Connect with us

top1

শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবিতে রাজধানীসহ দেশজুড়ে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের বিক্ষোভ 

Published

on

নিজস্ব প্রতিবেদক 

চলমান বন্যা পরিস্থিতি ও অতিবৃষ্টির মধ্যে পরীক্ষা সচল রাখা, প্রশ্নপত্রের ‘অস্বাভাবিক’ কাঠিন্য এবং পরীক্ষার্থীদের নিয়ে ‘বিরূপ’ মন্তব্য করার অভিযোগ তুলে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনের পদত্যাগ দাবি করেছেন এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার্থীরা।

মঙ্গলবার বেলা ১১টা থেকে রাজধানী ঢাকার সায়েন্সল্যাব ও উত্তরা এবং বগুড়াসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।

বিক্ষোভের মুখে রাজধানী ঢাকাসহ বিভিন্ন বিভাগীয় শহরের প্রধান সড়কগুলোতে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়, চরম ভোগান্তিতে পড়েন সাধারণ মানুষ।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সায়েন্সল্যাব মোড় থেকে দুপুরে শিক্ষার্থীরা একটি বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে শিক্ষা ভবন ঘেরাওয়ের উদ্দেশ্যে রওনা হলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মল চত্বর এলাকায় পুলিশ তাদের ব্যারিকেড দিয়ে আটকে দেয়। এ সময় পুলিশের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের ধাক্কাধাক্কির ঘটনাও ঘটে।

সায়েন্সল্যাবে অবরোধ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

সকালে সাড়ে ১০টার পর থেকেই ধানমন্ডি, লালমাটিয়া, মোহাম্মদপুর ও আজিমপুর এলাকার বিভিন্ন কলেজের পরীক্ষার্থীরা সায়েন্সল্যাব মোড়ে এসে জড়ো হতে থাকেন। বেলা ১১টা নাগাদ তারা মিরপুর সড়ক ও প্রগতি সরণি সংযোগকারী মোড়টি পুরোপুরি বন্ধ করে দেন।

সেখানে অবস্থান নিয়ে ‘শিক্ষা নিয়ে ছিনিমিনি, সইব না সইব না’, ‘আমার ভাই পরীক্ষা দিতে পারে না কেন, প্রশাসন জবাব চাই’ ইত্যাদি স্লোগান দিতে থাকেন শিক্ষার্থীরা।

আন্দোলনরত ঢাকা সিটি কলেজের এক শিক্ষার্থী বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “দেশের অর্ধেক জেলা যখন বন্যার পানিতে ভাসছে, তখন আমাদের জোর করে পরীক্ষায় বসানো হচ্ছে। গতকালের ফিজিক্স পরীক্ষায় একের পর এক ভুল প্রশ্ন এসেছে। তার ওপর আমাদের যৌক্তিক দাবিকে হেয় করে শিক্ষামন্ত্রী আমাদের ‘ফার্মের মুরগি’ বলেছেন। আমরা এই শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ চাই।”

দুপুর ১২টার দিকে শিক্ষার্থীরা সায়েন্সল্যাব থেকে নীলক্ষেত হয়ে শিক্ষা ভবনের দিকে যাত্রা শুরু করলে মল চত্বরের সামনে পুলিশ তাদের পথরোধ করে। এ সময় পুলিশের অ্যাকশন এড়াতে শিক্ষার্থীরা রাস্তায় বসে পড়ে প্রায় আধঘণ্টা স্লোগান দেন। পরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা এসে শিক্ষার্থীদের বুঝিয়ে সড়ক থেকে সরিয়ে দেন।

বগুড়ায় ডিসি অফিস চত্বরে বিক্ষোভ

ঢাকার বাইরের জেলাগুলোর মধ্যে বগুড়ায় সবচেয়ে বড় বিক্ষোভের খবর পাওয়া গেছে। বেলা ১১টার দিকে শহরের প্রাণকেন্দ্র সাতমাথায় জড়ো হন এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা।

সেখান থেকে একটি বিশাল বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে তারা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের দিকে যান। জেলা প্রশাসক চত্বরে দাঁড়িয়ে শিক্ষার্থীরা ২৪ ঘণ্টার মধ্যে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ ও শিক্ষা সচিবের অপসারণের দাবি জানিয়ে আলটিমেটাম দেন।

রাজশাহী, বরিশাল ও কুমিল্লা থেকেও আঞ্চলিক শিক্ষা বোর্ড কার্যালয়ের সামনে শিক্ষার্থীদের জড়ো হয়ে বিক্ষোভ ও স্মারকলিপি দেওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

শিক্ষার্থীদের দাবি কী?

