Connect with us

ক্যাম্পাস

৩৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে কুবি ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি

Published

on


কুবি প্রতিনিধি

৩৫ বছরের পথচলায় নৈতিক ও আদর্শবান প্রজন্ম গড়ে তোলার প্রত্যয় নিয়ে বেলুন উড্ডয়ন ও বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করেছে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (কুবি) শাখা।

শনিবার (২৯ আগস্ট) বিকেল ৪টায় সংগঠনটির কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এতে সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।

জানা যায়, কর্মসূচির শুরুতে ‘৩৫’ সংখ্যাখচিত বেলুন উড্ডয়নের মাধ্যমে সংগঠনটির ৩৫ বছরের পথচলা উদযাপন করা হয়। পরে ক্যাম্পাসের পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা ও সবুজায়নের লক্ষ্যে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি পালন করা হয়। এ সময় পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং সবুজ ও বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তুলতে বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব তুলে ধরেন সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

কুবি শাখার সাধারণ সম্পাদক গাজী শাওন বলেন, “ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ সর্বদা শিক্ষার্থীদের কল্যাণে কাজ করে। গত ৩৫ বছর ধরে সংগঠনটি শিক্ষার্থীদের নৈতিকতা, আদর্শ, মানবিক মূল্যবোধ ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করার পাশাপাশি সমাজ ও রাষ্ট্রের কল্যাণে কাজ করে আসছে। একটি নৈতিক ও আদর্শবান প্রজন্ম গড়ে তোলার প্রত্যয়ে সংগঠনের এই পথচলা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।”

সংগঠনটির কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি আফসার উদ্দিন ইফতি বলেন, “ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে বাংলাদেশের বিভিন্ন ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের নৈতিক ও চারিত্রিক অবক্ষয় থেকে রক্ষা করে আলোর দিশা দেখানোর চেষ্টা করে যাচ্ছে। শিক্ষার্থীদের জন্য একটি সুস্থ ও নৈতিকতাসম্পন্ন প্ল্যাটফর্ম তৈরি করেছে এবং তাদের অধিকার আদায়ে রাজপথে সংগ্রাম করেছে।”

তিনি আরও বলেন, “জুলাই আন্দোলনেও ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশের নেতৃবৃন্দ সামনের সারিতে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। ৩৫ বছরের পথচলায় শিক্ষার্থীদের অধিকার ক্ষুণ্ন হয় এমন কোনো কর্মকাণ্ডের সঙ্গে ইসলামী ছাত্র আন্দোলন বাংলাদেশ জড়িত ছিল না। বরং এই গৌরবময় পথচলায় মুসলিম উম্মাহকে নেতৃত্ব দেওয়ার উপযোগী অসংখ্য সৎ, যোগ্য, মেধাবী ও নৈতিকতাসম্পন্ন নেতৃত্ব তৈরি হয়েছে।”

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ক্যাম্পাস

প্রকৌশলী অধিকার দিবসে বেরোবিতে মোমবাতি প্রজ্বলন ও মৌন মিছিল

Published

on

By

বেরোবি প্রতিনিধি

প্রকৌশলীদের ন্যায্য অধিকার, মর্যাদা ও পেশাগত স্বীকৃতির দাবিতে ‘প্রকৌশলী অধিকার দিবস’ উপলক্ষে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) মোমবাতি প্রজ্বলন ও মৌন মিছিল করেছেন ইইই বিভাগের শিক্ষার্থীরা।

বুধবার (২৭ আগস্ট) সন্ধ্যা ৭টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বাধীনতা স্মারকে প্রাঙ্গণে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

এতে প্রকৌশল বিভাগের শিক্ষার্থীদের অধিকার আদায়ের আন্দোলনে সংহতি প্রকাশ এবং আন্দোলনে আহত শিক্ষার্থীদের স্মরণ করে তারা।

আয়োজকরা জানান, গত ২৭ আগস্ট প্রকৌশল শিক্ষার্থীদের ঘোষিত ‘লং মার্চ টু ঢাকা’ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে ঢাকায় পুলিশের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এতে বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী আহত হন। ওই ঘটনার স্মরণে এবং প্রকৌশলীদের অধিকার আদায়ের দাবিকে সামনে রেখে দিনটিকে ‘প্রকৌশলী অধিকার দিবস’ হিসেবে পালন করা হচ্ছে।

কর্মসূচিতে ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী রাফি বলেন, “আমরা প্রকৌশলীদের ন্যায্য অধিকার, মর্যাদা ও পেশাগত স্বীকৃতির দাবিকে আরও শক্তিশালী করতে এখানে এসেছি। একই সঙ্গে ঢাকার লং মার্চ কর্মসূচিতে আহত আমাদের সহযোদ্ধাদের স্মরণ ও তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতেই আজকের এই কর্মসূচি।”

