Connect with us

top1

৩৫ বছর পর পুরুষ প্রধানমন্ত্রী পাচ্ছে বাংলাদেশ

Published

on

দুই-তৃতীয়াংশের কাছাকাছি আসনে জয় পেয়ে এককভাবে সরকার গঠনের অবস্থান নিশ্চিত করেছে দেশের অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক দল বিএনপি। ফলে দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমানই হচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী। অন্যদিকে, নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট জাতীয় সংসদে বিরোধী দলের আসনে বসতে যাচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাত ২টা পর্যন্ত প্রাপ্ত বেসরকারি ফলাফলে এ চিত্র উঠে এসেছে। ঘোষিত ফল অনুযায়ী, বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট ২১০টি আসনে জয়লাভ করেছে।

এর আগে বিএনপির পক্ষ থেকে ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল, দল ক্ষমতায় গেলে চেয়ারম্যান তারেক রহমানই হবেন প্রধানমন্ত্রী। এবারের নির্বাচনে তিনি প্রথমবারের মতো অংশ নেন এবং ঢাকা-১৭ ও বগুড়া-৬— দুটি আসনেই জয় অর্জন করেন।

তথ্য অনুযায়ী, সর্বশেষ ১৯৮৮ সালে এরশাদ আমলে কাজী জাফর আহমেদ প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছিলেন। এরপর ১৯৯০ সালের পর থেকে দেশে আর পুরুষ প্রধানমন্ত্রী দেখা যায়নি। দীর্ঘ সময় ধরে বিএনপির সাবেক চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া এবং আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা সরকার প্রধানের দায়িত্বে ছিলেন।

এরপর ২০২৬ সালে আবারও পুরুষ প্রধানমন্ত্রী পেতে যাচ্ছে বাংলাদেশ।

এদিকে নির্বাচনী বিজয় উপলক্ষে কোনো ধরনের মিছিল না করার নির্দেশ দিয়েছে বিএনপি।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নিরঙ্কুশ জয়ের জন্য জুমার নামাজের পর সারা দেশে শুকরিয়া আদায় করে বিশেষ দোয়া করবে বিএনপি। পাশাপাশি অন্যান্য ধর্মীয় উপাসনালয়েও প্রার্থনার আয়োজন করা হবে।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে উদ্‌যাপিত হচ্ছে ঈদ

Published

on

By

সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে আজ শুক্রবার উদ্‌যাপিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল ফিতর। মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন, কাতার, কুয়েত, লেবানন, ফিলিস্তিন, ইয়েমেন ও ইরাকে ঈদ উদ্‌যাপন করা হচ্ছে।

শুক্রবার ভোরে সংযুক্ত আরব আমিরাতজুড়ে বাসিন্দারা ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করতে মসজিদে সমবেত হন। যুদ্ধের কারণে এবার খোলা ময়দানে ঈদের জামাত হচ্ছে না।

দুবাইয়ের ইসলামিক অ্যাফেয়ার্স অ্যান্ড চ্যারিটেবল অ্যাক্টিভিটিজ ডিপার্টমেন্ট এবং শারজাহর ইসলামিক অ্যাফেয়ার্স ডিপার্টমেন্টের সঙ্গে সমন্বয় করে দেশব্যাপী শুধু মসজিদগুলোতে নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।

মধ্যপ্রাচ্য ছাড়াও তুরস্ক, মালদ্বীপ এবং আফ্রিকার সুদান, জিবুতি, সোমালিয়া, উগান্ডা, নাইজেরিয়া, চাদ, গাম্বিয়া, গিনি, বেনিন, সেনেগাল ও ক্যামেরুন শুক্রবারে ঈদ উদ্‌যাপনের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

Continue Reading

top1

ঈদের বাজারে অস্থিরতা, বে‌ড়ে‌ছে মাছ-মাংস-মসলার দাম

Published

on

By

পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে রাজধানীর বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে মাছ, মাংস ও মসলার দাম বেড়েছে। তবে সবজির দাম কম র‌য়ে‌ছে।

বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) রাজধানীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

বেশি অস্থিরতা দেখা গেছে মসলার বাজারে। কয়েকদিনের ব্যবধানে প্রায় সব ধরনের মসলার দাম কেজিতে ৫০ থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। সবচেয়ে বেশি দাম বেড়েছে এলাচের। খুচরা বাজারে প্রতি কেজি এলাচ বিক্রি হচ্ছে প্রায় ৫ হাজার টাকায়, যা কয়েকদিন আগেও ২২০ থেকে ২৫০ টাকা কম ছিল।

এছাড়া দারুচিনি ৫৮০-৬০০ টাকা, জয়ত্রি ৪ হাজার টাকা, জায়ফল ১ হাজার ৫০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। লবঙ্গের দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৮০০ থেকে ২ হাজার টাকা কেজি। এছাড়া জিরা ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা, ধনিয়া ৩০০ থেকে ৩৬০ টাকা, তেজপাতাও ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

এদি‌কে শুকনো ফলের বাজারেও দাম বেড়েছে। কিশমিশ ১ হাজার থেকে ১ হাজার ২০০ টাকা, আলুবোখারা ১ হাজার ৪০০ টাকা, কাজুবাদাম ১ হাজার ৭০০ থেকে ১ হাজার ৮০০ টাকা, কাঠবাদাম ১ হাজার ৫০০ টাকা থেকে ১ হাজার ৬০০ টাকা এবং পেস্তা বাদাম ৪ হাজার টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

অপর‌দি‌কে ঈদ উপলক্ষে চাহিদা বাড়ায় মাংস ও মাছের দামও বেড়েছে। বর্তমানে গরুর মাংস ৮৫০ টাকা কেজি, যা কেজিতে বেড়েছে প্রায় ৮০ টাকা। খাসির মাংস বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৩৫০ থেকে ১ হাজার ৪০০ টাকায়, যা কেজিতে ১০০ থেকে ১৫০ টাকা বেশি।

মুরগির বাজারেও ঊর্ধ্বগতি দেখা গেছে। ব্রয়লার মুরগি ২১০ থেকে ২২০ টাকা এবং সোনালি মুরগি ৩৫০ থেকে ৩৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। তবে ডিমের দাম কিছুটা কমেছে।

মাছের বাজারেও একই চিত্র। পোয়া মাছ ৩৫০ টাকা, তেলাপিয়া ২২০ থেকে ২৫০ টাকা, পাঙাস ২৪০ থেকে ২৬০ টাকা, রুই ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া গলদা চিংড়ি ছোট ১ হাজার টাকা এবং বড়টা ১ হাজার ২০০ টাকা, টেংরা ৭০০ টাকা ও পাবদা ৪৫০ থেকে ৫০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

অন্যদিকে সবজির বাজারে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। বিক্রেতারা দ্রুত পণ্য বিক্রি করে গ্রামে যাওয়ার তাড়ায় তুলনামূলক কম দামে সবজি বিক্রি করছেন। রাজধানীর এক বিক্রেতা বোরহান বলেন, “আজ রাতেই গ্রামে যাবো। অনেক পণ্য পড়ে আছে, তাই কম দামে বিক্রি করে দিচ্ছি।”

বর্তমানে পেঁয়াজ ৩০ থেকে ৪০ টাকা, আলু ১৮ থেকে ২০ টাকা, টমেটো ৩০ থেকে ৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। শসা ৩৫ থেকে ৫০ টাকা এবং বেগুন ৫০ থেকে ৬০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। তবে কাঁচামরিচ ৮০ থেকে ১০০ টাকা কেজি এবং লেবু প্রতি হালি ৬০ থেকে ৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বাজারে বোতলজাত সয়াবিন তেলের সরবরাহে ঘাটতি থাকায় খোলা তেলের দাম বেড়ে ২১৫ থেকে ২২০ টাকা লিটারে উঠেছে। চিনির দামও কিছুটা বেড়েছে। বিদেশি চিনি ১০০ থেকে ১০৫ টাকা এবং দেশি চিনি ১৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

