Connect with us

Mostbet Onlayn Kazino və İdman Mərcləri: Azərbaycan üçün İmkanlar

Mostbet-ə Qeydiyyat Prosesi

Mostbet onlayn kazino və idman mərcləri platforması, Azərbaycan istifadəçiləri üçün asan və rahat qeydiyyat prosesi təqdim edir. İstifadəçilər, yalnız e-poçt ünvanı, telefon nömrəsi və şifrə daxil edərək sürətlə qeydiyyatdan keçə bilərlər.

Qeydiyyatdan sonra, istifadəçilər yeni hesablarına daxil olub, müxtəlif oyunlara və idman mərclərinə daxil ola bilərlər. Həmçinin, müştəri dəstəyi ilə əlaqə saxlamaq mümkündür, bu da istifadəçilər üçün əlavə rahatlıq yaradır.

Bonuslar və Təkliflər

Mostbet, yeni müştərilər üçün cazibədar bonus təklifləri ilə tanınır. Qeydiyyatdan keçdikdən sonra, istifadəçilərə ilk depozitlərinə görə bonuslar təqdim olunur. Bu bonuslar, istifadəçilərin oyun təcrübələrini artırmaq üçün əla bir imkan yaradır.

Bonuslar yalnız yeni müştərilər üçün deyil, eyni zamanda mövcud müştərilər də müxtəlif promosyonlardan yararlana bilərlər. Bu promosyonlar, aylıq bonuslar, cashback və digər mükafatları əhatə edir.

İdman mərcləri sahəsində də Mostbet, müxtəlif idman növlərinə və hadisələrə mərclər qoymaq imkanı təqdim edir. Bu, futbol, basketbol, tennis və daha çox idman növlərini əhatə edir. mostbet ios

Mobil Tətbiq və İstifadə Rahatlığı

Mostbet-in mobil tətbiqi, istifadəçilərin oyunlara və mərclərə istənilən yerdən daxil olmalarını təmin edir. Mobil tətbiq, intuitiv interfeysə malikdir və istifadəçilərə sürətli və asan naviqasiya imkanı tanıyır.

Mobil tətbiq vasitəsilə, istifadəçilər həmçinin depozit edə, mərclər qoya və qazanclarını çıxara bilərlər. Mostbet minimum withdrawal məbləği, istifadəçilərin asanlıqla pul çıxara bilmələri üçün nəzərdə tutulmuşdur. mostbet minimum withdrawal

Yekun olaraq, Mostbet onlayn kazino və idman mərcləri, Azərbaycanın oyunsevərləri üçün geniş imkanlar təqdim edir. Qeydiyyat, bonuslar, mobil tətbiq və rahat depozit/çıxarış prosesi ilə, Mostbet müasir istifadəçilərin tələblərinə cavab verir.

ছাত্রশিবিরকে বিদায় জানালেন সাদিক কায়েম?

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের রাজনীতি ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের ভিপি ও সংগঠনটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক সাদিক কায়েম। আজ সোমবার (১৩ জুলাই) তিনি নিজেই গণমাধ্যমকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। 

সাদিক কায়েম জানিয়েছেন, ছাত্রশিবিরের বছরে দুইবার সেটআপ হয়। ২০২৬ সালের ষাণ্মাসিক সেটআপে আমার বিদায় হয়েছে।

উল্লেখ্য, সাদিক কায়েম ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ঘোষিত হয়েছেন আরও দুই মাস আগে। গত ১ মে রাজধানীর কাকরাইলের ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ (আইডিইবি) কাউন্সিল হলে আয়োজিত থানা ও বিভাগীয় দায়িত্বশীল সম্মেলনে এ ঘোষণা দেওয়া হয়।

এই ঘোষণার পর ছাত্রশিবিরের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ছাত্রশিবিরের পদে থেকে কোনো রাজনৈতিক দলের পক্ষে নির্বাচন করার সুযোগ নেই।

Click to comment

বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনার শতভাগ সাফল্য, ইতিহাস কি বদলাতে পারবে ইংল্যান্ড?

