Connect with us

top1

পদত্যাগ করলেন চেয়ারম্যানসহ বিএসইসির চার কমিশনার

Published

on

অবশেষে পদত্যাগ করেছেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)-এর চেয়ারম্যান খন্দকার রাশেদ মাকসুদসহ চার কমিশনার। 

বৃহস্পতিবার (৪ মে) তারা অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগে পদত্যাগপত্র জমা দেন।

পদত্যাগ করা কমিশনাররা হলেন— মু. মহসীন চৌধুরী, মো. আলী আকবর, ফারজানা লালারুখ ও মো. সাইফুদ্দিন। দীর্ঘদিন ধরে পুঁজিবাজারে অস্থিরতা, বিনিয়োগকারীদের ক্ষোভ এবং কমিশনের অভ্যন্তরীণ অসন্তোষের মধ্যেই এ পদত্যাগের ঘটনা ঘটলো।

খন্দকার রাশেদ মাকসুদ ২০২৪ সালের ১৮ আগস্ট চার বছরের জন্য বিএসইসির চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পান। একই বছরের ২ জুন মু. মহসীন চৌধুরী কমিশনার হিসেবে নিয়োগ পান। পরে ২৮ আগস্ট মো. আলী আকবর, ৩ সেপ্টেম্বর ফারজানা লালারুখ এবং সর্বশেষ ২০২৫ সালের ২৯ জুলাই মো. সাইফুদ্দিন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব নেন

এর আগে আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে দেশের পুঁজিবাজারের নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসি পুনর্গঠনের ঘোষণা দেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

২ জুন রাজধানীতে ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম (ইআরএফ) আয়োজিত ‘বাজেট ২০২৬-২৭: প্রত্যাশা ও বাস্তবতা’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ ঘোষণা দেন।

মন্ত্রীর ওই ঘোষণার পর থেকেই বিএসইসিতে পরিবর্তনের জোর আলোচনা শুরু হয়। শেষ পর্যন্ত চেয়ারম্যানসহ চার কমিশনার একযোগে পদত্যাগ করলেন।

উল্লেখ্য, খন্দকার রাশেদ মাকসুদের পদত্যাগ দাবিতে গত কয়েক মাস ধরে আন্দোলন করে আসছিলেন বিএসইসির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। তারা কর্মবিরতি, বিক্ষোভ ও বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করেন। পাশাপাশি সাধারণ বিনিয়োগকারীরাও মানববন্ধন, বিক্ষোভ মিছিল ও সড়ক অবরোধসহ নানা কর্মসূচির মাধ্যমে কমিশনের পুনর্গঠনের দাবি জানিয়ে আসছিলেন।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

ইরানের জনগণকে বিভক্তের ষড়যন্ত্র করছে শত্রুরা: খামেনি

Published

on

By

ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল যুদ্ধে ব্যর্থ হয়ে এখন অভ্যন্তরীণ বিভাজনের বীজ বপনের লক্ষ্যে ষড়যন্ত্র করছে। শত্রুদের চক্রান্ত বিফল করতে জাতীয় ঐক্যের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের প্রতিষ্ঠাতা ইমাম খোমেনির ৩৭তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে বৃহস্পতিবার দেওয়া এক বার্তায় আয়াতুল্লাহ খামেনি এসব কথা বলেন। দক্ষিণ তেহরানে ইমাম খোমেনির সমাধিসৌধে আয়োজিত অনুষ্ঠানে লাখ লাখ মানুষ অংশগ্রহণ করেন।

লিখিত বার্তায় খামেনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন ‘দমনমূলক ব্যবস্থা’ শক্তিশালী ও স্বাধীন ইরানকে মেনে নিতে পারছে না। ইসরাইলকে সেই ব্যবস্থার একটি ‘মনগড়া ঘাঁটি’ হিসেবে বর্ণনা করেন তিনি।

খামেনি বলেন, ‘শত্রু—সামরিকভাবে ব্যর্থ ও গভীর অপমানিত হয়ে এখন হাইব্রিড যুদ্ধ চালিয়ে ক্ষতিপূরণ করতে চাইছে। তাদের প্রধান হাতিয়ার হলো সন্দেহ, হতাশা, ভয় এবং বিভাজনের বীজ বপন করা।’

তিনি আরো বলেন, যেকোনো বক্তব্য বা কর্মকাণ্ড যা জনগণের মধ্যে হতাশা, অসন্তোষ বা বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে, তা পরোক্ষভাবে শত্রুদের উদ্দেশ্যকেই সাহায্য করে।

সূত্র: আলজাজিরা

Continue Reading

top1

নেপালকে হারিয়ে সাফের ফাইনালে বাংলাদেশ

Published

on

By

আসরের আগের দুবারও শিরোপার মঞ্চে উঠেছিল বাংলাদেশ। এবার শক্ত প্রতিপক্ষ নেপাল বাধাও ডিঙিয়েছে বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। শেষ চারের লড়াইয়ে এসেছে ২-১ গোলের জয়। তাতেই টানা তৃতীয়বার নারী সাফের ফাইনালে বাংলাদেশ নারী দল।

বুধবার (৩ জুন) গোয়ার জওহরলাল নেহেরু স্টেডিয়ামে লড়াইটা জমে উঠেছিল। হাই-ভোল্টেজ ম্যাচে পিছিয়ে পড়েও প্রত্যাবর্তনের গল্প লিখেছে ঋতুপর্ণা-সাগরিকারা। ম্যাচের অন্তিম মুহূর্তে নেপালের আত্মঘাতী গোল বাংলাদেশের জয় নিশ্চিত করে।

