Connect with us

top1

আজ চালু হচ্ছে ফ্যামিলি কার্ড, প্রথম ধাপে কারা পাচ্ছেন?

Published

on

সরকার গঠনের মাত্র তিন সপ্তাহের মাথায় নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে বড় পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে বর্তমান প্রশাসন। আজ মঙ্গলবার (১০ মার্চ) উদ্বোধন হতে যাচ্ছে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ পাইলট প্রকল্প। এর মাধ্যমে দেশের প্রান্তিক ও নিম্নবিত্ত পরিবারের জীবনমান উন্নয়নে সরাসরি আর্থিক সহায়তা পৌঁছে দেবে সরকার।

আজ সকাল ১০টায় রাজধানীর বনানী টিঅ্যান্ডটি খেলার মাঠে (কড়াইল বস্তি সংলগ্ন) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আনুষ্ঠানিকভাবে এই প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন। উদ্বোধনের সঙ্গে সঙ্গেই সারা দেশের নির্বাচিত নারীদের ব্যাংক হিসাব বা মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসের (MFS) মাধ্যমে ২,৫০০ টাকা হারে মাসিক ভাতা পৌঁছে যাবে।

কারা পাচ্ছেন এই সুবিধা? 

প্রাথমিক পর্যায়ে দেশের ১৩টি জেলার ১৪টি সুনির্দিষ্ট এলাকায় এই কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। পাইলট প্রকল্পের আওতায় চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত ৩৭,৫৬৭ জন নারী এই ভাতার সুবিধা পাবেন। তবে শর্ত অনুযায়ী, এই কার্ডধারী নারী অন্য কোনো সরকারি ভাতা ভোগ করতে পারবেন না। তবে পরিবারের অন্য সদস্যের কোনো সুবিধা থাকলে তা বহাল থাকবে।

যাচাই-বাছাই ও স্বচ্ছতা প্রকল্পটি বাস্তবায়নে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করা হয়েছে।

তথ্য সংগ্রহ: ৬৭,৮৫৪টি নারীপ্রধান পরিবারের ডাটাবেজ তৈরি করা হয়।

যাচাই পদ্ধতি: সফটওয়্যারের মাধ্যমে ‘প্রক্সি মিনস টেস্ট’ (PMT) বা দারিদ্র্য সূচক নির্ধারণ করে পরিবারগুলোকে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়েছে।

চূড়ান্ত নির্বাচন: একাধিক ভাতা বা সরকারি চাকরিজীবীদের বাদ দিয়ে ৪৭,৭৭৭টি সঠিক তথ্যের মধ্য থেকে চূড়ান্ত তালিকা প্রস্তুত করা হয়।

পাইলট প্রকল্পের এলাকাগুলো ১. ঢাকা: কড়াইল ও ভাসানটেক বাগানবাড়ি বস্তি

২. চট্টগ্রাম: পটিয়া

৩. খুলনা: খালিশপুর

৪. রাজশাহী: নাটোরের লালপুর ও বগুড়া সদর

৫. রংপুর: ঠাকুরগাঁও সদর ও দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ

৬. সিলেট: সুনামগঞ্জের দিরাই

৭. বরিশাল: ভোলার চরফ্যাসন

৮. ঢাকা বিভাগ: রাজবাড়ীর পাংশা, কিশোরগঞ্জের ভৈরব ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর

৯. পার্বত্য অঞ্চল: বান্দরবানের লামা

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সমাজকল্যাণ মন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন জানিয়েছেন, পাইলট পর্যায়ে নগদ অর্থ দেওয়া হলেও ভবিষ্যতে এই ভাতার পরিবর্তে সমমূল্যের প্রয়োজনীয় খাদ্যপণ্য দেওয়ার পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

কোভিড প্রকল্পে দুর্নীতি : সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রীসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে ৬ মামলার সুপারিশ