স্পোর্টস ডেস্ক

বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে এখন পর্যন্ত কখনো হারেনি আর্জেন্টিনা। ইতিহাসে পাঁচবার শেষ চারে উঠে প্রতিবারই ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে আলবিসেলেস্তেরা। এবার সেই রেকর্ড ধরে রাখতে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে মাঠে নামবে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

বিশ্বকাপের শেষ চারের লড়াইয়ে এবার মুখোমুখি হচ্ছে আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড ও স্পেন-ফ্রান্স। শিরোপার দৌড়ে চার দলের লড়াই ঘিরে ফুটবলপ্রেমীদের আগ্রহ তুঙ্গে থাকলেও সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রয়েছে আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড দ্বৈরথ।

সাম্প্রতিক দুই দেখায় ইংল্যান্ড এগিয়ে থাকলেও বিশ্বকাপের ইতিহাসে দুই দলের লড়াই বরাবরই আলাদা গুরুত্ব বহন করে। বিশেষ করে ১৯৮৬ বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে দিয়েগো ম্যারাডোনার ‘হ্যান্ড অব গড’ গোল এবং পরে করা অসাধারণ একক গোল আজও ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম আলোচিত অধ্যায়।

তবে ইংল্যান্ডের জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ আর্জেন্টিনার সেমিফাইনাল রেকর্ড। ১৯৩০ বিশ্বকাপ থেকে শুরু করে ২০১৪ ও ২০২২—বিশ্বকাপে যতবার সেমিফাইনালে উঠেছে, প্রতিবারই জয় নিয়ে ফাইনালে পৌঁছেছে আর্জেন্টিনা। পাঁচবারের পাঁচবারই শেষ চারের বাধা পেরিয়েছে তারা।

অবশ্য অতীতের পরিসংখ্যান মাঠের ফল নির্ধারণ করে না। তবুও সেমিফাইনালে অপরাজিত থাকার ইতিহাস বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের আত্মবিশ্বাস বাড়াবে বলেই মনে করছেন ফুটবল বিশ্লেষকরা। অন্যদিকে, দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে সেই ইতিহাস বদলে ফাইনালে উঠতে মরিয়া ইংল্যান্ড।

এখন দেখার বিষয়, সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনার শতভাগ সাফল্যের রেকর্ড অক্ষুণ্ন থাকে, নাকি নতুন ইতিহাস গড়ে ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করে ইংল্যান্ড।

Click to comment

সুপ্রিম কোর্টের স্থগিতাদেশে স্বস্তিতে বিজয় সরকার, গরু জবাইয়ে হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা আপাতত কার্যকর নয়

ডিজিটাল ডেস্ক

তামিলনাড়ুতে ঈদুল আজহাসহ অন্যান্য সময়ে গরু ও বাছুর জবাইয়ের ওপর মাদ্রাজ হাইকোর্টের দেওয়া নিষেধাজ্ঞার রায়ের কার্যকারিতা স্থগিত করেছেন ভারতের সুপ্রিম কোর্ট। একই সঙ্গে সর্বোচ্চ আদালত মন্তব্য করেছেন, হাইকোর্টের ওই রায়ে সংশোধনের প্রয়োজন রয়েছে। এতে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করা তামিলনাড়ু সরকারের জন্য বড় আইনি স্বস্তি তৈরি হয়েছে।

সোমবার (১৩ জুলাই) দেওয়া এ আদেশে সুপ্রিম কোর্ট মাদ্রাজ হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞার ওপর স্থগিতাদেশ জারি করেন। অভিনেতা থেকে রাজনীতিক হওয়া বিজয় থালাপাতির নেতৃত্বাধীন তামিলগা ভেট্রি কাজাগাম (টিভিকে) সরকারের করা আপিলের শুনানিতে এ আদেশ আসে।

এর আগে গত ২৭ মে মাদ্রাজ হাইকোর্টের একটি ডিভিশন বেঞ্চ ১৯৭৬ সালের একটি সরকারি আদেশ বাস্তবায়নের মাধ্যমে তামিলনাড়ুজুড়ে গরু জবাই সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ করার নির্দেশ দিয়েছিল।

হাইকোর্টের ওই রায়কে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়, বিদ্যমান আইনে নির্দিষ্ট শর্ত ও নির্দিষ্ট স্থানে কিছু শ্রেণির গবাদিপশু জবাইয়ের অনুমতি রয়েছে। তাই প্রচলিত আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক এমন বিচারিক নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখা যুক্তিসংগত নয়।

মাদ্রাজ হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে বিচারপতি জি. আর. স্বামীনাথন ও বিচারপতি ভি. লক্ষ্মীনারায়ণন রায়টি দিয়েছিলেন। রায়ে ভারতীয় সংবিধানের ৪৮ নম্বর অনুচ্ছেদের উল্লেখ করে গো-সম্পদ সংরক্ষণ এবং দুগ্ধ উৎপাদন বৃদ্ধির বিষয়টি গুরুত্ব দেওয়া হয়। পাশাপাশি ভারতীয় ঐতিহ্যে গরুর ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক গুরুত্বের কথাও তুলে ধরা হয়েছিল।

