Connect with us

ক্যাম্পাস

অফিস চলাকালীন দলীয় প্রোগ্রামে উপ-উপাচার্যসহ ইবির বিএনপিপন্থি কর্মকর্তারা

Published

on

ইবি প্রতিনিধিঅফিস চলাকালীন ডিউটি বাদ দিয়ে বিএনপির দলীয় সভায় যোগ দিয়েছেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এয়াকুব আলীসহ বিএনপিপন্থি কর্মকর্তাদের একাংশ। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিস চলাকালীন সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব পরিবহনে কুষ্টিয়া সদরে বেগম খালেদা জিয়ার আত্নার মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিলে অংশ নিতে দেখা যায়।

প্রোগ্রামে সূত্রে, উপস্থিত ছিলেন কুষ্টিয়া-৩ আসনের বিএনপির এমপি প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার জাকির হোসেন সরকার ও ইবির উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. এয়াকুব আলী। এছাড়াও আরো উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থ ও হিসাব বিভাগের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক আনার পাশা, ভারপ্রাপ্ত পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ওয়ালিউর রহমান, এস্টেট অফিস প্রধান মোহা. আলাউদ্দিন, উপাচার্যের পিএস ও উপ-রেজিস্ট্রার গোলাম মাহফুজ, কর্মকর্তা আব্দুল লতিফ, শামীম আকতার জিনজির।এছাড়াও সেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থ ও হিসাব বিভাগের উপ-হিসাব পরিচালক লুৎফর রহমান, ইসরাফুল হক, পরিবহন অফিসের উপ-রেজিস্ট্রার হাফিজুর রহমান, রেজিস্ট্রার অফিসের উপ-রেজিস্ট্রার আনোয়ার হোসেন, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী আব্দুল মালেক মিয়া, একাডেমিক শাখার উপ-রেজিস্ট্রার শহিদুল ইসলাম, উপাচার্যের কার্যালয়ের সহকারী রেজিস্ট্রার কামরুজ্জামান, বিএনসিসির উপ-রেজিস্ট্রার মিজানুর রহমান মজুমদার, প্রশাসন ও সংস্থাপন শাখার সহকারী রেজিস্ট্রার আব্দুল্লাহ আল মামুন, কর্মকর্তা আমিরুল ইসলামসহ অর্ধশতাধিক কর্মকর্তা থাকার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

জানা যায়, মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব পরিবহন ‘বিজয়-৭১’ বাস ব্যবহার করে তারা কুষ্টিয়ার উদ্দেশে রওনা দেন। এরপর বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে ক্যাম্পাসে ফিরে আসেন। ফলে সাড়ে তিন ঘণ্টার বেশি সময় অফিস কার্যক্রম ব্যাহত হয়েছে। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থ হিসাব বিভাগের কাজসহ শিক্ষার্থী সংশ্লিষ্ট সব ধরনের কাজ বন্ধ হয়ে যায়। এছাড়া উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. এয়াকুব আলীর নেতৃত্বে ওই কর্মকর্তারা অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

উপস্থিত থাকা একাধিক কর্মকর্তার কাছ থেকে জানতে চাইলে ভিসির দায়িত্বে থাকা প্রো-ভিসির অনুমোদনে গেছে বলে তথ্য পাওয়া গেছে।

এ বিষয়ে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এয়াকুব আলী বলেন, ‘কুষ্টিয়ায় কোনো মিটিং হয়নি। এটা খালেদা জিয়ার মৃত্যুর পর তার জন্য দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠান ছিল। কর্মকর্তারা কেন গেছেন, তা আমি জানি না। তারা তাদের মতো করে গেছেন।’

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, ‘আমার নেতৃত্বে তারা যায়নি। তাদের সাথে আমার আগেই কোনো যোগাযোগ ছিল না। জাকির সাহেবের সাথে কেবল সৌজন্য সাক্ষাৎ হয়েছে, এরপর আমরা দোয়া মাহফিলে অংশ নিয়েছি। এটাকে মিটিং বলা ঠিক নয়।’

