Connect with us

top1

হাদির মৃত্যুর বিচার দাবিতে দেশব্যাপী বিক্ষোভ

Published

on

ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র ও ঢাকা-৮ আসনের সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী শহীদ শরিফ ওসমান হাদির খুনিদের বিচার দাবিতে সারা দেশের বিভিন্ন স্থানে বিক্ষোভ-স্লোগানে মুখোরিত করেছেন সাধারণ ছাত্র-জনতা।

‘আমরা সবাই হাদি হবো, গুলির মুখে কথা কবো’ 

ফেনীতে বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) রাতেই মিছিলটি শহীদ মিনার থেকে শুরু হয়ে ফেনী প্রেসক্লাব, কেন্দ্রীয় বড় মসজিদ, ট্রাংক রোড ও ফেনী মডেল থানা প্রদক্ষিণ করে খেজুর চত্বরে গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হয়।

মিছিলে, ‘আমি কে, তুমি কে হাদি হাদি’, ‘আমরা সবাই হাদি হবো, গুলির মুখে কথা কবো’, ‘হাদি হত্যার বিচার চাই, বিচার চাই বিচার চাই’, ‘শেইম শেইম, ইন্টেরিম ইন্টেরিম’, ‘ভারতীয় আগ্রাসন বন্ধ কর, করতে হবে’— এমন নানা প্রতিবাদী স্লোগান দেন বিক্ষোভকারীরা।

সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তারা বলেন, ভারতীয় আধিপত্যবাদবিরোধী আন্দোলনে হাদি আমাদের যে পথ দেখিয়েছেন, সেই পথে হাঁটতে আমরা লাখো হাদি প্রস্তুত। দ্রুত ফ্যাসিবাদের দোসরদের আইনের আওতায় না আনলে নির্বাচনের আগে আরও এমন বহু হাদিকে হত্যার শঙ্কা রয়েছে। তাই হাদির হত্যাকারীদের আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেপ্তার করতে হবে।

‘আবু সাঈদ মুগ্ধ, শেষ হয়নি যুদ্ধ’

বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১১টায় বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজয় ২৪ হলের (বেরোবি) সামনে থেকে মিছিলটি শুরু হয়। এতে শিক্ষার্থীর পাশাপাশি বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষও অংশ নেন।

হাদি হত্যার প্রতিবাদে রংপুরে  বিক্ষোভমিছিল।  

মিছিলটি শিক্ষার্থীরা   ‘তুমি কে আমি কে, হাদি হাদি’, ‘গোলামী না আজাদী,আজাদী আজাদী’, ‘ভারতের বিরুদ্ধে অ্যাকশন, ডাইরেক্ট অ্যাকশন’, ‘আবু সাঈদ মুগ্ধ, শেষ হয়নি যুদ্ধ— বিভিন্ন স্লোগান দেন।

বিক্ষোভ মিছিলে অংশ নেয়া কয়েকজন শিক্ষার্থীর সঙ্গে কথা বললে তারা বলেন, গণহত্যাকারী আওয়ামী লীগ ওসমান হাদীকে হত্যার মধ্য দিয়ে জুলাই আন্দোলনকারীদের ভয় দেখাতে চেয়েছে কিন্তু তাদের এ পরিকল্পনা ধূলিসাৎ  হয়ে যাবে। তারা আরও বলেন, রংপুরের মাটি থেকে আধিপত্যবাদীদের কবর রচনা করা হলো।

লং মার্চ টু বর্ডার

হাদির মৃত্যুর প্রতিবাদে শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট জিরো পয়েন্ট  বিক্ষোভ মিছিল করেছে ছাত্র জনতা । এসময় তারা হাদির খুনিকে দ্রুত সময়ের মধ্যে গ্রেপ্তার ও নাগরিকদের নিরাপত্তা জোরদার করার দাবিও জানান।

