Connect with us

top1

হরমুজ প্রণালি পার হওয়ার অনুমতি পায়নি বাংলাদেশি জাহাজ

Published

on

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে দীর্ঘ ৪০ দিন আটকে থাকার পর দেশের উদ্দেশে যাত্রা করে আবারও বাধার মুখে পড়েছে বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের (বিএসসি) জাহাজ ‘বাংলার জয়যাত্রা’।

গত বুধবার (৮ এপ্রিল) যুদ্ধবিরতি কার্যকরের পর সৌদি আরবের রাস আল খায়ের বন্দর থেকে হরমুজ প্রণালির উদ্দেশে রওনা দিলেও ইরান সরকার জাহাজটিকে হরমুজ পার হওয়ার অনুমতি দেয়নি। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে জাহাজটি পুনরায় সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজা বন্দরে ফিরে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে।

বিএসসি সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ৪০ ঘণ্টা সমুদ্রপথ পাড়ি দিয়ে শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সকালে জাহাজটি হরমুজ প্রণালির কাছাকাছি পৌঁছায়। নিয়ম অনুযায়ী ইরান সরকারের কাছে পার হওয়ার অনুমতি চাওয়া হলে তেহরান তা প্রত্যাখ্যান করে।

এ বিষয়ে বিএসসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক কমোডর মাহমুদুল মালেক বলেন, আমরা সব নিয়ম মেনেই অনুমতি চেয়েছিলাম, কিন্তু ইরান তা গ্রহণ করেনি। তবে কূটনৈতিক চ্যানেলে এখনও আলোচনা চলছে। নাবিক ও জাহাজের নিরাপত্তা বিবেচনায় আপাতত আমরা জাহাজটিকে শারজা বন্দরে ফিরে যাওয়ার নির্দেশনা দিয়েছি। জাহাজটিতে বর্তমানে ৩১ নাবিক রয়েছেন।

দীর্ঘ সময় আটকে থাকলেও তাদের নিরাপত্তা ও খাবারের বিষয়ে বিএসসি বিশেষভাবে সতর্ক আছে জানিয়ে তিনি বলেন, নাবিকদের মনোবল চাঙ্গা রাখতে দৈনিক খাবার বরাদ্দ জনপ্রতি ৭ ডলার থেকে বাড়িয়ে ১২ ডলার করা হয়েছে। মূল বেতনের সমপরিমাণ যুদ্ধকালীন ঝুঁকি ভাতা প্রদান করা হচ্ছে। জাহাজটিতে প্রতিদিন ১৮ টন লোনা পানি পরিশোধন করার সক্ষমতা থাকলেও জ্বালানি সাশ্রয়ে বর্তমানে রেশনিংয়ের মাধ্যমে দৈনিক ব্যবহারের পরিমাণ ৬ টনে নামিয়ে আনা হয়েছে।

গত ২ ফেব্রুয়ারি ভারত থেকে পণ্য নিয়ে হরমুজ প্রণালি হয়ে পারস্য উপসাগরে প্রবেশ করেছিল ‘বাংলার জয়যাত্রা’। ২৭ ফেব্রুয়ারি দুবাইয়ের জেবেল আলী বন্দরে পৌঁছানোর পরদিনই মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের সংঘাত ছড়িয়ে পড়ে। গত ১১ মার্চ পণ্য খালাস শেষ হলেও নিরাপত্তার কারণে জাহাজটি আটকা পড়ে যায়।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, জাহাজটির কুয়েত থেকে পণ্য নিয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার কেপটাউনে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বর্তমান সামরিক ও কূটনৈতিক অস্থিরতায় ৩৭ হাজার টন সার নিয়ে জাহাজটির গন্তব্যে পৌঁছানো অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

সোনালি মুরগির দাম কেজিপ্রতি ৮০ থেকে ১০০ টাকা বেড়েছে

Published

on

By

বাজারে সোনালি মুরগির দাম অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে। বর্তমানে খুচরা বাজারে প্রতি কেজি সোনালি মুরগি ৪২০ থেকে ৪৩০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মাত্র এক মাসের ব্যবধানে এ মুরগির দাম কেজিপ্রতি ৮০ থেকে ১০০ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। সাধারণত ঈদের পর মুরগির দাম কিছুটা কমে, তবে এ বছর দেখা যাচ্ছে ভিন্ন চিত্র। দাম কমার পরিবর্তে বেড়েই চলেছে।

শুক্রবার (১০ এপ্রিল) রাজধানীর কারওয়ান বাজার রামপুরা, আফতাবনগর ও মহাখালী কাঁচাবাজার ঘুরে এ চিত্র দেখা গেছে।