কর্মকর্তা আনার পাশা বলেন, ‘আমি ট্রেজারার সাহেবের সঙ্গে কথা বলে গিয়েছিলাম। জিয়া কর্মচারী পরিষদের সভাপতি আলাউদ্দিন ভাই-সহ আরও অনেকে গিয়েছেন। আমি আসলে রাজনীতি করি না, সবাই আসছিল তাই আমিও গিয়েছিলাম।’

অপরদিকে, বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন প্রশাসক অধ্যাপক ড. আব্দুর রউফ বলেন, ‘আমি ঢাকায় আছি। ক্যাম্পাসের বাস ব্যবহারের বিষয়ে কিছু জানি না। তবে কেউ রিকুইজিশন নেইনি। কিভাবে গেছে খোঁজ নিয়ে জানতে হবে।’

এদিকে ভারপ্রাপ্ত পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক ওয়ালিউর রহমানের (পিকুল) কাছ থেকে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ভিসির দায়িত্বে থাকা প্রো-ভিসির কাছ থেকে ছুটি নিয়েছি। পরিবহনের বিষয়ে আমি অবগত না, তবে বাচ্চু (পরিবহন দপ্তরের উপ রেজিস্ট্রার মো. হাফিজুর রহমান) বলতে পারে।

পরিবহন দপ্তরের উপ-রেজিস্ট্রার মো. হাফিজুর রহমানের কাছ থেকে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘পরিবহন প্রশাসক নাই, ছুটিতে আছেন। যেহেতু উনি অনুপস্থিত, তাই ক্যাম্পাসে এসে অনুমোদন দিবে। ওখানে তো রিকুইজিশন নিয়েই যাওয়া হয়েছে। সাধারণ এরকম সবাই করে আসছে। কুষ্টিয়া-ঝিনাইদহের ভিতরে হলে পরিবহন প্রশাসক অনুমতি দিতে পারে, তাই উনি আসলে অনুমোদন দিবে। দূরের হলে ভিসি স্যার অনুমোদন দেয়। গাড়িটার রিকুইজিশন দিয়েছিল এস্টেট অফিসের আলাউদ্দিন ভাই।’

রিকুইজিশন নেওয়া দাবি করা এস্টেট অফিসের মো. আলাউদ্দিন বলেন, ‘পরিবহন প্রশাসক তো নাই। আমার নামে রিকুইজিশন করছি। পরিবহন দপ্তরে সিনিয়রের দায়িত্বে থাকা বাচ্চু (হাফিজুর রহমান) ঠিক করে দিয়েছে। পরিবহন প্রশাসক আসলে স্বাক্ষর করবেনে।’

এ বিষয়ে এমপি প্রার্থী জাকির হোসেন সরকার বলেন, ‘এটি আমাদের উন্মুক্ত দোয়া মাহফিল ছিল। ইবির অনেকেই সেখানে উপস্থিত ছিল। তবে আমি কাউকে আমন্ত্রণ জানাইনি। তারা স্বপ্রণোদিত হয়েই এসেছে।’

শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে অফিস ফাঁকি দিয়ে রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার বিষয়টি কীভাবে দেখছেন, জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘অফিসের ডিউটি পালন করা তো তাদের দায়িত্ব। এটার সঙ্গে পলিটিক্সও সম্পর্কিত না। আমরা কাউকে বলিও নাই।’

এ বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ বলেন, ‘কোনো বাসের অনুমতি আমি দেইনি। এ বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। অফিস ছেড়ে রাজনৈতিক প্রোগ্রামে এভাবে কেউ যেতে পারে না।’

এক প্রোগ্রামে উপাচার্যের উপস্থিতি নিয়ে জানতে চাইলে তিনি জানান, ‘গত শনিবারের প্রোগ্রামটি কোন রাজনৈতিক প্রোগ্রাম ছিল না। সেখানে মদিনা সনদের উপর আলোচনা হয়েছিল। সেখানে জাকির হোসেন সরকার ও আমির হামজা উপস্থিত ছিলেন।’

