Connect with us

ক্যাম্পাস

রাবি শিক্ষার্থীদের জন্য অত্যাধুনিক নতুন দুটি অ্যাম্বুলেন্স দিল প্রশাসন

Published

on

রাবি প্রতিনিধি

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শিক্ষার্থীদের চিকিৎসা সেবার জন্য অত্যাধুনিক নতুন দুটি অ্যাম্বুলেন্স যুক্ত করেছে বিশবিদ্যালয় প্রশাসন ।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক মো. ফরিদুল ইসলাম অ্যাম্বুলেন্স দুটি উদ্বোধন করেন। উদ্বোধন শেষে উপাচার্য অ্যাম্বুলেন্সের চাবি বিশ্ববিদ্যালয়ের চিকিৎসা কেন্দ্রের প্রধান মাফরুহা সিদ্দিকা লিপির কাছে হস্তান্তর করেন।

অ্যাম্বুলেন্স দুটি উদ্বোধন করে উপাচার্য তাঁর মন্তব্যে বলেন, এর মাধ্যমে রাবিতে জরুরি পরিস্থিতিতে রোগীদের আনা-নেওয়া ও চিকিৎসা সেবা প্রদান আরও গতিশীল হলো। নতুন এই অ্যাম্বুলেন্স দুটিতে অক্সিজেন সরবরাহসহ জরুরি চিকিৎসা প্রদানের ব্যবস্থা আছে যা শিক্ষার্থীদের জরুরি মুহূর্তে ভোগান্তি দূর করবে।

উপাচার্য আরও বলেন, শিক্ষার্থীদের জরুরি পরিস্থিতিতে আমরা অনেক বেশি রামেক হাসপাতালের আইসিইউ এর উপর নির্ভরশীল। সেক্ষেত্রে রাবি চিকিৎসা কেন্দ্রের সেবার অধিকতর উন্নয়নের জন্য আরও কিছু পরিকল্পনা, যেমন জরুরি চিকিৎসা সুবিধা বাড়ানো, প্রয়োজনীয় ঔষুধের সরবরাহ, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকসহ দক্ষ টেকনিশিয়ান ও নার্স নিয়োগের কথা জানান। এছাড়া রাবি চিকিৎসা কেন্দ্রে আইসিইউ সুবিধা চালুর সম্ভাব্যতা যাচাই করা হচ্ছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

চিকিৎসা কেন্দ্রের প্রধান মাফরুহা সিদ্দিকা লিপি বলেন, আমাদের মেডিকেল সেন্টারে অনেক অনেক সমস্যা। এই মুহুর্তে এম্বুলেন্সটি তৃষ্ণার্ত পথিকের নিকট একগ্লাস পানির মতো হয়ে আসলো। আমি এই মুহুর্তে অনেক খুশি। আশা করি প্রশাসন আমাদের লোকনল দিয়ে সবকাজে সাহায্য করবে।

উদ্বোধনকালে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) প্রফেসর মো. আব্দুল আলিম ও উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) প্রফেসর মামুনুর রশীদ। এছাড়া ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার এ এইচ এম আসলাম হোসেন, ছাত্র-উপদেষ্টা প্রফেসর এ এইচ এম খুরশীদ আলম, জনসংযোগ দপ্তরের প্রশাসক প্রফেসর এস এম কামরুজ্জামানসহ সংশ্লিষ্ট অন্যরাও উপস্থিত ছিলেন।

নেহাল রাফি
১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
০১৮২৯৩৩৬৪১৬

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ক্যাম্পাস

ইবিস্থ চট্টগ্রাম জেলা ছাত্রকল্যাণ সমিতির নেতৃত্বে মহিম-আদিল

Published

on

By

ইবি প্রতিনিধি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) চট্টগ্রাম থেকে আগত শিক্ষার্থীদের সংগঠন ‘চট্টগ্রাম জেলা ছাত্রকল্যাণ সমিতি’র ২০২৬-২৭ সেশনের আংশিক কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে সভাপতি হিসেবে বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মোস্তাফিজুর রহমান মহিম ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের একই শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আদিল মুহাম্মদ তাছিফ মনোনীত হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) উপদেষ্টার স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়।

এছাড়াও আংশিক কমিটিতে সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে হান্নান আকিব, অর্থ সম্পাদক সম্রাট জিসান, অফিস সম্পাদক মিনহাজুর রহমান, ক্রীড়া সম্পাদক আবু বকর ও ছাত্রকল্যাণ সম্পাদক ইকরাম রিশাদ মনোনীত হয়েছেন।

সাধারণ সম্পাদক আদিল মুহাম্মদ তাছিফ বলেন, “এই দায়িত্ব আমার জন্য যেমন আনন্দের, তেমনি একটি বড় আমানত । চট্টগ্রাম থেকে আগত শিক্ষার্থীদের কল্যাণে ঐক্য, সহযোগিতা ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন আরও দৃঢ় করতে আন্তরিকভাবে কাজ করে যেতে চাই।”

সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান মহিম তার অনুভূতি প্রকাশ করে বলেন, “এই দায়িত্বকে আমি সম্মানের পাশাপাশি একটি গুরুত্বপূর্ণ আমানত হিসেবে দেখছি। চট্টগ্রাম থেকে আগত সকল শিক্ষার্থীর পারস্পরিক সহযোগিতা, ঐক্য ও কল্যাণে কাজ করাই হবে আমার প্রধান লক্ষ্য। সকলের মতামত ও সহযোগিতা নিয়ে সমিতিকে আরও সুসংগঠিত, কার্যকর ও শিক্ষার্থীবান্ধব সংগঠন হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। এ দায়িত্ব পালনে সবার দোয়া, সহযোগিতা ও পরামর্শ কামনা করছি।”

Continue Reading

top3

শাকসু বন্ধ করে ‘উপাচার্য’ হয়েছেন, এবার শাকসু নির্বাচন দিন

Published

on

By

শাবিপ্রবি প্রতিনিধি

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) নির্বাচন দ্রুত আয়োজনের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের
সামনে থেকে মিছিলটি শুরু হয়। মিছিলটি অ্যাকাডেমিক ভবন ‘ই’ প্রদক্ষিণ করে প্রশাসনিক ভবনের সামনে গিয়ে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হয়।

সমাবেশে ছাত্রশক্তির সদস্য সচিব রিয়াজ রিমন বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের প্রতিনিধি থাকলেও শিক্ষার্থীদের কোন প্রতিনিধি নাই। শিক্ষার্থীদের সমস্যা নিয়ে কথা বলার মানুষ নেই। তাই প্রশাসনকে উদ্যোগ নিয়ে শিক্ষার্থীদের প্রতিনিধি ঠিক করতে হবে।

তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে উদ্দেশ্য করে বলেন, বিগত সময়ে আপনি সংবাদ সম্মেলন করে বলেছিলেন যদি শাকসু নির্বাচন হয় জাতীয়তাবাদী শিক্ষকরা কোন সহযোগীতা করবে না। তার বিনিময়ে তারেক রহমান সরকার আপনাকে শাবিপ্রবির উপাচার্য বানিয়েছেন। আপনি আপনার পুরস্কার পেয়েছেন। এখন আপনি শিক্ষার্থীদের শাকসু নির্বাচন দিয়ে দিন।

ছাত্রশিবিরের অর্থ সম্পাদক শাকিল মাহমুদ বলেন, ‘বিএনপি ও ছাত্রদলের ষড়যন্ত্রের কারণেই শাকসু নির্বাচনের একদিন আগে নির্বাচন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। এটা আমাদের সকলের কাছে পানির মতো পরিষ্কার।’

উপাচার্যেকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, ‘আপনার রাজনৈতিক পরিচয় থাকতে পারে। কিন্তু আপনি যখন উপাচার্যের দায়িত্বে আছেন, তখন আপনি ৯ হাজার শিক্ষার্থীর উপাচার্য। রাজনৈতিক পরিচয় এক পাশে রেখে শিক্ষার্থীদের অধিকার রক্ষা করাই আপনার প্রধান দায়িত্ব।’

এ সময় প্রশাসনকে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে তিনি বলেন, ‘রবিবারের মধ্যে রোডম্যাপ ঘোষণা না করলে আপনাকে অতীত স্মরণ করিয়ে দিতে চাই। শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবির কারণে অতীতে বিশ্ববিদ্যালয় মাসের পর মাস বন্ধ ছিল। আপনারা যদি শিক্ষার্থীদের দাবিকে উপেক্ষা করেন এবং আমাদের সঙ্গে বসে রোডম্যাপ ঘোষণা না করেন, তাহলে আবারও সেই পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।’
জাতীয় ছাত্রশক্তির আহ্বায়ক আবরার রাশিদ বলেন, একটি রাজনৈতিক দল এবং একই সঙ্গে প্রশাসনের যোগসাজশে যেভাবে শাকসু বন্ধ হয়েছে এবং বর্তমান পর্যায়ে যেখানে নতুন প্রশাসন এসে সেটাকে পুনরুদ্ধার ও সুন্দরভাবে পরিচালনা করার কথা, কিন্তু একই প্রশাসন বর্তমান প্রশাসনও সেই আগের প্রশাসনের সঙ্গে যেভাবে হাঁটছে, এর ফল আমরা খুব একটা সুখকর মনে করছি না।

তিনি আরো বলেন, আমরা কিন্তু জুলাই থেকে উঠে আসা মানুষ। আমরা চাই, এই প্রশাসন, এই সরকার আমাদের শিক্ষার্থীদের স্পিডটা বুঝুক। যদি শিক্ষার্থীদের স্পিড বুঝতে ব্যর্থ হয়, যদি শিক্ষার্থীদের চাওয়া-পাওয়া বুঝতে এই সরকার ও প্রশাসন ব্যর্থ হয়, তবে এর পরিণাম খুব একটা সুখকর হবে বলে আমরা মনে করি না।

