Connect with us

ক্যাম্পাস

বেরোবিতে তরুণ কলাম লেখক ফোরামের নতুন কমিটি অনুমোদন

Published

on

বেরোবি প্রতিনিধি;

রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরামের ২০২৬-২৭ কার্যবর্ষের নতুন কমিটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। নতুন কমিটিতে সভাপতি হিসেবে ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের শিক্ষার্থী শুভ কর্মকার এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী রুশাইদ আহমেদ দায়িত্ব পেয়েছেন।

শনিবার (২৯ আগস্ট) সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এ কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়। কেন্দ্রীয় সভাপতি মো. রুহুল আমিন ও সাধারণ সম্পাদক সাইশা সুলতানা সাদিয়ার স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

নতুন কমিটিতে সহ-সভাপতি হয়েছেন শ্রাবণ রায়, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক রাকিবুল হাসান মুন্না, সাংগঠনিক সম্পাদক ভাস্কর রায়, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মাশফিকুল হাসান, অর্থ সম্পাদক খাদিজা আক্তার রিমু, দপ্তর সম্পাদক মো. রবিউল ইসলাম, উপ-দপ্তর সম্পাদক রাহেল ইসলাম শাওন এবং প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক মো. ইউনুচ রাতুল।

এ ছাড়া সাহিত্য, প্রকাশনা ও পাঠচক্র সম্পাদক হয়েছেন মো. ওমর ফারুক, প্রচার সম্পাদক মিনহাজ হোসেন, উপ-প্রচার সম্পাদক মিঠুন সরকার এবং তথ্য ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক মো. জসীম মিয়া। সম্পাদকীয় পর্ষদের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন বখতিয়ার নাসিফ আহমেদ ও সমাপ্ত সরকার। কার্যনির্বাহী সদস্য হয়েছেন ফারহানা মীম ও ফিরোজ কবির।

সংগঠন সূত্রে জানা যায়, তরুণদের লেখালেখিতে উৎসাহিত করা, লেখনী দক্ষতা বিকাশ এবং সমসাময়িক বিভিন্ন বিষয়ে চিন্তা ও মতপ্রকাশের সুযোগ তৈরির লক্ষ্য নিয়ে বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরাম কাজ করছে। বেরোবি শাখাটিও শিক্ষার্থীদের লেখালেখি ও বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চায় সম্পৃক্ত করতে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।

নতুন কমিটির সভাপতি শুভ কর্মকার বলেন, “সকলকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা। আমরা সকলে ঐক্যবদ্ধভাবে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে পরস্পরের সহযোগিতা ও প্রচেষ্টায় সংগঠনকে আরও অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে যাব, এই প্রত্যাশা ও বিশ্বাস রাখি।”

সাধারণ সম্পাদক রুশাইদ আহমেদ বলেন, “বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে শুরু থেকেই মননশীল শিক্ষার্থীদের বুদ্ধিবৃত্তিক বিকাশকে লেখালেখির মাধ্যমে ত্বরান্বিত করছে তরুণ কলাম লেখক ফোরাম, বেরোবি শাখা। আমাদের নতুন কমিটি সেই কার্যক্রমকে আরও সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে বদ্ধপরিকর।”

নতুন কমিটির দায়িত্বশীলরা জানান, দায়িত্ব নেওয়ার পর সংগঠনের নিয়মিত কার্যক্রম আরও গতিশীল করার পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের লেখালেখির সঙ্গে সম্পৃক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। এ ছাড়া পাঠচক্র, সাহিত্য ভিত্তিক আয়োজন ও প্রশিক্ষণ মূলক কার্যক্রমের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা ও বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চার সুযোগ বাড়ানোর পরিকল্পনা রয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নতুন কমিটির মাধ্যমে ক্যাম্পাসে তরুণদের লেখালেখি ও পাঠচর্চার পরিসর আরও বিস্তৃত করার পাশাপাশি সমসাময়িক বিভিন্ন বিষয়ে যুক্তি নির্ভর চিন্তা ও মত প্রকাশের সুযোগ তৈরি হবে।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ তরুণ কলাম লেখক ফোরাম তরুণ লেখকদের লেখালেখিতে উৎসাহিত করা এবং তাদের লেখনী দক্ষতা বিকাশে কাজ করে আসছে। এর ধারাবাহিকতায় বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় শাখাও ক্যাম্পাসে লেখালেখি ও মননশীল চর্চার পরিবেশ তৈরিতে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ক্যাম্পাস

ইবিতে রংপুর জেলা ছাত্র কল্যাণ সমিতির নবীন বরণ ও প্রবীণ বিদায় অনুষ্ঠান

Published

on

By

ইবি প্রতিনিধি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) অধ্যয়নরত রংপুর জেলার শিক্ষার্থীদের স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ‘রংপুর জেলা ছাত্রকল্যাণ সমিতি’র নবীন বরণ ও প্রবীণ বিদায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৯ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের ইবনে সিনা বিজ্ঞান ভবনের ১০২ নম্বর কক্ষে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