তবে ওই রায়ের বিরোধিতা করে সংখ্যালঘু সম্প্রদায় ও স্থানীয় বিভিন্ন সংগঠনের নেতারা বলেন, তামিলনাড়ুতে মুসলিম সম্প্রদায় দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় নিয়ম মেনে ঈদুল আজহায় কোরবানি দিয়ে আসছে। একই সঙ্গে অনেক হিন্দু মন্দিরেও ঐতিহ্যগতভাবে পশু বলির প্রচলন রয়েছে। এসব ধর্মীয় আচার শুধু লাইসেন্সপ্রাপ্ত কসাইখানায় সীমাবদ্ধ করা বাস্তবসম্মত নয় বলেও তারা মত দেন।

তামিলনাড়ু সরকারের পক্ষ থেকেও আদালতকে জানানো হয়, রাজ্যে বিদ্যমান পশু সংরক্ষণ আইন ও কসাইখানা-সংক্রান্ত বিধিমালায় পশু জবাইয়ের স্থান ও শর্ত নির্ধারণ করা থাকলেও সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞার কোনো বিধান নেই।

সূত্র: এনডিটিভি ও ভারতীয় গণমাধ্যম

Click to comment

এক বছরে ৪১ লাখ পরিবার পাবে ফ্যামিলি কার্ড

বরিশাল প্রতিনিধি

আগামী এক বছরের মধ্যে দেশের ৪১ লাখ পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনার ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, নতুন বাজেটে এ কর্মসূচির জন্য প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ রাখা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে দেশের সব পরিবারকে এ সুবিধার আওতায় আনা হবে।

সোমবার (১৩ জুলাই) সকাল সাড়ে ১০টায় বরিশালের গৌরনদী উপজেলার বাটাজোর অশ্বিনী কুমার ইনস্টিটিউট মাঠে ফ্যামিলি কার্ডধারী পরিবারের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি জানান, দেশে প্রায় চার কোটি পরিবার রয়েছে। নির্বাচনী ইশতেহারের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে প্রতিটি পরিবারের নারী প্রধানের হাতে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দেওয়া হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, গৌরনদীতে আজ ৬০০ পরিবার ফ্যামিলি কার্ড পেয়েছে। পর্যায়ক্রমে উপজেলার বাকি পরিবারগুলোকেও এ কর্মসূচির আওতায় আনা হবে।

তিনি আরও বলেন, সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর যে বাজেট হাতে পেয়েছে, সেটি আগের সরকারের প্রণীত ছিল। ফলে সেখানে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির জন্য কোনো বরাদ্দ ছিল না। তবে নতুন বাজেটে এ কর্মসূচি বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

তারেক রহমান জানান, আগামী এক বছরের মধ্যে সারা দেশে ৪১ লাখ পরিবারের হাতে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে দেওয়া হবে। সে অনুযায়ী প্রতিটি উপজেলায় গড়ে প্রায় সাত হাজার পরিবার এ সুবিধা পাবে। আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে দেশের সব পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে বলেও জানান তিনি।

নারীর ক্ষমতায়নের বিষয়েও গুরুত্বারোপ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের উন্নয়নে নারীদের শিক্ষা ও অর্থনৈতিক স্বাবলম্বিতা নিশ্চিত করা জরুরি। এ লক্ষ্যে উচ্চশিক্ষা পর্যন্ত বিনামূল্যে শিক্ষা এবং মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য বৃত্তির ব্যবস্থা করার পরিকল্পনা রয়েছে।

তিনি বলেন, শিক্ষার পাশাপাশি নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করতেই ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি চালু করা হয়েছে।

সভা শেষে সকাল ১০টা ৫৪ মিনিটে বাটাজোর থেকে বরিশালের উদ্দেশে রওনা দেন প্রধানমন্ত্রী।

Click to comment

আমার ব্যবহৃত টিস্যু আমার পকেটেই থাকে: প্রধানমন্ত্রী

দেশকে পরিচ্ছন্ন রাখতে নাগরিকদের সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ছোট ছোট ব্যক্তিগত অভ্যাসের পরিবর্তনের মাধ্যমেই একটি পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব।

এর উদাহরণ দিতে গিয়ে নিজের ব্যবহৃত টিস্যু সবসময় পকেটে জমিয়ে রেখে পরে নির্ধারিত জায়গায় ফেলার অভ্যাস গড়ে তোলার কথা বলেছেন তিনি।

