Connect with us

top1

হাসিনার বাংলাদেশে ঢোকার খবর, বিশেষ বার্তা পুলিশ সদর দপ্তরের

Published

on

ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে গত বছরের ৫ আগস্ট দেশ ছেড়ে ভারতে পালিয়ে যান ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা। এরপর থেকে ভারতে অবস্থান করছেন তিনি। এদিকে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আগামী ১৩ নভেম্বর কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনার রায় ঘোষণার তারিখ জানাবে ট্রাইব্যুনাল।

এই রায়কে কেন্দ্র করে পতিত স্বৈরাচারের দল ঢাকাসহ দেশে যাতে কোনো ধরনের নৈরাজ্য সৃষ্টি করতে না পারে সেদিকে সতর্ক রয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। পুলিশের টহল পার্টি, মোবাইল পার্টি ও পিকেট পার্টিকে সক্রিয় করা হয়েছে।

রায়ের তারিখ ঘোষণার দিনকে কেন্দ্র করে যাতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বিঘ্ন না ঘটে, সেজন্য পুলিশ সদর দপ্তর থেকে জেলার এসপিদের কাছে বিশেষ বার্তা দেওয়া হয়েছে।

ঝটিকা মিছিল ঠেকাতে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। দলটির নেতাকর্মীরা অনলাইন ও অফলাইনে সংঘবদ্ধ প্রচারণার মাধ্যমে নৈরাজ্য সৃষ্টির চেষ্টা করতে পারে- এমন আশঙ্কা রয়েছে পুলিশের। তারা সরকারি ও বেসরকারি স্থাপনায় হামলা ও গাড়ি ভাঙচুর করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে পারেন এমন তথ্যও মাঠ পর্যায়ে পুলিশের কাছে রয়েছে। এ বিশৃঙ্খলা ঠেকাতে পুলিশের পক্ষ থেকে কঠোর সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, গত ১ সপ্তাহ ধরে টিকটকে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা দেশ-বিদেশ থেকে ছোট ছোট ভিডিও তৈরি করে উসকানিমূলক বক্তব্য দিচ্ছে। বিভিন্ন স্থানে হামলার নির্দেশ দিচ্ছে। এছাড়াও ১৩ নভেম্বর হাসিনা দিল্লি থেকে বাংলাদেশে ঢুকবে এমন তথ্যও দেওয়া হচ্ছে। এসব টিকটকারদের তালিকা তৈরি করেছে পুলিশ। পাশাপাশি বিদেশে পলাতক থাকা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক বাহাউদ্দিন নাছিম, প্রেসিডিয়াম সদস্য জাহাঙ্গীর কবীর নানক, সাবেক শিক্ষামন্ত্রী নওফেলসহ যারা ফেসবুকে প্রচার চালাচ্ছে তাদেরও তালিকা করেছে পুলিশ।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ১৩ নভেম্বর ঘিরে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা যাতে ঢাকায় প্রবেশ করতে না পারে, সেজন্য প্রবেশপথগুলোতে বাড়তি নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। গাড়ি তল্লাশি এবং সন্দেহভাজনদের দেহ তল্লাশি করছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। এছাড়াও ধর্মীয় উপাসনালয় ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোতে বাড়তি নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। র‌্যাবকে ঢাকার সড়কে টহল দিতে দেখা গেছে।

পুলিশের একাধিক দায়িত্বশীল কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, অন্তর্বর্তী সরকার আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষণা করলেও দেশ-বিদেশে ছদ্মবেশে তৎপর রয়েছে সংগঠনটির নেতাকর্মীরা। দেশে হঠাৎ হঠাৎ ঝটিকা মিছিল করে তারা অস্তিত্বের জানান দিচ্ছে। তারা ঝটিকা মিছিল করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটানোর অপচেষ্টা চালাচ্ছে। ফ্যাসিবাদী শক্তি অনলাইনেও সক্রিয় হয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে আগামী ১৩ নভেম্বরকে কেন্দ্র করে তারা গোপনে একত্র হয়ে সহিংসতা বা হামলার পরিকল্পনা করতে পারেÑএমন আশঙ্কা রয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর।

