Connect with us

top3

শাবিপ্রবির শিক্ষার্থীকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ছিনতাই, আটক ১

Published

on

শাবিপ্রবি প্রতিনিধি

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) এক শিক্ষার্থীকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। ছিনতাইকারীরা শিক্ষার্থীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে পালিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয়দের সহায়তায় এক ছিনতাইকারীকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে।

শনিবার (১ আগস্ট) রাত আনুমানিক ৯টার দিকে সিলেটে গোয়াবাড়ি চা-বাগান এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী মো. হাবিবুল্লাহ মেসবাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের ছাত্র।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী শনিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে গোয়াবাড়ির কুচারপাড়ায় টিউশনি করাতে যায়। রাত ৯টার দিকে টিউশন শেষে ফেরার পথে রাগীব-রাবেয়া মেডিকেল কলেজের বিদেশি (নেপালি) হোস্টেলের সামনে পৌঁছালে ৩ জন দুর্বৃত্ত অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে। পরে তারা পাশের চা-বাগানের ভেতরে নিয়ে গিয়ে সঙ্গে থাকা মোবাইল ফোন, মানিব্যাগ ও নগদ টাকা ছিনিয়ে নেয়।

পরবর্তীতে স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় একজন ছিনতাইকারীকে আটক করতে সক্ষম হয়।

এ বিষয়ে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী হাবিবুল্লাহ মেসবাহ বলেন, ‘রাত ৯টার দিকে টিউশন থেকে ফেরার পথে ৩ ছিনতাইকারী আমাকে আটক করে গোয়াবাড়ি চা বাগানে নিয়ে যায়। সেখানে অস্ত্রের মুখে আমাকে ভয় দেখিয়ে জিম্মি করে মোবাইল, মানিব্যাগ নিয়ে যায়।’

তিনি আরও জানান, ‘টাকা ও মোবাইল নেওয়ার পরও তারা আমাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। আঘাতপ্রাপ্ত অবস্থায় আমি কিছুটা সামনে এগিয়ে এসে স্থানীয় লোকজনের কাছে সাহায্য চাই। এলাকাবাসীর তাৎক্ষণিক সহায়তায় আমরা ৩ জন দুর্বৃত্তের মধ্যে ১ জনকে হাতেনাতে ধরে ফেলতে সক্ষম হই। পরবর্তীতে বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনকে জানানো হলে তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। তাদের উপস্থিতিতে আটককৃত ছিনতাইকারীকে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের কাছে হস্তান্তর করা হয়।’

মামলার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘জালালাবাদ থানায় যেয়ে মামলা করতে আগ্রহ প্রকাশ করলে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নিজে বাদী না হয়ে আমাকে বাদী হতে বলছে।’ তবে এ ঘটনায় এখনো মামলা করা হয়নি বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মোখলেছুর রহমান বলেন, ‘খবর পেয়ে আমরা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছাই। এবং আটককৃত একজনকে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় রাতেই মামলার উদ্যােগ নেওয়া হয়েছে। আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

এ বিষয়ে সিলেট জালালাবাদ থানার ওসি শামসুল হাবিব বলেন, গতকাল আমরা একজনকে আটক করে হেফাজতে নিয়ে এসেছি। আজ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের মামলা দায়ের করার কথা। আজ এসে তারা মামলা দায়ের করবে।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top3

নিষিদ্ধ ছাত্রলীগকে অর্থায়নের অভিযোগ, রতনের স্থায়ী বহিষ্কারের দাবি ববি ছাত্রদলের

Published

on

By


‎ববি প্রতিনিধি


‎বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে (ববি) নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগকে সহযোগিতা, শিক্ষার্থীদের ভয়ভীতি প্রদর্শন ও হুমকির অভিযোগে সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তদন্ত ও আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল। এ দাবিতে বরিশাল কর কমিশনার শেখ বুলবুলের কাছে স্মারকলিপি জমা দিয়েছেন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। কবিরকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের দাবিও জানানো হয়।


‎গত ১ সেপ্টেম্বর বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে ছাত্রদল সমর্থন প্রকাশ করে উপাচার্য কার্যালয়ের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করে। সেখানে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের মধ্যে থেকে বহিরাগতসহ ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা উপস্থিত শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে নানা উসকানিমূলক স্লোগান দেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।


‎সরকারি দায়িত্বে থাকা কয়েকজন ব্যক্তি নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কাছে না দেওয়ার জন্য প্রভাব ও অর্থ প্রদর্শন করেছেন। পাশাপাশি ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগও তোলা হয়েছে।

‎বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের এপি-ডিসি বা অন্য কোনো সরকারি কর্তৃপক্ষের নাম ব্যবহার করে ভয় দেখানোর অভিযোগ তদন্ত করতে হবে। একই সঙ্গে  শিক্ষার্থীদের তুলে নেওয়ার হুমকির অভিযোগও তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে।


‎অভিযোগে তিনজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তারা হলেন—মো. রতন, ইস্নপেক্টর অব ট্যকস।সুমন কুমার বর্মন  অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ের জন্য কল রেকর্ড, ডেপুটি কমিশনার অব ট্যাকস।এবং কবির, পটুয়াখালী কর কর্মকর্তা।  সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের তথ্য, প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য ও অন্যান্য প্রাসঙ্গিক নথি তদন্তের আওতায় আনার দাবি জানানো হয়েছে।


