Connect with us

আন্তর্জাতিক

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে হতাহত ১৮ লক্ষাধিক সেনা

Published

on

চার বছর ধরে চলা রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে দুই দেশের নিহত, আহত ও নিখোঁজ সেনার সংখ্যা ১৮ লাখের বেশি পৌঁছেছে। যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক থিঙ্কট্যাঙ্ক সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ (সিএসআইএস) মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, হতাহতের সংখ্যায় ইউক্রেনের তুলনায় রাশিয়ার ক্ষয়ক্ষতি বেশি। মোট হতাহতদের মধ্যে প্রায় ১২ লাখই রুশ সেনা। তাদের মধ্যে ৩ লাখ ২৫ হাজারের বেশি সেনা নিহত হয়েছেন। বাকিদের বড় একটি অংশ আহত ও কয়েক হাজার সেনা নিখোঁজ রয়েছেন।

সিএসআইএস বলছে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর কোনো বড় শক্তিধর দেশের সেনাবাহিনী যুদ্ধে এত বেশি হতাহতের মুখে পড়েনি।

ইউক্রেনের পক্ষেও ক্ষয়ক্ষতি কম নয়। প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, গত চার বছরে ইউক্রেনের প্রায় ৬ লাখ সেনা নিহত, আহত ও নিখোঁজ হয়েছেন। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ইউক্রেনীয় বাহিনীর নিহত সেনার সংখ্যা ১ লাখ থেকে ১ লাখ ৪০ হাজারের মধ্যে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সিএসআইসের প্রতিবেদনে বলা হয়, যদি এ যুদ্ধ চলতে থাকে, তাহলে ২০২৬ সালের বসন্তকাল পর্যন্ত এই সংখ্যা পৌঁছাবে প্রায় ২০ লাখে।

ক্রিমিয়া উপদ্বীপকে রুশ ভূখণ্ড হিসেবে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতির প্রতিশ্রুতি দিয়েও তা রক্ষা না করা এবং ন্যাটোর সদস্যপদের জন্য কিয়েভের তদবিরের জেরে কয়েক বছর ধরে টানাপোড়েন চলার পর ২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরু করে রুশ বাহিনী। রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট পুতিনের নির্দেশে শুরু হওয়া সেই অভিযান এখনো চলছে।

    Continue Reading
    Click to comment

    Leave a Reply

    Your email address will not be published. Required fields are marked *

    top2

    বাংলাদেশিকে ধরে নিয়ে গেল বিএসএফ, দুই ভারতীয়কে আটক করল এলাকাবাসী

    Published

    on

    By

    মেহেরপুর প্রতিনিধি

    মেহেরপুর সদর উপজেলার ইছাখালী সীমান্তে নোম্যান্সল্যান্ড এলাকায় কৃষিকাজ করার সময় আব্দুল মান্নান (৬০) নামে এক বাংলাদেশি কৃষককে ধরে নিয়ে গেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। এর প্রতিবাদে সীমান্ত এলাকা থেকে দুই ভারতীয় নাগরিককে আটক করে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) কাছে সোপর্দ করেছেন স্থানীয়রা।

    মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সকালে ইছাখালী সীমান্তে এ ঘটনা ঘটে।

    স্থানীয় সূত্র জানায়, ইছাখালী গ্রামের মৃত নুর আহমেদের ছেলে আব্দুল মান্নান সীমান্ত পিলার ১২৪/৩-এর কাছে নিজের জমিতে কৃষিকাজ করতে গেলে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের নদীয়া জেলার তেহট্ট থানার অধীন ৫৬ বিএসএফ ব্যাটালিয়নের নবচন্দ্রপুর ক্যাম্পের একটি টহল দল তাকে ধরে নিয়ে যায়।

    ঘটনাটি জানাজানি হলে আব্দুল মান্নানের স্বজন ও স্থানীয়রা সীমান্তের কাছে কৃষিকাজ করতে আসা দুই ভারতীয় নাগরিককে আটক করেন। পরে তাদের ইছাখালী বিজিবি ক্যাম্পে হস্তান্তর করা হয়।

    আটক দুই ভারতীয় নাগরিক হলেন—নদীয়া জেলার তেহট্ট থানার লালবাজার গ্রামের মনমোহন দাসের ছেলে শচীন দাস (৬৫) এবং একই গ্রামের কুঞ্জু বিশ্বাসের ছেলে নরোত্তম বিশ্বাস (৩৫)।

    এ বিষয়ে ৬ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল নাজমুল হাসান জানান, বিষয়টি মীমাংসার জন্য বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে আনুষ্ঠানিক পতাকা বৈঠকের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