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ক্যাম্পাস

বিদেশে উচ্চশিক্ষার স্কলারশিপ খুঁজতে শাবিপ্রবি ছাত্রদল নেতার এআই প্ল্যাটফর্ম

Published

on

By

শাবিপ্রবি প্রতিনিধি

বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য স্কলারশিপ খোঁজা, আবেদনের যোগ্যতা যাচাই এবং প্রয়োজনীয় নথি তৈরির প্রক্রিয়া সহজ করতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তানির্ভর (এআই) ওয়েব প্ল্যাটফর্ম ‘স্কলারভাই ডটকম’ তৈরি করেছেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবিপ্রবি) শাখা ছাত্রদলের সভাপতি রাহাত জামান। প্ল্যাটফর্মটিতে শিক্ষার্থীরা বিনামূল্যে বিভিন্ন সেবা নিতে পারবেন বলে জানিয়েছেন উদ্যোক্তারা।

রাহাত জামান বিশ্ববিদ্যালয়ের সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। প্ল্যাটফর্মটি তৈরিতে তাঁর সঙ্গে কাজ করেছেন শাবিপ্রবি শাখা ছাত্রদলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী তানভীর রহমান ও সংগঠনটির কর্মী ফরিদুল রেজা সাগর।

উদ্যোক্তারা জানান, প্রচলিত স্কলারশিপের তথ্যভান্ডারের বাইরে গিয়ে শিক্ষার্থীদের ব্যক্তিগত যোগ্যতা ও প্রয়োজন অনুযায়ী তথ্য ও দিকনির্দেশনা দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে প্ল্যাটফর্মটি তৈরি করা হয়েছে। এতে শিক্ষার্থীরা নিজেদের জীবনবৃত্তান্ত (সিভি) আপলোড করলে এআই প্রযুক্তি প্রয়োজনীয় তথ্য বিশ্লেষণ করে একটি প্রোফাইল তৈরি করবে। পরে ওই প্রোফাইলের সঙ্গে বিভিন্ন স্কলারশিপের শর্ত মিলিয়ে শিক্ষার্থীর উপযোগিতা যাচাই করা যাবে।

প্ল্যাটফর্মটিতে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের বাস্তবতা বিবেচনায় জিপিএ, সিজিপিএ, আইইএলটিএস স্কোর, পড়াশোনায় বিরতি এবং ব্যাংক ব্যালেন্সের মতো বিষয় যুক্ত করা হয়েছে। কোনো স্কলারশিপের জন্য শিক্ষার্থীর প্রোফাইলে ঘাটতি থাকলে তা পূরণে প্রয়োজনীয় পরামর্শও দেবে এআই ব্যবস্থা।

একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদনের ক্ষেত্রে প্রয়োজন অনুযায়ী নথি প্রস্তুতের সুবিধাও রাখা হয়েছে প্ল্যাটফর্মটিতে। এর ‘ডকুমেন্ট ওয়ার্কস্পেস’ সুবিধায় প্রতিটি আবেদনের জন্য আলাদা নথি ব্যবস্থাপনা করা যাবে। এ ছাড়া এআইয়ের সাহায্যে বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রোগ্রাম অনুযায়ী সিভি পরিমার্জনের সুযোগ রয়েছে। স্টেটমেন্ট অব পারপাস (এসওপি) ও কাভার লেটারের খসড়া পর্যালোচনা করে সেগুলোর মানোন্নয়নে পরামর্শ দেবে ‘ডকুমেন্ট রেডিনেস স্কোর’ সুবিধা।

উদ্যোক্তাদের ভাষ্য, প্ল্যাটফর্মটির ‘এআই প্রফেসর আউটরিচ’ সুবিধার মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট অধ্যাপকের নাম ও বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্য দিলে তাঁর সাম্প্রতিক গবেষণার বিষয় খুঁজে বের করে তথ্যসূত্রসহ পেশাদার ই-মেইলের খসড়া তৈরি করা যাবে। পাশাপাশি স্কলারশিপভিত্তিক আবেদন নির্দেশিকা ও কমিউনিটি ফোরামের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা বিশেষজ্ঞ ও সাবেক শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে দিকনির্দেশনা নেওয়ার সুযোগ পাবেন।

উদ্যোগের বিষয়ে রাহাত জামান বলেন, “শিক্ষার্থীদের অধিকার আর ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখেই আমাদের রাজনীতি। চীন সফর শেষে দেশে ফিরেই বিদেশে পড়তে ইচ্ছুক শিক্ষার্থীদের জন্য একটি প্ল্যাটফর্ম করার ইচ্ছা ছিল। গত তিন মাস ধরে ওয়েবসাইটটি তৈরির কাজ করেছি।”