Published

on

By

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অধীন কোভিড-১৯ সংক্রান্ত প্রকল্পে ব্যাপক আর্থিক অনিয়ম ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে ছয়টি পৃথক মামলা দায়েরের সুপারিশ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশনের অনুসন্ধান দল। এতে সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক, স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ও একাধিক ঠিকাদারসহ মোট ১৩ জনকে আসামি করার সুপারিশ করা হয়েছে। দুদকের উপপরিচালক (জনসংযোগ) মো. আকতারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

অনুসন্ধান প্রতিবেদনে বলা হয়, কোভিড-১৯ ইমার্জেন্সি রেসপন্স অ্যান্ড পেন্ডামিক প্রিপারেডেনস্ প্রকল্পের বিভিন্ন প্যাকেজের আওতায় মালামাল ক্রয় ও সেবা গ্রহণে অনিয়মের মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে। এসব ঘটনায় দণ্ডবিধির ৪০৯, ৪২০, ১২০বি ও ১০৯ ধারাসহ দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় মামলা করার সুপারিশ করা হয়েছে।

প্রথম মামলায় সুরক্ষা সামগ্রী (KN95, N95 মাস্ক ও হ্যান্ড গ্লাভস) ক্রয়ের প্যাকেজে ৩ কোটি ৪৭ লাখ ৯৯ হাজার ১৫০ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে। এই মামলায় আসামি করা হয়েছে প্রকল্প পরিচালক ডা. ইকবাল কবীর, ডা. তাহমিনা জোহরা, ADG (Plan & Dev.), অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা, জাহিদ মালেক, সাবেক স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী, কাজী শামীমুজ্জামান, Proprietor, jadid automobiles, ডা. মো. শরীফুল হাসান, সহকারী পরিচালক (প্লানিং) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, ডা. মো. আনোয়ার সাদাত, ডেপুটি প্রোগ্রাম ম্যানেজার (কো অর্ডিনেশন), প্লানিং, মনিটরিং অ্যান্ড রিসার্চ কর্মসূচি, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এবং ডা. অনির্বান সরকার, মেডিকেল অফিসার (প্লানিং), স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, ঢাকা।

দ্বিতীয় মামলায় হাসপাতালের বৈদ্যুতিক বেড ক্রয়ে অনিয়মের মাধ্যমে ১ কোটি ৪৮ লাখ ৯৫ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে। এই মামলায় আসামি হিসেবে সুপারিশ করা হয়েছে প্রকল্প পরিচালক ইকবাল কবির, ডা. তাহমিনা জোহরা, অবসরপ্রাপ্ত, এডিজি (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন), মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম, Proprietor, মেসার্স INSHA TRADE CORPORATION. ডা. মো. শরীফুল হাসান, সহকারী পরিচালক (প্লানিং) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, ডা. মোহা. আনোয়ার সাদাত, ডেপুটি প্রোগ্রাম ম্যানেজার (কো অর্ডিনেশন), প্লানিং, মনিটরিং অ্যান্ড রিসার্চ কর্মসূচি, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এবং ডা. অনির্বান সরকার, মেডিকেল অফিসার (প্লানিং), স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, তৃতীয় মামলায় KN95 মাস্ক ক্রয়ের ক্ষেত্রে ৯৩ লাখ ৯৮ হাজার ৭৫০ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ করা হয়েছে। এই মামলায় আসামি করা হয়েছে প্রকল্প পরিচালক অধ্যাপক ডা. ইকবাল কবীর, ডা. তাহমিনা জোহরা, অতিরিক্ত মহাপরিচালক, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা, মহাপরিচালক (দায়িত্বে), স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, জাহিদ মালেক, সাবেক স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী, মো. সাইফুর রহমান, Proprietor, SRS DESIGN & FASHIN LTD, ডা. মো. শরীফুল হাসান, সহকারী পরিচালক(প্লানিং) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, ঢাকা, ডা. মোহা. আনোয়ার সাদাত, ডেপুটি প্রোগ্রাম ম্যানেজার (কো অর্ডিনেশন), প্লানিং, মনিটরিং অ্যান্ড রিসার্চ কর্মসূচি, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর এবং ডা. অনির্বান সরকার, মেডিকেল অফিসার (প্লানিং), স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

