গরুটি প্রমাণ করেছে, সে কোনো উটকো আগন্তুক নয়, বরং এই পরিবারেরই এক নীরব সদস্য।

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে যখন ফুটবল বা ক্রিকেটের আসর বসে, তখন এক অদ্ভুত দৃশ্য চোখে পড়ে। একপাশে যখন শিক্ষার্থীরা ঘাম ঝরিয়ে গোল করার নেশায় মত্ত, মাঠের সীমানায় দাঁড়িয়ে গভীর মনোযোগে তা পর্যবেক্ষণ করে এই গরুটি। তার চাহনিতে থাকে এক অদ্ভুত স্থিরতা। সাধারণ প্রাণীদের মতো সে কেবল ঘাস খেয়েই ক্ষান্ত থাকে না; বরং মানুষের খেলাধুলার প্রতি তার এই ‘মানুষের মতো’ একদৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকা শিক্ষার্থীদের মাঝে বিস্ময় জাগায়। অনেক শিক্ষার্থী মজা করে বলেন, “আমাদের এই বন্ধুটি হয়তো মনে মনে কোনো এক দলের সমর্থন দিচ্ছে!

গরুটির সবচেয়ে অবাক করা বিষয় হলো তার স্বভাবজাত শিষ্টাচার। বিশ্ববিদ্যালয়ের সরু পথগুলোতে যখন শিক্ষার্থীদের ভিড় থাকে, তখন প্রায়ই দেখা যায় গরুটি পথের মাঝে দাঁড়িয়ে আছে। কিন্তু আশ্চর্যজনকভাবে, কোনো শিক্ষার্থীকে আসতে দেখলেই সে নিজে থেকেই পথ ছেড়ে পাশে সরে দাঁড়ায়। কাউকে গুঁতো দেওয়া বা বিরক্ত করার কোনো রেকর্ড তার ডায়েরিতে নেই। এই আচরণটি কেবল সহজাত প্রবৃত্তি নয়, বরং শিক্ষার্থীদের প্রতি তার এক অদ্ভুত মায়ারই বহিঃপ্রকাশ বলে মনে করেন অনেকে।

বাংলাদেশে অসংখ্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে, যেখানে কুকুর বা বিড়ালের অবাধ বিচরণ সাধারণ চিত্র। কিন্তু একটি গরু কোনো নির্দিষ্ট মালিক ছাড়া বছরের পর বছর ক্যাম্পাসে অবস্থান করা এবং শিক্ষার্থীদের সাথে এমন আত্মিক সম্পর্ক গড়ে তোলার ঘটনা বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়কেই প্রথম এই তালিকায় স্থান করে দিয়েছে।

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের এই গরুটি আজ আর কেবল একটি প্রাণী হিসেবে সীমাবদ্ধ নেই। সে হয়ে উঠেছে ক্যাম্পাসের মায়া, মমতা আর সহনশীলতার এক জীবন্ত প্রতীক। আধুনিক যান্ত্রিক যুগে যখন মানুষের সাথে মানুষের দূরত্ব বাড়ছে, তখন একটি অবুঝ প্রাণীর এই শান্ত আচরণ এবং শিক্ষার্থীদের তাকে আপন করে নেওয়া আমাদের শেখায়—মায়া দিলে মায়া পাওয়া যায়।

Continue Reading

ক্যাম্পাস

বেরোবি শহিদ ফেলানী হলের আধুনিক রিডিং রুম ও সেমিনার রুমের উদ্বোধন

Published

on

By

বেরোবি প্রতিনিধি

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর এর শহিদ ফেলানী হলের শিক্ষার্থীদের উন্নত সুবিধা নিশ্চিত করতে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত আধুনিক রিডিং রুম ও সেমিনার রুমের আধুনিকীকরণ কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। আজ বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬) সকালে শহিদ ফেলানী হলের নিচ তলায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থাসহ আধুনিকায়ন করা রিডিং রুম ও সেমিনার রুমের উদ্বোধন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ শওকাত আলী।

উদ্বোধন শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ শওকাত আলী বলেন, “শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টিতে আমরা বদ্ধপরিকর। শহিদ ফেলানী হলের বিভিন্ন সমস্যা আমরা ধাপে ধাপে সমাধান করছি। গরমের দিনে বা পরীক্ষার সামনে শিক্ষার্থীরা যেন কোনো প্রকার বিঘ্ন ছাড়াই পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারেন, সেজন্য এসি রুম ও পর্যাপ্ত আধুনিক সুযোগ-সুবিধার ব্যবস্থা করা হয়েছে।”

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) প্রফেসর ড. মোঃ ফেরদৌস রহমান এবং শহিদ ফেলানী হলের প্রভোস্ট প্রফেসর ড. মোছাঃ সিফাত রুমানা। এছাড়াও হলের সহকারী প্রভোস্টবৃন্দ, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ উপস্থিত ছিলেন।

Continue Reading

Trending