Connect with us

top1

জুলাই সনদে অবশেষে এনসিপির সাক্ষর

Published

on


জুলাই জাতীয় সনদে অবশেষে স্বাক্ষর করলো জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ছয়টায় দলটির ছয় সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল সনদে সই করতে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের বাসভবন যমুনায় যায়।

প্রধান উপদেষ্টার উপস্থিতিতে এনসিপির পক্ষে দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ও সদস্য সচিব আখতার হোসেন জুলাই সনদে সই করেন।

এ সময় জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি অ্যধাপক আলী রীয়াজ, কমিশনের সদস্য বদিউল আলম মজুমদার ও প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মনির হায়দার উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া, এনসিপির প্রতিনিধি দলে দলটির কেন্দ্রীয় নেতা সারোয়ার তুষার, মনিরা শারমিন, জাবেদ রাসিন ও জহিরুল ইসলাম মূসা উপস্থিত ছিলেন।

যমুনা থেকে বেরিয়ে ব্রিফিংয়ে এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, সনদে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের দেওয়া নোট অব ডিসেন্ট ব্যাতিরেকে তার দল স্বাক্ষর করেছে।

সনদে দেরিতে সাক্ষর করলেও এ নিয়ে তিনি বলেন, জুলাই সনদে সবার শেষে স্বাক্ষর করলেও এই সনদ বাস্তবায়নের জন‍্য আমরা ছিলাম সর্বোচ্চ তৎপর।

এদিকে, প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, এই দলিল যেন নতুন বাংলাদেশকে মানবিক বাংলাদেশ হিসেবে গড়তে প্রতিটি পদে পদক্ষেপ রাখে, তার জন‍্য প্রতি মুহূর্তে সচেতন থাকতে হবে।

প্রসঙ্গত, জাতীয় ঐকমত্য কমিশন দীর্ঘ সাত মাস ৩৩টি রাজনৈতিক দল ও জোটের সঙ্গে আলোচনার পর গত বছরের ১৭ অক্টোবর ঢাকায় জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে ‘জুলাই জাতীয় সনদ, ২০২৫’ স্বাক্ষরিত হয়। সেদিন ২৪টি দল সনদে সই করে, পরে আরও একটি দল সই করেছে।

তবে এনসিপি জুলাই সনদ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে যায়নি, পরেও আর সনদে সই করেনি। যদিও জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেছিলেন, কোনো রাজনৈতিক দল জুলাই জাতীয় সনদে স্বাক্ষর না করলে পরবর্তী সময়ে সই করার সুযোগ থাকবে।

সনদে সই না করার বিষয়ে তখন সংবাদ সম্মেলন করে তিনটি দাবি জানিয়েছিল এনসিপি। এক, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আদেশের খসড়া স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের আগেই প্রকাশ ও এই আদেশ প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে জারি করতে হবে। দুই, জনগণ গণভোটে সনদের পক্ষে রায় দিলে নোট অব ডিসেন্টের (ভিন্নমত) কার্যকারিতা থাকবে না। তিন, গণভোটের রায় অনুযায়ী আগামী নির্বাচিত সংসদ তাদের ওপর প্রদত্ত গাঠনিক ক্ষমতাবলে সংবিধান সংস্কার করবে এবং সংস্কার করা সংবিধানের নাম হবে ‘বাংলাদেশ সংবিধান, ২০২৬’।

এর মধ্যে গত ১৩ নভেম্বর ‘জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ, ২০২৫’ জারি করেন রাষ্ট্রপতি। এই আদেশের অধীনেই ১২ ফেব্রুয়ারি জুলাই সনদের মোট ৮৪টি সংস্কার প্রস্তাবের মধ্যে সংবিধান সংস্কারসংক্রান্ত ৪৮টি প্রস্তাবের ওপর গণভোট হয়েছে। সেখানে ‘হ্যাঁ’ ভোট জিতেছে।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল থেকে নতুন বল

Published

on

By

২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের শেষ মুহূর্তের রোমাঞ্চ বাড়াতে নকআউট পর্বের চূড়ান্ত চার ম্যাচের জন্য নতুন ফুটবল উন্মোচন করেছে ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফা এবং ক্রীড়াসামগ্রী প্রস্তুতকারী বিশ্বখ্যাত প্রতিষ্ঠান অ্যাডিডাস। ২০২২ কাতার বিশ্বকাপের ধারাবাহিকতায় এবারও সেমিফাইনাল, তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ ও ফাইনালের জন্য আনা হয়েছে বিশেষ বল ‘ট্রিওন্ডা ফাইনাল’।

জমকালো এই বলটির সোনালি ও কালো রঙের বিশেষ নকশা টুর্নামেন্টের শেষভাগের মহোৎসবকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলবে বলে আশা করা হচ্ছে। নতুন বলের প্রযুক্তিগত বৈশিষ্ট্যে কোনো পরিবর্তন আনা হয়নি। তবে এর নকশা ও রঙে এসেছে ভিন্নতা। কালো বেসের ওপর সোনালি রঙের প্রাধান্য রয়েছে, যা বিশ্বকাপ ট্রফির প্রতীকী ইঙ্গিত বহন করে। এর সঙ্গে রয়েছে লাল ও গোলাপি রঙের সংমিশ্রণ।

বলটির প্যানেলে লেখা থাকবে টুর্নামেন্টের শেষ চার ম্যাচের আয়োজক শহরের নাম-ডালাস, আটলান্টা, মিয়ামি এবং নিউইয়র্ক/নিউ জার্সি। অন্য আয়োজক শহরগুলোর নাম থাকবে বলের গায়ে থাকা ত্রিভুজাকৃতির গ্রাফিক্সে।