সংগঠনের সভাপতি মোবাশ্বের রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন রুকনুজ্জামান হুমাঈদী ও মারযিয়া ইসলাম তাসফিয়া। অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক আরমিন খাতুন, ফোকলোর অ্যান্ড সোশ্যাল স্টাডিজ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. আবু শিবলী মো. ফাতেহ আলী চৌধুরী এবং এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স অ্যান্ড জিওগ্রাফি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ইনজামুল হক। এছাড়া সংগঠনের অ্যালামনাই ও আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংকের কর্মকর্তা গোলাম কিবরিয়া ও সাবেক সভাপতি মশিউর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে নবীন শিক্ষার্থীদের ফুল, ক্রেস্ট, চাবির রিং, কলম ও ক্যালেন্ডার দিয়ে বরণ করে নেওয়া হয়। পাশাপাশি প্রবীণ শিক্ষার্থীদের ক্রেস্ট, চাবির রিং, কলম, ক্যালেন্ডার ও সার্টিফিকেট দিয়ে সম্মাননা জানানো হয়।

অনুষ্ঠান চলাকালে গত ২১ আগস্ট রংপুরের মাছুয়া পাড়ায় নির্মমভাবে হত্যাকাণ্ডের শিকার গণপতি পরিবারের জন্য বিচার চাওয়া হয় এবং এক মিনিট দাঁড়িয়ে নিরবতা পালন করা হয়। 

অনুষ্ঠানে অতিথিরা নবীন শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন। পরে প্রবীণ শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয় জীবনের বিভিন্ন স্মৃতিচারণ করেন এবং নবীন শিক্ষার্থীরা সংগঠন ও বিশ্ববিদ্যালয় জীবন নিয়ে নিজেদের প্রত্যাশার কথা ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানের শেষে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে সংগঠনের সদস্যরা বিভিন্ন পরিবেশনায় অংশ নেন।এ

Continue Reading

ক্যাম্পাস

প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় চরের স্কুলে বেরোবি রোভার স্কাউটের বৃক্ষরোপণ ও বৃক্ষবিতরণ আয়োজন‎

Published

on

By

বেরোবি প্রতিনিধি

‎প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় রোভার স্কাউট গ্রুপের উদ্যোগে  “বৃক্ষরোপণ ও বৃক্ষ বিতরণ কর্মসূচি-২০২৬” অনুষ্ঠিত হয়েছে।

‎২৮ আগস্ট  শুক্রবার  লালমনিরহাটের চর ফলিমারীর স্মৃতি রায় ক্রিস্টাইল স্কাউট প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এটি অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত কর্মসূচিতে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
অনুষ্ঠানের শুরুতে শিক্ষক ও রোভার স্কাউটের সভাপতি ও সিনিয়র রোভারমেট সহ পরিবেশ রক্ষায় গাছ লাগানোর গুরুত্ব ও শিক্ষার্থীদের অনুপ্রেরণাদায়ক কথা বলেন।

‎শিক্ষার্থীরা জানায়,গাছ আমাদের অক্সিজেন দেয়। একটি গাছ রোধন হলে গাছ আরও লাগাবো।আমরা চাই ভাইয়াদের মতো বড় হতে। এলাকার দরিদ্রদের পাশে দাঁড়াতে চাই।

‎সিনিয়র রোভারমেট বিক্রম কুমার সিং বলেন,আপনারা জানেন আমরা অক্সিজেন গাছ থেকে পাই। গাছে কিন্তু পৃথিবী প্রাণ।আমরা গ্রামে বা শহরে একটি গাছ কাটলে নতুন করে রোপণ করিনা।নিয়ম হচ্ছে তিনটি গাছ রোপণ করা।আপনারা দেখবেন বাংলাদেশে হঠাৎ করে জলবায়ু পরিবর্তন হচ্ছে। আবহাওয়া অনুযায়ী যেটা ঘটার কথা সেটা ঘটছে না।

‎রোভার স্কাউটের বেরোবির সভাপতি আবু সুফিয়ান বলেন,  বিশ্ববিদ্যালয় যারা পড়াশোনা করে তারা নানা প্রতিকূলতা পরিবেশের উপেক্ষা করে ।আমরা তাদেরকে নিয়ে এসেছি আপনাদের সাথে সম্পৃক্ততা অর্জন করার জন্য। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যে বৃক্ষরোপণ সপ্তাহ উদযাপন করার লক্ষ্যে আমরা এখানে এসেছি।আমরা এসেছি আপনাদেরকে পরিবেশ সম্পর্কে সচেতন করার জন্য।

