Connect with us

ক্যাম্পাস

কুবিতে ‘প্রতিরোধ দিবস’ উদযাপিত

Published

on

সানজিদা আক্তার সাথী, কুবি প্রতিনিধি:

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) ‘প্রতিরোধ দিবস’ উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উদ্যোগে আলোচনা সভা ও স্মৃতিচারণসহ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান উদযাপিত হয়েছে।

রবিবার (১২ জুলাই) বিকেল সাড়ে ৩ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্চে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক তারিন বিনতে এনাম ও আইসিটি বিভাগের প্রভাষক মেহেদী হাসানের সঞ্চালনায় কোরআন তিলাওয়াত, গীতা পাঠ এবং জাতীয় সংঙ্গীতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়। অনুষ্ঠানে জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানে আহত ৩৫ জন শিক্ষার্থী, পাঁচ জন সাংবাদিক, আন্দোলনে সহায়তাকারী ৮ জন স্থানীয় ব্যক্তি ও অংশগ্রহণকারী আরও ২১ জন শিক্ষার্থীকে সম্মাননা স্মারক প্রদান করা হয়।

‘প্রতিরোধ দিবস’ উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন সরকারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে মূখ্য আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশনের সদস্য ড. চৌধুরী সায়মা ফেরদৌস। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাসুদা কামাল এবং কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলাইমান। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল হাকিম ও বিভিন্ন অনুষদের ডিনসহ অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ।

অনুষ্ঠানে কোষাধ্যক্ষ ড. মোহাম্মদ সোলায়মান বলেন, “ইতিহাসে অন্যায়, বৈষম্য ও স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে প্রতিটি আন্দোলনে ছাত্রসমাজ অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে। রাষ্ট্র গঠনের দায়িত্ব আমাদের সবার। আমরা এমন একটি বাংলাদেশ গড়তে চাই, যেখানে ন্যায় ও মানবতার মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠিত হবে এবং আগামী প্রজন্ম গর্ব করে এ দেশকে নিজেদের বলতে পারবে। আজকের তরুণরাই আগামী দিনের নীতিনির্ধারক।”

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাসুদা কামাল বলেন, “২০২৪ সালের আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে ১১ জুলাই কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে একটি স্মরণীয় দিন। এই দিনে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা সাহস, আত্মত্যাগ ও দৃঢ়তার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিল। ইতিহাস শুধু আমাদের অতীতের কথা মনে করিয়ে দেয় না, ইতিহাস আমাদের ভবিষ্যতের পথও দেখায়। প্রতিরোধের প্রকৃত শিক্ষা হলো অন্যায়ের বিরুদ্ধে সাহসী হওয়া, প্রতিহত করা, সত্যের পথে অবিচল থাকা এবং আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকা।”

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম বলেন, “প্রশাসনের দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম সিন্ডিকেটেই ১১ জুলাইকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যালেন্ডারে ‘প্রতিবাদ দিবস’ হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করেছি। আমি আশা করি, বিশ্ববিদ্যালয় যুগ যুগ ধরে এ দিনটিকে ধারণ করবে। আমাদের শিক্ষার্থীরা শান্ত ও নম্র হলেও সময়ের প্রয়োজনে প্রতিবাদী, প্রতিরোধী এবং বিজয়ী। ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনে তারা প্রমাণ করেছে, দায়িত্ব পালনের সময় এলে তারা সাহসিকতার সঙ্গে নিজেদের ভূমিকা রাখতে সক্ষম।”

অনুষ্ঠানের মূখ্য আলোচক ড. চৌধুরী সায়মা ফেরদৌস বলেন, “প্রতিরোধ দিবসের সঙ্গে সম্পৃক্ত শিক্ষার্থী, শিক্ষক, প্রশাসনের সদস্য, শ্রমিক, ব্যবসায়ীসহ সমাজের সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে আমি আন্তরিক সম্মান জানাই। তাদের সম্মিলিত অংশগ্রহণই এই আন্দোলনকে শক্তিশালী করেছে। ১১ জুলাইয়ের আন্দোলনের সূচনার কারণের পাশাপাশি কেন এ দিনটিকে প্রতিরোধ দিবস হিসেবে স্মরণ করা হচ্ছে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে সংরক্ষণ করা প্রয়োজন, সেটিও সমান গুরুত্বপূর্ণ।”