কারওয়ান বাজারের ব্যবসায়ী লতিফ উদ্দিন জানান, খুচরা বিক্রেতাদেরও বেশি দামে মুরগি কিনতে হচ্ছে। প্রতিদিন যে দামে তারা পাইকারি বাজার থেকে মুরগি কিনছেন, সে অনুযায়ীই বিক্রি করতে হচ্ছে। গতকালের তুলনায় আজ ব্রয়লার মুরগি ১৫ টাকা বেশি দামে কিনতে হয়েছে। আর ঈদের পর থেকেই সোনালি মুরগির দাম ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে। পাইকারদের দাবি, খামারে উৎপাদন কমে যাওয়া এবং পরিবহন খরচ বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে দাম বৃদ্ধি পেয়েছে।

ফার্মগেট থেকে বাজার করতে আসা রাশেদ হোসেন বলেন, রমজানের মধ্যেও ৩৪০-৩৫০ টাকায় সোনালী মুরগি কিনেছি, কিন্তু ঈদের পর থেকেই দাম বাড়ছে। আজ ৪৩০ টাকা দিয়ে কিনতে হয়েছে।

তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বাজারে সবকিছুর দাম বাড়ছে, কিন্তু আমাদের আয় তো বাড়ছে না—এভাবে চলা কঠিন হয়ে পড়ছে।

মুরগির পাশাপাশি মাছের দামও বৃদ্ধি পেয়েছে। প্রতি কেজি মাছের দাম ২০ থেকে ৩০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। বর্তমানে ২২০ টাকার নিচে বাজারে কোনো মাছ পাওয়া যাচ্ছে না। পাঙ্গাশ মাছ আজ ২২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা গতকালও ২০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে।

১ কেজি ওজনের রুই মাছ এখন ৩০০–৩২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা কয়েক দিন আগেও ছিল ২৮০ টাকা। দুই কেজির বেশি ওজনের রুই মাছের দামও ৩০–৫০ টাকা বেড়ে ৪২০–৪৫০ টাকায় পৌঁছেছে।

কয়েকজন বিক্রেতা জানান, পরিবহন খরচ বৃদ্ধি এবং সরবরাহ কমায় মাছের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে।

Continue Reading

top1

হরমুজ প্রণালিতে নিখোঁজ ২০০ মিলিয়ন ডলারের অত্যাধুনিক মার্কিন ড্রোন

Published

on

By

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরের মাত্র দুই দিনের মাথায় হরমুজ প্রণালির আকাশে নিখোঁজ হয়েছে মার্কিন নৌবাহিনীর অত্যন্ত ব্যয়বহুল ও অত্যাধুনিক নজরদারি ড্রোন ‘এমকিউ-৪সি ট্রাইটন’।

শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সকালে পারস্য উপসাগর ও হরমুজ প্রণালি এলাকায় টানা তিন ঘণ্টার নজরদারি মিশন শেষে ফেরার পথে ড্রোনটি জরুরি সংকেত পাঠিয়ে রাডার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

অনলাইন ফ্লাইট ট্র্যাকিং ওয়েবসাইট ‘ফ্লাইটরাডার২৪’-এর তথ্য অনুযায়ী, ড্রোনটি ইতালির সিগোনেলা নৌ-ঘাঁটিতে ফেরার পথে হঠাৎ ইরানের দিকে সামান্য মোড় নেয় এবং জরুরি সংকেত (কোড ৭৭০০) পাঠাতে শুরু করে। এরপর দ্রুত উচ্চতা হারিয়ে এটি নিখোঁজ হয়। তবে ড্রোনটি যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে বিধ্বস্ত হয়েছে নাকি ইরানের পক্ষ থেকে ভূপাতিত করা হয়েছে, সে বিষয়ে এখনো স্পষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

নর্থরোপ গ্রুম্যান কোম্পানির তৈরি এই এমকিউ-৪সি ট্রাইটন ড্রোনটির প্রতি ইউনিটের মূল্য প্রায় ২০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি। এটি মূলত মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের অধীনে উপসাগরীয় অঞ্চলে কৌশলগত নজরদারির কাজে নিয়োজিত ছিল।