‎তিনি আরো বলেন, একটা সময় যখন বিদ্যুৎ ছিল না তখন কি মানুষ বেঁচে ছিল না। এখন দুই ঘন্টা কারেন্ট না থাকায় মানুষের কি অবস্থা হচ্ছে। আপনারা যে চরাঞ্চলে প্রতিকূল পরিবেশের মধ্যে খাপ খেয়ে নিয়েছেন।আপনারা সে সম্পর্কে অবহিত হবেনই পাশাপাশি আমরা আসছি সচেতনতামুলক কার্যক্রম করতে।

‎সাবেক সিনিয়র রোভার মেট সাইফুদ্দিন নূরী বলেন,স্যাররা ও ম্যামরা যে স্বপ্ন নিয়ে তোমাদের কাছে আসেন। তোমরা যেন মানুষ হয়েই গড়তে পারো।


‎শিক্ষার্থীর উদ্দোশ্য বলেন,তোমরা বললা  ডাক্তার হবে ইঞ্জিনিয়ার হবা। এটার জন্য তোমাদের চেষ্টা করতে হবে।

‎স্কুলটির প্রধান শিক্ষক তাসলিমা খাতুন জানান,প্রধানমন্ত্রী নির্দেশনা অনুযায়ী যে বেগম রোকেয়া  বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কাউট এসেছে। তাদেরকে আন্তরিক ধন্যবাদ। তিনি আরও বলেন,গাছ লাগান,পরিবেশ বাঁচান।
‎উল্লেখ্য বক্তব্যের পরবতীতে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মাঝে বৃক্ষবিতরণ ওই স্কুল প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপন করা হয় । এছাড়াও বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের রোববারে স্কাউটরা তাদের সাথে খেলাধুলায় অংশগ্রহণও করেন।।

Continue Reading

top3

ইবি দুই শিক্ষার্থীকে গুম করার প্রতিবাদে শাখা শিবিরের বিক্ষোভ মিছিল

Published

on

By

ইবি প্রতিনিধি

১৪ বছর ধরে নিখোঁজ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শিক্ষার্থী ওয়ালিউল্লাহ ও আল-মুকাদ্দাসের সন্ধান এবং গুমের সাথে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ-মিছিল করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবির ।

রোববার (৩০ আগস্ট) দুপুর দেড়টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের থিওলজি অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ অনুষদ ভবনের সামনে থেকে মিছিলটি শুরু হয়ে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হয়। সমাবেশে বিশ্ববিদ্যালয় ও কুষ্টিয়া জেলা শাখার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীসহ বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।

এ সময়, ‘আমার ভাই গুম হয়, প্রশাসন কি করে’; ‘ইসলামী ছাত্রশিবির, জিন্দাবাদ জিন্দাবাদ’; ‘সন্ত্রাসীদের ঠিকানা, এই ক্যাম্পাসে হবে না’; ‘আওয়ামীলীগের কালো হাত, ভেঙে দাও গুড়িয়ে দাও’; ‘অলি ভাই গুম হয়, প্রশাসন জবাব চাই’ ইত্যাদি স্লোগান দিতে দেখা যায়।

ছাত্রশিবিরের নেতারা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সময়ে গঠিত ‘ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি’র স্থবিরতা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেন এবং আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে তদন্তের অগ্রগতি ও দৃশ্যমান পদক্ষেপ গ্রহণের জোর দাবি জানান।

এসময় বর্তমান সরকারের প্রশাসনকে উদ্দেশ্য করে কুষ্টিয়া জেলা শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি ইমরান বলেন, অবিলম্বে একটি নিরপেক্ষ তদন্ত কমিশন গঠন করে গুম হওয়া সকলের অবস্থান স্পষ্ট করতে হবে এবং এই অপরাধের সাথে জড়িতদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে। অন্যথায় সাধারণ জনগণকে সাথে নিয়ে ছাত্রশিবির কঠোর আন্দোলন গড়ে তুলতে বাধ্য হবে।

সমাবেশে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবির সভাপতি ইউসুফ আলী বলেন, ২০১২ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি ঢাকা থেকে ক্যাম্পাসে ফেরার পথে শিবিরের দুই মেধাবী শিক্ষার্থীকে গুম করা হয়। দীর্ঘ ১৪ বছর ধরে পরিবার ও সংগঠনের পক্ষ থেকে বারবার যোগাযোগ করা হলেও বিগত স্বৈরাচারী সরকার বা প্রশাসন থেকে কোনো সুনির্দিষ্ট জবাব পাওয়া যায়নি। আগামী ৭ দিনের মধ্যে যদি তদন্ত কমিটির তৎপরতা দেখতে না পায় তাহলে তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলা হবে। কেউ যদি হাসিনার মত ফ্যাসিস্ট হতে চায় তাহলে তার পরিণতি হাসিনার থেকেও ভয়াবহ হবে। আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের উপর আস্থা রাখতে চাই। সমাবেশ শেষে উপাচার্যের সাথে সাক্ষাৎ করবো এবং আমাদের কনসার্ন জানাবো।

Continue Reading

Trending