তিনি আরো বলেন, “এই আন্দোলনের সবচেয়ে বড় শক্তি ছিল ছাত্রসমাজের সাহস, ঐক্য ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান। সেই সময় মায়েদের সাহসী উপস্থিতি, ভাইদের ছাত্রীদের সুরক্ষায় মানবপ্রাচীর গড়ে তোলা এবং সবার পারস্পরিক আস্থা, সহযোগিতা ও সম্প্রীতির বন্ধনই এই প্রতিরোধকে সফল করে তুলেছিল।”

অনুষ্ঠানের সভাপতি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন সরকার বলেন, “১১ জুলাই ‘প্রতিরোধ দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত এ কর্মসূচি সফল করতে সহযোগিতা করা সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই। বিশেষ করে মুখ্য আলোচক, বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, উপ-উপাচার্য, কোষাধ্যক্ষ, ডিনবৃন্দ, শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং অনুষ্ঠান বাস্তবায়নে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে যুক্ত সকলের প্রতি আমি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।”

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ১১ জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ওপর সংঘটিত পুলিশি হামলার প্রতিবাদ ও তাদের ঐতিহাসিক প্রতিরোধকে স্মরণীয় করে রাখতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সিন্ডিকেটের ১১০তম সভায় আনুষ্ঠানিকভাবে ১১ জুলাইকে ‘প্রতিরোধ দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করে।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ক্যাম্পাস

ব্যতিক্রম উপায়ে নতুন সদস্য সংগ্রহ শুরু করল ইবির ‘ব্যতিক্রম জোট’

Published

on

By

ইবি প্রতিনিধি

বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির মাধ্যমে নতুন সদস্য সংগ্রহের কার্যক্রম শুরু করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘ব্যতিক্রম সাহিত্য সাংস্কৃতিক জোট’। আগামী ২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সংগঠনটির সদস্য সংগ্রহ কার্যক্রম চলবে।

শনিবার (২২ আগস্ট) ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির মধ্য দিয়ে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের নবীন শিক্ষার্থীদের জন্য সদস্য সংগ্রহ কার্যক্রম শুরু করেছে সংগঠনটি। আগ্রহী শিক্ষার্থীরা অনলাইনে ফর্ম পূরণের পাশাপাশি সরাসরি বিশ্ববিদ্যালয়ের ঝাল চত্বর থেকে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত সদস্য সংগ্রহের ফর্ম নিতে পারবেন।

সংগঠনটির পরিচালক আবু সুফিয়ান বলেন, “বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির মাধ্যমে আমরা ব্যতিক্রম সাহিত্য সাংস্কৃতিক জোটে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের নবীন ও প্রতিভাবান শিক্ষার্থীদের সদস্য হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। তারা ব্যতিক্রম সাহিত্য সাংস্কৃতিক জোটের সঙ্গে যুক্ত হয়ে নিজেদের শিল্পীসত্তা ও প্রতিভাকে বিকশিত করার সুযোগ পাবে।”

সুস্থ ধারার সাংস্কৃতিক চর্চায় আগ্রহী নবীন শিক্ষার্থীদের সদস্য সংগ্রহ কার্যক্রমে অংশগ্রহণের আহ্বান জানানো হচ্ছে।

উল্লেখ্য, ‘ব্যতিক্রম সাহিত্য সাংস্কৃতিক জোট’ ১৯৯৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। সুস্থ ধারার সংস্কৃতি চর্চার লক্ষ্যে কুরআন তিলাওয়াত, ইসলামী সংগীত, কাওয়ালি, অভিনয়, আবৃত্তিসহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কার্যক্রম পরিচালনা করেন তারা।

Continue Reading

ক্যাম্পাস

রংপুর চেম্বার ও বেরোবির একাউন্টিং বিভাগের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত

Published

on

By

আনাস মাহমুদ-বেরোবি প্রতিনিধি

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়, রংপুর-এর একাউন্টিং এন্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস্ বিভাগ এবং রংপুর চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (RCCI)-এর মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা, জ্ঞান ও দক্ষতা বিনিময়, শিক্ষার্থী উন্নয়ন এবং শিল্প-শিক্ষা সংযোগ সম্প্রসারণের লক্ষ্যে এক সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরিত হয়েছে। আজ বুধবার (১৯ আগস্ট ২০২৬) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত এই চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ শওকাত আলী। অনুষ্ঠানে একাউন্টিং এন্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস্ বিভাগের বিভাগীয় প্রধান উমর ফারুক এবং RCCI -এর সভাপতি এমদাদুল হোসেন নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।

অনুষ্ঠানে উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ শওকাত আলী তাঁর বক্তব্যে একাডেমি ও ইন্ডাস্ট্রির যৌথ সহযোগিতার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করে বলেন, শিক্ষার্থীদের শুধু পুথিগত বিদ্যায় সীমাবদ্ধ না রেখে বাস্তবমুখী ও প্রযুক্তি নির্ভর শিক্ষা প্রদান করা এখন সময়ের দাবি। তিনি বলেন, রংপুর চেম্বারের সঙ্গে এই সহযোগিতা শিক্ষার্থীদের দক্ষতা উন্নয়ন এবং কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। বিশ্ববিদ্যালয় ও শিল্পখাতের মধ্যে এ ধরনের সহযোগিতা ভবিষ্যতে আরও বিস্তৃত করা হবে।

উক্ত অনুষ্ঠানে বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোঃ নুর আলম সিদ্দিক, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. মোঃ জাহিদ হোসেন, একাউন্টিং এন্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস্ বিভাগের প্রফেসর ড. আপেল মাহমুদ, সহযোগী অধ্যাপক মোঃ আমির শরীফ, সহযোগী অধ্যাপক মোঃ শাহীনুর রহমান, সহযোগী অধ্যাপক মুহাম্মদ আশরাফুজ্জামান, সহকারী অধ্যাপক মোঃ রাসেল উদ্দিন, সহকারী অধ্যাপক ফাহিমুল কাদের সিদ্দিকী, সহকারী অধ্যাপক শরীফা আক্তার নিপা, প্রভাষক মোঃ সোবহান আলী, বিভাগের শিক্ষার্থীবৃন্দ, RCCI -এর পরিচালক রশিদুল সুলতান বাবলু, পরিচালক কামাল হোসেন, ভারপ্রাপ্ত সচিব গোলাম মোস্তফাসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের একাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগ জানায়, এই সমঝোতার মাধ্যমে শিক্ষা ও শিল্পখাতের মধ্যে কার্যকর সেতুবন্ধন তৈরি হবে এবং শিক্ষার্থীরা পেশাগত ক্ষেত্রে নিজেদের আরও দক্ষভাবে প্রস্তুত করার সুযোগ পাবে।

Continue Reading

ক্যাম্পাস

নব-নির্বাচিত মহামান্য রাষ্ট্রপতিকে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্যের অভিনন্দন

Published

on

By

ববি প্রতিনিধি:

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড.মোঃ মামুন অর রশিদ। আজ বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট ২০২৬) এক অভিনন্দন বার্তায় ববি উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ মামুন অর রশিদ গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের মহামান্য রাষ্ট্রপতি এবং বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সুযোগ্য ও বলিষ্ঠ নেতৃত্বে দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় নব দিগন্তের সূচনা হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন ।

বার্তায়, মহামান্য রাষ্ট্রপতির বিচক্ষণ দিক নির্দেশনায় দেশের উচ্চশিক্ষা খাত আরও গতিশীল হবে, বিশেষ করে বিজ্ঞান ও তথ্যপ্রযুক্তির প্রায়োগিক ব্যবহার এবং আন্তর্জাতিক মানের গুণগত গবেষণার প্রসার হবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন উপাচার্য ।

অভিনন্দন বার্তায় উপাচার্য প্রফেসর ড. মোঃ মামুন অর রশিদ বলেন, একজন প্রাজ্ঞ ও বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ দেশের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ায় আমি আনন্দিত। আমাদের প্রত্যাশা, একজন দেশপ্রেমিক মানুষ হিসেবে রাষ্ট্রের এই গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনে তিনি কৃতিত্বের স্বাক্ষর রাখবেন। এ সময় ববি উপাচার্য মহামান্য রাষ্ট্রপতির সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও সার্বিক কল্যাণ কামনা করেন।

Continue Reading

Trending