পুলিশ জানিয়েছে, এমন পরিস্থিতিতে পুলিশের সব ইউনিটকে রাজনৈতিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ, সন্দেহভাজন ব্যক্তি ও যানবাহনের ওপর নজরদারি, সরকারি-বেসরকারি স্থাপনায় নিরাপত্তা জোরদার এবং সাইবার গোয়েন্দা কার্যক্রম তীব্র জোরদার করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

জানতে চাইলে নোয়াখালীর এসপি আবদুল্লাহ আল ফারুক জানান, রায়ের তারিখ ঘোষণাকে কেন্দ্র করে টহল টিমকে সক্রিয় করা হয়েছে। গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করা হয়েছে।

রাজশাহী রেঞ্জের আরেক এসপি জানান, আওয়ামী লীগের যেসব নেতাকর্মী জামিনে মুক্তি পেয়েছে তারা আবার দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র করছে বলে পুলিশের কাছে তথ্য রয়েছে। তাদের ইতোমধ্যে তালিকা করা হয়েছে।

এ বিষয়ে আইজিপি বাহারুল আলম গতকাল সোমবার রাতে জানান, নৈরাজ্য মোকাবিলায় আমরা সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছি। ডিএমপিকে পুলিশের অন্য ইউনিট সহযোগিতা করবে। বিজিবি মাঠে থাকবে। তিনি আরো জানান, ইন এইড টু সিভিল পাওয়ারের আওতায় সেনাবিাহিনীও মাঠে থাকবে। আইনশৃঙ্খলায় বিঘ্ন ঘটালে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

ভোট দিয়ে জয়-পরাজয় মেনে নিন: জাতির উদ্দেশে সিইসির আহ্বান 

Published

on

By

নির্বাচনে শান্তি ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার স্বার্থে সবাইকে স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোটকেন্দ্রে আসার এবং নির্বাচনের ফলাফল মেনে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন।

বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে দেওয়া এক ভাষণে তিনি এ আহ্বান জানান।

সিইসি বলেন, “সবাই স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভোটকেন্দ্রে আসবেন, ভোট দেবেন এবং জয়-পরাজয় মেনে নেবেন।”

আসন্ন এই নির্বাচনকে সার্থক করে তুলতে সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে যার যার অবস্থান থেকে দায়িত্ব পালনের এবং আন্তরিক সহযোগিতার অনুরোধ জানান তিনি। ভাষণে তিনি একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ নিশ্চিত করতে কমিশনের দৃঢ় অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।

এর আগে জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে সিইসি দেশের বর্তমান রাজনৈতিক ও নির্বাচনি প্রেক্ষাপট নিয়ে কথা বলেন এবং ভোটারদের নির্ভয়ে কেন্দ্রে আসার নিশ্চয়তা দেন।

Continue Reading

top1

৫০ লাখ নয়, প্রয়োজনে ৫ কোটি টাকা বহনেও সমস্যা নেই

Published

on

By

নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ জানিয়েছেন, নির্বাচনের সময় নগদ অর্থ বহনের ক্ষেত্রে কোনো নির্দিষ্ট সীমা নেই। ৫০ লাখ নয়, প্রয়োজনে ৫ কোটি টাকা বহনেও সমস্যা নেই।

বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) এ বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

আখতার আহমেদ বলেন, অর্থ বৈধ হলে এবং তার উৎস ও ব্যবহার যথাযথভাবে প্রমাণ করা গেলে যত খুশি টাকা বহন করা যাবে। সোর্স ও বৈধ খাত দেখাতে পারলে ৫০ লাখ নয়, প্রয়োজনে ৫ কোটি টাকা বহনেও সমস্যা নেই।

তিনি বলেন, যদি কোনো অর্থ ভোটারদের প্রভাবিত করতে ব্যবহার করা হয়, তাহলে বিষয়টি ‘নির্বাচনি অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি’ তদন্ত করবে। আর অর্থের উৎস অবৈধ হলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।

এর আগে ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের আমির বেলাল উদ্দিনকে বিপুল টাকাসহ আটক করা হয়েছে। বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) নীলফামারীর সৈয়দপুর বিমানবন্দর থেকে তাকে আটক করে প্রশাসন।