বিক্ষোভরত শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে প্রধানত তিনটি দাবি তোলা হয়েছে:

১. দুর্যোগপূর্ণ ও বন্যা কবলিত এলাকার পরীক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ বিবেচনা করে পুনঃপরীক্ষার ব্যবস্থা করা।

২. পদার্থবিজ্ঞানসহ ইতোমধ্যে অনুষ্ঠিত যেসব পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে ভুল ছিল, সেগুলোর মূল্যায়ন শিথিল করা।

৩. শিক্ষার্থীদের মর্যাদা ক্ষুণ্নকারী মন্তব্যের জন্য শিক্ষামন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হবে।

যা বলছে পুলিশ ও প্রশাসন

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) রমনা বিভাগের একজন সহকারী কমিশনার নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের কারণে গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোতে যান চলাচল বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। আমরা কোনো বলপ্রয়োগ করিনি। আলোচনার মাধ্যমে তাদের সড়ক থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। সায়েন্সল্যাব ও শিক্ষা ভবন এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।”

সার্বিক পরিস্থিতি ও শিক্ষার্থীদের দাবির বিষয়ে বক্তব্য জানতে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব এবং আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতিকে একাধিকবার ফোন করা হলেও তাদের সাড়া পাওয়া যায়নি।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

‘আমি বাংলাদেশি’, ব্রিটিশ নাগরিকত্বের প্রশ্নে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

Published

on

By

ডিজিটাল রিপোর্ট

যুক্তরাজ্যের নাগরিকত্ব ত্যাগের বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ূন কবীর। তিনি বলেছেন, ‘আমি বাংলাদেশি। এখানে আসার এবং বাংলাদেশের জন্য কাজ করার অর্থই এটি। কোনো সুবিধাভোগী মানুষ এখানে কাজ করবে না।’

সোমবার (২৪ আগস্ট) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।

দ্বৈত নাগরিকত্ব থাকলে মন্ত্রিত্ব গ্রহণে কোনো আইনি বাধা রয়েছে কি না এবং এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনার বিষয়ে জানতে চাইলে হুমায়ূন কবীর বলেন, ‘আমি সিটিজেনশিপ নিয়ে এসেছি, আর আপনারা বললেন নেটিজেন! মানে কোন নেটিজেন? আমি তো নাগরিকত্ব নিয়ে কাজ করতে এসেছি, আমরা কাজ করি।’

এর আগে একটি গণমাধ্যমে তাঁর যুক্তরাজ্যের নাগরিকত্ব নিয়ে সংবাদ প্রকাশের প্রসঙ্গেও ক্ষোভ প্রকাশ করেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, ‘তার জ্বালা কেন হচ্ছে? তার কি ২০০৮-এর জ্বালা উঠছে নাকি আবার? মঈন-মঈনুদ্দিন, ফখরুদ্দিনের জ্বালা উঠছে তার আবার? নাকি।’

দেশের স্বার্থে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে হুমায়ূন কবীর বলেন, ‘দেশের পক্ষে জোরালো অবস্থান নেওয়া মানুষ সব, দেশপ্রেমিক মানুষ যারা আছে, গণমাধ্যম এবং রাজনৈতিক নেতারা—এখন আমরা সবাই মিলে ইনশাআল্লাহ এই দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাব।’

Continue Reading

top1

মিড-ডে মিলে খাবারের মানে কোনো আপস নয়: প্রধানমন্ত্রী

Published

on

By

ডিজিটাল ডেস্ক

বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য চালু থাকা মিড-ডে মিল কর্মসূচির খাবার পুষ্টিকর, নিরাপদ ও মানসম্মত করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। খাবারের মান নিয়ে কোনো ধরনের আপস না করার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

সোমবার (২৪ আগস্ট) বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের বৈঠকে তিনি এ নির্দেশনা দেন।

বৈঠকে শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের চলমান কার্যক্রম, এর লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য এবং শিক্ষার্থীদের আর্থিক সহায়তার মাধ্যমে ঝরে পড়া রোধে ট্রাস্টের ভূমিকা সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীকে বিস্তারিত জানানো হয়।

এ সময় সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার আমলে মেয়েদের জন্য চালু হওয়া সার্বজনীন উপবৃত্তি কর্মসূচির প্রভাব ও অর্জন নিয়েও আলোচনা হয়। মেয়েদের বিদ্যালয়ে উপস্থিতি বৃদ্ধি, শিক্ষাজীবন অব্যাহত রাখা এবং বাল্যবিবাহ নিরুৎসাহিত করার ক্ষেত্রে এ কর্মসূচির ইতিবাচক প্রভাবের বিষয়টি বৈঠকে উঠে আসে।