সোমবার সকালে বরিশালের গৌরনদী উপজেলার সরিকল-বাটাজোর খালের পাড়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করে স্থানীয় বাসিন্দাদের উদ্দেশে এসব কথা বলেন সরকারপ্রধান।

নিজের অভ্যাসের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমার পকেটে যদি হাত দেন, এই দেখেন টিস্যু বের হবে আমার পকেট থেকে। এই টিস্যু একটু আগে মাটি ধরে হাত ধুয়ে ব্যবহার করেছি, সেটা পকেটে রেখেছি। এখানে টিস্যুটা ফেললে তাহলে তো আমি আপনাদের যা বলছি আমি নিজেই সেটা মানলাম না।

“সেজন্য ছোটবেলা থেকে আমি অভ্যাস করে নিয়েছি, যখন আমি টিস্যু ব্যবহার করি, তা আমি আমার পকেটের মধ্যে রেখে দিই। আমার যে কোনো প্যান্টের পকেটে হাত দিলেই দেখা যাবে টিস্যু বের হয়ে আসবে।”

তিনি বলেন, “সারাদিনে সব টিস্যু প্যান্টের পকেটে জমা হয়। রাতে যখন আমি বাসায় যাই, ডাস্টবিনের মধ্যে বা যেখানে ময়লা ফেলা থাকে, সেখানে আমি টিস্যুগুলা নিয়ে ফেলে দিই, সারাদিনের ব্যবহৃত টিস্যু।”

তারেক রহমান বলেন, এ ধরনের ছোট ছোট অভ্যাস গড়ে তুলতে পারলে দেশকে পরিচ্ছন্ন রাখা অনেক সহজ হবে।

“আমরা যদি সকলে মিলে চেষ্টা করি, আজকে থেকে এই অভ্যাসটি আমরা সকলে মিলে তৈরি করতে পারব। এই অভ্যাসটা যদি আমরা প্রত্যেকটা মানুষ গড়ে তুলতে পারি, তাহলে আমরা একটা সুন্দর পরিষ্কার একটা দেশ গড়ে তুলতে পারব, এই দেশের পরিবেশ সুন্দর হবে।”

‘অন্য কেউ এসে পরিষ্কার করে দেবে না’

দেশকে পরিচ্ছন্ন রাখতে নাগরিকদের আরও সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পরিবেশ রক্ষা ও দেশকে পরিচ্ছন্ন রাখার দায়িত্ব সবার।

তিনি বলেন, “আমি সমগ্র দেশের মানুষকে অনুরোধ করব, আসুন আমরা চেষ্টা করি, যেখানে-সেখানে যেন আবর্জনা না ফেলি। আমাদের কোনো একটা ব্যবহারের জিনিস…. পানি খেলাম পানির বোতলটা খালি হয়ে গেল, আমরা যেখানে সেখানে ফেলে না দিই।

“কোনো একটা প্যাকেটে করে আমরা কিছু নিয়ে যাচ্ছি, জিনিসটা যখন বের করলাম, প্যাকেটটার প্রয়োজনীয়তা ফুরিয়ে গেল, আমরা প্যাকেটটা যেখানে-সেখানে ফেলে দিচ্ছি। এতে করে আমাদের পরিবেশটা নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।”

তিনি বলেন, পরিবেশ দূষিত হলে শেষ পর্যন্ত তার ক্ষতি মানুষেরই হয় এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মও এর নেতিবাচক প্রভাব বহন করবে।

তার ভাষায়, “আমরা যদি নিজের ঘর নিজে পরিষ্কার না রাখি, নিজের দেশকে নিজে যদি ঠিক না করি, নিজের দেশটাকে যদি পরিষ্কার না রাখি, বাইরে থেকে কেউ এসে আমাদের দেশকে পরিষ্কার করে দেবে না।

“আমরা যখন ছবিতে টেলিভিশনে অন্যান্য দেশের ছবি দেখি, আমরা মাঝে মাঝে বলি না? ‘আহা ওদের রাস্তাঘাট কি সুন্দর!’ আমাদের দেশটাকে যদি সুন্দর করতে হয় তাহলে আমাদের সবাইকে চেষ্টা করতে হবে।”

‘দেশটাকেও নিজের ঘরের মতো ভাবতে হবে’

সরিকল-বাটাজোর খালে ভাসমান দুটি প্লাস্টিকের বোতলের দিকে উপস্থিত সবার দৃষ্টি আকর্ষণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কয়েকজন মানুষ পরিষ্কার রাখলেও অন্যরা যদি নিয়মিত ময়লা ফেলেন, তাহলে কোনো স্থানই পরিচ্ছন্ন রাখা সম্ভব নয়।