প্রযুক্তিগত দিক থেকে বলটিতে আগের মতোই থাকছে ‘কানেক্টেড বল টেকনোলজি’। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে বলের ভেতরে থাকা বিশেষ সেন্সর চিপ রিয়াল-টাইম বা তাৎক্ষণিক ডেটা সরাসরি ম্যাচ রেফারি ও ভিএআর কক্ষে পাঠাবে, যা সেমি-অটোমেটেড অফসাইড সিস্টেমকে আরও নির্ভুলভাবে অফসাইড এবং নিখুঁত বল-টাচ শনাক্ত করতে সাহায্য করবে।

বিশ্বকাপের গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে বল বদলানোর ঘটনা অবশ্য নতুন নয়। ২০২২ কাতার বিশ্বকাপে সেমিফাইনাল থেকে নতুন বল ব্যবহার করা হয়েছিল। তবে ২০১৮ রাশিয়া, ২০১৪ ব্রাজিল, ২০১০ দক্ষিণ আফ্রিকা ও ২০০৬ জার্মানি বিশ্বকাপে শুধু ফাইনালের জন্য আলাদা বল আনা হয়েছিল। আর ২০০২ সালের আগে বিশ্বকাপের মাঝপথে বল পরিবর্তনের নজির ছিল না।

Continue Reading

top1

বাংলাদেশকে ৩.৩ বিলিয়ন ডলার ঋণ দিচ্ছে ইসলামিক ট্রেড ফাইন্যান্স

Published

on

By

দেশের জ্বালানি ও খাদ্য খাতের সুরক্ষায় বাংলাদেশকে ৩ দশমিক ৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ঋণ দেবে ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ট্রেড ফাইন্যান্স করপোরেশন (আইটিএফসি)। ২০২৬-২৭ অর্থবছরে তেল, গ্যাস ও সার আমদানিতে এই অর্থ ব্যবহৃত হবে।

সোমবার (৫ জুলাই) আইটিএফসির সৌদি আরবের জেদ্দার সদর দপ্তরে এ-সংক্রান্ত চুক্তি সই হয়। আইটিএফসি ইসলামী উন্নয়ন ব্যাংক (আইএসডিবি) গ্রুপের সদস্য প্রতিষ্ঠান।

আইটিএফসির এই অর্থায়ন কর্মসূচির আওতায় বাংলাদেশের তিনটি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান ঋণ সুবিধা পাবে। সেগুলো হলো—বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি), তেল, গ্যাস ও খনিজ সম্পদ কর্পোরেশন (পেট্রোবাংলা) এবং কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি)। ২০২৬ সালের জুলাই থেকে ২০২৭ সালের জুন পর্যন্ত সময়ের মধ্যে পেট্রোলিয়াম পণ্য, তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) এবং সার আমদানির সুবিধার্থে এই অর্থ ব্যবহার করা হবে।

চুক্তিতে বাংলাদেশের পক্ষে স্বাক্ষর করেন জেদ্দা সফররত অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের (ইআরডি) সচিব মো. শাহরিয়ার কাদের সিদ্দিকী এবং আইটিএফসির পক্ষে সই করেন প্রতিষ্ঠানটির চিফ অপারেটিং অফিসার (সিওও) নাজিম নুরদালি। চুক্তি সই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আইটিএফসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইঞ্জিনিয়ার আদিব ইউসুফ আল আমা।

আইটিএফসি এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, এই অর্থায়ন কর্মসূচি জ্বালানি ও খাদ্য নিরাপত্তা শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে বাংলাদেশ সরকার ও আইটিএফসির মধ্যকার যৌথ অংশীদারত্বকে আরও দৃঢ় করবে। ১৯৭৭ সাল থেকে শুরু করে এ পর্যন্ত বাংলাদেশ সরকারকে জ্বালানি তেল ও এলএনজি আমদানিতে সহায়তার জন্য ২২ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলারের বেশি অর্থায়ন দিয়েছে আইটিএফসি-আইএসডিবি।

Continue Reading

top1

বাংলাদেশি শ্রমিকদের জন্য খুলল মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার: প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী

Published

on

By

বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় উন্মুক্ত হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।

তিনি বলেন, সরকারের ধারাবাহিক কূটনৈতিক প্রচেষ্টার ফলেই এই অগ্রগতি এসেছে। একই সঙ্গে পর্যায়ক্রমে আরও কয়েকটি দেশের শ্রমবাজারও বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য উন্মুক্ত হবে।

মঙ্গলবার (৭ জুলাই) বিকেলে সিলেট সার্কিট হাউসে বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই নতুন শ্রমবাজার সৃষ্টি এবং বিদ্যমান শ্রমবাজার সম্প্রসারণে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে ধারাবাহিক আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার পুনরায় চালু হয়েছে। ভবিষ্যতে আরও নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।

সৌজন্য সাক্ষাতে সিলেটের সার্বিক উন্নয়ন, যুক্তরাষ্ট্রে বসবাসরত বাংলাদেশি, বিশেষ করে সিলেটি প্রবাসীদের অবদান, দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। এই সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী ও ফলপ্রসূ করতে দুই দেশ নিবিড়ভাবে কাজ করছে। এ ধরনের সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতা, অর্থনৈতিক সম্পর্ক এবং উন্নয়ন অংশীদারত্বকে আরও গতিশীল করবে।

সাক্ষাতে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আব্দুর রহমান তরফদার, সিলেটের ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক পিংকি সাহাসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Continue Reading

Trending