ঈদের অন্যতম প্রধান অনুষঙ্গ সেমাইয়ের বাজার তুলনামূলক স্থিতিশীল। ২০০ গ্রাম প্যাকেট সেমাই ৪০ থেকে ৪৫ টাকা, ৮০০ গ্রাম বোম্বাই সেমাই ২৮০ টাকা এবং খোলা লাচ্ছা সেমাই ১৮০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

সুগন্ধি চালের দামও বেড়েছে। চিনিগুঁড়া চালের প্যাকেট ১৭০ থেকে ১৭৫ টাকা এবং খোলা চাল ১৪০ থেকে ১৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যা কয়েকদিন আগের তুলনায় ২০ থেকে ৩০ টাকা বেশি।

Continue Reading

top1

চাঁদপুরে অর্ধশতাধিক গ্রামে ঈদুল ফিতর উদ্‌যাপন

Published

on

By

সৌদি আরবসহ আরব দেশগুলোর সঙ্গে মিল রেখে চাঁদপুরের হাজীগঞ্জ সাদ্রা দরবার শরিফসহ প্রায় অর্ধশতাধিক গ্রামে পবিত্র ঈদুল ফিতরের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (২০ মার্চ) সকাল ৯টায় সাদ্রা দরবার শরিফ মাঠে ঈদুল ফিতরের নামাজের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইমামতি করেন দরবার শরিফের পীরজাদা আল্লামা জাকারিয়া চৌধুরী আল মাদানী।

সকাল সাড়ে ৮টা থেকে ৯টার মধ্যে সাদ্রা হামিদিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার মাঠে পবিত্র ঈদুল ফিতরের আরেকটি জামায়াত অনুষ্ঠিত হয়। এ জামাতে ইমামতি করেন দরবার শরিফের পীরজাদা আরিফুল্লা চৌধুরী।

আগাম ঈদ উদ্‌যাপন করা গ্রামগুলো হচ্ছে- হাজীগঞ্জ উপজেলার সাদ্রা, সমেশপুর, অলিপুর, বলাখাল, মনিহার, প্রতাপপুর, বাসারা, ফরিদগঞ্জ উপজেলার লক্ষ্মীপুর, কামতা, গল্লাক, ভুলাচোঁ, সোনাচোঁ, উভারামপুর, উটতলি, মুন্সিরহাট, কাইতাড়া, মূলপাড়া, বদরপুর, আইটপাড়া, সুরঙ্গচাইল, বালিথুবা, পাইকপাড়া, নূরপুর, সাচনমেঘ, শোল্লা, হাঁসা, গোবিন্দপুর, মতলব উপজেলার দশানি, মোহনপুর, পাঁচানী এবং কচুয়া উপজেলার কয়েকটি গ্রামের আংশিক।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ১৯২৮ সাল থেকে সাদ্রা দরবার শরিফের মরহুম পীর মাওলানা ইসহাক (রহ.) সৌদি আরবসহ অন্য আরব দেশগুলোর সঙ্গে মিল রেখে রোজা, ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা উদ্‌যাপনের প্রথা চালু করেন। এ ছাড়া তার অনুসারীরা চাঁদপুরসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় একই সঙ্গে দুই ঈদ উদ্‌যাপন ও রোজা করে আসছেন।

সাদ্রা দরবার শরিফের পীরজাদা আরিফুল্লা চৌধুরী বলেন, ১৯২৮ সাল থেকে তারা মুসলিম বিশ্বের সঙ্গে কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে ঈদুল ফিতর, ঈদুল আযহা এবং পবিত্র রমজানের রোজা রেখে আসছেন। প্রথমে এসব ঈদের জামাতে লোকজন কম হলেও এখন সারা বাংলাদেশের প্রায় প্রতিটি জেলায় ঈদ উদ্‌যাপন হচ্ছে।

Continue Reading

Trending