তিনি বলেন, “দেশটাও তো ঘরের মতই। কয়েকজন যদি শুধু পরিষ্কার করে, আর সবাই শুধু ময়লা করতে থাকে, তাহলে তো পরিষ্কার রাখা সম্ভব না। আমাদের সকলে মিলে পরিষ্কার করতে হবে। যেখানে ময়লা ফেলার জায়গা, সেই ময়লাটা সেখানেই ফেলতে হবে।”

তারেক রহমান বলেন, বাজার, সড়ক ও জনসমাগমস্থলে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা আবর্জনা যেমন পরিবেশের ক্ষতি করে, তেমনি দেশের সৌন্দর্যও নষ্ট করে।

“ময়লা দেখতে কারো ভালো লাগে? ময়লা হলে কী হয়? পরিবেশটা ময়লা হয়ে যায়, দেখতেও ভালো লাগে না। তাহলে আসুন আমাদের দেশের যত্ন আমাদেরকে নিতে হবে, আমাদের দেশকে গড়ে তুলতে হবে আমাদেরকেই।”

তিনি বলেন, “আমরা যদি সবাই মিলে চেষ্টা করি, সবাই মিলে আমরা যদি সচেতন হই, তাহলে আমরা আমাদের পরিবেশটা সুন্দর করতে পারব। আমরা যদি আমাদের পরিবেশটা সুন্দর করতে পারি, আমাদের ভবিষ্যৎ বংশধররা একটা সুন্দর জায়গায় থাকতে পারবে।”

বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে উপস্থিত সবাইকে পরিবেশ সংরক্ষণ ও পরিচ্ছন্নতা রক্ষার অঙ্গীকার করার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, “আসুন আজকে এই বৃক্ষরোপণের দিনে আমরা সকলে মিলে প্রতিজ্ঞা করি, আমরা আমাদের স্ব স্ব অবস্থান থেকে প্রত্যেকটি মানুষ যতটুকু সম্ভব আমরা চেষ্টা করব, আমাদের আশপাশের পরিবেশের প্রতি আমরা যত্ন নেব। আমরা চেষ্টা করব আমাদের আশপাশের ঘরবাড়ি রাস্তাঘাট যতটুকু সম্ভব পরিবেশটি রক্ষা করার জন্য, পরিবেশটিকে পরিষ্কার রাখার জন্য।”

স্থানীয় সংসদ সদস্য এবং তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন।

Click to comment

ইংল্যান্ড ম্যাচে নীল জার্সিতে খেলতে চায় আর্জেন্টিনা

ডিজিটাল ডেস্ক

বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ঐতিহ্যবাহী সাদা-আকাশি হোম জার্সির পরিবর্তে নীল অ্যাওয়ে জার্সিতে মাঠে নামতে চায় আর্জেন্টিনা। এ জন্য বিশ্ব ফুটবলের নিয়ন্ত্রক সংস্থা ফিফার কাছে বিশেষ অনুমতি চেয়েছে আলবিসেলেস্তেরা। এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত মঙ্গলবার জানা যেতে পারে।

সুইজারল্যান্ডকে ৩-১ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে জায়গা নিশ্চিত করেছে আর্জেন্টিনা। ফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে আটলান্টায় ইংল্যান্ডের মুখোমুখি হবে লিওনেল স্কালোনির দল। গুরুত্বপূর্ণ এই ম্যাচকে সামনে রেখে জার্সি পরিবর্তনের উদ্যোগ নিয়েছে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

আর্জেন্টাইন সাংবাদিক গাস্তন এদুলের তথ্য অনুযায়ী, ইংল্যান্ডের বিপক্ষে নীল অ্যাওয়ে জার্সিতে খেলতে ফিফার কাছে অনুমতি চেয়েছে আর্জেন্টিনা। রোববার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি জানান, বিষয়টি এখন ফিফার বিবেচনায় রয়েছে।

এখনও এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো সিদ্ধান্ত জানায়নি ফিফা। তবে এদুলের দাবি, মঙ্গলবার জার্সি পরিবর্তনের আবেদন নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

চলতি বিশ্বকাপে এখন পর্যন্ত একবারই নীল অ্যাওয়ে জার্সি পরে খেলেছে আর্জেন্টিনা। গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে জর্ডানের বিপক্ষে ওই জার্সিতে মাঠে নেমে ৩-১ গোলের জয় পেয়েছিল লিওনেল মেসির দল। এবার ইংল্যান্ডের বিপক্ষেও একই জার্সিতে মাঠে নামতে পারবে কি না, তা নির্ভর করছে ফিফার অনুমোদনের ওপর।