রুদ্ধশ্বাস লড়াইয়ে নেপাল হারে ২-১ গোলে। গত দুই ফাইনালে নেপালকে তাদের মাঠে হারিয়ে শিরোপা জিতেছিল বাংলাদেশ। ৬ জুনের ফাইনালে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ হবে ভারত-ভুটান দ্বিতীয় সেমিফাইনালের জয়ী দল। 

ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে শুরু ভালো হয়নি বাংলাদেশের। সেই সুযোগে ম্যাচের ২৩ মিনিটে লিড নেয় নেপাল। পিছিয়ে পড়া বাংলাদেশ প্রথমার্ধের শেষ দিকে গোলের জন্য মরিয়া হয়ে একের পর এক আক্রমণ চালাতে থাকে। 

বিরতির বাঁশি বাজার ঠিক আগমুহূর্তে দুর্দান্ত এক গোল করেন ঋতুপর্ণা চাকমা। কর্নার কিক থেকে সরাসরি বাঁকানো শটে নেপালের জালে বল পাঠিয়ে দলকে ১-১ সমতায় ফেরান তিনি।

বিরতির পর দুই দলই জয়ের নেশায় মরিয়া হয়ে আক্রমণ চালাতে থাকে। ম্যাচের ৭৮ মিনিটে গোল করার সহজ সুযোগ পেয়েছিলেন বাংলাদেশের সাগরিকা। তবে নেপাল অধিনায়ক গোলকিপার সুব্বার ক্ষিপ্রতায় সাগরিকার শটটি ফিরে যায়।

ম্যাচের যোগ করা সময়ে ভাগ্য সহায় হয় বাংলাদেশের। শামসুন্নাহার জুনিয়রের একটি পাস ছিল সাগরিকার উদ্দেশে। সাগরিকার চাপে নেপালের রক্ষণভাগ তালগোল পাকিয়ে ফেলে এবং আত্মঘাতী গোল দিয়ে বসে। এরপর শেষের বাঁশি বাজলে ফাইনালে ওঠার আনন্দে মেতে ওঠে বাংলাদেশের মেয়েরা।

Continue Reading

top1

বেতন দ্বিগুণের পথে, নতুন পে-স্কেল নিয়ে জোর প্রস্তুতি

Published

on

By

সরকারি চাকরিজীবীদের বহুল প্রত্যাশিত নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে জোর আলোচনা চলছে। আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে নতুন বেতন কাঠামো কার্যকরের জন্য ৩০ থেকে ৩৫ হাজার কোটি টাকার সংস্থান রাখা হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

যদিও নতুন পে-স্কেল নিয়ে সরকারি পর্যায় থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি, তবে বিভিন্ন সূত্রে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে এ নিয়ে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে অনিশ্চয়তা ও উদ্বেগও রয়ে গেছে।

সরকারি কর্মচারীদের দাবি, নতুন বেতন কাঠামো সম্পর্কে এখন পর্যন্ত যে তথ্য পাওয়া যাচ্ছে, তার বেশিরভাগই গণমাধ্যমনির্ভর। অর্থ মন্ত্রণালয়, পে কমিশন কিংবা নীতিনির্ধারণী পর্যায় থেকে এখনো বিস্তারিত কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, আগামী ১ জুলাই ২০২৬ থেকে নতুন পে-স্কেল কার্যকর করার পরিকল্পনা রয়েছে। তবে দেশের অর্থনৈতিক বাস্তবতা বিবেচনায় এটি একবারে নয়, তিন ধাপে বাস্তবায়নের চিন্তা করছে সরকার।

প্রস্তাবিত পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রথম ধাপে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে মূল বেতনের একটি অংশ, সম্ভাব্য ৫০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হতে পারে। দ্বিতীয় ধাপে ২০২৭-২৮ অর্থবছরে বাকি মূল বেতন সমন্বয় করা হবে। আর তৃতীয় ধাপে ২০২৮-২৯ অর্থবছরে বাড়িভাড়া, চিকিৎসা, যাতায়াত ও অন্যান্য ভাতা নতুন কাঠামোর আওতায় আনা হবে।

নতুন পে-স্কেলে বর্তমান ২০টি গ্রেড বহাল রাখার সুপারিশ করা হয়েছে। একই সঙ্গে সর্বনিম্ন ও সর্বোচ্চ বেতনের ব্যবধান ১:৯.৪ থেকে কমিয়ে ১:৮-এ নামিয়ে আনার প্রস্তাব রয়েছে।

প্রস্তাব অনুযায়ী, ২০তম গ্রেডের সর্বনিম্ন মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা এবং ১ম গ্রেডের সর্বোচ্চ মূল বেতন ৭৮ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা করার সুপারিশ করা হয়েছে।

এছাড়া গ্রেডভেদে মূল বেতন ১০০ থেকে ১৪০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তে পারে। বিশেষ করে ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের জন্য নতুন যাতায়াত ভাতা চালুর বিষয়টিও আলোচনায় রয়েছে।

নতুন পে-স্কেলের সুবিধা শুধু চাকরিজীবীদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবে না। প্রায় ৯ লাখ পেনশনভোগীও এর সুফল পেতে পারেন। বিশেষ করে স্বল্প পেনশনপ্রাপ্তদের আর্থিক সুবিধা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

এদিকে বর্তমানে চালু থাকা ১০ শতাংশ মহার্ঘ ভাতা নতুন বেতন কাঠামোর সঙ্গে কীভাবে সমন্বয় করা হবে, সে বিষয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সচিব পর্যায়ের কমিটি কাজ করছে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়িত হলে সরকারি চাকরিজীবী, পেনশনভোগী এবং এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের আর্থিক অবস্থার উল্লেখযোগ্য উন্নতি ঘটতে পারে।

Continue Reading

Trending