Connect with us

top2

সাতক্ষীরায় বিএনপির ২২ ও ছাত্রদলের ৮ জনকে বহিষ্কার

Published

on

দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে সংগঠন বিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে সাতক্ষীরার কালিগঞ্জ উপজেলা বিএনপির ১৭ জন এবং আশাশুনি উপজেলা বিএনপির ৫ জন নেতাকে প্রাথমিক সদস্য পদসহ সকল পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই অভিযোগে এর আগে কালিগঞ্জ ও আশাশুনি উপজেলা ছাত্রদলের ৮ জন নেতাকেও বহিষ্কার করা হয়।

বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আবু জাহিদ ডাবলু স্বাক্ষরিত পৃথক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব বহিষ্কারাদেশ জারি করা হয়।

এতে বলা হয়, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এবং সাতক্ষীরা-০৩ আসনে ধানের শীষ মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী আলহাজ্ব কাজী আলাউদ্দীন-এর সুপারিশ এবং সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির আহ্বায়ক রহমাতুল্লাহ পলাশ-এর সিদ্ধান্তক্রমে এ বহিষ্কার কার্যকর করা হয়েছে।

কালিগঞ্জ উপজেলা বিএনপির বহিষ্কৃত নেতাদের মধ্যে রয়েছেন নলতা ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য আজিজুর রহমান পাড়, কালিগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, রতনপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোঃ শিহাবউদ্দিন, সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল কাদের, দক্ষিণ শ্রীপুর ইউনিয়ন বিএনপির সহ সভাপতি সিরাজুল ইসলাম বাবলু, নলতা ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি কিসমাতুল বারী, সাংগঠনিক সম্পাদক ইয়াকুব আলী খান, কৃষ্ণনগর ইউনিয়ন বিএনপির সহ সভাপতি আব্দুল আজিজ গাইন, নলতা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মিলন কুমার সরকার, মৌতলা ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল কবীর, মথুরেশপুর ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আমিনুর রহমান আঙ্গুর, ভাড়াশিমলা ইউনিয়ন বিএনপির সহ সভাপতি জাকির হোসেন, তারালী ইউনিয়ন বিএনপির সহ সভাপতি মোনাজাত সানা, বিষ্ণুপুর ইউনিয়ন বিএনপির সহ সভাপতি মোঃ সফিরউদ্দীন সবুজ, কোষাধ্যক্ষ নুর ইসলাম মিলন, কুশুলিয়া ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড বিএনপির সদস্য এস এম হাফিজুর রহমান বাবু এবং কুশুলিয়া ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড বিএনপি সদস্য শেখ রবিউল ইসলাম।

এছাড়া আশাশুনি উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক মোঃ খায়রুল আহসান, সাবেক সদস্য জুলফিকার আলী জুলি, সাবেক সদস্য মিজানুর রহমান, সদর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি আবু হেনা মোস্তফা কামাল এবং বুধহাটা ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ খোরশেদ আলমকে প্রাথমিক সদস্য পদসহ সকল পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে সংগঠন বিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

এর আগে, দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে বিএনপি মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থীর বিপক্ষে নির্বাচনী প্রচারণায় অংশগ্রহণের সুনির্দিষ্ট অভিযোগে সাতক্ষীরার কালীগঞ্জ ও আশাশুনি উপজেলা ছাত্রদলের ৮ নেতাকে বহিষ্কার করে ছাত্রদল।

মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) রাতে ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এ বহিষ্কারাদেশ কার্যকর হয়।

বহিষ্কৃতরা হলেন, কালীগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক আবু ফরহাদ সাদ্দাম, যুগ্ম আহ্বায়ক বাপ্পী হোসেন, আব্দুল্লাহ আল মামুন, অলিউর রহমান এবং সদস্য সচিব শেখ পারভেজ ইসলাম। এছাড়াও আশাশুনি উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মো ইয়াসির আরাফাত পলাশ, যুগ্ম আহ্বায়ক মিরাজ হোসেন ও সদস্য সচিব মো সবুজ হোসেনকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং বিএনপি মনোনীত প্রার্থীর বিরুদ্ধে নির্বাচনী কর্মকাণ্ডে যুক্ত থাকার কারণে তাদেরকে ছাত্রদলের সাংগঠনিক পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির এ সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেন।

দলীয় সূত্র জানিয়েছে, বহিষ্কৃত এসব নেতা-কর্মী দলটির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য পদ থেকে সদ্য বহিষ্কৃত বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী ডা. শহিদুল আলমের ‘ফুটবল’ প্রতীকের পক্ষে প্রচার-প্রচারণায় সক্রিয়ভাবে অংশ নিচ্ছিলেন

