Connect with us

Mizoratrade

金融市場のデジタル化が加速する現代、個人投資家がグローバルな資産にアクセスできる手段はかつてないほど多様化しています。しかし、その選択肢の多さは時に混乱を招き、本当に信頼できるプラットフォームを見極めることが難しいのも事実です。そんな中、Mizoratrade(ミゾラトレード) は、「Trade Beyond the Usual(通常を超えた取引)」というビジョンのもと、トレーダーに新たな選択肢を提供しています。

本レビューでは、Mizoratradeが提供するサービス、プラットフォームの特徴、セキュリティ体制、そして実際のユーザー体験を多角的に分析し、このプラットフォームが本当にトレーダーの期待に応えられるのかを徹底検証します。

Mizoratradeとは? – プラットフォームの全体像

Mizoratradeは、CFD(差金決済取引) を中心に、外国為替(FX) 、株価指数、グローバル株式、コモディティ(商品) 、貴金属、暗号資産(仮想通貨) という6つの主要市場にアクセスできる多資産取引プラットフォームです。

同プラットフォームは、「4つの基準。近道はなし。(Four Standards. No Shortcuts.)」 という哲学を掲げており、それはセキュリティ、市場、サポート、スピードの4つの柱に具体化されています。

「使い慣れたツール。ひとつ上の取引体験。」

この言葉が示す通り、Mizoratradeはトレーダーが既に馴染みのある取引ツールをベースにしながらも、それらを一つの連携されたワークスペースに統合することで、よりスムーズで直感的な取引体験を実現することを目指しています。

6つの市場、1つのアカウント – 広がる投資の可能性

Mizoratradeの最大の魅力は、単一の口座でありながら6つの異なる市場カテゴリーにアクセスできる点にあります。これにより、複数のプラットフォームや口座を管理する手間が省かれ、トレーダーは本来集中すべき「取引そのもの」により多くのリソースを割くことができます。

1. 外国為替(Forex)市場

120以上の通貨ペアが取引可能です。EUR/USDやGBP/USDといった主要通貨ペアはもちろん、多様なクロス円やエキゾチック通貨ペアにもアクセスできます。ライブでの相場概要や1日あたりの平均変動幅の表示により、トレーダーは常に市場の「今」を把握することが可能です。

為替市場は世界最大の金融市場であり、24時間取引が可能という特性を持ちます。Mizoratradeはこの流動性の高い市場に、スムーズな執行環境でアクセスできるよう設計されています。

2. グローバル株価指数

世界の主要経済圏における主要企業の総合的な動向を追跡することができます。2019年から2025年までのパフォーマンストラッキングが可能で、長期的な市場トレンドを視覚的に把握することができます。個別株投資とは異なるマクロな視点での投資判断をサポートします。

3. グローバル株式

5,000社以上の企業株式にアクセスできる点は、Mizoratradeの大きな強みです。AAPL(アップル)、TSLA(テスラ)、NVDA(エヌビディア)、AMZN(アマゾン)、GOOGL(グーグル)、MSFT(マイクロソフト)といった米国ハイテク巨人株はもちろん、META、NFLX、JPM、ソニー、トヨタ、BABAといった多様なセクター・地域の銘柄もカバーされています。

これだけの銘柄数があれば、分散投資はもちろん、特定のセクターやテーマに集中した戦略的な投資も十分に可能です。

4. 暗号資産(Cryptocurrency)

ビットコイン(BTC/USD)、イーサリアム(ETH/USD)、ソラナ(SOL/USD)といった主要な暗号資産のCFD取引が可能です。特筆すべきは、これらのデジタル資産がプラットフォーム全体で共通のチャート、注文コントロール、口座管理ツールを使って取引できる点です。

つまり、為替取引と同じインターフェースで暗号資産を取引できるため、新たな学習コストをほとんど必要としません。

5. コモディティ(商品)

50以上のグローバル商品が取扱対象となっており、金(XAU/USD)や原油(WTI/USD)といった主要商品のライブ価格を確認できます。エネルギーや農産物など、需給や世界情勢に影響を受ける商品市場へのアクセスは、ポートフォリオの多様化に大きく貢献します。

6. 貴金属

金、銀、その他の選択された金属は、経済の変化、産業需要、投資家の関心によって形成される市場です。これらの貴金属は、インフレヘッジや安全資産としての役割も果たすため、リスク管理の観点からも重要な資産クラスと言えます。

プラットフォーム機能 – トレーダーを支える先進のツール群

統合ワークスペース

Mizoratradeの最も評価すべき点の一つは、チャート、ライブ価格、注文コントロール、口座情報がすべて一つの明確なビューに統合されていることです。従来のプラットフォームのように、複数のウィンドウやタブを行き来する必要がなく、市場の把握とポジション管理をシームレスに行うことができます。

マルチデバイスアクセス

Web、デスクトップ、モバイルの全デバイスで同一アカウントが共有され、常に同期されます。これは現代のトレーダーにとって極めて重要な機能です。外出先でスマートフォンを使ってポジションをチェックし、帰宅後はデスクトップで詳細な分析を行う——そんなライフスタイルに完全に対応しています。

