Connect with us

top2

অস্ত্র কেনা ও মজুত নিয়ে আলোচনার ভিডিও ভাইরাল

Published

on

নির্বাচনকে সামনে রেখে অবৈধ অস্ত্র কেনা ও মজুত নিয়ে আলোচনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর নারায়ণগঞ্জজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে বজলুর রহমান ওরফে ‘ডন বজলু’ নামের এক ব্যক্তির নাম উঠে আসায় বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে।

জানা গেছে, ভিডিওতে যাকে দেখা গেছে, তিনি বজলুর রহমান ওরফে ‘ডন বজলু’। তিনি গিয়াসউদ্দিনের সমর্থক বলে স্থানীয়ভাবে পরিচিত।

ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা গেছে, ডন বজলু তার লোকজন নিয়ে সোনারগাঁয়ের একটি স্থানীয় রেস্টুরেন্টে খাবার খাচ্ছিলেন। এ সময় তার সঙ্গে থাকা ব্যক্তিদের মধ্যে একজনকে নির্বাচনকে সামনে রেখে সোনারগাঁ এলাকায় প্রচুর অবৈধ অস্ত্র মজুদ করা হচ্ছে বলে বলতে শোনা যায়। একই ভিডিওতে ডন বজলুর পাশে বসা তার একান্ত সচিব হিসেবে পরিচিত।

জাকারিয়াকে ডন বজলুর কানে বলতে শোনা যায়, নির্বাচনের জন্য আমাদের আরও দুটি অস্ত্র দরকার। কথোপকথনে অবৈধ অস্ত্র মজুদের বিষয়টিও স্পষ্টভাবে উঠে আসে।

এদিকে, ডন বজলুর অতীত কর্মকাণ্ড নিয়েও নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। গত বছরের ২৯ জুন হরিপুর বিদ্যুৎকেন্দ্রের একটি টেন্ডারকে কেন্দ্র করে তার উপস্থিতিতে ডন বজলুর বাহিনী বন্দর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সাবেক সহসভাপতি আতাউর রহমান মুকুলকে প্রকাশ্যে হেনস্তা করেন। ওই ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হলে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়।

ওই ঘটনায় ডন বজলুকে প্রধান আসামি করে মামলা করা হয়। এছাড়া তার বিরুদ্ধে হত্যাসহ একাধিক গুরুতর মামলার অভিযোগ রয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।

ভাইরাল ভিডিও ও অভিযোগের বিষয়ে জানতে ডন বজলু ওরফে বজলুর রহমানের সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়। খুদে বার্তা পাঠিয়েও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ-খ(সার্কেল) এর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইমরান আহম্মেদ বলেন, ভাইরাল হওয়া ভিডিওটি আমিও দেখেছি। এটি যাচাই-বাছাই চলছে। আমাদের একটি টিম ইতোমধ্যেই কাজ করছে।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top2

বিশ্ববাজারে কমতে শুরু করেছে তেলের দাম 

Published

on

By

মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ শিগগিরই শেষ হতে পারে— মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এমন মন্তব্যের পর বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমতে শুরু করেছে।

মঙ্গলবার লেনদেনে ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি প্রায় ৪ ডলার কমে ৯৫ ডলারে নেমে আসে। একইভাবে যুক্তরাষ্ট্রের ডব্লিউটিআই তেলের দামও প্রায় ৯১ ডলারে নেমেছে।

এর আগে সোমবার যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে তেলের দাম হঠাৎ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি প্রায় ১১৯ ডলারে পৌঁছেছিল, যা তিন বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ। মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত বাড়লে বৈশ্বিক তেল সরবরাহ ব্যাহত হতে পারে— এই আশঙ্কায় দাম বেড়ে গিয়েছিল।

তবে পরে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও ট্রাম্পের মধ্যে ফোনালাপ হয়। ওই আলোচনায় দ্রুত যুদ্ধ বন্ধের প্রস্তাব নিয়ে কথা হওয়ায় বাজারে কিছুটা স্বস্তি ফিরে আসে এবং তেলের দাম কমতে শুরু করে।