Continue Reading

ক্যাম্পাস

‘সুদূরপ্রসারী ভাবনা’ থেকে জ্যেষ্ঠ খেলোয়াড় বাদ, সিট পেল প্রাধ্যক্ষের বিভাগের নবীনরা

Published

on

By

রাবি প্রতিনিধি

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) বিজয়-২৪ হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ফুটবল দলের জ্যেষ্ঠ খেলোয়াড়দের বাদ দিয়ে প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের খেলোয়াড় কোটায় সিট বরাদ্দ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। তাদের মধ্যে দুজনই হল প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক জামিরুল ইসলামের নিজ বিভাগ সমাজকর্মের শিক্ষার্থী। এ নিয়ে স্বজনপ্রীতির অভিযোগ তুলেছেন বঞ্চিত শিক্ষার্থীরা। তবে প্রাধ্যক্ষের দাবি, হলের খেলাধুলার মান বাড়াতে ‘সুদূরপ্রসারী চিন্তাভাবনা’ থেকেই নবীনদের অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।

হল সূত্রে জানা যায়, গত ৭ সেপ্টেম্বর প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক জামিরুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক নোটিশে খেলোয়াড় কোটায় চারজন শিক্ষার্থীকে সিট বরাদ্দ দেওয়া হয়। তাদের একজন ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের এবং অন্য তিনজন ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের নবীন। নবীন তিনজনের মধ্যে দুজন সমাজকর্ম ও একজন দর্শন বিভাগের শিক্ষার্থী।

প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক জামিরুল ইসলাম সমাজকর্ম বিভাগের শিক্ষক হওয়ায় তার বিভাগের দুই নবীনকে খেলোয়াড় কোটায় সিট দেওয়াকে কেন্দ্র করে স্বজনপ্রীতির অভিযোগ তুলেছেন বঞ্চিত শিক্ষার্থীরা।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলোতে সিট বরাদ্দের ক্ষেত্রে নির্ধারিত নীতিমালা অনুসরণ করা হয়। ২০২৬ সালের এপ্রিলের নীতিমালা অনুযায়ী, স্নাতকের দ্বিতীয় থেকে চতুর্থ বর্ষ এবং স্নাতকোত্তরের শিক্ষার্থীরা আবাসিকতার জন্য আবেদন করতে পারেন। আসনের তুলনায় আবেদনকারী বেশি হলে একাডেমিক ফলাফলের পাশাপাশি সহশিক্ষা কার্যক্রমের সাফল্যও বিবেচনায় নেওয়া হয়। 

বিশ্ববিদ্যালয় ফুটবল দলের খেলোয়াড় হয়েও সিট না পাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী রিফাত হোসেন। তিনি বলেন, ‘ভাইভায় আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের হয়ে খেলার কথা জানালে প্রাধ্যক্ষ শারীরিক শিক্ষা বিভাগ থেকে প্রত্যয়নপত্র আনতে বলেন। পরে আমি প্রত্যয়নপত্র নিয়ে গেলে জানানো হয়, সিট নেই। পরে সার্কুলার দিলে আবেদন করতে হবে।’

চতুর্থ বর্ষে এসেও আবাসিক সিট না পাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী শাহ জামাল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘আমরা চতুর্থ বর্ষে এসেও সিট পাইনি। অথচ ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীরা কতদিন নিজেদের খেলা প্রদর্শনের সুযোগ পেয়েছে যে তাঁদের খেলোয়াড় কোটায় সিট দেওয়া হলো? এখানে স্বজনপ্রীতির বিষয়টি স্পষ্ট।’

অভিযোগের বিষয়ে বিজয়-২৪ হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক জামিরুল ইসলাম বলেন, ‘ওরা হলে ভালো পারফরম্যান্স করছে। দীর্ঘদিন ধরে আমাদের হল খেলাধুলায় পিছিয়ে আছে। চতুর্থ বর্ষ বা মাস্টার্সের শিক্ষার্থীরা পাঁচ-ছয় মাস পরই হল ছেড়ে চলে যায়। তাই সুদূরপ্রসারী চিন্তাভাবনা করেই নবীনদের সিট দেওয়া হয়েছে, যাতে তারা দীর্ঘদিন হলকে প্রতিনিধিত্ব করতে পারে।’

বিশ্ববিদ্যালয় ফুটবল দলের খেলোয়াড়দের বাদ দিয়ে নবীনদের অগ্রাধিকার দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে বৈষম্যের অভিযোগ অস্বীকার করেন প্রাধ্যক্ষ। তিনি বলেন, এ ধরনের কোনো আবেদন তার কাছে আসেনি।

Continue Reading

Trending