高速な注文執行

取引において執行速度は利益に直結する重要な要素です。Mizoratradeは、相場の変動に対応して設計されたプラットフォームを通じて、注文の発注および管理を行います。スリッページ(注文時の期待価格と実際の執行価格の差)を最小限に抑える設計となっており、特にスキャルピングやデイトレードを行うアクティブトレーダーにとって大きな魅力です。

高度なチャート機能

クリーンなローソク足、完全なインジケーターライブラリ、複数時間枠のビューなど、プロのトレーダーも満足させる充実のチャート機能を備えています。テクニカル分析を重視するトレーダーにとって、これらのツールは市場の深い読み解きを可能にします。

スマートリスクコントロール

ストップロス(損切り) とテイクプロフィット(利益確定) は、注文と同時に設定できるよう設計されています。これはリスク管理を取引の一部として自然に組み込むことを可能にし、感情的な判断を排除するのに役立ちます。

リアルタイム市場データ

全銘柄にわたるライブ価格が、一つの画面で一覧できます。これにより、市場の細かな変動を見逃すことなく、タイムリーな判断が可能になります。

セキュリティ – 「設計段階からのセキュリティ重視」

Mizoratradeはセキュリティを最優先事項として掲げています。

「暗号化、本人確認、およびアカウント管理機能により、ログイン時からより安全な取引体験が実現されます。」

オンライン取引において、セキュリティは「付加価値」ではなく「前提条件」です。Mizoratradeがセキュリティを設計段階から最優先と位置付けている点は、プラットフォームの信頼性を考える上で重要なポイントです。

ユーザーサポート – 「必要なときに、頼れるサポート」

Mizoratradeはサポートについて「必要なときに、頼れるサポート。」 を掲げています。

「登録、本人確認、アカウントへのアクセス、プラットフォームに関するご質問など、サポートが必要な際はいつでもお問い合わせください。」

自動応答のチャットボットではなく、実際の人間がサポートを提供するという姿勢は、特に初心者トレーダーにとって大きな安心材料となります。

ユーザーレビューと評価

Mizoratradeのウェブサイトでは、4.6/5という高い評価が表示されています。これは、実際にプラットフォームを利用したトレーダーからの肯定的なフィードバックを反映したものと考えられます。

また、YouTube上ではMizoratradeに関する動画も公開されており、「Mizoratrade Turns Beginners Into Confident Traders(Mizoratradeは初心者を自信のあるトレーダーに変える)」や「Mizoratrade Opens Every Major Market on Earth to You(Mizoratradeは地球上のすべての主要市場をあなたに開く)」といったタイトルで、プラットフォームの魅力が紹介されています。

Mizoratradeが特に適しているトレーダーとは?

初心者トレーダー

Mizoratradeのクリアなインターフェースと統合ワークスペースは、取引を始めたばかりのトレーダーにとって理想的な環境です。複数の市場を一つの口座で探索できるため、自分に合った資産クラスを見つけるための学習コストが大幅に削減されます。

多資産分散投資を目指すトレーダー

6つの市場カテゴリーへのアクセスは、ポートフォリオの分散を真剣に考えるトレーダーにとって大きな魅力です。為替、株式、コモディティ、暗号資産など、異なる特性を持つ資産クラスを同一プラットフォームで管理できる利便性は非常に高いと言えます。

アクティブトレーダー

高速執行とリアルタイム市場データは、デイトレードやスキャルピングを行うアクティブトレーダーにとって不可欠な要素です。Mizoratradeのスピード重視の設計は、こうしたトレーダーのニーズに応えるものと言えるでしょう。

Mizoratradeの成長可能性 – これからの展望

Mizoratradeは比較的新しいプラットフォームですが、その設計思想と提供する機能の質は、今後の成長を大いに期待させるものです。

特に評価すべきは、「トレーダー本位」 の姿勢です。派手なマーケティングや過剰な機能のてんこ盛りではなく、実際にトレーダーが使いやすく、本当に必要な機能に焦点を当てています。

この「本質を追求する」姿勢は、長期的な信頼構築につながる重要な要素です。今後、ユーザーベースの拡大とともに、さらなる機能強化やサービスの充実が期待されます。

Mizoratradeを選ぶべき理由 – 総合評価

強みのまとめ

項目 評価 ポイント
市場カバレッジ ★★★★★ 6資産クラス、120+通貨ペア、5,000+株式
プラットフォーム設計 ★★★★★ クリーンで直感的、統合ワークスペース
執行速度 ★★★★☆ 市場変動に対応する設計
リスク管理 ★★★★★ ストップロス・テイクプロフィットを注文に統合
マルチデバイス対応 ★★★★★ Web・デスクトップ・モバイルが完全同期
カスタマーサポート ★★★★☆ 必要なときに頼れるサポート体制
セキュリティ ★★★★★ 暗号化・本人確認・アカウントコントロール