তিনি আরও বলেন, “ প্রকৌশলী শুধু একটি পদবি নন; একজন প্রকৌশলী দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির অন্যতম কারিগর। বিদ্যুৎ, যোগাযোগ, শিল্প ও অবকাঠামো, তথ্যপ্রযুক্তি, পানি ও জ্বালানিসহ প্রায় প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ খাতে প্রকৌশলীদের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছে। তাই প্রকৌশলীদের ন্যায্য অধিকার ও মর্যাদার দাবিকে উপেক্ষা করা কোনোভাবেই কাম্য নয়। আমাদের আন্দোলন কারও বিরুদ্ধে নয়, আমাদের আন্দোলন বৈষম্যের বিরুদ্ধে।”

রাফি আরও বলেন, “আমরা বিশ্বাস করি, ঐক্যবদ্ধ থেকে যৌক্তিক ও শান্তিপূর্ণভাবে দাবি তুলে ধরলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রকৌশলীদের দাবিগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে।”

একই বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ওয়াহিদুর রহমান বলেন, “গত বছর ডিপ্লোমা সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে সারা দেশের প্রকৌশল শিক্ষার্থীরা আন্দোলন শুরু করেন। এর ধারাবাহিকতায় ২৭ আগস্ট ঢাকায় লং মার্চ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। ওই কর্মসূচিতে পুলিশ হামলা চালায় এবং আমাদের অনেক সহযোদ্ধা আহত হন। তাঁদের স্মরণে আমরা আজকের দিনটিকে প্রকৌশলী অধিকার দিবস হিসেবে পালন করছি এবং মৌন মিছিলের আয়োজন করেছি।”

তিনি আরও বলেন, “ডিপ্লোমা টেকনিশিয়ানদের অবৈধ পদোন্নতির কারণে প্রকৌশল খাতে নানা সমস্যা তৈরি হয়েছে বলে আমরা মনে করি। প্রয়োজনীয় উচ্চতর ডিগ্রি ও যোগ্যতা না থাকা সত্ত্বেও পদোন্নতির মাধ্যমে তাঁরা প্রকৌশলীদের বিভিন্ন পদ দখল করে রেখেছেন। এর ফলে প্রকৃত প্রকৌশলীরা তাঁদের যোগ্য পদে কাজ করার সুযোগ থেকে বাধাগ্রস্ত হচ্ছেন।”

ওয়াহিদুর রহমান আরও বলেন, “একটি দেশের সমৃদ্ধি ও প্রযুক্তিগত উন্নয়নের জন্য দক্ষ ও স্বচ্ছ প্রকৌশল খাত প্রয়োজন। তাই এ খাতকে অনিয়ম ও দুর্নীতিমুক্ত করার দাবিতে আমাদের প্রতিবাদ কর্মসূচি চলমান রয়েছে এবং থাকবে।”

ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মাহিন তাসদীদ বলেন, “আমরা যেটিকে প্রকৌশলী সেক্টর বলি, সেখানে যারা বিএসসি পাস করে প্রকৌশলী হিসেবে কাজ করছেন, তাঁদের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবিতেই আমরা ২৭ আগস্ট যমুনার মুখে আন্দোলন করতে চেয়েছিলাম। সেই আন্দোলনে অনেক শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। সেই প্রেক্ষাপটে নিজেদের অধিকার আদায়ের জন্য আমরা পরিশ্রম করছি ও আন্দোলন করছি।”

তিনি বলেন, “এবারই আমরা প্রথমবারের মতো ২৭ আগস্টকে প্রকৌশলী অধিকার দিবস হিসেবে পালন করছি। আন্দোলনের সময়ের হামলার একটি ছবি প্রকাশিত হয়েছে, যেটিকে সরকার এআই-নির্মিত ছবি বলে দাবি করেছে। পাশাপাশি প্রতিবাদ করতে গিয়ে আমাদের অনেক সহযোদ্ধা আহত হয়েছেন এবং বুয়েটের শিক্ষার্থীরাও রক্তাক্ত হয়েছেন।”

মাহিন আরও বলেন, “এসব ঘটনার প্রতিবাদ এবং প্রকৌশলীদের ন্যায্য অধিকার আদায়ের দাবিতে আমরা আজকের দিনটিকে প্রকৌশলী অধিকার দিবস হিসেবে পালন করছি। আমাদের মূল আন্দোলন ঢাকাকেন্দ্রিকভাবে চলমান রয়েছে।”

Continue Reading

ক্যাম্পাস

ইবির নতুন রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. আতিকুর রহমান

Published

on

By

ইবি প্রতিনিধি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) নতুন রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ব্যবস্থাপনা বিভাগের অধ্যাপক ড. আতিকুর রহমান। আজ শনিবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. একেএম মতিনুর রহমান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এই নিয়োগ দেওয়া হয়।