এদিকে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা চলতে থাকলে মধ্যপ্রাচ্য থেকে এক ফোঁটা তেলও রপ্তানি করতে দেওয়া হবে না।

বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধ দ্রুত শেষ হতে পারে— এমন ইঙ্গিত পাওয়ায় বাজারে আতঙ্ক কিছুটা কমেছে এবং তেলের দামও কমে এসেছে। 

সূত্র : রয়টার্স

Continue Reading

top2

কাতার, বাহরাইন, সৌদি ও আমিরাতে মুহুর্মুহু হামলা

Published

on

By

ইরানের বিরুদ্ধে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের অতর্কিত হামলা সোমবার (৯ মার্চ) পর্যন্ত দশম দিনে গড়ালো। এতে ইরানে এখন পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা এক হাজার ২০০ ছাড়িয়েছে। সেইসঙ্গে আহত হয়েছে শত শত ইরানি। ইসরায়েল-মার্কিন বাহিনীর অতর্কিত হামলার জেরে পাল্টা জবাব দিচ্ছে ইরানও। দেশটি ইসরায়েল ছাড়াও মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন মুসলিম দেশে মার্কিন ঘাঁটি লক্ষ্য করে সিরিজ হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।

কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার লাইভ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানি বাহিনী নতুন করে ফের কাতার, বাহরাইন, সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে হামলা চালিয়েছে।

প্রায় চার ঘণ্টা আগে কাতারকে লক্ষ্য করে মিসাইল নিক্ষেপ করেছে ইরান। তবে এসব মিসাইল ভূপাতিতের দাবি করেছে কাতার। আল জাজিরার সাংবাদিকরা জানিয়েছেন, তারা দোহার আকাশে অন্তত ১২টি বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শুনেছে।

এদিকে বাহরাইন জানিয়েছে, সিত্রা এলাকায় ইরানি ড্রোন হামলায় অন্তত ৩২ জন আহত হয়েছেন। অন্যদিকে সৌদি আরবের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলছে, শেবাহ তেলক্ষেত্র লক্ষ্য করে বেশ কয়েকটি ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। তবে এসব ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে এবং তেলক্ষেত্র খালি ছিল বলে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

এ ছাড়া সৌদির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, রাজধানী রিয়াদের উত্তরে দুইটি ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে। সৌদি আরব পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়েছে যে ইরান হামলা বন্ধ না করলে তারা যুক্তরাষ্ট্রকে আক্রমণের জন্য ঘাঁটি ব্যবহারের অনুমতি দেবে।

ইরানে হামলা অব্যাহত: কেউ আতঙ্কে, আবার কেউ ভাসছে খুশির জোয়ারেইরানে হামলা অব্যাহত: কেউ আতঙ্কে, আবার কেউ ভাসছে খুশির জোয়ারে

সংযুক্ত আরব আমিরাতও ইরানের হামলা থেকে রেহাই পায়নি। দেশটি জানিয়েছে, প্রজেক্টাইল ভূপাতিত করলেও তার ধ্বংসাবশেষে ফুজাইরাহ এলাকায় বড় ধরনের অগ্নিকাণ্ড হয়েছে।

Continue Reading

top2

মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের ধাক্কায় তেলের দাম বৃদ্ধি, ব্যারেল প্রতি ছাড়াল ১০০ ডলার

Published

on

By

যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের চলমান যুদ্ধের প্রভাব বিশ্ব জ্বালানি বাজারে বড় ধাক্কা দিয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত তীব্র হওয়ায় প্রতিদিন প্রায় ২ কোটি ব্যারেল তেল সরবরাহ বাজার থেকে কমে যাচ্ছে। এর ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম আবারও ১০০ ডলারের ওপরে উঠে গেছে— যা ২০২২ সালের পর প্রথমবার।

সোমবার (৯ মার্চ) এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে সহিংসতা বাড়ার পর তেলের সরবরাহ সংকট নিয়ে উদ্বেগ দ্রুত বেড়েছে। এর জেরে চার বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে তেলের দাম এবং বিশ্ব শেয়ারবাজারেও বড় ধরনের দরপতন দেখা গেছে।