総評

Mizoratradeは、「使いやすさ」と「機能性」の両立に成功した、現代のトレーダーに求められるプラットフォームです。

派手さはありませんが、本質的な部分でしっかりと作り込まれている——それがMizoratradeの最大の魅力です。6つの市場へのアクセス、高速な執行環境、直感的なインターフェース、そして充実したリスク管理ツールは、初心者からプロフェッショナルまで、あらゆるレベルのトレーダーにとって価値あるものとなるでしょう。

特に、複数の資産クラスを一つのプラットフォームで統合管理したいと考えているトレーダーにとって、Mizoratradeは非常に有力な選択肢の一つです。

オンライン取引の世界は常に変化しています。その変化の中で、「本質を見極める目」 を持つことが成功への鍵となります。Mizoratradeは、その本質をしっかりと見極めた上で構築された、信頼に値する次世代の取引プラットフォームであると、本レビューでは高く評価したいと思います。

免責事項:本レビューは情報提供を目的としており、金融投資に関するアドバイスを提供するものではありません。CFD取引は元本を超える損失が発生するリスクを伴い、すべての投資家に適しているわけではありません。取引を開始する前に、ご自身の投資目的、財務状況、リスク許容度を十分に考慮し、必要に応じて専門家にご相談ください。

শাবিপ্রবিতে নিষিদ্ধ ছাত্রদল নেতার বহিরাগতের নিয়ে হলে শোডাউন

শাবিপ্রবি প্রতিনিধি

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি) প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা থাকা ছাত্রদলের এক নেতা বহিরাগতদের নিয়ে ক্যাম্পাসে শোডাউন দিয়েছে।

শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছেলেদের আবাসিক হল ও ক্যাম্পাসে প্রধান সড়কে এ রাজনৈতিক শোডাউন করেন বলে জানান প্রত্যক্ষদর্শী শিক্ষার্থীরা।

এসময় তারা ১২ থেকে ১৫টি মোটরসাইকেল নিয়ে প্রায় ৩০ জনের মত বহিরাগতদের একটি দল ছাত্রদলের স্লোগানে এ কর্মসূচি করেন।

গত দেড় মাসে আগে এক শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগে আগামী দুই বছরের জন্য সব ধরনের অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম থেকে নিষিদ্ধ হওয়া ছাত্রদলের বহিষ্কৃত নেতা হাসিবুর রহমানের নেতৃত্বে এ শোডাউন হয় বলে জানান প্রত্যক্ষদর্শী শিক্ষার্থী ও নিরাপত্তাকর্মীরা। একই সাথে তাকে ( হাসিব)
আগামী দুই বছরের জন্য ক্যাম্পাসে নিষেধাজ্ঞা দিয়ে আদেশ জারি করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

অভিযুক্ত হাসিবুর রহমান বিশ্ববিদ্যালয়ের পলিটিক্যাল স্টাডিজ বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী এবং বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক (বহিষ্কৃত) ছিলেন।

এ সময় তারা ‘জিয়ার সৈনিক এক হও, লড়াই কর’, ‘কে বলে রে জিয়া নাই, জিয়া সারা বাংলায়’ এবং ‘এক জিয়া লোকান্তরে, লক্ষ জিয়া ঘরে ঘরে’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন। তবে শোডাউনে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের অধিকাংশকেই বহিরাগত বলে মনে করছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা।

অভিযোগের বিষয়ে হাসিবুর রহমানের সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায় নি।

বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা থাকার পরও তার ক্যাম্পাসে প্রবেশের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মুখলেসুর রহমান বলেন, “যদি এটা করে থাকে, তাহলে বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

আবাসিক হলে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ থাকার পরও শোডাউন করার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “হলের বাইরে শোডাউন দেওয়া নিষিদ্ধ নয়। তবে যদি হলের ভেতরে কিংবা সামনে করে থাকে, তাহলে বিষয়টি যাচাই করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

উল্লেখ্য গত বছর বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলোতে ছাত্ররাজনীতি, শোডাউন, মিছিল ও সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ রেখে ক্যাম্পাসে ছাত্ররাজনীতি চালুর সিদ্ধান্ত নেয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

Click to comment

সরকারের ১৮০ দিনের হিসাব নিয়ে শাবিপ্রবিতে দুই ছাত্রসংগঠনের পাল্টাপাল্টি ব্যানার

শাবিপ্রবি প্রতিনিধি

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শাবিপ্রবি) তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকারের প্রথম ১৮০ দিনের ‘সাফল্য’ ও ‘ব্যর্থতা’ নিয়ে পাল্টাপাল্টি ব্যানার টানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের দুটি ক্রিয়াশীল ছাত্রসংগঠন। সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ও উদ্যোগ তুলে ধরে ছাত্রদল ‘বাংলাদেশ সরকারের প্রথম ১৮০ দিনের ঐতিহাসিক অগ্রযাত্রা’ শীর্ষক ব্যানার টানিয়েছে। অন্যদিকে সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে জাতীয় ছাত্রশক্তি শাবিপ্রবি শাখা টানিয়েছে ‘বিএনপি সরকারের ১৮০ দিনের যত ব্যর্থতা’ শীর্ষক ব্যানার।

ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম জহিরের উদ্যোগে টানানো ব্যানারে সরকারের প্রথম ১৮০ দিনের ২১টি সাফল্য ও বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরা হয়েছে। এতে ৯ দশমিক ১৬ শতাংশ মূল্যস্ফীতি হ্রাস, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৭ বিলিয়ন ডলারে বৃদ্ধি এবং বৈদেশিক প্রত্যক্ষ বিনিয়োগ (এফডিআই) ৪৪ শতাংশ বৃদ্ধির দাবি করা হয়েছে।

এ ছাড়া রেকর্ড ২৮ লাখ টন খাদ্য মজুত, শিক্ষায় বরাদ্দ ৫৬ দশমিক ৬ শতাংশ বৃদ্ধি এবং ২ কোটি ২২ লাখ বৃক্ষরোপণ সম্পন্ন করার তথ্যও ব্যানারে উল্লেখ করা হয়েছে।

ব্যানারে আরও বলা হয়েছে, বিএনপির ৩১ দফা বাস্তবায়নের কাজ শুরু, ব্যক্তিকেন্দ্রিক প্রচারণা বন্ধ, অপচয় রোধ ও জনবান্ধব বাজেট প্রণয়ন করা হয়েছে। পাশাপাশি ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড চালু, জুলাই যোদ্ধাদের সুরক্ষায় দায়মুক্তি আইন পাস এবং শিশু রামিসা হত্যার বিচার সম্পন্ন করার বিষয়ও তুলে ধরা হয়েছে।

এ ছাড়া বিচার বিভাগ ও আইন সংস্কার, নবম পে-স্কেল বাস্তবায়ন, পররাষ্ট্র ও কূটনৈতিক সাফল্য, শিক্ষা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন, স্বাস্থ্যসেবা ও ই-হেলথ, বিনিয়োগ-বাণিজ্য ও শিল্পায়ন, শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং তরুণদের উন্নয়নে বিভিন্ন উদ্যোগের কথাও ব্যানারে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান, যোগাযোগ, পরিবহন ও এভিয়েশন খাতের উন্নয়ন, ‘নতুন কুঁড়ি’ কর্মসূচির মাধ্যমে ক্রীড়া উন্নয়ন, পানিব্যবস্থাপনা ও নদী রক্ষাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অগ্রগতির দাবিও করা হয়েছে।

অন্যদিকে সরকারের সমালোচনা করে জাতীয় ছাত্রশক্তি শাবিপ্রবি শাখার নেতৃবৃন্দের টানানো ব্যানারে বিএনপি সরকারের ১৮০ দিনের বিভিন্ন ‘ব্যর্থতা’ তুলে ধরা হয়েছে।

ব্যানারে অর্থনৈতিক অব্যবস্থাপনা ও জ্বালানি সংকট, বিদ্যুৎ সংকট ও রেকর্ড লোডশেডিং, ওষুধের মূল্যনির্ধারণ নীতি বাতিল ও হাম ব্যবস্থাপনায় ব্যর্থতা, ব্যাংক দখল ও বাজার সিন্ডিকেটের অভিযোগ করা হয়েছে। একই সঙ্গে বিরোধী দলের ওপর দমনপীড়ন, মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ, গণভোটের জনরায় উপেক্ষা, সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ গ্রহণ না করা এবং প্রাতিষ্ঠানিক দলীয়করণ ও নিয়োগ-বাণিজ্যের অভিযোগও রয়েছে।

এতে আরও গুম প্রতিরোধ অধ্যাদেশ বাতিল করে দুর্বল আইন প্রণয়ন, স্বাধীন সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় বিলুপ্তি, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি, দখল ও চাঁদাবাজি, শিক্ষাঙ্গনে সরকারদলীয় ছাত্রসংগঠনের সন্ত্রাস এবং জুলাইয়ের আহতদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনে গাফিলতির অভিযোগ তুলে ধরা হয়েছে।

এ ছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংবাদিক সমিতি ও ডাকসুর নির্বাচিত নেতৃবৃন্দের ওপর ছাত্রদলের হামলা, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রশক্তি ও জকসু নেতৃবৃন্দের ওপর হামলাসহ কয়েকটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নৈরাজ্যের অভিযোগও ব্যানারে উল্লেখ করা হয়েছে।

সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে দলীয়করণ ও নিয়োগ-বাণিজ্যের অভিযোগ তুলে ব্যানারে বলা হয়েছে, ব্যবসায়ী ও বিএনপির নেতাকে গভর্নর হিসেবে নিয়োগ, ১৯ জন দলীয় ভিসি নিয়োগ, ১১টি সংস্থা, বোর্ড ও করপোরেশন এবং আটটি নগর উন্নয়ন প্রতিষ্ঠানে দলীয় নেতাদের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ১১টি সিটি করপোরেশন ও ৬৩টি জেলা পরিষদে দলীয় নেতাদের নিয়োগের অভিযোগও করা হয়েছে।