Click to comment

দেশে স্বর্ণের দামে পতন, ভরি কত

দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম ২ হাজার ২১৬ টাকা কমিয়ে ভ্যাটসহ ২ লাখ ২১ হাজার ৯৬৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

সোমবার (১৩ জুলাই) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। নতুন এ মূল্য সকাল ১০টা থেকেই কার্যকর হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস জানায়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম কমে যাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় ভ্যাটসহ স্বর্ণের নতুন মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

নতুন মূল্যতালিকা অনুযায়ী, ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ১১ হাজার ৯৯৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮২ হাজার ৭৫ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৪৮ হাজার ৭৭৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বাজুস জানিয়েছে, পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত দেশের সব জুয়েলারি প্রতিষ্ঠানে এ দাম কার্যকর থাকবে। তবে অলঙ্কারের নকশা অনুযায়ী মজুরি প্রযোজ্য হবে। স্বর্ণালঙ্কার ও রৌপলঙ্কারের বিক্রয়মূল্যের মধ্যেই ভ্যাট অন্তর্ভুক্ত থাকায় গ্রাহকদের কাছ থেকে আলাদাভাবে ভ্যাট আদায় করা যাবে না। এছাড়া ভ্যাট, মজুরি ও পাথরের মূল্য বাদ দিয়ে অলঙ্কার এক্সচেঞ্জ ও পারচেজের ক্ষেত্রে বাজুসের বিদ্যমান নীতিমালাই বহাল থাকবে।

এর আগে, গত ১০ জুলাই স্বর্ণের দাম ২ হাজার ২১৬ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২৪ হাজার ১৮২ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। তখন ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ছিল ২ লাখ ১৪ হাজার ৯৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ১ লাখ ৮৩ হাজার ৮৮৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের দাম ছিল ১ লাখ ৫০ হাজার ২৩২ টাকা। ওই মূল্যও কার্যকর হয়েছিল ১০ জুলাই সকাল ১০টা থেকে।

সবশেষ এই সমন্বয়ের মাধ্যমে চলতি বছরে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম মোট ৯০ বার সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ৪৪ বার দাম বেড়েছে, ৪৫ বার কমেছে এবং একবার ভ্যাট সমন্বয় করা হয়েছে। অন্যদিকে, ২০২৫ সালে স্বর্ণের দাম মোট ৯৩ বার সমন্বয় করা হয়েছিল; এর মধ্যে ৬৪ বার বেড়েছিল এবং ২৯ বার কমেছিল।

স্বর্ণের পাশাপাশি রুপার দামও কমিয়েছে বাজুস। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম ১১৭ টাকা কমিয়ে ৪ হাজার ৬০৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপার দাম ৪ হাজার ৩৭৪ টাকা, ১৮ ক্যারেটের ৩ হাজার ৭৯১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপার দাম ২ হাজার ৮৫৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

চলতি বছরে এখন পর্যন্ত রুপার দাম মোট ৫৬ বার সমন্বয় করা হয়েছে। এর মধ্যে ২৮ বার দাম বেড়েছে এবং ২৮ বার কমেছে। আর ২০২৫ সালে রুপার দাম মোট ১৩ বার সমন্বয় করা হয়েছিল; এর মধ্যে ১০ বার বেড়েছিল এবং ৩ বার কমেছিল।

Click to comment

রাজধানীর সড়কে জলাবদ্ধতা, সতর্কবার্তা ট্রাফিক পুলিশের

স্টাফ রিপোর্টার

রাজধানীতে টানা ভারী বৃষ্টিতে বিভিন্ন সড়কে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। এতে যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় নগরবাসীকে সময় হাতে নিয়ে বের হওয়ার এবং সম্ভব হলে বিকল্প সড়ক ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছে ট্রাফিক পুলিশ।

সোমবার (১৩ জুলাই) সকালে ট্রাফিক পুলিশের গুলশান বিভাগের এক বার্তায় এ পরামর্শ দেওয়া হয়।

ট্রাফিক পুলিশ জানায়, কয়েক দিনের টানা বৃষ্টির কারণে রাজধানীর বিভিন্ন নিচু এলাকায় পানি জমে রয়েছে। সোমবার সকালেও বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকায় কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সড়কে যান চলাচল ধীরগতির হয়ে পড়ে।