সপ্তাহান্তে ইরানের রাজধানী তেহরান ও আশপাশের অন্তত পাঁচটি জ্বালানি স্থাপনায় হামলার খবর পাওয়া গেছে। হামলার পর তেহরানে ‘ধ্বংসস্তূপের মতো পরিস্থিতি’ তৈরি হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে দাবি করা হয়। একই সময়ে সম্ভাব্য প্রতিশোধমূলক হামলার আশঙ্কায় কুয়েতের জাতীয় তেল কোম্পানিও সতর্কতামূলকভাবে উৎপাদন কমানোর ঘোষণা দিয়েছে।

বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি বাণিজ্যপথ হরমুজ প্রণালি কার্যত এক সপ্তাহ ধরে বন্ধ রয়েছে। সাধারণত বিশ্বে সমুদ্রপথে পরিবাহিত তেল ও গ্যাসের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই প্রণালি দিয়েই পরিবহন করা হয়। এ অবস্থায় আন্তর্জাতিক বাজারের মানদণ্ড ব্রেন্ট ক্রুডের দাম এশিয়া–প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের লেনদেন শুরুতেই ১৬ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১০৮ দশমিক ১০ ডলারে দাঁড়ায়। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের বেঞ্চমার্ক ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) তেলের দামও ১৯ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়ে ১০৮ দশমিক ৭২ ডলারে পৌঁছায়।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দাবি করেছেন, তেলের এই মূল্যবৃদ্ধি বিশ্বের নিরাপত্তা ও শান্তির জন্য খুবই সামান্য মূল্য এবং এটি যুদ্ধের স্বল্পমেয়াদি প্রভাব। তার মতে, ইরানের পারমাণবিক হুমকি ধ্বংস হলে তেলের দাম দ্রুত কমে আসবে।

তবে ইরান সতর্ক করে বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা অব্যাহত থাকলে তেলের দাম আরও বাড়তে পারে। দেশটির বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর এক মুখপাত্র বলেন, যদি ব্যারেলপ্রতি ২০০ ডলারের বেশি তেলের দাম মেনে নিতে পারেন, তাহলে এই যুদ্ধ চালিয়ে যান।

এদিকে তেলের দাম বৃদ্ধির প্রভাব পড়েছে বৈশ্বিক শেয়ারবাজারেও। গতকাল সোমবার টোকিওতে জাপানের নিক্কেই সূচক ৬ দশমিক ৩ শতাংশ কমেছে। দক্ষিণ কোরিয়ার কোস্পি সূচক কমেছে ৫ দশমিক ৯ শতাংশ এবং অস্ট্রেলিয়ার এএসএক্স ২০০ সূচক নেমেছে প্রায় ৩ দশমিক ৯ শতাংশ।

বিশ্লেষকদের মতে, প্রতিদিন প্রায় ২ কোটি ব্যারেল তেলের ঘাটতি বৈশ্বিক বাজারে বড় চাপ তৈরি করেছে এবং পরিস্থিতি দ্রুত স্বাভাবিক হওয়ার কোনো ইঙ্গিত নেই। বছরের শুরুতে যেখানে তেলের দাম ছিল ব্যারেলপ্রতি প্রায় ৬০ ডলার, সেখানে এখন তা প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ বেড়ে গেছে।

কাতারের জ্বালানি মন্ত্রীও সতর্ক করে বলেছেন, যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলে উপসাগরীয় অঞ্চলের তেল রপ্তানিকারক দেশগুলো কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হতে পারে। সে ক্ষেত্রে তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১৫০ ডলার ছাড়িয়ে যেতে পারে।

এদিকে হরমুজ প্রণালিতে চলাচলকারী শত শত তেলবাহী জাহাজ এখন স্থবির হয়ে আছে। ইরানের বিপ্লবী গার্ড বাহিনী হুমকি দিয়েছে, এই পথ ব্যবহার করলে যেকোনো জাহাজে হামলা চালানো হতে পারে।l

Continue Reading

Trending