Connect with us

top1

শপথ নিলেন নতুন প্রধান বিচারপতি

Published

on

বাংলাদেশের ২৬তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ নিয়েছেন জুবায়ের রহমান চৌধুরী। রবিবার (২৮ ডিসেম্বর) সকাল ১০টা ৩৬ মিনিটে বঙ্গভবনে তাকে শপথ পড়ান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। এ সময় অন্তবর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও সদ্যবিদায়ী ২৫তম প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে গত ২৩ ডিসেম্বর বাংলাদেশের ২৬তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে আপিল বিভাগের বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীকে নিয়োগ দেন রাষ্ট্রপতি।

রাষ্ট্রপতির অনুমোদনক্রমে আইন মন্ত্রণালয়ের সচিব লিয়াকত আলী মোল্লা সই করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, “গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৯৫ অনুচ্ছেদের (১) দফায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে রাষ্ট্রপতি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট, আপিল বিভাগের বিচারক বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীকে বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি নিয়োগ করেছেন।”

এ নিয়োগ শপথ গ্রহণের তারিখ হতে কার্যকর হবে বলেও প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়।

বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী ১৯৬১ সালের ১৮ মে জন্মগ্রহণ করেন। তার বাবা প্রয়াত এএফএম আবদুর রহমান চৌধুরীও সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি ছিলেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি অনার্স ও এলএলএম ডিগ্রি নেওয়ার পর যুক্তরাজ্যে আন্তর্জাতিক আইনের ওপর আরেকটি মাস্টার্স করেন।

জুবায়ের রহমান চৌধুরী ১৯৮৫ সালে জজ কোর্টে ও ১৯৮৭ সালের সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন। ২০০৩ সালের ২৭ আগস্ট তিনি অতিরিক্ত বিচারক হিসেবে হাইকোর্ট বিভাগে নিয়োগ পান। দুই বছর পর হাইকোর্ট বিভাগে তার নিয়োগ স্থায়ী হয়।

২০২৪ সালের ১২ আগস্ট রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাকে আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দেন এবং ২০২৪ সালের ১৩ আগস্ট তিনি শপথ পাঠ করেন।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

পাকিস্তানি যুদ্ধবিমানের গর্জনে কাঁপছে আফগানিস্তান

Published

on

By

পাকিস্তান-আফগানিস্তান সীমান্তে সংঘাত তীব্র আকার ধারণ করেছে। নিরাপত্তা সূত্রের দাবি, পাকিস্তান বিমান বাহিনী (পিএএফ) আফগানিস্তানের নানগারহার প্রদেশে একটি বড় অস্ত্র ও গোলাবারুদের ডিপোতে বিমান হামলা চালিয়ে তা ধ্বংস করেছে। সে সঙ্গে সরাসরি যুদ্ধের ঘোষণাও দিয়েছে পাকিস্তান।

জিওটিভি নিউজকে পাকিস্তানের সরকারি এক কর্মকর্তা শুক্রবার জানান, সীমান্তে উসকানিমূলক হামলার জবাবে নেওয়া অভিযানে আফগান তালেবান প্রশাসনের ১৩৩ জন সদস্য নিহত এবং ২০০ জনের বেশি আহত হয়েছেন। তবে এসব তথ্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

নিরাপত্তা সূত্রের ভাষ্য অনুযায়ী, তালেবান বাহিনীর পদক্ষেপের জবাবে পাকিস্তানি বাহিনী ‘গাজাব-লিল-হক’ নামে একটি অভিযান শুরু করে। ভোর ৩টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত চলমান সংঘর্ষের হালনাগাদ তথ্য জানিয়ে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর বৈদেশিক গণমাধ্যমবিষয়ক মুখপাত্র মুশাররফ জাইদি বলেন, পাকিস্তানের পাল্টা হামলা অব্যাহত রয়েছে এবং আফগানিস্তানের বিভিন্ন স্থানে লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানা হচ্ছে।

তার দাবি, কাবুল, পাকতিয়া ও কান্দাহারে সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলায় অতিরিক্ত হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। তিনি বলেন, ২৭টি তালেবান চৌকি ধ্বংস এবং ৯টি দখল করা হয়েছে।

সরকারের মুখপাত্র আরও দাবি করেন, হামলায় দুটি কোর সদর দপ্তর, তিনটি ব্রিগেড সদর দপ্তর, দুটি গোলাবারুদ ডিপো, একটি লজিস্টিক ঘাঁটি, তিনটি ব্যাটালিয়ন সদর দপ্তর এবং দুটি সেক্টর সদর দপ্তর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পাশাপাশি ৮০টির বেশি ট্যাংক, কামান ও সাঁজোয়া যান ধ্বংস করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

মুশাররফ জাইদি বলেন, দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় পাকিস্তানের তাৎক্ষণিক ও কার্যকর প্রতিক্রিয়া চলমান রয়েছে। এর আগে সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় তিনি জানান, আফগান বাহিনীর উসকানিমূলক হামলার জবাবে একাধিক পাল্টা আঘাত হেনেছে পাকিস্তানি বাহিনী। হামলা অব্যাহত রয়েছে এবং যে কোনো কঠোর পদক্ষেপ নিতে পাকিস্তান প্রস্তুত।