এর পরিপ্রেক্ষিতে ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে স্নাতক পর্যন্ত মেয়েদের জন্য সার্বজনীন উপবৃত্তি পুনরায় চালুর সম্ভাবনা যাচাইয়ের নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী। সম্ভাব্য ব্যয়, উপকারভোগীর সংখ্যা, বাস্তবায়ন পদ্ধতি এবং এর সামাজিক ও শিক্ষাগত প্রভাব বিশ্লেষণ করে একটি সুস্পষ্ট প্রস্তাব তৈরির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

একই সঙ্গে ছেলেদের শিক্ষায় উৎসাহিত করতে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে উপবৃত্তি দেওয়ার বিষয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়।

বৈঠকে শিক্ষার্থীদের পুষ্টি ও স্বাস্থ্য সুরক্ষাকেও শিক্ষার মানোন্নয়নের সমান গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে বিবেচনা করা হয়। মিড-ডে মিল বাস্তবায়নে ব্যয়, ব্যবস্থাপনার দক্ষতা, স্থানীয় পর্যায়ে অংশগ্রহণ এবং খাবারের মান নিয়ন্ত্রণের বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করা হয়।

মিড-ডে মিল পরিচালনার দুটি বিকল্প পদ্ধতি নিয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়। এসব পদ্ধতির কার্যকারিতা ও বাস্তবায়নযোগ্যতা যাচাই করতে পৃথক দুটি জেলায় দুটি পাইলট প্রকল্প চালুর নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

বৈঠকে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন, প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা ও মুখপাত্র মাহদী আমিন, শিক্ষা সচিব আবদুল খালেক, প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Continue Reading

top1

আলোচিত নুসরাত হত্যা মামলায় দুজনের ফাঁসি, ৪ জনের যাবজ্জীবন

Published

on

By

ফেনীর সোনাগাজীর আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত হত্যা মামলায় আপিলের রায় ঘোষণা করা হয়েছে। এতে দুজনের ফাঁসি ও চরজনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আপিল বিভাগ। এছাড়া খালাস পেয়েছেন ১০ জন।

সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুর ১২টা ৫০ মিনিট থেকে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কেএম রাশেদুজ্জামান রাজার হাইকোর্ট বেঞ্চে আলোচিত এ মামলার রায় ঘোষণা করেন।

মৃত্যুদণ্ড প্রাপ্ত আসামিরা হলেন সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার বহিষ্কৃত অধ্যক্ষ এসএম সিরাজ উদদৌলা ও শাহাদাত হোসেন শামী।

আদালতে আসামিদের পক্ষে অ্যাডভোকেট এস এম শাহজাহান, ব্যারিস্টার মাসুদ হোসেন দোলন, অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির উপস্থিত ছিলেন। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল, ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সৈয়দ ইজাজ কবির।

২০১৯ সালের ২৪ অক্টোবর ফেনীর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল নুসরাত হত্যা মামলায় রায় দেন। রায়ে মাদ্রাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলাসহ ১৬ আসামিকে মৃত্যুদণ্ড এবং প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০১৯ সালের ২৭ মার্চ সোনাগাজী ইসলামিয়া ফাজিল মাদরাসার তৎকালীন অধ্যক্ষ সিরাজ উদদৌলার বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগে নুসরাতের মা শিরীন আক্তার মামলা করেন। পরে সিরাজকে গ্রেফতার করা হয়। অভিযোগপত্র ও মামলার নথি অনুযায়ী, মামলা তুলে নিতে রাজি না হওয়ায় নুসরাতকে হত্যার পরিকল্পনা করা হয়।

২০১৯ সালের ৬ এপ্রিল আলিম পরীক্ষা দিতে মাদ্রাসায় গেলে নুসরাতকে কৌশলে ছাদে নিয়ে তার গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। গুরুতর দগ্ধ অবস্থায় প্রথমে তাকে সোনাগাজী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। পরে ফেনী ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল হয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১০ এপ্রিল মারা যান নুসরাত।

এ ঘটনায় নুসরাতের ভাই মাহমুদুল হাসান নোমান ৮ এপ্রিল মামলা করেন। ২৮ মে অভিযোগপত্র দাখিলের পর ২০ জুন আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হয়। পরে ৬১ কার্যদিবসে ৮৭ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ ও যুক্তিতর্ক শেষে ২৪ অক্টোবর রায় ঘোষণা করেন আদালত।

Continue Reading

Trending