চতুর্থ মামলায় জনসচেতনতা বিষয়ক টিভিসি প্রচার না করেও বিল দেখিয়ে ৬২ লাখ ৭৩ হাজার ৪৭০ টাকা অতিরিক্ত উত্তোলনের অভিযোগ রয়েছে। এই মামলায় আসামি করা হয়েছে প্রকল্প পরিচালক অধ্যাপক ডা. ইকবাল কবীর, ডা. তাহমিনা জোহরা, অতিরিক্ত মহাপরিচালক, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা, মহাপরিচালক (দায়িত্বে), স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

পঞ্চম মামলায় চিকিৎসা সরঞ্জাম ক্রয়ের ক্ষেত্রে ২ কোটি ১৬ লাখ ৯৭ হাজার ৬১৫ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে। এই মামলায় আসামি হিসেবে সুপারিশ করা হয়েছে প্রকল্প পরিচালক অধ্যাপক ডা. ইকবাল কবীর, ডা. তাহমিনা জোহরা, অতিরিক্ত মহাপরিচালক, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা, মহাপরিচালক (দায়িত্ব) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, মো. মোস্তফা মনোয়ার, ম্যানেজিং পার্টনার, সিম করপোরেশন, ডা. মো. শরীফুল হাসান, সহকারী পরিচালক (প্লানিং) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, ডা. মোহা. আনোয়ার সাদাত, ডেপুটি প্রোগ্রাম ম্যানেজার (কো অর্ডিনেশন), প্লানিং, মনিটরিং অ্যান্ড রিসার্চ কর্মসূচি, ডা. অনির্বান সরকার, মেডিকেল অফিসার (প্লানিং), স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। ষষ্ঠ মামলায় করোনা অ্যাপ ও ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন সংক্রান্ত সেবা ক্রয়ে ৩ কোটি ৩২ লাখ ৬৪ হাজার টাকা অতিরিক্ত পরিশোধের মাধ্যমে আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে। এই মামলায় আসামি হিসেবে সুপারিশ করা হয়েছে প্রকল্প পরিচালক অধ্যাপক ডা. ইকবাল কবীর, ডা. তাহমিনা জোহরা, অতিরিক্ত মহাপরিচালক, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, অধ্যাপক ডা. নাসিমা সুলতানা, মহাপরিচালক (দায়িত্বে) স্বাস্থ্য অধিদপ্তর, রইসুল কবির, Proprietor, BRAIN STATION 23 LTD, মো. মোস্তফা মনোয়ার, ম্যানেজিং পার্টনার, সিম করপোরেশন।

অনুসন্ধান টিম তাদের প্রতিবেদনে উল্লেখ করেছে, ক্ষমতার অপব্যবহার, প্রতারণা ও যোগসাজশের মাধ্যমে নির্ধারিত প্রক্রিয়া লঙ্ঘন করে এসব অর্থ আত্মসাৎ করা হয়েছে। সূত্র জানায়, অনুসন্ধান টিমের দাখিল করা প্রতিবেদনের সুপারিশের ভিত্তিতে ছয়টি পৃথক মামলা দায়েরের জন্য কমিশনের অনুমোদনের উদ্দেশ্যে নথি উপস্থাপন করা হয়েছে। দুদকের পরবর্তী কমিশনের অনুমোদন সাপেক্ষে এই মামলাগুলো করা হবে।

Continue Reading

top1

সংসদ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধীদলীয় নেতার সৌজন্য সাক্ষাৎ

Published

on

By

জাতীয় সংসদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। সোমবার (৩০ মার্চ) দুপুরে সংসদ সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