‎ববি ছাত্রদল দাবি করেছেন, মো. রতনকে কর বিভাগ, বরিশাল থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার এবং তার বিরুদ্ধে অবৈধ অর্থ সহায়তা ও দুর্নীতির অভিযোগ তদন্ত করা হোক। পাশাপাশি নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের কোনো সরকারি কর্মকর্তা অর্থ, আশ্রয়, প্রশাসনিক সহযোগিতা বা অন্য কোনো সহায়তা দিয়েছেন কি না, তা তদন্তের দাবিও জানানো হয়েছে।


‎বরিশাল কর কমিশনার শেখ বুলবুল বলেন, আমি স্মারকলিপি গ্রহণ করেছি। অভিযোগগুলো যাচাই করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Continue Reading

top3

‘দেশের প্রতিটি সন্তানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে’ ; কুবি শিক্ষক

Published

on

By

কুবি প্রতিনিধি:

“সন্তান মানুষের ভবিষ্যৎ। আর যদি সেই ভবিষ্যৎ কেড়ে নেওয়া হয়, তাহলে মানুষ বাঁচবে কী করে? আমাদের দাবি শুধু অপ্রতিমের জন্য নয়, দেশের প্রতিটি সন্তানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাতে হবে।” কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের ছেলে ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম হত্যার প্রতিবাদে আয়োজিত মানববন্ধনে এসব কথা বলেন শিক্ষক সমিতির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. শামিমা নাসরিন।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে শিক্ষক সমিতির উদ্যোগে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকরা অংশ নিয়ে অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার ও জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

বক্তব্যে অধ্যাপক ড. শামিমা নাসরিন বলেন, “অপ্রতিমের নৃশংস হত্যাকাণ্ড শুধু কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঘটনা নয়, এটি সারা দেশের মানুষের নিরাপত্তাহীনতার প্রতিচ্ছবি। যেখানে আইনশৃঙ্খলার সংকট রয়েছে, সেখানে প্রশাসনকে সবার আগে কার্যকর ভূমিকা নিতে হবে।”

তিনি বলেন, “আমরা ভাগ্যবান যে অপ্রতিমের ঘটনায় শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন একসঙ্গে দাঁড়িয়েছে। কিন্তু দেশে এমন অনেক অপ্রতিম রয়েছে, যাদের জন্য কথা বলার কেউ নেই। তারা কেবল প্রশাসনের ওপর নির্ভর করে।”

দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি আরও বলেন, “অনেক সময় আমাদের মনে হয় এই দেশ যেন আমাদের নয়। কিন্তু রাষ্ট্র যদি মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করে এবং আইনশৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনে, তাহলে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, জেলে, মজুর সবাই মিলে একটি নিরাপদ ও ন্যায়ভিত্তিক দেশ গড়ে তুলতে পারব।”

মানববন্ধনে উপস্থিত শিক্ষকরা অপ্রততিম হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং দেশের প্রতিটি নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান।

Continue Reading

top3

কুমিল্লায় অপরাধচক্র বেপরোয়া হয়ে উঠেছে: কুবি শিক্ষক

Published

on

By

কুবি প্রতিনিধি:

কুমিল্লায় ধারাবাহিক হত্যাকাণ্ড ও অপরাধ বৃদ্ধিতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের প্রভাষক আব্দুর রাজ্জাক সোহেল বলেছেন, “কুমিল্লায় অপরাধচক্র অনেক বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।” অপ্রতিম হত্যার বিচারের দাবিতে আয়োজিত মানববন্ধনে দ্রুত নিরাপত্তা জোরদার, স্থায়ী পুলিশ ফাঁড়ি ও ক্যাম্পাসজুড়ে সিসিটিভি স্থাপনের দাবি জানান তিনি।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের গোলচত্বরে কুবির বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের ছেলে ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম হত্যার প্রতিবাদে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।

মানববন্ধনে বক্তব্য দিতে গিয়ে আব্দুর রাজ্জাক সোহেল বলেন, “আমাদের সন্তান অপ্রতিম নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছে। কুমিল্লায় একের পর এক অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে। গত ছয় মাসে কুমিল্লায় ৭৩টি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে। অপ্রতিম হত্যাকাণ্ড নতুন কিছু নয়, এ ধরনের ঘটনা অহরহ ঘটছে এবং অপরাধচক্র অনেক বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।”

নিজের অপহরণের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, “কুমিল্লায় যোগদানের পর প্রকাশ্য দিবালোকে আমাকে অপহরণ করে ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয় এবং এক লাখ টাকা আদায় করা হয়। ছয় মাস পার হলেও পুলিশ মাত্র একজনকে গ্রেপ্তার করেছে। মূল চার আসামি এখনো অধরা।”

তিনি আরও বলেন, “আমরা যারা কুমিল্লায় বসবাস করছি, সবাই চরম আতঙ্কে আছি। প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি, দ্রুত নিরাপত্তা জোরদার করা হোক, যাতে ভবিষ্যতে আর কোনো সন্তানকে এভাবে জীবন দিতে না হয়।”

এ সময় তিনি বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন এলাকায় দ্রুত একটি স্থায়ী পুলিশ ফাঁড়ি স্থাপন, পুরো ক্যাম্পাসকে সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় আনা এবং সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।

মানববন্ধনে উপস্থিত শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

Continue Reading

Trending