এ বিষয়ে জাতীয় ছাত্রশক্তি শাবিপ্রবি শাখার আহ্বায়ক রশিদ আবরার বলেন, “আমাদের ক্যাম্পাসে প্রকৃত সত্য গোপন রেখে বিএনপি সরকারের সাফল্য ফলাও করে প্রচার করা হচ্ছে। আমরা শিক্ষার্থী ও বাংলাদেশের মানুষের কাছে প্রকৃত সত্য তুলে ধরার চেষ্টা করেছি।”

অন্যদিকে ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ জহির বলেন, “বিএনপির অফিসিয়াল পেজের তথ্যের আলোকে আমরা ব্যানারে বিএনপির ১৮০ দিনের বিভিন্ন কার্যক্রম তুলে ধরেছি। আমাদের ব্যানারে অতিরঞ্জিত কোনো কিছু করা হয়নি। আমি ৪৮ পৃষ্ঠার পিডিএফ থেকে সারসংক্ষেপ আকারে আমার ব্যানারে তথ্যগুলো তুলে ধরেছি।”

Click to comment

নোয়াখালী বিভাগ ঘোষণার দাবিতে শাহবাগ অবরোধ

নোয়াখালীকে পৃথক বিভাগ ঘোষণার দাবিতে রাজধানীর শাহবাগে অবস্থান নিয়ে সড়ক অবরোধ করেছেন আন্দোলনকারীরা। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল পৌনে ৪টার দিকে শাহবাগে অবস্থান নেন তারা। এতে গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কে যান চলাচল ব্যাহত হয়ে আশপাশের এলাকায় তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।

জুমার নামাজ শেষে বিকেল ৩টার দিকে চকবাজার চক মসজিদ থেকে শাহবাগের উদ্দেশে মিছিল নিয়ে রওনা হন আন্দোলনকারীরা। প্রায় ৪৫ মিনিট পর তারা শাহবাগে পৌঁছে সড়ক অবরোধ করে অবস্থান নেন।

এ সময় নোয়াখালীকে দ্রুত পৃথক বিভাগ ঘোষণার দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন আন্দোলনকারীরা। তাদের দাবি, দীর্ঘদিনের এই দাবি দ্রুত বাস্তবায়ন করে নোয়াখালীকে পৃথক বিভাগ হিসেবে ঘোষণা করতে হবে।

আন্দোলনকারীরা বলেন, নোয়াখালীকে বিভাগ ঘোষণা করা হলে প্রশাসনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে এবং বৃহত্তর এলাকার মানুষের নাগরিক সেবা পাওয়ার সুযোগ বাড়বে।

এদিকে আন্দোলনকারীদের সড়ক অবরোধের কারণে শাহবাগ দিয়ে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এর প্রভাব পড়ে আশপাশের সড়কগুলোতেও। ফলে ওই এলাকায় যানজট তৈরি হয়ে ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ যাত্রীরা।

পরিস্থিতি সামাল দিতে আইন শৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তারা ব্যস্ত থাকায় এ বিষয়ে তাদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

পুলিশের সঙ্গে কথা হলে সদস্যরা জানিয়েছেন, তারা বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করছেন। পরে বিষয়টি নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা কথা বলবেন।

Click to comment

ববিতে পলাশকুড়ির অভিষেক ৩.০-এ মঞ্চ মাতালো আবৃত্তি আসর বরিশাল

ববি প্রতিনিধি

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ( ববি) সাংস্কৃতিক অঙ্গনে আয়োজিত পলাশকুড়ির অভিষেক ৩.০ অনুষ্ঠানে দর্শকদের মুগ্ধ করেছে আবৃত্তি আসর, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়-এর সমন্বিত পরিবেশনা “নবীন প্রাণে নতুন সুর”। গত ৩ সেপ্টেম্বর গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিল এর উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্রাুউন্ড ফ্লোরে পলাশকুড়ি অনুষ্ঠানটি আয়োজিত হয় ।

লাল-সবুজের আবহ, প্রাণবন্ত মঞ্চসজ্জা এবং আবেগঘন উপস্থাপনায় পরিবেশনাটি হয়ে ওঠে অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ। আবৃত্তির সঙ্গে সংগীতের সুনিপুণ সংমিশ্রণ দর্শকদের মধ্যে সৃষ্টি করে ভিন্নমাত্রার অনুভূতি, যা উপস্থিত শ্রোতাদের করতালিতে বারবার প্রতিফলিত হয়।