এই ড্রোনটি ৫০ হাজার ফুটের বেশি উচ্চতায় একটানা ২৪ ঘণ্টার বেশি সময় উড়তে সক্ষম এবং একবারে প্রায় ৭ হাজার ৪০০ নটিক্যাল মাইল পথ পাড়ি দিতে পারে। সমুদ্রসীমার ওপর গোয়েন্দা নজরদারি চালানোর ক্ষেত্রে এটিকে মার্কিন সামরিক বাহিনীর অন্যতম সেরা শক্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয়। যুদ্ধবিরতি চুক্তির শর্ত অনুযায়ী ইরান হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের অনুমতি দেওয়ার পরপরই এমন একটি ব্যয়বহুল ড্রোন নিখোঁজ হওয়ার ঘটনা নতুন করে উত্তেজনার সৃষ্টি করেছে।

এই ঘটনার প্রেক্ষাপটে ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধ পরিচালনার বিশাল ব্যয়ের হিসাবও সামনে এসেছে। স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউট (সিপ্রি)-এর তথ্য অনুযায়ী, এই যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ১০ হাজার ৩০০ ডলার ব্যয় করছে। দৈনিক ব্যয়ের একটি বড় অংশ অর্থাৎ ৩৬ শতাংশ খরচ হচ্ছে গোলাবারুদ ও ক্ষেপণাস্ত্রের পেছনে, যার পরিমাণ দিনে প্রায় ৩২০ মিলিয়ন ডলার। এছাড়া বিমান অভিযানের জন্য দৈনিক ২৪৫ মিলিয়ন ডলার এবং নৌ-অভিযানের জন্য ১৫৫ মিলিয়ন ডলার ব্যয় হচ্ছে। থাড ও প্যাট্রিয়টের মতো ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার পেছনে প্রতিদিন খরচ হচ্ছে প্রায় ৯৫ মিলিয়ন ডলার। বিপুল এই ব্যয়ের মাঝে ট্রাইটন ড্রোন নিখোঁজ হওয়া যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বড় ধরনের আর্থিক ও সামরিক ধাক্কা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বর্তমানে মার্কিন সামরিক বাহিনী ড্রোনটির সন্ধানে ওই এলাকায় তল্লাশি শুরু করেছে। ইসরায়েল ও লেবাননের মধ্যে আগামী সপ্তাহে ওয়াশিংটনে আলোচনার সম্ভাবনা যখন তৈরি হয়েছে, তখন এই ড্রোন নিখোঁজ হওয়ার রহস্য উদ্ঘাটন করা শান্তি প্রক্রিয়ার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

যদি ড্রোনটি কোনোভাবে ভূপাতিত করার প্রমাণ পাওয়া যায়, তবে তা দুই দেশের মধ্যকার ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতিকে হুমকির মুখে ফেলে দিতে পারে। পারস্য উপসাগরের কৌশলগত পানিসীমায় এমন একটি উন্নত প্রযুক্তির ড্রোন হারিয়ে যাওয়া নিয়ে পেন্টাগন এখনো বিস্তারিত কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেয়নি।

সূত্র: এনডিটিভি

Continue Reading

top1

যেকোন পরিস্থিতিতে শত্রুকে নিশ্চিহ্ন করা হবে: মোজতবা খামেনি

Published

on

By

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে চলমান সংঘাতে ইরানি জনগণ বিজয় অর্জন করেছে এবং ইসলামি প্রজাতন্ত্র এখন একটি শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) দেওয়া এক বার্তায় তিনি বলেন, গত ৪০ দিনের ঘটনাপ্রবাহে ইরানের জনগণ সাহসিকতা, ধৈর্য ও ঐক্যের মাধ্যমে নিজেদের অবস্থান দৃঢ় করেছে। তিনি এটিকে ‘ইরানের তৃতীয় পবিত্র প্রতিরক্ষা’ হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন যে, যেকোন পরিস্থিতিতে শত্রুকে নিশ্চিহ্ন করা হবে।

খামেনি জানান, শহীদদের আত্মত্যাগ ও জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমেই এই অর্জন সম্ভব হয়েছে। তিনি আরও বলেন, ‘একটি শক্তিশালী ইরান গড়ার জন্য নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে।’

তিনি জনগণকে আহ্বান জানিয়ে বলেন, যেকোনো পরিস্থিতিতেই রাস্তায়, পাড়া-মহল্লা ও মসজিদে সক্রিয় উপস্থিতি বজায় রাখতে হবে এবং ঐক্য আরও জোরদার করতে হবে। ইরানি নেতা আরও দাবি করেন, দেশের অভ্যন্তরীণ ঐক্য দিন দিন বাড়ছে এবং বিভাজন কমে আসছে, যা একটি শক্তিশালী রাষ্ট্র গঠনের পথে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

Continue Reading

Trending