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top2

সন্ত্রাসী কায়দায় দুই নেতাকে মারধরের প্রতিবাদে ববি ছাত্রদলের বিক্ষোভ মিছিল 

Published

on

By

ববি প্রতিনিধি

 সন্ত্রাসী কায়দায় বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় (ববি) ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক পিয়াস আহমেদ রিফাত ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল মোল্লাকে মারধর করার প্রতিবাদে  সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল করেছে ছাত্রদল। বিক্ষোভ মিছিলে হামলাকারীদের দ্রুত আইনের আওতায় নিয়ে বিচারের দাবি জানিয়েছে ছাত্রদল সাথে সাথে এলাকাবাসীকে মাদক কারবারি ও সন্ত্রাসীদের প্রশ্রয় না দেয়ার অনুরোধ জানিয়েছে তারা। বিক্ষোভ মিছিলে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের শতাধিক নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে চারটায় বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন নম্বর গেট  থেকে এ বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয় এবং বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন ভোলা রোড হয়ে তালুকদার মার্কেটে গিয়ে শেষ হয়। 

বিক্ষোভ মিছিলে ছাত্রদলের বর্তমান নেতাকর্মীদের পাশাপাশি ছাত্রদলের সাবেক নেতাকর্মীরাও উপস্থিত ছিলেন। বিক্ষোভে ছাত্রদল নেতৃবৃন্দ মাদক ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে নানা স্লোগান দেন। “সন্ত্রাসীদের ঠিকানা বরিশালে হবে না, হই হই রই রই সন্ত্রাসীরা সব গেলি কই, মাদকব্যাবসায়ীদের ঠিকানা বরিশালে হবে না।”

মারধরের শিকার বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক পিয়াস আহমেদ রিফাত বলেন, “অনৈতিক কাজে বাঁধা দিতে গিয়ে  আমাদের উপর যে বর্বরোচিত হামলা হয়েছে এবং জোরপূর্বক জবানবন্দি নিয়ে এতে আমার যে সামাজিক অবক্ষয় করেছে তার বিচার চাই। আমার উপর যে অন্যায় হয়েছে তার সত্যতা প্রমাণিত হোক এবং দোষীদের শাস্তির আওতায় আনা হোক।”

এর আগে গত  সোমবার বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক পিয়াস আহমেদ রিফাত ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল মোল্লাকে রাত তিনটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন ইউপি সদস্য শিল্পী বেগমের বাড়িতে অনৈতিক কর্মকাণ্ডে বাঁধা দেয়ায় সন্ত্রাসী কায়দায় মারধর করে শিল্পি বেগম ও তার পরিবারের সদস্যরা। মারধরে অংশ নেয় শিল্পির স্বামী রহিম, জামাতা রিয়াজসহ পরিবারের আরও চার থেকে পাঁচজন। ছাত্রদলের দুই নেতাকে দঁড়ি দিয়ে বেঁধে সন্ত্রাসী কায়দায় মারপিট করে। এতে ঐ দুই নেতা অসুস্থ হয়ে শেরে বাংলা মেডিকেলে চিকিৎসা নেয়।

 পরবর্তীতে তাদের উদ্ধারে গিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের অন্য নেতাকর্মীরা শিল্পি ও তার জামাতা রিয়াজকে মারধর করে বলে অভিযোগ পাওয়া যায়।

 এই ঘটনায় বরিশাল বন্দর থানায় যুগ্মসম্পাদক আশরাফুল মোল্লা বাদি হয়ে একটি মামলা করেছে। ঐ মামলায় হামলাকারী রহিম ও তার পরিবার অগ্রীম জামিনে রয়েছে বলে জানিয়েছে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এস আই টুটুল।

 বিক্ষোভ মিছিলে ছাত্রদল সভাপতি মো. মোশাররফ হোসেন এলাকাবাসীকে উদ্দেশ্য করে বলেন, “জুলাই আন্দোলনে এলাকাবাসী বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের পাশে ছিলো আমরাও তাদের পাশে ছিলাম। এই এলাকাকে যারা ব্যবহার করে মাদক, সন্ত্রাসবাদ ও দেহ ব্যবসা শুরু করেছে তাদেরকে প্রতিহত করুন। প্রয়োজনে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল আপনাদের সাথে তাদের প্রতিহত করবে। আমি আশা রাখি, এই এলাকার মানুষ আওয়ামী সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে দাঁড়াবে।”

Continue Reading

top2

সার বিতরণে দেরি, ডিলারের গুদাম ভেঙে সার নিয়ে গেলেন কৃষকেরা

Published

on

By

ডিজিটাল ডেস্ক

কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার বন্দবেড় ইউনিয়নে সার বিতরণে দেরি হওয়াকে কেন্দ্র করে এক ডিলারের গুদামের বেড়া ও দরজা ভেঙে সার নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে কৃষকদের বিরুদ্ধে।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) সকালে বন্দবেড় বাজারের মেসার্স মিতা হাসান এন্টারপ্রাইজের গুদামে এ ঘটনা ঘটে। ডিলারের দাবি, গুদাম থেকে প্রায় এক থেকে দেড়শ বস্তা ইউরিয়া সার নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