পরিবেশনায় অংশ নেন রেজওয়ানা ইসলাম, আবু সাঈদ, জোহরা জিমসহ আবৃত্তি আসরের সদস্যরা। তাঁদের কণ্ঠে উচ্চারিত কবিতার পঙ্‌ক্তি ও সম্মিলিত পরিবেশনা নবীনদের উদ্দীপনা, স্বপ্ন এবং মানবিক চেতনার বার্তা তুলে ধরে। পরিবেশনায় সংগীত সহযোগিতায় ছিলেন জারিন তাসনিম।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত শিক্ষার্থীরা জানান, আবৃত্তি ও সংগীতের এমন সমন্বিত পরিবেশনা পুরো মঞ্চকে প্রাণবন্ত করে তোলে এবং পলাশকুড়ির আবহে নতুন মাত্রা যোগ করে।

পলাশকুড়ির অভিষেক ৩.০-এ আবৃত্তি আসরের এই পরিবেশনা প্রমাণ করেছে শব্দ, সুর ও আবেগ একত্রিত হলে একটি মঞ্চ উঠতে পারে অনুভূতির এক অনন্য উৎসব।

Click to comment

ব্যালন ডি’অর নিয়ে মরিনিহোকে পাল্টা জবাব পিএসজি কোচ এনরিকের

অনলাইন ডেস্ক

২০২৬ সালের ব্যালন ডি’অর নিয়ে এখনই শুরু হয়েছে আলোচনা। এবারের পুরস্কারের সম্ভাব্য বিজয়ী হিসেবে নিজের দলের খেলোয়াড়দের এগিয়ে রেখেছেন প্যারিস সেন্ট জার্মেই (পিএসজি) কোচ লুইস এনরিকে। তার এই মন্তব্যকে হোসে মরিনিহোর সাম্প্রতিক বক্তব্যের পাল্টা জবাব হিসেবেই দেখা হচ্ছে।

আগামী ২৬ অক্টোবর লন্ডনে ঘোষণা করা হবে এবারের ব্যালন ডি’অর বিজয়ীর নাম। টানা দ্বিতীয়বার চ্যাম্পিয়নস লিগ জয়ের পর পিএসজির একাধিক খেলোয়াড়ই পুরস্কারের দৌড়ে রয়েছেন। তাদের মধ্যে উসমান দেম্বেলে, খিচা কাভারাস্কেইয়া ও ফাবিয়ান রুইজ উল্লেখযোগ্য। স্পেনের হয়ে বিশ্বকাপ জিতে রুইজও নিজের অবস্থান শক্ত করেছেন।

মোনাকোর বিপক্ষে লিগ ওয়ানের ম্যাচের আগে সংবাদ সম্মেলনে এনরিকে বলেন, ব্যালন ডি’অর কে জিতবেন তা নিয়ে তিনি খুব একটা চিন্তিত নন। তবে তার মতে, এবারের পুরস্কার পিএসজির কোনো খেলোয়াড়েরই পাওয়া উচিত।

এনরিকের যুক্তি, পিএসজির খেলোয়াড়দের হাতে চ্যাম্পিয়নস লিগের সাফল্য রয়েছে। ফাবিয়ান রুইজ বিশ্বকাপ জিতেছেন এবং উসমান দেম্বেলে গত মৌসুমে ব্যালন ডি’অর জিতেছেন। তাই পিএসজির খেলোয়াড়দেরই এবারের পুরস্কারের দাবিদার মনে করেন তিনি।

এর আগে রিয়াল মাদ্রিদের কোচ হোসে মরিনিহো অবশ্য ভিন্ন মত প্রকাশ করেছিলেন। সরাসরি কারও নাম না বললেও নিজের দলের তারকা কিলিয়ান এমবাপেকে তিনি এগিয়ে রেখেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। ২০২৬ বিশ্বকাপে দুর্দান্ত ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সের পর এমবাপেও এবারের পুরস্কারের অন্যতম আলোচিত প্রার্থী।

এ ছাড়া ব্যালন ডি’অরের দৌড়ে রয়েছেন লামিন ইয়ামাল, হ্যারি কেইন, লিওনেল মেসি, রদ্রি ও মাইকেল ওলিসের মতো তারকারাও।

মরিনিহো এর আগে বলেছিলেন, শুধু চ্যাম্পিয়নস লিগ বা বিশ্বকাপ জয়ের ভিত্তিতে ব্যালন ডি’অর দেওয়া উচিত নয়। তার মতে, ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স ও একজন খেলোয়াড়ের দীর্ঘমেয়াদি প্রভাবও বিবেচনায় রাখা জরুরি।

এখন অপেক্ষা ২৬ অক্টোবরের। ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সে এগিয়ে থাকা এমবাপে, নাকি দলীয় সাফল্যের কারণে পিএসজির কোনো তারকা—শেষ পর্যন্ত কার হাতে উঠবে ফুটবলের কাঙ্ক্ষিত ‘সোনার বল’, সেটিই দেখার বিষয়।

Click to comment

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনায় বিশ্ববাজারে আরও বাড়ল তেলের দাম