তিনি বলেন, শাবিপ্রবি ক্যাম্পাস থেকে এমন একটি বৈশ্বিক শিক্ষাবিষয়ক প্ল্যাটফর্ম তৈরি হয়েছে, যা ভবিষ্যতে দেশের মানবসম্পদ উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে পারে।

রাহাত জামান আরও বলেন, শিক্ষার্থীরা বিনামূল্যে ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে সেবাগুলো নিতে পারবেন। তবে একটি জিমেইল আইডি দিয়ে একবারই লগইন করা যাবে। এ ছাড়া বিদেশে উচ্চশিক্ষায় অধ্যয়নরত শাবিপ্রবিসহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্যেষ্ঠ শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে সপ্তাহে একটি বিনামূল্যের সেমিনার আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। সেখানে শিক্ষার্থীরা উচ্চশিক্ষা ও স্কলারশিপ নিয়ে তাঁদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর পাবেন।

প্ল্যাটফর্মটির কারিগরি দিক তুলে ধরে উদ্যোক্তা দলের সদস্য ফরিদুল রেজা সাগর বলেন, একজন শিক্ষার্থী হিসেবে তাঁরা বিদেশে উচ্চশিক্ষার স্কলারশিপ খোঁজা, আবেদনের সঠিক নির্দেশনা পাওয়া এবং প্রয়োজনীয় নথি ব্যবস্থাপনার জটিলতা উপলব্ধি করেছেন। বিশেষ করে একাধিক স্কলারশিপে আবেদনের সময়সীমা মনে রাখা এবং এআই ব্যবহারের ক্ষেত্রে বারবার ব্যক্তিগত তথ্য দেওয়ার বিষয়টি সময়সাপেক্ষ।

তিনি বলেন, এসব সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যেই দ্রুত সম্প্রসারণযোগ্য ও সহজে ব্যবহারযোগ্য ব্যবস্থাটি তৈরি করা হয়েছে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা প্রয়োজনীয় তথ্য ও দিকনির্দেশনা পেয়ে বিদেশে উচ্চশিক্ষার আবেদনপ্রক্রিয়া আরও সহজে সম্পন্ন করতে পারবেন বলে তাঁরা আশা করছেন।

Continue Reading

ক্যাম্পাস

ইবিস্থ জয়পুরহাট জেলা ছাত্রকল্যাণ সমিতির নেতৃত্বে ফরহাদ-আরাফাত

Published

on

By

ইবি প্রতিনিধি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) জয়পুরহাট জেলা থেকে আগত শিক্ষার্থীদের সংগঠন ‘জয়পুরহাট জেলা ছাত্রকল্যাণ সমিতি’র ২০২৬-২৭ কার্যবর্ষের পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে সভাপতি হিসেবে ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ফরহাদ হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শারীরিক শিক্ষা ও ক্রীড়া বিজ্ঞান বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আরাফাত সাঈদ মনোনীত হয়েছেন।

সোমবার (১২ অক্টোবর ) সংগঠনটির উপদেষ্টা আরবী ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের অধ্যাপক ড. কামরুল হাসান ও কমিউনিকেশন অ্যান্ড মাল্টিমিডিয়া জার্নালিজম বিভাগের সভাপতি ড. তন্ময় সাহা জয় স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়।

নবগঠিত কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন, সহ-সভাপতি জেরিন চৌধুরী, ফিরোজ হোসেন, মিনহাজুল আবেদিন রবি, নাহিদ ইসলাম ও তামিম ইসলাম, সহকারী সাধারণ সম্পাদক রবিউল ইসলাম ও শাহাজান আহাদ, সাংগঠনিক সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম, সহকারী সাংগঠনিক সম্পাদক কবির, শুয়াইব ও মেহেদী, অর্থ সম্পাদক আশিকুর রহমান, সহকারী অর্থ সম্পাদক নিশাদ, দপ্তর সম্পাদক সুমন, সহকারী দপ্তর সম্পাদক মাইশা, প্রচার সম্পাদক আল-মামুন, ক্রিয়া সম্পাদক নোমান, নারী বিষয়ক সম্পাদক সানজিদা, সহকারী নারী বিষয়ক সম্পাদক আয়েশা, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক হযরত আলী, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক তানভীর, সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক রাবেয়া, আইন বিষয়ক সম্পাদক মো. মেহেদী হাসান।