এর আগে বেলা ১২টায় জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদের সহধর্মিণী দিলার হাফিজের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধীদলীয় নেতা পাশাপাশি দাঁড়িয়ে জানাজায় অংশ নেন। জানাজা শেষে দুই নেতা একসঙ্গে হেঁটে সংসদ ভবনের দিকে যাওয়ার সময় ডা. শফিকুর রহমান প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলার আগ্রহ প্রকাশ করেন। প্রধানমন্ত্রী তাৎক্ষণিক তাকে সংসদ সচিবালয়ে নিজের কার্যালয়ে আমন্ত্রণ জানান।

প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, দুই নেতার মধ্যে প্রায় ২০ মিনিটব্যাপী সংক্ষিপ্ত ও হৃদ্যতাপূর্ণ আলোচনা হয়। আলাপ শেষে ডা. শফিকুর রহমান বিদায় নিতে চাইলে প্রধানমন্ত্রী তাকে নিজ কার্যালয় থেকে খানিকটা পথ এগিয়ে দিয়ে সৌজন্য প্রকাশ করেন। প্রধানমন্ত্রীর এই শিষ্টাচার ও রাজনৈতিক সৌজন্যবোধ উপস্থিত সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।

অতিরিক্ত প্রেস সচিব আরও বলেন, “প্রধানমন্ত্রী সবসময়ই যথাযথ সম্মান ও শিষ্টাচার বজায় রাখেন। জাতীয় নির্বাচনের আগে এবং সরকার গঠনের পর বিভিন্ন অনুষ্ঠানে তার এই মার্জিত আচরণ সাধারণ মানুষের প্রশংসা কুড়িয়েছে। আজকের এই সৌজন্য সাক্ষাৎ তারই একটি প্রতিফলন।”

সাক্ষাৎ শেষে ডা. শফিকুর রহমান প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ত্যাগ করে নিজ দপ্তরে ফিরে যান।

Continue Reading

top1

ডিজিএফআইয়ের সাবেক পরিচালক আফজাল নাছের গ্রেপ্তার

Published

on

By

প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তর (ডিজিএফআই)-এর সাবেক পরিচালক লেফটেন্যান্ট কর্নেল (বরখাস্ত) মো. আফজাল নাছেরকে (৬১) গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখা (ডিবি)।

সোমবার (৩০ মার্চ) ভোরে রাজধানীর মিরপুর ডিওএইচএস-এর একটি বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আফজাল নাছের ২০০৭ সালের এক-এগারো সরকারের সময় ডিজিএফআইয়ের প্রভাবশালী কর্মকর্তা হিসেবে পরিচিত ছিলেন।

ডিবির একটি সূত্র গণমাধ্যমকে জানায়, এক-এগারোর অন্যতম প্রধান কুশীলব হিসেবে পরিচিত সাবেক সেনা কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী ও প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) সাবেক মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) শেখ মামুন খালেদকে জিজ্ঞাসাবাদের সূত্র ধরে আফজাল নাছেরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

এর আগে ওয়ান-ইলেভেনের সময় সরকারের দুই কুশীলব, বিতর্কিত সেনা কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী ও লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) শেখ মামুন খালেদকে গ্রেপ্তার করে ডিবি। তারা বর্তমানে ডিবির রিমান্ডে রয়েছেন।

আফজাল নাছেরের বাড়ি নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার মজিরখিল এলাকায়। ১৯৮৪ সালের ৪ জুলাই সেনাবাহিনীতে যোগ দেন তিনি। গ্রেপ্তার মো. আফজাল নাছের ২০০৬ সালের জুন থেকে ২০০৮ সালের মার্চ পর্যন্ত ডিজিএফআইয়ে দায়িত্বরত ছিলেন। পরে ২০০৯ সালের ৫ নভেম্বর লেফটেন্যান্ট কর্নেল থাকা অবস্থায় বরখাস্ত হন।

Continue Reading

Trending