অফিস আদেশে বলা হয়, পূর্ববর্তী রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. মনজুরুল হকের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তাকে ২৯ আগস্ট তারিখ পূর্বাহ্ন হতে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে আজ থেকেই পুনরাদেশ না দেওয়া পর্যন্ত ব্যবস্থাপনা বিভাগের অধ্যাপক ড. আতিকুর রহমানকে এই পদে নিয়োগ দেওয়া হলো। তিনি বিধি মোতাবেক এই পদের সব সুবিধা প্রাপ্ত হবেন।

গত বছরের ৫ মার্চ ইবির ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার হিসেবে নিয়োগ পেয়েছিলেন ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মনজুরুল হক। তাঁর আবেদনের প্রেক্ষিতে আজ থেকে অধ্যাপক ড. আতিকুর রহমানকে দায়িত্ব দেন প্রশাসন।

Continue Reading

ক্যাম্পাস

প্রবাসে চারতলা থেকে পড়ে গুরুতর আহত রাবি শিক্ষার্থীর বাবা, চিকিৎসায় সহায়তার আবেদন

Published

on

By

রাবি প্রতিনিধি:

সংযুক্ত আরব আমিরাতে কর্মস্থলে দুর্ঘটনায় প্রায় চারতলা সমান উচ্চতা থেকে নিচে পড়ে গুরুতর আহত হয়েছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীর বাবা। তাঁর ডান পায়ের গোড়ালির হাড় চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে যাওয়াসহ শরীরে অভ্যন্তরীণ আঘাত রয়েছে। জরুরি অস্ত্রোপচারের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ সংগ্রহে মানবিক সহযোগিতার আবেদন জানিয়েছেন ওই শিক্ষার্থী।

আহত ব্যক্তির নাম মো. মানিক মিয়া। তিনি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের ২০২২–২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মো. মিনহাজ হোসেন মুন্নার বাবা। দীর্ঘদিন ধরে সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজাহ অঙ্গরাজ্যের কালবায় কর্মরত রয়েছেন তিনি।

মো. মিনহাজ হোসেন মুন্নার এক ফেসবুক পোস্ট থেকে জানা গেছে, গত ২২ আগস্ট কর্মস্থলে রঙের কাজ করার সময় একটি দুর্ঘটনায় রঙের ড্রাম পড়ে কাঠামো ভেঙে গেলে প্রায় চারতলা উঁচু স্থান থেকে নিচে পড়ে যান মানিক মিয়া। এতে তিনি গুরুতর আহত হন।

হাসপাতালের সিটি স্ক্যান ও মেডিকেল রিপোর্ট অনুযায়ী, তাঁর ডান পায়ের গোড়ালির হাড় ভেঙে চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে গেছে। চিকিৎসা পরিভাষায় এটি ‘কমিনিউটেড ডিসপ্লেসড ক্যালকেনিয়াস ফ্র্যাকচার’। এ ছাড়া শরীরে অভ্যন্তরীণ আঘাতও রয়েছে। চিকিৎসকেরা দ্রুত ‘ইন্টারনাল ফিক্সেশন সার্জারি’ করার পরামর্শ দিয়েছেন।

বর্তমানে যে হাসপাতালে তাঁর চিকিৎসা চলছে, সেটি তাঁর বীমা কোম্পানি ‘আল সাগর ইন্স্যুরেন্স’-এর আওতাভুক্ত নয়। সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসার চেষ্টা করা হলেও প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসহায়তা পাওয়া যাচ্ছে না। ফলে জরুরি অস্ত্রোপচারের খরচ বহন নিয়ে বিপাকে পড়েছে পরিবারটি।

মিনহাজ হোসেন মুন্না লেখেন, তাঁর বাবা পরিবারের প্রধান উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। দীর্ঘদিন প্রবাসে থেকে তিনি মিনহাজ ও তাঁর ছোট ভাইয়ের পড়াশোনাসহ পুরো পরিবারের ভরণপোষণের দায়িত্ব পালন করে আসছেন। দুর্ঘটনার পর চিকিৎসার ব্যয় মেটানো পরিবারের পক্ষে কঠিন হয়ে পড়েছে।

তিনি আরও লেখেন, “আব্বুর পায়ে জরুরি অস্ত্রোপচার প্রয়োজন। কিন্তু চিকিৎসার বিপুল খরচ আমাদের পরিবারের পক্ষে বহন করা সম্ভব হচ্ছে না। তাই আব্বুর চিকিৎসার জন্য সবার কাছে মানবিক সহযোগিতা চাই।”

যোগাযোগ: 01923593153

সহায়তা পাঠানোর মাধ্যম: [বিকাশ/নগদ :01516510106

BANK NAME :ISLAMI BANK

ব্যাংক হিসাব: MD MINHAJ HOSSAIN MUNNA 

ACCOUNT : 20501136701127116

Continue Reading

Trending