বনানী কবরস্থান-সংলগ্ন ঢাকা গেট এলাকার উভয়মুখী সড়কে জলাবদ্ধতার কারণে যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে। একই সঙ্গে বনানী-কাকলী এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের নামার র‍্যাম্পেও পানি জমে থাকায় সেখানে যানবাহন ধীরগতিতে চলাচল করছে।

এ ছাড়া ইসিবি এলাকায় ক্যান্টনমেন্ট গার্লস স্কুলের সামনে পানি জমে থাকায় মিরপুর ডিওএইচএস, কালশি ও মাটিকাটা ফ্লাইওভারের দিকে যাওয়া যানবাহনের গতি কমে গেছে। যমুনা ফিউচার পার্ক-সংলগ্ন সড়কে বৃষ্টির পানি জমার পাশাপাশি ঢাকা ওয়াসার পাইপলাইন স্থাপনের কাজ চলায় ওই এলাকাতেও যান চলাচলে ধীরগতি দেখা দিয়েছে।

পরিস্থিতি বিবেচনায় গন্তব্যে পৌঁছাতে অতিরিক্ত সময় হাতে রাখা, বিকল্প সড়ক ব্যবহার এবং ট্রাফিক পুলিশের নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে ট্রাফিক পুলিশ।

Click to comment

ইউটিএল সাস্ট চ্যাপ্টারের আলোচনা সভা: ‘জুলাই-উত্তর বাংলাদেশের দুই বছর: প্রত্যাশা ও প্রাপ্তির দ্বৈরথ’

শাবিপ্রবি প্রতিনিধি

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা ধারণ করে গড়ে উঠা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের সংগঠন ইউনিভার্সিটি টিচার্স লিংক (ইউটিএল), সাস্ট চ্যাপ্টারের উদ্যোগে ‘জুলাইত্তোর বাংলাদেশের দুই বছর প্রত্যাশা ও প্রাপ্তির দ্বৈরথ’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার (১১জুলাই)  সিলেটের জিন্দাবাজার আল হামরা শপিং সিটির রিচমন্ড হোটেলে সকাল ১০টায় এই সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানের শুরুতে দারসুল কুরআন পাঠ করেন শায়েখ সাঈদ বিন নূরুজ্জামান। এরপর মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন শাবিপ্রবি’র নৃবিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক খলীলুল্লাহ মুহাম্মাদ বায়েজীদ এবং বাংলা বিভাগের প্রভাষক মুহা. জাকির হোসাইন।

পঠিত প্রবন্ধের ওপর আলোচক হিসেবে তথ্যবহুল ও বস্তুনিষ্ঠ আলোচনা রাখেন যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি

বিশ্ববিদ্যালয়ের (যবিপ্রবি) সাবেক কোষাধ্য¶ অধ্যাপক ড. হোসেন আল মামুন এবং শাবিপ্রবি-র পলিটিক্যাল স্টাডিজ বিভাগের বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ড. মোঃ নজরুল ইসলাম। 

আলোচনায় অধ্যাপক ড. হোসেন আল মামুন বলেন, ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের সময় গণতন্ত্রের পক্ষে অবস্থান নেওয়া বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক শক্তি মতপার্থক্য ও বিভেদ ভুলে একত্রে সংগ্রাম করেছিল। দেশের গণতন্ত্রকে সুসংহত করতে ভবিষ্যতেও তেমন জাতীয় ঐক্যের প্রয়োজন হতে পারে। তিনি আরও বলেন, সরকার ও বিরোধী দল যদি পারস্পরিক সহযোগিতা, সংলাপ এবং জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে একযোগে কাজ করতে ব্যর্থ হয়, তবে দেশের গণতন্ত্র নতুন করে হুমকির মুখে পড়তে পারে।

অধ্যাপক ড. মোঃ নজরুল ইসলাম বলেন, গত তিনটি জাতীয় নির্বাচন বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক চর্চাকে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে এবং এর ফলে বিশ্ব পরিমণ্ডলে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ভাবমূর্তি প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে। তাঁর মতে, শাসকগোষ্ঠী দীর্ঘদিন ধরে ‘উন্নয়ন বনাম গণতন্ত্র’-এ ধরনের একটি ভ্রান্ত দ্বৈততা সৃষ্টি করে লোক দেখানো উন্নয়নের প্রচারণাকে সামনে এনেছে। অথচ প্রকৃত ও টেকসই

উন্নয়নের ভিত্তি হলো গণতন্ত্র; কারণ গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার মাধ্যমেই জনগণের মতামত ও আকাঙ্ক্ষার যথার্থ প্রতিফলন ঘটে।