    তিনি বলেন, পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে বাংলাদেশি নাগরিক আব্দুল মান্নানকে সসম্মানে ফেরত আনা এবং আটক ভারতীয় নাগরিকদের বিএসএফের কাছে হস্তান্তর করার বিষয়ে উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

    সীমান্তবর্তী এলাকার সাধারণ মানুষ ও কৃষকদের আন্তর্জাতিক সীমান্ত ও নোম্যান্সল্যান্ড এলাকায় চলাচলের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে বিজিবি।

    Continue Reading

    top1

    যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধে বাশার আল-আসাদের মৃত্যুদণ্ড

    Published

    on

    By

    ডিজিটাল ডেস্ক

    সিরিয়ার সাবেক শাসক বাশার আল-আসাদকে যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন দেশটির একটি আদালত।

    মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে বিদ্রোহী বাহিনী দামেস্কের দিকে অগ্রসর হলে পরিবারসহ সিরিয়া ছেড়ে মস্কো চলে যান আসাদ। এরপর দেশটির অন্তর্বর্তী সরকার সাবেক সরকারের কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মামলা ও বিচার কার্যক্রম শুরু করে। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে সাবেক শাসকগোষ্ঠীর কোনো শীর্ষ ব্যক্তির বিরুদ্ধে এটিই প্রথম মৃত্যুদণ্ডের রায়।

    আদালত একই সঙ্গে আসাদ সরকারের সাবেক কর্মকর্তা ও তার চাচাতো ভাই আতিফ নাজিবকেও মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন। দারা প্রদেশের রাজনৈতিক নিরাপত্তা বিভাগের প্রধান থাকাকালে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটনের অভিযোগে তাকে এ সাজা দেওয়া হয়।

    উল্লেখ্য, ২০১১ সালে সিরিয়ায় শুরু হওয়া গণঅভ্যুত্থানের সূতিকাগার ছিল দারা প্রদেশ। গত বছরের জানুয়ারিতে আতিফ নাজিবকে গ্রেপ্তার করা হয়।

    আদালতের রায়ে বলা হয়েছে, আতিফ নাজিব ১৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের ইচ্ছাকৃতভাবে হত্যা ও নির্যাতনের ফলে মৃত্যুর মতো গুরুতর অপরাধে জড়িত ছিলেন।

    Continue Reading

    top1

    শিশুদের টিকার সংখ্যা কমানোর নির্দেশে সই করলেন ট্রাম্প

    Published

    on

    By

    যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি নির্দেশে স্বাক্ষর করেছেন, যেখানে শিশুদের জন্য কম টিকা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে এবং মাম্পস, হাম ও রুবেলা (এমএমআর) টিকাগুলো আলাদা করে দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। সংবাদ বিবিসি বাংলার।

    সোমবার ট্রাম্প বলেন, “আজ যেসব টিকা দিতে হয়, কয়েক দশক আগে এর মাত্র একটি ক্ষুদ্র অংশ দেওয়া হতো শিশুদের। সেই সময় মানুষ অনেক বেশি সুস্থ ছিল এবং অবশ্যই বর্তমানে যে উচ্চ হারে অটিজম দেখা যাচ্ছে, তা ছিল না।”

    প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দীর্ঘদিন ধরেই এমএমআর টিকার নিরাপত্তা নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করে আসছেন। তবে একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, এই টিকা এবং অটিজমের মধ্যে কোনো সম্পর্ক নেই।

    এই নির্দেশে আরও সুপারিশ করা হয়েছে যে, শিশুদের জন্য টিকার সংখ্যা আমেরিকান একাডেমি অব পেডিয়াট্রিকস বা এএপি-এর বর্তমান সুপারিশকৃত ১৮টি থেকে কমিয়ে ১১টি করা হোক।

    ট্রাম্পের এই আদেশটি একটি নির্দেশিকা হিসেবে কাজ করে, কোনো বাধ্যতামূলক নির্দেশ হিসেবে নয়। কারণ স্কুলে উপস্থিতির জন্য প্রয়োজনীয় টিকার বিষয়টি কেন্দ্রীয় সরকারের পরিবর্তে রাজ্য পর্যায়ে নির্ধারণ করা হয়।

    ওভাল অফিসে কথা বলতে গিয়ে ট্রাম্প বলেন, তার প্রশাসন শিশুদের জন্য “সবচেয়ে গুরুতর ও বিপজ্জনক রোগের বিরুদ্ধে মাত্র ১১টি মূল টিকাদান” সুপারিশকে স্বীকৃতি দিচ্ছে।

    এই নির্দেশ অনুযায়ী সব শিশুর জন্য সুপারিশকৃত টিকাগুলো হলো হাম, মাম্পস, রুবেলা, ডিপথেরিয়া, টিটেনাস, হুপিং কাশি, পোলিও, হেমোফিলাস ইনফ্লুয়েঞ্জা টাইপ বি, নিউমোকক্কাল রোগ, হিউম্যান প্যাপিলোমাভাইরাস এবং ভ্যারিসেলা বা চিকেন পক্স।

