Connect with us

আন্তর্জাতিক

১৫ দিনে নিখোঁজ ৮০৮ জন, ‘জনমনে আতঙ্ক’

Published

on

চলতি বছর জানুয়ারি মাসের প্রথম দুই সপ্তাহে ভারতের দিল্লিতে ৮০৮ নিখোঁজ হয়েছেন। ভারতীয় বার্তাসংস্থা পিটিআই জানিয়েছে, দিল্লি পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, গত ১ থেকে ১৫ জানুয়ারির মধ্যে যে ৮০০ জন নিখোঁজ হয়েছেন, তার মধ্যে ৫০৯ জন অর্থাৎ দুই-তৃতীয়াংশ হলো নারী ও অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়ে।

খবরে বলা হয়েছে, ভারতের রাজধানী থেকে প্রতিদিন গড়ে ৫৪ জন নিখোঁজ হচ্ছেন। দেশটির পুলিশের তথ্য বলছে, নিখোঁজদের মধ্যে ১৯১ জন অপ্রাপ্তবয়স্ক এবং ৬১৬ জন প্রাপ্তবয়স্ক। পুলিশ এখন পর্যন্ত ২৩৫ জনের খোঁজ পেয়েছে। ৫৭২ জন এখনও নিখোঁজ।

দিল্লির সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ও আপ নেতা অরবিন্দ কেজরিওয়াল এতো মানুষের নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেছেন, এটা স্বাভাবিক পরিস্থিতি নয়, বরং রীতিমতো আতঙ্কের পরিস্থিতি। রাজধানীর মানুষের নিরাপত্তা ঈশ্বরের উপর ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বিজেপি-র শাসনে একবছর থাকার পর দিল্লি কেন এতটা নিরাপত্তাহীন শহর?

দিল্লি পুলিশের তথ্য বলছে, জানুয়ারি মাসের প্রথম ১৫ দিনে প্রতিদিন গড়ে ১৩ জন করে অপ্রাপ্তবয়স্ক নিখোঁজ হয়েছে। ১৯১ জন নিখোঁজ অপ্রাপ্তবয়স্কের মধ্যে ১৪৬ জন মেয়ে। তাদের বয়স ১২ থেকে ১৮ বছরের মধ্যে। নিখোঁজ ৬১৬ জন প্রাপ্তবয়স্কের মধ্যে ৩৬৩ জন নারী এবং ২৫২ জন পুরুষ।

পুলিশ এর মধ্যে ৯০ জন পুরুষ ও ৯১ জন নারীকে উদ্ধার করেছে। বাকিরা এখনো নিখোঁজ।

বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) দিল্লি পুলিশ দাবি করেছে, দিল্লিতে এক লাখ মানুষের মধ্যে ১২২ দশমিক পাঁচজন নিখোঁজ হন। এই হার যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের থেকে কম। পুলিশের মুখপাত্র জানিয়েছেন, বাচ্চাদের ফিরতে একটু দেরি হলে, অপ্রাপ্তবয়স্কদের সঙ্গে কিছুক্ষণ যোগাযোগ করতে না পারলেই উদ্বিগ্ন বাবা-মা রিপোর্ট ফাইল করেন। সেটা সরকারি সংখ্যাতত্ত্বের মধ্যে ঢুকে যায়।

এছাড়া পুলিশ জানিয়েছে, এই বছর জানুয়ারি মাসে এক হাজার ৭৭৭জন নিখোঁজ হয়েছেন, ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে হয়েছিলেন দুই হাজার ৪২ জন এবং ২০২৪ সালে এক হাজার ৭৮৬ জন।

গত দুই বছরের তুলনায় ২০২৬ সালে বরং কম মানুষ নিখোঁজ হয়েছেন। ২০২৫ সালে মোট ২৪ হাজার ৫০৮ জন নিখোঁজ হয়েছিলেন। তার মধ্যে পুলিশ ১৫ হাজার ৪২১ জনকে খুঁজে বের করেছে।

তবে প্রশ্ন উঠেছে, দিল্লি থেকে এতো মানুষ কেন নিখোঁজ হন, এর পেছনে কি কোনো চক্র কাজ করছে কেন এতজনকে এখনো খুঁজে পাওয়া যায়নি?