বিক্ষোভকারীরা এ সময় ‘তুমি কে আমি কে, হাদি হাদি’, ‘দিল্লি না ঢাকা, ঢাকা ঢাকা’, ‘আমার ভাই কবরে, খুনি কেন বাহিরে?’ ‘ইনকিলাব ইনকিলাব, জিন্দাবাদ জিন্দাবাদ’ ইত্যাদি স্লোগান দেন।

ওসমান হাদির স্বপ্ন পূরণে শেষ রক্তবিন্দু অব্দি রাজপথে থাকার ঘোষণা দেন বিক্ষোভে অংশ নেওয়া জুলাই যোদ্ধারা।

‘আর নয় প্রতিরোধ, এবার হবে প্রতিশোধ’

নোয়াখালীতে বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) মধ্যরাতে ওসমান হাদির হত্যার বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও টায়ার জ্বালিয়ে সড়ক অবরোধ করেছে ছাত্র জনতা।

একই সময়ে আরেকটি বিক্ষোভ মিছিল করেছেন নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (নোবিপ্রবি)-এর শিক্ষার্থীরা।

এ সময় ছাত্র-জনতা  ‘বিচার বিচার বিচার চাই, হাদি হত্যার বিচার চাই, ‘আর নয় প্রতিরোধ, এবার হবে প্রতিশোধ’, ‘দিল্লি যাদের মামা বাড়ি, বাংলা ছাড়ো তাড়াতাড়ি, ‘পেতে চাইলে মুক্তি, ছাড়ো ভারতভক্তি—এমন নানা স্লোগান দেন।

পরে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে  বক্তারা বলেন, ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ড ছিল সম্পূর্ণ পরিকল্পিত। ঘটনার পর দীর্ঘ সময় পার হলেও এখনো হত্যাকারীদের গ্রেপ্তারে কার্যকর কোনো অগ্রগতি নেই। হত্যাকারীদের গ্রেপ্তার না হওয়া পর্যন্ত এই আন্দোলন চলবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তারা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী বনি ইয়ামিন বলেন, এই অন্তর্বর্তীকালীন সরকার সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ। যারা জুলাই যোদ্ধা আছেন, তারা ঐক্যবদ্ধ হয়ে ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ ও তাদের দোসরদের বিচারের আওতায় আনুন। 

‘এক হাদি লোকান্তরে, লক্ষ হাদি ঘরে ঘরে’

গতকাল বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) রাত পৌনে ১১টার দিকে কিশোরগঞ্জের ঐতিহাসিক শহীদি মসজিদের সামনে থেকে হাদির মৃত্যুর খবরে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের হয়।

এসময় ‘আওয়ামী লীগের আস্তানা, ভেঙ্গে দাও, গুঁড়িয়ে দাও’; ‘দিল্লি না ঢাকা, ঢাকা-ঢাকা’; ‘ভারতীয় আগ্রাসন, রুখে দাও, রুখে দাও’; ‘এক হাদি লোকান্তরে, লক্ষ হাদি ঘরে ঘরে’–ইত্যাদি স্লোগান দেন তারা।

‘আমার ভাই কবরে, খুনি কেন বাহিরে?’

১৯ বৃহস্পতিবার রাত ১১ টার দিকে হাদির মৃত্যুর প্রতিবাদে শেরপুরে বিক্ষোভ মিছিল করেছে জেলা নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। এসময় তারা হাদির খুনিকে দ্রুত সময়ের মধ্যে গ্রেফতার ও নাগরিকদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার দাবিও জানান।

এ সময় তারা ‘তুমি কে আমি কে, হাদি হাদি’, ‘দিল্লি না ঢাকা, ঢাকা ঢাকা’, ‘আমার ভাই কবরে, খুনি কেন বাহিরে?’, ‘ইনকিলাব ইনকিলাব, জিন্দাবাদ জিন্দাবাদ’ ইত্যাদি স্লোগান দেন। এবং ওসমান হাদীর স্বপ্ন পূরণে শেষ রক্তবিন্দু অব্দি রাজপথে থাকার ঘোষণা দেন জুলাই বোদ্ধারা। 

সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক মামুনুর রহমান বলেন, আওয়ামী লীগ ও আধিপত্যবাদী শক্তির বিরুদ্ধে এবং ভারতীয় আগ্রাসনের বিরুদ্ধে হাদি ভাই যে লড়াই করে গেছেন, সেই লড়াই চলমান থাকবে। আমাদের শরীরে এক ফোঁটা রক্ত থাকা পর্যন্ত এই আন্দোলন চলবে। এ সময় তিনি হাদি হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে শুক্রবার বাদ জুমা বিক্ষোভ মিছিলের ঘোষণা দেন।

‘আওয়ালীগের ঠাঁই নাই, আমার সোনার বাংলায়’

ওসমান হাদির মৃত্যুতে বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) রাত ১১টার দিকে জয়পুরহাটে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে জেলা নাগরিক পার্টি (এনসিপি) এবং বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ।

মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা ‘আওয়ালীগের ঠাঁই নাই, আমার সোনার বাংলায়’; কুত্তা লীগের ঠাঁই নাই, আমার সোনার বাংলায়’; ‘খুনিলীগের গদিতে, আগুন জ্বালো একসাথে’; ‘দিল্লি না ঢাকা, ঢাকা-ঢাকা’; ‘ভারতীয় হাইকমিশন, ভেঙে দাও, গুঁড়িয়ে দাও’; ইত্যাদি স্লোগান দেন। 

সমাবেশে বক্তারা শরিফ ওসমান হাদির ওপর হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

যুদ্ধবিরতি হলেও জ্বালানি সংকট থাকবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

Published

on

By

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান বলেছেন, যুদ্ধবিরতি হলেও জ্বালানিসংকট থাকবে। এজন্য মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের ফলে বিশ্বজুড়ে সৃষ্ট জ্বালানিসংকট মোকাবেলায় ভারত মহাসাগরের দেশগুলোকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। 

শুক্রবার নবম ভারত মহাসাগরীয় কনফারেন্সে (আইওসি) বক্তব্য দেওয়ার সময় এ কথা বলেন তিনি।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চল এক উত্তাল সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। যেখানে জ্বালানি সংকট দেশগুলোর অর্থনীতি ও সমাজকে হুমকির মুখে ফেলছে। এই সময়ে তাই এ অঞ্চলের দেশগুলোকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দাঁড়াতে হবে। অপরের প্রয়োজনকে উপলব্ধি করতে হবে এবং সম্মিলিত সম্পদকে স্বীকৃতি দিতে হবে।

বৈশ্বিক অর্থনৈতিক নিরাপত্তার পুরো কাঠামোই নতুন করে পর্যালোচনার দাবি রাখে উল্লেখ করে তিনি বলেন, যেহেতু বৈশ্বিক রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটের দীর্ঘদিনের প্রচলিত ধারণাগুলো পরিবর্তিত হচ্ছে, তাই সামাজিক-অর্থনৈতিকভাবে প্রান্তিক ও পরিবেশগতভাবে ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর বিশাল অংশকে কিভাবে সর্বোত্তমভাবে সুরক্ষা দেওয়া যায়, উন্নয়নমূলক অর্জনগুলো কিভাবে রক্ষা করা যায় এবং সংকটগুলো কিভাবে মোকাবেলা করা যায়, তা নিয়ে ভাবা ক্রমশই জরুরি হয়ে পড়ছে।

সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কথা উল্লেখ করে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগ (এমএসএমই) ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানান ড. খলিলুর রহমান। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ‘সুপার সোর্সিং হাব’ গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন। যার মূল লক্ষ্য হলো বাংলাদেশকে আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক সরবরাহ শৃঙ্খল এবং ডিজিটাল বাণিজ্যের সঙ্গে আরও গভীরভাবে একীভূত করা এবং একই সঙ্গে জেলা ও উপকূলীয় অঞ্চলজুড়ে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগগুলোকে শক্তিশালী করা। এতে করে স্থানীয় উদ্বোবনকে বৈশ্বিক চাহিদার সঙ্গে যুক্ত করা সম্ভব হবে।

এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ কল্যাণ, সমৃদ্ধি ও প্রবৃদ্ধির জন্য একটি টেকসই পথ তৈরিতে ভারত মহাসাগরের ভূমিকা রয়েছে উল্লেখ করে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সময় এমন একটি সময়, যখন প্রযুক্তি, বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, উন্নয়নের এক গভীর চালিকাশক্তি। এই সময়ে আমাদের তরুণ ও উদ্যোক্তাদের আকাঙ্ক্ষা পূরণের জন্য আমাদের সক্ষমতা ও সুযোগগুলোকে উপলব্ধি করা এবং কাজে লাগানোই যৌক্তিক। সেই সঙ্গে একইভাবে আমাদের সব খাতে উদ্ভাবনে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পকে (এসএমই) নেতৃত্ব দেওয়ার দিকে বিশেষ মনোযোগ দিতে হবে।

এ সময় আন্তঃসীমান্ত সহযোগিতা ও সমন্বয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করে দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা আন্তঃসীমান্ত সহযোগিতা ও সমন্বয়মূলক পদক্ষেপগুলো পুনর্বিবেচনার আহ্বানও জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান।

Continue Reading

top1

জনগণের অধিকার পায়ের তলায় পিষ্ট করার পাঁয়তারা শুরু: জামায়াত আমির

Published

on

By

জামায়াত আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেছেন, জনগণের অধিকার পায়ের তলায় পিষ্ট করার পাঁয়তার শুরু হয়েছে।

শনিবার (১১ এপ্রিল) সকাল ৯টায় রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জামায়াতে ইসলামীর সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।

শফিকুর রহমান বলেন, শ্রমিক সামাজের প্রত্যাশা-চাহিদা রাষ্ট্রের কাছে মামুলি। কিন্তু দুঃখের বিষয় সামান্য চাহিদাটুকু এখনও পর্যন্ত কোনো রাষ্ট্রব্যবস্থা, কোনো সরকার পরিপূর্ণ করতে পারেনি। তার কারণ যারা রাষ্ট্র ব্যবস্থায় যান, তারা শ্রমিকদের মধ্য থেকে উঠে আসেনি। তারা সোনার চামচ ও রূপার কাঠি হাতে নিয়ে উঠেছে। তারা শ্রমিকদের দুঃখ বুঝবে কীভাবে তারা বেশির ভাগই ব্যবসায়ী মালিক।

তিনি বলেন, সরকার বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই জনগণকে মানবিক মর্যাদা দিতে ব্যর্থ হন। শ্রমিকদের প্রতি তারা সম্মান দেখাতে ব্যর্থ হন।

জামায়াত আমির বলেন, বিগত নির্বাচনে জাতিকে আমরা বলেছিলাম নেতৃত্ব আমরা তরুণ ও যুবকদের হাতে তুলে দেব। আমরা চাই যৌবনের এই শক্তিটা জাতি গঠনের কাজে লাগুক। আমাদের এই বয়সে যতটুকু পেরেছে দিয়েছি, ভবিষ্যতে তরুণরাও দেবে।

তিনি আরও বলেন, শ্রমিকদের চিকিৎসার ব্যয়ভার সরকার ও মালিকপক্ষকে নিতে হবে। তাদের জন্য বিশেষায়িত হাসপাতাল গড়ে তুলতে হবে। তাদের জন্য যে হাসপাতাল দিয়েছে সেই হাসপাতাল যথেষ্ট নয় আরও উন্নতমানের হাসপাতাল দিতে হবে।