আলোচকবৃন্দ তাঁদের বক্তব্যে উল্লেখ করেন, ২০২৪ সালের জুলাই বিপ্লব কেবল একটি গতানুগতিক ক্ষমতার পরিবর্তন ছিল না, এটি ছিল দীর্ঘ ১৫ বছরের স্বৈরাচারী ও কর্তৃত্ববাদী শাসনের বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতার এক ঐতিহাসিক মহেন্দ্রকক্ষণ। তবে বর্তমানে গণভোটে অনুমোদিত ‘জুলাই সনদ’ বা রাষ্ট্র সংস্কারের মূল প্রস্তাবসমূহ বাস্তবায়নে সরকারি দলের অনীহা এবং প্রশাসনের বিভিন্ন স্তরে পুনরায় দলীয়করণের যে প্রবণতা পরিলক্ষিত হচ্ছে, তা বিপ্লবের মূল চেতনার সাথে এক গভীর দ্বৈরথ বা সংকটের জন্ম দিচ্ছে।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইউটিএল সাস্ট চ্যাপ্টারের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মোঃ আব্দুল্লাহ আল মামুন ও সঞ্চালনা করেন ইউটিএল সাস্ট চ্যাপ্টারের সদস্য সচিব অধ্যাপক ড. মোঃ জামাল উদ্দিন। সমাপনী বক্তব্যে সভাপতি জুলাই বিপ্লবের শহিদ আবু সাঈদ ও মুগ্ধদের আত্মত্যাগকে সার্থক করতে এবং একটি বৈষম্যহীন ‘নতুন বাংলাদেশ’ বিনির্মাণে ¶মতার সংকীর্ণ দলীয় বয়ানের ঊর্ধ্বে উঠে দেশের সকল সচেতন নাগরিক ও পেশাজীবীদের ঐক্যবদ্ধ ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।

Click to comment

মার্কিন হামলার পর হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি বন্ধ করল ইরান

আন্তর্জাতিক ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের নতুন দফার সামরিক হামলার পর কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে ইরান। একই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যে বিভিন্ন মার্কিন সামরিক স্থাপনাকে লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করেছে তেহরান। এতে উপসাগরীয় অঞ্চলে নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে এবং আন্তর্জাতিক জ্বালানি সরবরাহ নিয়েও নতুন উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল সুরক্ষিত রাখতে এবং ইরানের সামরিক সক্ষমতা দুর্বল করতে নতুন করে বিমান অভিযান শুরু করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন সামরিক মুখপাত্র টিম হকিন্স জানান, অভিযানে একটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ও একটি আত্মঘাতী ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে।

এদিকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান নিয়েছে। যদিও তিনি আলোচনার পথ পুরোপুরি বন্ধ হয়নি বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন।

ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, মার্কিন হামলায় সিরিক, বন্দর আব্বাস ও কুশেম দ্বীপ এলাকায় বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এ হামলার নিন্দা জানিয়ে তেহরান বলেছে, পরিস্থিতির জন্য ওয়াশিংটনই দায়ী।

ইরান হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল নিয়ন্ত্রণে ‘পার্সিয়ান গালফ স্ট্রেইট অথরিটি’ নামে নতুন সংস্থা গঠনেরও ঘোষণা দিয়েছে। সংস্থাটি জানিয়েছে, নিরাপত্তা পরিস্থিতির কারণে আপাতত প্রণালি দিয়ে সব ধরনের চলাচল বন্ধ থাকবে।

অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালি আন্তর্জাতিক জলপথ এবং সেখানে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক রাখতে তাদের নৌবাহিনী মোতায়েন রয়েছে।

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের দাবি, গত তিন দিনে ইরানের ১৪০টি সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানো হয়েছে। পাল্টা আইআরজিসি দাবি করেছে, জর্ডান, কুয়েত, কাতার ও ওমানে মার্কিন সামরিক স্থাপনায় হামলা চালানো হয়েছে।

এদিকে সংঘাতের জেরে কাতারে এক শিশুসহ তিনজন আহত হয়েছেন। সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন ও জর্ডানও তাদের আকাশসীমায় ইরানি ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার দাবি করেছে। কুয়েত জানিয়েছে, একটি তেল স্থাপনায় হামলায় একজন শ্রমিক আহত হয়েছেন। ওমান সরকার ইরানি রাষ্ট্রদূতকে তলব করেছে।

সূত্র: রয়টার্স

Click to comment