অনলাইন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন করে সামরিক সংঘাতের আশঙ্কা এবং মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল সরবরাহে সম্ভাব্য বিঘ্নের প্রভাবে বিশ্ববাজারে অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম আরও বেড়েছে। চলতি সপ্তাহে তেলের দামের এই ঊর্ধ্বগতি জুলাইয়ের মাঝামাঝির পর সবচেয়ে বড় সাপ্তাহিক বৃদ্ধি হিসেবে দেখা দিয়েছে।

আন্তর্জাতিক বাজারের বেঞ্চমার্ক ব্রেন্ট ক্রুডের ভবিষ্যৎ সরবরাহমূল্য ব্যারেলপ্রতি ২৬ সেন্ট বেড়ে ৯৫ দশমিক ৯৩ ডলারে উঠেছে। একই সময়ে মার্কিন বেঞ্চমার্ক ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) অপরিশোধিত তেলের দাম ৩২ সেন্ট বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৯১ দশমিক ৮৮ ডলারে লেনদেন হচ্ছে।

বাজার বিশ্লেষণ অনুযায়ী, গত এক সপ্তাহে ব্রেন্টের দাম ৭ শতাংশের বেশি এবং ডব্লিউটিআইয়ের দাম ৯ শতাংশের বেশি বেড়েছে। এর আগে ২০ জুলাইয়ের পর কোনো একক সপ্তাহে তেলের বাজারে এত বড় সাপ্তাহিক উত্থান দেখা যায়নি।

বাজার সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, মধ্যপ্রাচ্যে ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা দীর্ঘস্থায়ী হলে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম আরও কয়েক দিন ঊর্ধ্বমুখী থাকতে পারে।

সূত্র: অয়েল প্রাইস ডটকম

Click to comment

গাজা থেকে ফিলিস্তিনিদের সরিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা

অনলাইন ডেস্ক

গাজা উপত্যকা থেকে সব ফিলিস্তিনিকে অন্য দেশে সরিয়ে দেওয়ার একটি পরিকল্পনা প্রকাশ করেছেন ইসরায়েলের কট্টর ডানপন্থী নেতা ও জাতীয় নিরাপত্তামন্ত্রী ইতামার বেন গাভির। আসন্ন ইসরায়েলি নির্বাচনের প্রচারণার অংশ হিসেবে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এ পরিকল্পনার কথা জানান।

বেন গাভিরের প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রথম বছরেই গাজা থেকে প্রায় আড়াই লাখ ফিলিস্তিনিকে সরিয়ে নেওয়া হবে। পরবর্তী ছয় বছরের মধ্যে অঞ্চলটির বাকি বাসিন্দাদেরও স্থানান্তরের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে কোন কোন দেশ গাজাবাসীদের গ্রহণ করতে প্রস্তুত—সে বিষয়ে নির্দিষ্ট করে কিছু বলেননি তিনি।

তার দল ‘জুইশ পাওয়ার’ আগামী সরকার গঠিত হলে ‘অভিবাসনবিষয়ক নতুন মন্ত্রণালয়’ গঠনের দাবি জানাবে বলেও জানান বেন গাভির। তার দাবি, প্রায় দেড় বছর গবেষণার পর ২০ পৃষ্ঠার পরিকল্পনাটি তৈরি করা হয়েছে। নথিটির নাম দেওয়া হয়েছে ‘গাজা উপত্যকা থেকে স্বেচ্ছায় অভিবাসনের জাতীয় কর্মপরিকল্পনা’।

তবে ‘স্বেচ্ছায়’ অভিবাসনের কথা বলা হলেও পরিকল্পনাটি নিয়ে তীব্র বিতর্ক রয়েছে। আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী, অধিকৃত ভূখণ্ডের বেসামরিক জনগোষ্ঠীকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত করা নিষিদ্ধ।

বেন গাভিরের বক্তব্যের কয়েক দিন আগেই ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজও গাজা থেকে ফিলিস্তিনিদের সরিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়ে কথা বলেন। তার দাবি, এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের ট্রাম্প প্রশাসনের অনুমোদন পাওয়ার চেষ্টা করছে ইসরায়েল।

এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও গাজার প্রায় ২০ লাখ বাসিন্দাকে সরিয়ে অঞ্চলটি পুনর্গঠনের একটি প্রস্তাব দিয়েছিলেন। ওই প্রস্তাব আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দেয়।

এদিকে অক্টোবরের ইসরায়েলি সাধারণ নির্বাচন সামনে রেখে বেন গাভিরের এমন বক্তব্যকে চরম ডানপন্থী ও জাতীয়তাবাদী ভোটারদের আকৃষ্ট করার প্রচেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

অন্যদিকে, ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু সম্প্রতি গাজার একটি সামরিক অবস্থান পরিদর্শন করে জানান, গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর নিয়ন্ত্রণাধীন অঞ্চল থেকে তারা সরে যাবে না। ইসরায়েলি সামরিক কর্মকর্তাদের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে গাজার প্রায় ৬৫ শতাংশ এলাকা ইসরায়েলি বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

Click to comment

শাবিপ্রবি’র ১ম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা ২৬ ও ২৭ জানুয়ারি