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top3

ইরানে হামলার বিপক্ষে যুক্তরাষ্ট্রের ৭৫ শতাংশ মানুষ

Published

on

By

ইরানের বিরুদ্ধে চলমান সামরিক অভিযানের বিষয়ে সাধারণ মার্কিন নাগরিকদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। সাম্প্রতিক এক জরিপ অনুযায়ী, মাত্র ২৫ শতাংশ আমেরিকান এই হামলার পক্ষে সমর্থন জানিয়েছেন; বিপরীতে প্রায় ৭৫ শতাংশ নাগরিকই এই সামরিক পদক্ষেপের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন।

রয়টার্স/ইপসোসের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত এই জরিপে উঠে এসেছে যে, অর্ধেকেরও বেশি আমেরিকান মনে করেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামরিক শক্তি প্রয়োগে মাত্রাতিরিক্ত আগ্রহী।

জরিপে দেখা গেছে, মাত্র ২৭ শতাংশ উত্তরদাতা ইরান ও ইসরায়েলের যৌথ এই হামলার পক্ষে মত দিয়েছেন। বিপরীতে ৪৩ শতাংশ এই হামলার বিপক্ষে এবং ২৯ শতাংশ উত্তরদাতা কোনো মত দেননি। তবে গত শনিবার ভোরে ইরানের শীর্ষ নেতাকে হত্যার মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া এই আকস্মিক হামলা সম্পর্কে প্রায় ৯০ শতাংশ আমেরিকানই অবগত আছেন।

রোববার (১ মার্চ) শেষ হওয়া এই জরিপ অনুযায়ী, ৫৬ শতাংশ আমেরিকান মনে করেন, ট্রাম্প মার্কিন স্বার্থ রক্ষায় সামরিক শক্তি ব্যবহারের ক্ষেত্রে অতিমাত্রায় আগ্রহী। সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ভেনেজুয়েলা, সিরিয়া ও নাইজেরিয়াতেও হামলার নির্দেশ দিয়েছিলেন তিনি। এই ধারণার সঙ্গে ৮৭ শতাংশ ডেমোক্র্যাট, ২৩ শতাংশ রিপাবলিকান এবং ৬০ শতাংশ নির্দলীয় ব্যক্তি একমত পোষণ করেছেন।

যদিও রিপাবলিকানদের ৫৫ শতাংশ এই হামলার পক্ষে, তবে তাদের ৪২ শতাংশই জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যে যদি মার্কিন সেনাসদস্যরা নিহত বা আহত হন, তবে তারা এই অভিযানের সমর্থন থেকে সরে আসবেন।

ইতিমধ্যে এই অভিযানে চারজন মার্কিন সেনাসদস্য নিহত হয়েছেন। এছাড়া তিনটি মার্কিন যুদ্ধবিমান কুয়েতি বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ভুলের কারণে গুলিবিদ্ধ হয়ে বিধ্বস্ত হয়েছে। ইরানের পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় ইসরায়েলসহ অঞ্চলের বিভিন্ন মার্কিন ঘাঁটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ ঘটনার পর ট্রাম্পের জনপ্রিয়তার রেটিং ১ শতাংশ কমে ৩৯ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের প্রাথমিক ভোট শুরুর মাত্র তিনদিন আগে ইরানে এই হামলা শুরু হয়েছে। জরিপে দেখা গেছে, ৪৫ শতাংশ আমেরিকান মনে করেন, যদি এই যুদ্ধের ফলে তেলের দাম বেড়ে যায়, তবে তারা এই অভিযানের সমর্থন করবেন না। কিন্তু ইতিমধ্যে ব্রেন্ট ক্রুড অয়েলের দাম ১০ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৮০ ডলারে ঠেকেছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই সংঘাত চললে দাম ১০০ ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে।

উল্লেখ্য, জেনেভায় পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার পরই যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল এই হামলা চালায়। ওয়াশিংটন চায়, ইরান ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ পুরোপুরি বন্ধ করুক। তবে তেহরান দাবি করে আসছে, তারা শুধু বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্যই ইউরেনিয়াম প্রক্রিয়াজাত করছে।