    ট্রাম্প বলেন, “আমরা সেগুলো কমাচ্ছি। বিষয়টি শুধু এই নয় যে আপনি কম টিকা, অথবা যেমন বলা হয়, কম ‘সুঁইয়ের খোঁচা’ দিচ্ছেন; বরং সেগুলো চিকিৎসকের কাছে বার বার গিয়েই দেওয়া হচ্ছে।”

    প্রেসিডেন্ট ইঙ্গিত দেন যে এমএমআর টিকা একসঙ্গে দেওয়া হলে তা “বেশ প্রাণঘাতী” হতে পারে। তিনি এটিকে একটি শিশুর শরীরে এক বোতল সোডা ঢেলে দেওয়ার সঙ্গে তুলনা করেন।

    একজন সাংবাদিক ‘প্রাণঘাতী’ দাবির প্রমাণ জানতে চাইলে ট্রাম্প বললেন, “আমি যা শুনেছি, কিছু লোক বলে যে বিষয়টি সেরকমই।”

    সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশান (সিডিসি)-এর মতে, ছোট শিশুদের ক্ষেত্রে এমএমআর টিকার কারণে জ্বরজনিত খিঁচুনির খুব সামান্য ঝুঁকি থাকে। যাদের গুরুতর অ্যালার্জির প্রতিক্রিয়া বা দুর্বল রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার মতো স্বাস্থ্যগত সমস্যা রয়েছে, তাদের টিকা নেওয়ার আগে স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারীর সাথে পরামর্শ করার উপদেশ দেওয়া হয়।

    সংস্থাটি জানায়, “যারা এমএমআর টিকা নেন, তাদের বেশিরভাগেরই এতে কোনো গুরুতর সমস্যা হয় না” এবং এই টিকা গ্রহণ করা “হাম, মাম্পস বা রুবেলা হওয়ার চেয়ে অনেক বেশি নিরাপদ”।

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টিকার মধ্যে বেশি সময়ের ব্যবধান রাখলে শিশুরা সেই সময়ের মধ্যে রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিতে থাকে, অথবা একাধিকবার টিকা নিতে যাওয়ার প্রয়োজন হওয়ায় অ্যাপয়েন্টমেন্ট মিস করার আশঙ্কা বাড়ে।

    সেন্টারস ফর ডিজিজ কন্ট্রোল অ্যান্ড প্রিভেনশন বা সিডিসি-এর মতে, “সমন্বিত এমএমআর টিকাকে তিনটি পৃথক টিকায় ভাগ করার কোনো উপকারিতা আছে, এমন কোনো প্রকাশিত বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই।”

    ট্রাম্পের স্বাস্থ্য ও মানবসেবা বিভাগের (এইচএইচএস) সচিব রবার্ট এফ কেনেডি জুনিয়র বলেছেন, প্রস্তাবিত পরিবর্তনের লক্ষ্য অভিভাবকদের পছন্দের সুযোগ দেওয়া, শিশুদের টিকার প্রাপ্যতা বন্ধ করা নয়।

    ২০২৫ সালে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে কেনেডি টিকা-সংক্রান্ত বিধিনিষেধ পরিবর্তন ও শিথিল করার চেষ্টা করে আসছেন।

    গত সপ্তাহে সিএনএনের স্টেট অব দ্য ইউনিয়ন অনুষ্ঠানে ডানা ব্যাশের সঙ্গে ২০ মিনিটের এক উত্তেজনাপূর্ণ সাক্ষাৎকারে কেনেডি বলেন, তিনি “কখনোই এমএমআর টিকার কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেননি।”

    ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকর্তারা বলেছেন, এই নির্দেশ কার্যকর হলে যুক্তরাষ্ট্রের শিশুরা আগের টিকাদান সূচির অধীনে সুপারিশকৃত ৭২টি ডোজের তুলনায় অনেক কম টিকা পাবে।

    তবে টিকা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই সংখ্যা অতিরঞ্জিত। কারণ এতে এমএমআর-এর মতো সমন্বিত টিকাকে একাধিক ইনজেকশন হিসেবে গণনা করা হয়েছে এবং বার্ষিক ফ্লু ও কোভিড-১৯ টিকাও ধরে নেওয়া হয়েছে।

    ফেডারেল সরকারের এই নতুন সুপারিশ বাস্তবায়নের ক্ষমতা নেই। বিদ্যালয়ে উপস্থিতির জন্য যেসব টিকা বাধ্যতামূলক, সেগুলো রাজ্য পর্যায়ে নির্ধারিত হয়।

    Continue Reading

    Trending