শাবিপ্রবি প্রতিনিধি

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদালয়ের (শাবিপ্রবি) ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা করা হয়েছে। আগামী বছরের ২৬ ও ২৭ জানুয়ারি এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

আজ বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার কালাম আহমেদ চৌধুরী।

তিনি জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি সংক্রান্ত কমিটির সভায় আলোচনা শেষে ভর্তি পরীক্ষার এই তারিখ নির্ধারণ করা হয়। পরীক্ষার সময়সূচি, আবেদন প্রক্রিয়া ও ইউনিটভিত্তিক বিস্তারিত তথ্য পরবর্তীতে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের জানিয়ে দেওয়া হবে।

Click to comment

শাবি প্রেসক্লাবের উদ্যােগে ‘সাংবাদিকতায় মুক্তপাঠ’ তৃতীয় আসর অনুষ্ঠিত

শাবিপ্রবি প্রতিনিধি

‎সাংবাদিকদের দক্ষতা ও পেশাগত মানোন্নয়নের লক্ষে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) কর্মরত সাংবাদিকদের সংগঠন শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয় প্রেসক্লাবের উদ্যােগে মাসিক পাঠচক্র ‘সাংবাদিকতায় মুক্তপাঠ’ তৃতীয় আসর অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেসক্লাবের সম্মেলন কক্ষে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে রিসোর্স পার্সন হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউএস বাংলা এয়ারলাইনস এর জেনারেল ম্যানাজার (জনসংযোগ) ও ঢাকাপোস্ট এর ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মো. কামরুল ইসলাম।
‎‎
কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন শাবি প্রেসক্লাবের সভাপতি নোমান ফয়সাল ও সঞ্চালনা করেন সাধারণ সম্পাদক নুর আলম।

কর্মশালায় ‘সাংবাদিকতায় কমিউনিকেশন ও নেটওয়ার্কিং’ নিয়ে বিস্তর আলোচনা করা হয়। এতে সাংবাদিকতায় যোগাযোগ রক্ষা, দক্ষতা উন্নয়ন এবং নেটওয়ার্কিং বৃদ্ধির উপায় নিয়ে আলোচনা করা হয়।
‎‎
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন শাবি প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি সৈকত মাহাবুব, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাগর হাসান শুভ্র, দপ্তর সম্পাদক মোফাজ্জল হক, কার্যকরী সদস্য ইকবাল হোসেন, মাঈন উদ্দিন, নাদির আহমেদ, সদস্য ইসফাক আলি, কাজী মু. আতহার ও হিমেল হান্নান।

Click to comment

বেরোবিতে যৌন ও জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

বেরোবি প্রতিনিধি

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর-এ “পাবলিক স্পেস, কর্মক্ষেত্র ও তৃতীয় স্তরের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যৌন ও জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা প্রতিরোধ” শীর্ষক এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বুধবার (০২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সভাকক্ষে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ শওকাত আলী।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ শওকাত আলী বলেন, “পাবলিক স্পেস, কর্মক্ষেত্র এবং উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যৌন ও জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা বন্ধ করা কেবল একটি সামাজিক দায়িত্ব নয়, এটি আমাদের প্রত্যেকের নৈতিক অঙ্গীকার। মহীয়সী নারী বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের নামে প্রতিষ্ঠিত এই বিশ্ববিদ্যালয়ে নারী অধিকার, শিক্ষা ও নিরাপত্তার পক্ষে সোচ্চার থাকা আমাদের প্রাতিষ্ঠানিক ও নৈতিক দায়িত্ব।

উপাচার্য দেশে ইভটিজিং, অনলাইন সাইবার হয়রানির বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, কেবল আইন বা প্রাতিষ্ঠানিক নীতিমালাই যথেষ্ট নয়, বরং মানসিকতার পরিবর্তন ও প্রাতিষ্ঠানিক জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা জরুরি। তিনি আরও বলেন, “আমাদের লক্ষ্য এমন একটি নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ ক্যাম্পাস গড়ে তোলা, যেখানে কোনো নারী, শিক্ষার্থী বা কর্মী ভয়ের মধ্যে থাকবেন না। সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমরা একটি নিরাপদ, সমতাভিত্তিক ও মানবিক সমাজ গড়ে তুলতে সক্ষম হব।”

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বেরোবি যৌন হয়রানি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি গণিত বিভাগের প্রফেসর ড. মোঃ তাজুল ইসলাম। বেরোবি যৌন হয়রানি প্রতিরোধ কমিটির সদস্য সচিব এবং ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা দপ্তরের পরিচালক প্রফেসর ড. মোঃ ইলিয়াছ প্রামানিকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ইউএন ওমেন বাংলাদেশ এর প্রোগ্রাম এনালিস্ট তশিবা কাশেম, আইন ও শালিস কেন্দ্রের উপদেষ্টা মুবারক মোহাম্মদসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা নিরসনে সচেতনতামূলক কর্মশালা এবং সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান।

Click to comment