জরিপ অনুযায়ী, অর্ধেক উত্তরদাতা জানিয়েছেন, ইরান যদি তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি ত্যাগ করে, তবে তারা এই হামলার সমর্থক হতে পারেন। এদিকে দ্য আটলান্টিক ম্যাগাজিনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানের নতুন নেতৃত্ব তার সঙ্গে কথা বলতে আগ্রহী এবং তিনি তাতে রাজি হয়েছেন।

অনলাইনে পরিচালিত এই জরিপে মোট ১ হাজার ২৮২ জন প্রাপ্তবয়স্ক আমেরিকান অংশ নেন। এতে ভুলের মাত্রা (মার্জিন অব এরর) ছিল মাত্র ৩ শতাংশ বলে জানা গেছে।

Continue Reading

top3

ইরানে ‘কঠোর আঘাত’ এখনো করিনি, ‘মূল আক্রমণ শিগগিরই’: ট্রাম্প

Published

on

By

ইরানে এখনো ‘কঠোর আঘাত’ শুরু হয়নি এবং মূল আক্রমণ শিগগিরই আসছে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই মন্তব্য করেন।

ট্রাম্প বলেন, ‘আমরা এখনো ইরানের ওপর কঠোর আঘাত শুরুই করিনি। বড় ধরনের হামলা এখনো বাকি। মূল আক্রমণটি খুব শিগগিরই আসছে।’ তিনি সতর্ক করে জানান, সামনের দিনগুলোতে পরিস্থিতি আরও অনিরাপদ হয়ে উঠতে পারে।

ইরানি জনগণকে দেশটির নিয়ন্ত্রণ পুনরুদ্ধারে সহায়তা করতে সামরিক অভিযানের বাইরেও যুক্তরাষ্ট্র অন্য কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প ‘হ্যাঁ’ সূচক উত্তর দেন। তিনি বলেন, ‘আমরা সত্যিই তা করছি। তবে এই মুহূর্তে আমরা চাই সবাই নিরাপদ স্থানে অবস্থান করুক। কারণ বাইরের পরিস্থিতি এখন নিরাপদ নয়।’

এর আগে হোয়াইট হাউসে দেওয়া এক বক্তব্যেও ট্রাম্প ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ও ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা ধ্বংস করার ওপর জোর দিয়েছিলেন। সিএনএন-কে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি সেই ধারাবাহিকতায় আরও বড় পরিসরে হামলার ইঙ্গিত দিলেন

Continue Reading

top2

ইসরায়েলে মাইক্রোসফটের কার্যালয়ে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

Published

on

By

চলমান উত্তেজনা ও পাল্টাপাল্টি হামলার ধারাবাহিকতায় সোমবার (২ মার্চ) ইসরায়েলে দফায় দফায় ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান।

তেহরানের দাবি, তাদের এই সামরিক অভিযানের লক্ষ্য ছিল ইসরায়েলের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ধ্বংস করা।

ইরানের দাবি অনুযায়ী, তাদের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্রগুলো ইসরায়েলের বিরশেবা শহরে অবস্থিত সামরিক যোগাযোগ স্থাপনায় সরাসরি আঘাত হেনেছে। ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) জানিয়েছে, এটি ছিল তাদের চালানো হামলার ১১তম পর্যায়।

দেশটির তাসনিম নিউজ এজেন্সির প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) জানায় যে, তাদের ছোড়া ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোনের ১১তম ঢেউ ইসরাইলের বিরশেবা শহরকে লক্ষ্যবস্তু করেছে।

ওই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে যে, ওই শহরে অবস্থিত ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর যোগাযোগ শিল্প কমপ্লেক্সে আঘাত হানা হয়েছে। পরে সংস্থাটি একটি ভবনের ছবি পোস্ট করে দাবি করে যে, এটিই বিরশেবা শহরের সেই লক্ষ্যবস্তু, যেখানে বেশ কিছু বড় আন্তর্জাতিক কোম্পানির কার্যালয় অবস্থিত, যার মধ্যে মাইক্রোসফটও আছে।

Continue Reading

Trending