নব-মনোনীত সভাপতি ফরহাদ ইসলাম অনুভূতি প্রকাশ করে বলেন, “এই দায়িত্বকে শুধু একটি পদ বা সম্মান হিসেবে নয়, বরং শিক্ষার্থীদের কল্যাণে কাজ করা, অসহায় ও অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানো এবং জয়পুরহাটের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ঐক্য ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন সুদৃঢ় করার একটি গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ হিসেবে দেখি।”

তিনি আরও বলেন, “আমাদের মূলমন্ত্র ঐক্য, শৃঙ্খলা ও ভ্রাতৃত্ব। এই আদর্শকে ধারণ করে সংগঠনের প্রতিটি সদস্যকে সঙ্গে নিয়ে একটি সুশৃঙ্খল, মানবিক ও কার্যকর সংগঠন গড়ে তুলতে চাই। আমি বিশ্বাস করি, নেতৃত্বের প্রকৃত সার্থকতা ব্যক্তিগত অর্জনে নয়, বরং সম্মিলিত প্রচেষ্টা ও মানুষের কল্যাণে অবদানের মধ্যে নিহিত।”

Continue Reading

ক্যাম্পাস

চরামদ্দী ফ্রিজ কাপের ফাইনালে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় সেন্ট্রাল ফুটবল টিম

Published

on

By

ববি প্রতিনিধি

চরামদ্দী ফ্রিজ কাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের সেমিফাইনালে চরামদ্দী পিটিএফসিকে ২-১ গোলে হারিয়ে ফাইনালে উঠেছে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় সেন্ট্রাল ফুটবল টিম।

ম্যাচের প্রথমার্ধে দুই গোল করে এগিয়ে যায় বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় দল। দলের হয়ে প্রথম গোলটি করেন কাজী সালমান। তার গোলে অ্যাসিস্ট করেন রুবেল হোসেন। পরে আবু হুরায়রা দ্বিতীয় গোলটি করেন, যেখানে অ্যাসিস্ট করেন আশিক খান। প্রথমার্ধে দুই গোলে এগিয়ে থেকে বিরতিতে যায় বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়।

দ্বিতীয়ার্ধে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে চরামদ্দী পিটিএফসি। এ সময় রাজু হোসেন একটি গোল করে ব্যবধান কমান। তবে বাকি সময়ে আর কোনো গোল না হওয়ায় ২-১ গোলের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় সেন্ট্রাল ফুটবল টিম।

ম্যাচ শেষে বিজয়ী দলের অধিনায়ক মেহেদী হাসান বলেন, “আমাদের দল অনেক ভালো খেলছে। তবে ম্যাচে রেফারির বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নিয়ে আমাদের আপত্তি ছিল। আমরা ফাইনালে আরও ভালো খেলা উপহার দিতে চাই।”

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় দলের ডিফেন্ডার শিপন সরকার বলেন, “বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় সেন্ট্রাল ফুটবল টিম আরও সুযোগ-সুবিধা পেলে ভবিষ্যতে আরও ভালো করবে। দলের খেলোয়াড়দের সামর্থ্য রয়েছে। প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা গেলে দল আরও এগিয়ে যাবে।”

বিপক্ষ দলের হয়ে গোল করা স্ট্রাইকার রাজু হোসেন বলেন, “আমরা ম্যাচে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করেছি। দ্বিতীয়ার্ধে গোল করে ব্যবধান কমালেও শেষ পর্যন্ত সমতা ফেরাতে পারিনি। বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় দলকে অভিনন্দন জানাই। ভবিষ্যতে আমরা আরও ভালোভাবে প্রস্তুতি নিয়ে মাঠে নামব।”

এই জয়ের মধ্য দিয়ে চরামদ্দী ফ্রিজ কাপের ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় সেন্ট্রাল ফুটবল টিম। এখন শিরোপা জয়ের লক্ষ্যে ফাইনালের প্রস্তুতি নেবে দলটি।

Continue Reading

Trending