স্থানীয় কৃষকেরা জানান, সোমবার সার বিতরণের কথা থাকায় রোববার রাত ২টা থেকেই অনেকে গুদামের সামনে এসে লাইনে দাঁড়ান। কিন্তু নির্ধারিত সময় পার হলেও ডিলার, কৃষি কর্মকর্তা কিংবা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাউকে সেখানে না পাওয়ায় কৃষকদের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।

একপর্যায়ে সকাল ৯টা থেকে ১০টার মধ্যে কয়েকজন কৃষক গুদামের টিনের বেড়া ও দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে সার বের করে নিয়ে যান বলে অভিযোগ রয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতেও কয়েকজনকে গুদাম থেকে সার বের করে নিয়ে যেতে দেখা গেছে।

পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ডিলারের ব্যবস্থাপক সাইফুল ইসলাম জানান, গুদামে পর্যাপ্ত সার মজুত ছিল। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হওয়ায় প্রশাসনের সহায়তা নিতে যাওয়ার মধ্যেই গুদাম ভেঙে সার নিয়ে যাওয়া হয়। কেউ কেউ পরে সার ফেরত দিয়েছেন, আবার কেউ সড়কের পাশে রেখে গেছেন বা মূল্য পরিশোধ করেছেন বলেও জানান তিনি।

তবে রৌমারী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহবুবুল আলম বসুনিয়া সার লুটের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তার দাবি, কিছু কৃষক হুড়োহুড়ি করে কয়েক বস্তা সার নিয়ে গেছেন এবং সেটির ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লুটের ঘটনা হিসেবে ছড়ানো হয়েছে।

রৌমারী থানার ওসি কাওসার আলী বলেন, সার বিতরণের সময় পুলিশকে আগে থেকে জানানো হয়নি। কৃষকেরা ক্ষুব্ধ হয়ে কয়েক বস্তা সার নিয়ে গেছেন বলে কৃষি বিভাগের কাছ থেকে জানতে পেরে পরে ঘটনাস্থলে পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

ডিলারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রশাসনের সহায়তায় গুদামে থাকা বাকি সার বিতরণ করা হচ্ছে। বিতরণের হিসাব শেষ হলে প্রকৃতপক্ষে কত বস্তা সার নিয়ে যাওয়া হয়েছে, তা নিশ্চিত হওয়া যাবে।

Continue Reading

top2

২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার না দেখালে আটককে ‘গুম’ হিসেবে গণ্য করা হবে

Published

on

By

ডিজিটাল ডেস্ক

কাউকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আটক করার পর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আদালতে হাজির করে গ্রেপ্তার না দেখালে ২৪ ঘণ্টা পরের সময়কে ‘গুম’ হিসেবে গণ্য করার সুযোগ তৈরি হবে বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম।

সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন। তিনি জানান, আটকের পর ব্যক্তির আইনগত অধিকার নিশ্চিত করা এবং তার অবস্থান সম্পর্কে পরিবারকে অবহিত করাও গুরুত্বপূর্ণ।

এর আগে রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে ‘গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন, ২০২৬’ এবং জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন পাস হয়। নতুন আইনকে গুমের অভিযোগের বিচার ও প্রতিকারের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করেন চিফ প্রসিকিউটর।

আমিনুল ইসলাম বলেন, এর আগে গুম প্রতিরোধে একটি অধ্যাদেশ থাকলেও তার কার্যকর প্রয়োগ দেখা যায়নি। নতুন আইন গুমের শিকার ব্যক্তি ও তাদের পরিবারের বিচার এবং প্রতিকার পাওয়ার পথ আরও স্পষ্ট করবে।

তিনি জানান, অতীতে সংঘটিত গুমের অভিযোগও নতুন আইনের আওতায় পর্যালোচনা করা হবে। ভুক্তভোগী ও তাদের পরিবারের সদস্যদের বিচার পাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে নতুন আইনের সঙ্গে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের আইনের কোনো সাংঘর্ষিক অবস্থান তৈরি হবে না বলেও জানান তিনি।

চিফ প্রসিকিউটর আরও বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে সংঘটিত ২৫১টি গুমের ঘটনা মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে তদন্ত করছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন। এসব ঘটনায় একই ধরনের পদ্ধতি ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়ায় ঘটনাগুলোকে ‘ব্যাপক ও পদ্ধতিগত হামলা’ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

ইতোমধ্যে গুমের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারের সদস্যদের জবানবন্দি নেওয়া শুরু হয়েছে বলেও জানান তিনি।

Continue Reading

Trending