Continue Reading

top1

আফগানিস্তান-পাকিস্তানকে শান্তি বজায় রাখার আহ্বান জাতিসংঘ মহাসচিবের

Published

on

By

আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের মধ্যে বাড়তে থাকা সীমান্ত সংঘর্ষ ও সহিংসতায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে উত্তেজনা প্রশমনের আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস।

তিনি দুই দেশকে সংযম ও শান্তি বজায় রাখার আহ্বান জানিয়ে শুক্রবার একটি বিবৃতি দেন। এ খবর জানিয়েছে আল জাজিরা।

জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র স্টিফেন ডুজারিক বলেন, সীমান্তে দুই দেশের পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনাগুলো নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন আন্তোনিও গুতেরেস। তিনি উভয় পক্ষকে আন্তর্জাতিক আইন কঠোরভাবে মেনে চলার তাগিদ দিয়েছেন।

গুতেরেস আরও বলেন, চলমান সংঘাতের মধ্যে বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার হওয়া উচিত।

কয়েক দিন ধরে চলা রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের কারণে সীমান্তবর্তী এলাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে বলে উল্লেখ করা হয় বিবৃতিতে।

Continue Reading

top1

চুক্তি ছাড়াই শেষ যুক্তরাষ্ট্র-ইরান পরমাণু আলোচনা: মধ্যপ্রাচ্যে কি যুদ্ধের দামামা?

Published

on

By

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

জেনেভায় অনুষ্ঠিত তেহরানের পারমাণবিক কর্মসূচির ভবিষ্যৎ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার উচ্চপর্যায়ের আলোচনা কোনো চুক্তি ছাড়াই শেষ হয়েছে। দীর্ঘ প্রতীক্ষিত এই আলোচনা ব্যর্থ হওয়ায় মধ্যপ্রাচ্যে কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে বড় মার্কিন সামরিক হস্তক্ষেপের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

আলোচনার মূল সংকট ও স্থবিরতা

জেনেভায় অনুষ্ঠিত এই পরোক্ষ আলোচনায় মার্কিন প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে ছিলেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফ। অন্যদিকে ইরানের পক্ষে ছিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। আলোচনার প্রধান প্রতিবন্ধকতাগুলো হলো:

ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ

ইরান তার ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের অধিকার বজায় রাখতে চায়, যা ওয়াশিংটন স্থায়ীভাবে বন্ধ করার দাবি জানাচ্ছে।

ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানিয়েছেন, ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা করতে তেহরানের অস্বীকৃতি একটি বড় বাধা।

কূটনৈতিক টানাপোড়েন:

আলোচনার মাঝপথে মার্কিন প্রতিনিধি স্টিভ উইটকফ ইউক্রেনীয় প্রতিনিধিদের সঙ্গে দেখা করতে বৈঠক ত্যাগ করায় ইরানি পক্ষ ক্ষোভ প্রকাশ করেছে, যা আলোচনার পরিবেশকে আরও জটিল করে তোলে।

পরস্পরবিরোধী দাবি

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরাঘচি আলোচনায় ‘অগ্রগতি’ হয়েছে বলে দাবি করলেও পশ্চিমা পর্যবেক্ষকরা এর কোনো সুস্পষ্ট প্রমাণ পাননি। ওমানের মধ্যস্থতাকারীরা জানিয়েছেন, আগামী সপ্তাহে ভিয়েনায় কারিগরি পর্যায়ে পুনরায় আলোচনা শুরু হতে পারে। তবে উচ্চমাত্রার সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত সরিয়ে নেওয়ার মার্কিন প্রস্তাব ইরান সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে।

যুদ্ধের ছায়া ও সামরিক প্রস্তুতি

আলোচনা যখন স্থবির, ঠিক তখনই মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের নজিরবিহীন সামরিক উপস্থিতি পরিস্থিতিকে অগ্নিগর্ভ করে তুলেছে। বর্তমানে ওই অঞ্চলে মোতায়েন রয়েছে:

দুটি এয়ারক্রাফট ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপ।

টমাহক ক্ষেপণাস্ত্রসজ্জিত সাবমেরিন।

উন্নত আক্রমণাত্মক যুদ্ধবিমান ও জ্বালানি সরবরাহকারী সরঞ্জাম।

হোয়াইট হাউস সূত্র জানিয়েছে, কূটনৈতিক পথ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেলে সামরিক পদক্ষেপই হতে পারে শেষ বিকল্প।

পর্যবেক্ষকদের মত

বিশ্লেষকদের মতে, দ্বিতীয় দফার এই সংক্ষিপ্ত বৈঠক এবং কোনো যৌথ বিবৃতিতে পৌঁছাতে না পারা ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, দুই পক্ষই তাদের মৌলিক অবস্থানে অনড়। যদি ভিয়েনার কারিগরি আলোচনাতেও কোনো সৃজনশীল সমাধান না আসে, তবে মধ্যপ্রাচ্য এক ভয়াবহ সংঘাতের দ্বারপ্রান্তে উপনীত হতে পারে।

Continue Reading

Trending