শফিকুর রহমান বলেন, শ্রমিকদের যে বেতন ভাতা দেওয়া হয় তা দিয়ে তাদের পেটের জোগান দেওয়া যায় না। এই টাকা দিয়ে তারা চিকিৎসা করবে কীভাবে। শ্রমিকদের সন্তানদের মানুষ করা শিক্ষিত নাগরিক গড়ে তোলা পরিপূর্ণভাবে সরকারকেই নিতে হবে।

Continue Reading

top1

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের আলোচনায় প্রাধান্য পাবে যেসব বিষয়

Published

on

By

পাকিস্তানের ইসলামাবাদে আলোচনায় বসতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। হরমুজ প্রণালি, নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া, পরমাণু কর্মসূচিসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করবেন দুই দেশের প্রতিনিধিরা।

উভয় পক্ষ যে প্রধান বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করবে বলে আশা করা হচ্ছে, সেগুলো নিচে দেওয়া হলো।

তেহরান জোর দিয়ে বলছে, লেবাননে যুদ্ধবিরতি এবং ইরানের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার বিষয়ে ওয়াশিংটন প্রতিশ্রুতি দেওয়ার পরেই কেবল আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু হতে পারে।

ইরান লেবাননে যুদ্ধবিরতি চায়, যেখানে মার্চ মাসে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ইসরাইলি হামলায় প্রায় দুই হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন। ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র বলেছে, লেবানন এই যুদ্ধবিরতির অংশ নয় – তেহরান জোর দিয়ে বলছে যে এটি এর অংশ।

ইরান চায় যুক্তরাষ্ট্র যেন ইরানের সম্পদ থেকে অবরোধ তুলে নেয় এবং বছরের পর বছর ধরে দেশটির অর্থনীতিকে পঙ্গু করে রাখা নিষেধাজ্ঞাগুলো প্রত্যাহার করে নেয়। ওয়াশিংটন ইঙ্গিত দিয়েছে, তারা নিষেধাজ্ঞার উল্লেখযোগ্য শিথিলতার বিষয়ে আগ্রহী, তবে তা কেবল ইরানের পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র উন্নয়নের বিষয়ে ছাড় দেওয়ার বিনিময়েই।

ইরান হরমুজ প্রণালির ওপর তার কর্তৃত্বের স্বীকৃতি চায়, যেখানে তারা ট্রানজিট ফি আদায় এবং প্রবেশাধিকার নিয়ন্ত্রণ করতে চায়। যুক্তরাষ্ট্র চায়, এই প্রণালিটি তেল ট্যাঙ্কার এবং অন্যান্য জাহাজের জন্য কোনো রকম সীমাবদ্ধতা ছাড়াই খুলে দেওয়া হোক, যার মধ্যে জাহাজ চলাচলের ওপর টোলও অন্তর্ভুক্ত।

ছয় সপ্তাহব্যাপী যুদ্ধের সময় হওয়া সমস্ত ক্ষয়ক্ষতির জন্য ইরান ক্ষতিপূরণ দাবি করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র ক্ষতিপূরণের বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি।

ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র উভয়ই চায় ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা ব্যাপকভাবে হ্রাস করা হোক। তেহরান বলছে, তাদের ক্ষেপণাস্ত্র ভাণ্ডার নিয়ে কোনো আপস চলবে না।

ইরান চায় এই অঞ্চল থেকে মার্কিন যুদ্ধবাহিনীর প্রত্যাহার, সব রণাঙ্গনে যুদ্ধবিরতি এবং অনাক্রমণ নীতির প্রতি অঙ্গীকার। ট্রাম্প একটি শান্তি চুক্তি না হওয়া পর্যন্ত মধ্যপ্রাচ্যে সামরিক বাহিনী মোতায়েন রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি সতর্ক করেছেন যে, ইরান শর্ত মানতে ব্যর্থ হলে লড়াই ব্যাপকভাবে বাড়িয়ে দেওয়া হবে।

Continue Reading

Trending