নীলফামারীর পুলিশ সুপার (এসপি) শেখ জাহিদুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, জব্দ টাকা মেশিনে গণনা চলছে। পুলিশ জানিয়েছে, আটকের সময় বেলাল উদ্দিনের কাছে নগদ অর্থসহ বেশকিছু নথিপত্রও পাওয়া গেছে। সেগুলো যাচাই-বাছাই চলছে।

জানা গেছে, বুধবার সকাল ১০টা ৫৫ মিনিটে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের একটি অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটে সৈয়দপুর যান এ জামায়াত নেতা। তার সঙ্গে থাকা ব্যাগে ৫০ লাখের বেশি টাকা ছিল।

আটক করার সময় একটি ভিডিওতে বেলাল উদ্দিনকে বলতে শোনা যায়, তার বাড়ি ঠাকুরগাঁও শহরের হাজিপাড়ায়। ওই এলাকার দবিরুল ইসলামের ছেলে তিনি। এ ছাড়া ঠাকুরগাঁও শালন্দা কলেজের শিক্ষক তিনি। লাগেজে কত টাকা আছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সেখানে ৫০ লাখের বেশি টাকা রয়েছে। এগুলো তার গার্মেন্টস ব্যবসার টাকা।

Continue Reading

top1

বিমানবন্দরের ঘটনাকে বিচ্ছিন্ন বলে দেখার সুযোগ নেই: বিএনপি

Published

on

By

সৈয়দপুর বিমানবন্দরের ঘটনাকে বিচ্ছিন্ন বলে দেখার সুযোগ নেই বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র ও চেয়ারম্যানের উপদেষ্টা মাহদী আমিন। বুধবার বিকেলে সংবাদ সম্মেলনে এ মন্তব্য করেন তিনি। এ সময় তিনি এসব ঘটনায় নির্বাচন কমিশনকে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

মাহদী আমিন বলেন, ‘বিএনপির অনিবার্য বিজয়ের বিপরীতে একটি গোষ্ঠী নানা প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টির অপচেষ্টা করছে। আমরা আজ সকালে গণমাধ্যমে দেখতে পেলাম, সৈয়দপুর বিমানবন্দরে ঢাকা থেকে যাওয়ার পর নগদ অর্ধ কোটিরও বেশি টাকাসহ ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের আমিরকে আটক করেছে পুলিশ। যেখানে নির্বাচনে অবৈধ অর্থনৈতিক লেনদেন প্রতিহত করতে সব ব্যাংক, অর্থনৈতিক প্রতিষ্ঠান, ব্যাবসায়িক লেনদেন ও কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে; সেখানে স্বাভাবিকভাবে সর্বত্র প্রশ্ন উঠছে, জামায়াতের একটি জেলা সর্বোচ্চ নেতা এই বিপুল পরিমাণ অর্থ নিয়ে কী উদ্দেশ্যে কাদের দেওয়ার জন্য নির্বাচনের ঠিক আগের দিন ঢাকা থেকে ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন?’

তিনি বলেন, টানা চার দিন যেখানে দেশের সব ব্যাবসায়িক কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে, সেখানে এত বিপুল পরিমাণ অর্থ কোন ব্যাবসায়িক প্রয়োজনে ব্যবহৃত হতে পারে; সেটি বোঝার জন্য বিশেষজ্ঞ হওয়ার প্রয়োজন নেই। স্পষ্টতই আচরণ বিধির এই লঙ্ঘন গণবিচ্ছিন্ন রাজনৈতিক দলগুলির দেউলিয়াত্ব ও অনৈতিক প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা প্রমাণ করছে। যারা ইনসাফ প্রতিষ্ঠা ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে বয়ান তৈরি করে তাদের কাছে প্রশ্ন করা যেতেই পারে টাকা দিয়ে ভোট কেনা তাদের সেই দুর্নীতিবিরোধী বয়ানের সঙ্গে কতটা সংগতিপূর্ণ।’

সৈয়দপুর বিমানবন্দর-কাণ্ডকে বিচ্ছিন্ন বলে দেখার সুযোগ নেই মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘এ ঘটনা ছাড়াও বিভিন্ন এলাকায় অর্থসহ অনেককে আটক করেছে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী।’

Continue Reading

Trending