Connect with us

top1

বিভিন্ন দেশে তেলের দাম বাড়লেও আমরা বাড়াইনি: অর্থমন্ত্রী

Published

on

অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, বিশ্বের অনেক দেশে তেলের দাম বাড়লেও আমরা বাড়াইনি। আজ রোববার সকালে চট্টগ্রাম নগরের মেহেদীবাগ বাসভবনে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে ঈদ পরবর্তী মতবিনিময়ের সময় তিনি এ কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, যুদ্ধ যদি দীর্ঘদিন অব্যাহত থাকে চাপটা বাড়তে থাকবে। সেই চাপটা আল্টিমেটলি জনগণের উপর আসবে যেভাবে বিশ্বব্যাপী আসছে। সেটা বাংলাদেশেও আসবে। সংযমও আমাদের মধ্যে থাকতে হবে। সংযমের মাধ্যমেই মোকাবিলা করতে হবে। কারণ যুদ্ধ তো আমাদের হাতে না। যুদ্ধ হচ্ছে অন্য জায়গায়। এটা তো বিশ্বব্যাপী একটা চ্যালেঞ্জ। তার মধ্যে বাংলাদেশের নতুন সরকার এবং সবচেয়ে সমস্যা যেটা হচ্ছে, যে অর্থনীতি হাতে নিয়েছি এটা একটা সার্বিকভাবে নিম্নগামী অর্থনীতি।

‘তার মধ্যেও আমি মনে করি আমরা এই পর্যন্ত যে ম্যানেজমেন্ট সরকারের পক্ষ থেকে করা হয়েছে আপনারা লক্ষ্য করেছেন এর মধ্যে কিন্তু তেলের দাম বাড়ানো হয় নাই। বিশ্বের অনেক দেশে কিন্তু তেলের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। আমরা কিন্তু তেলের দাম এখনো বাড়াই নাই। এবং আপনারা লক্ষ্য করবেন তেলের সরবরাহ এই ঈদের সময় যানবাহন পরিবহন তেলের কারণে কেউ আটকে ছিল না। পরিবহন ব্যবস্থা সচল ছিল।’

তিনি বলেন, ‘সবকিছু মিলিয়ে ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে অর্থনীতি এখনও আমরা মনে করি জনগণের উপর সেই রকম চাপ সৃষ্টি হয় নাই। তবে এটা কঠিন সময় আমাদের স্বীকারই করতে হবে। একে তো অর্থনৈতিক ভঙ্গুর অবস্থায় আমরা দায়িত্ব নিয়েছি এবং সাথে সাথে এই যে যুদ্ধ মধ্যপ্রাচ্যে সেটার কারণে অর্থনীতিতে বড় চাপ সৃষ্টি হয়েছে। এবং এই যুদ্ধ যদি চলতে থাকে চাপটা আরও বাড়তে থাকবে।’

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

ইনকিলাব মঞ্চের নতুন আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা, মুখপাত্র হলেন ওসমান হাদি

Published

on

By

নিজস্ব প্রতিবেদক

সদস্যদের প্রত্যক্ষ ভোটে ইনকিলাব মঞ্চের নতুন আহ্বায়ক ও সদস্য সচিব নির্বাচিত হয়েছেন। একই সঙ্গে সংগঠনের কার্যক্রম আরও গতিশীল করতে ৮ সদস্যের একটি আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। পাশাপাশি শহীদ শারিক ওসমান হাদিকে আজীবনের জন্য সংগঠনটির মুখপাত্র ঘোষণা করা হয়েছে।

রোববার (২৭ জুলাই) সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত সংগঠনটির সাধারণ সভায় প্রত্যক্ষ ভোটে আহ্বায়ক হিসেবে আব্দুল্লাহ আল জাবের এবং সদস্য সচিব হিসেবে ফাতিমা তাসনিম জুমা নির্বাচিত হন। পরে নবনির্বাচিত নেতৃত্ব আংশিক কমিটির সদস্যদের নাম ঘোষণা করেন।

নতুন কমিটিতে সাংগঠনিক সম্পাদক হয়েছেন রকিবুল ইসলাম (রোকসান রাকিব), সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক শোয়াইব বিন আহসান সিয়াম, দপ্তর সম্পাদক রায়হান আহমেদ, অর্থ সম্পাদক মুহাম্মদ ওমর, মিডিয়া ও প্রচার সম্পাদক নাঈম ইবনে জাহির এবং সহ-মিডিয়া ও প্রচার সম্পাদক হাবিবুল্লাহ মিশবাহ।

এ ছাড়া সংগঠনের কার্যক্রম সম্প্রসারণ এবং যোগ্য ও সিনিয়র সদস্যদের মূল্যায়নের লক্ষ্যে একটি সার্চ কমিটিও গঠন করা হয়েছে। এতে জি এস সাবিরকে আহ্বায়ক এবং মামুনুর রহমান আদনানকে সদস্য সচিব করা হয়েছে। কমিটির সদস্য হিসেবে রয়েছেন আসাদুজ্জামান আসাদ, হিশাম ইব্রাহিম, শান্ত আক্তার ও শাকিব সারওয়ার।

সংগঠনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নতুন নেতৃত্ব একটি আদর্শিক, গণমুখী ও কার্যকর সংগঠন গড়ে তুলতে কাজ করবে। একই সঙ্গে সাংগঠনিক ভিত্তি শক্তিশালী করা, জনসম্পৃক্ততা বৃদ্ধি এবং ঘোষিত আদর্শ বাস্তবায়নে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন নবনির্বাচিত নেতারা।

Continue Reading

top1

মির্জা ফখরুলই হচ্ছেন রাষ্ট্রপতি, জোর আলোচনা রাজনৈতিক অঙ্গনে

Published

on

By

নিজস্ব প্রতিবেদক

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পর দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি কে হচ্ছেন—এ প্রশ্নে রাজনৈতিক অঙ্গনে জোর আলোচনা চলছে। আলোচনায় সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। দলীয় ও রাজনৈতিক বিভিন্ন সূত্রের দাবি, অভিজ্ঞতা, গ্রহণযোগ্যতা এবং বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় তাকে রাষ্ট্রপতি পদে বিবেচনা করা হচ্ছে।

গত শুক্রবার রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করার পর নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এরই মধ্যে বিভিন্ন মহলে বিএনপির কয়েকজন জ্যেষ্ঠ নেতার নাম আলোচনায় এলেও মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নামই সবচেয়ে বেশি উচ্চারিত হচ্ছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তি, ভারসাম্যপূর্ণ নেতৃত্ব এবং বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে সুসম্পর্কের কারণে মির্জা ফখরুল সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে এগিয়ে রয়েছেন। তবে রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়নের বিষয়ে এখনো বিএনপির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা দেওয়া হয়নি।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বিএনপি এমন একজনকে রাষ্ট্রপতি করতে চাইবে, যিনি জাতীয় সংকট মোকাবিলায় অভিজ্ঞ এবং সর্বজনগ্রহণযোগ্য। সে বিবেচনায় মির্জা ফখরুলের নাম গুরুত্ব পাচ্ছে।

২০০১ সালে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি কৃষি মন্ত্রণালয় এবং পরে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির মহাসচিব হিসেবে দলকে নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন তিনি।

এদিকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে আজ ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের সঙ্গে বৈঠক করবেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এ এম এম নাসির উদ্দিন ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনার। বৈঠকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তপশিল ঘোষণাসহ পরবর্তী কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।

সংবিধান অনুযায়ী, জাতীয় সংসদের সদস্যদের ভোটে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। নির্বাচন কমিশন সংসদ সচিবালয় থেকে ভোটার তালিকা পাওয়ার পর রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তপশিল ঘোষণা করবে।

Continue Reading

top1

শাপলা চত্বর হত্যাকান্ডটি ছিল ‘গণহত্যা’: চিফ প্রসিকিউটর

Published

on

By

ডিজিটাল ডেস্ক

রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে ২০১৩ সালের ৫ মে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশে জেনোসাইড বা গণহত্যা সংঘটিত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।

সোমবার (২৭ জুলাই) ট্রাইব্যুনালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ ৪১ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেওয়ার পর নিজ কার্যালয়ে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, হেফাজতে ইসলামকে নির্মূল করার উদ্দেশ্যে তৎকালীন সরকারের আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এবং আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা পরিকল্পিতভাবে হত্যাকাণ্ড চালায়। তবে ঘটনার পর দায়ের করা মামলার কোনো কার্যকর তদন্ত হয়নি এবং দীর্ঘ সময়েও বিচার প্রক্রিয়া এগোয়নি। পরে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে ৪১ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, দায়িত্ব নেওয়ার পর শাপলা চত্বরের ঘটনাটিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত এগিয়ে নেওয়া হয়েছে। তার দাবি, ওই ঘটনায় শিশুসহ আলেম-ওলামাদের ওপর নির্বিচারে গুলি চালানো হয়, যা গণহত্যার শামিল। দেশের ইতিহাসে এমন বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডের নজির বিরল বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

আমিনুল ইসলাম জানান, তদন্তে মোট ৬১ জনের মৃত্যুর তথ্য পাওয়া গেছে, যার মধ্যে ৫৮ জনের পরিচয় শনাক্ত করা হয়েছে। অভিযোগে দুটি পৃথক ঘটনার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এর একটি ৫ মে মধ্যরাতে শাপলা চত্বরে ৩২ জন নিহত হওয়ার ঘটনা এবং অন্যটি ৬ মে নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে ২০ জনকে হত্যার অভিযোগ। এই দুই ঘটনাকে মানবতাবিরোধী অপরাধ ও গণহত্যা হিসেবে উল্লেখ করে ৪১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে।

এর আগে আদালতে শুনানির সময়ও চিফ প্রসিকিউটর দাবি করেন, শাপলা চত্বরের অভিযান ছিল তৎকালীন সরকারের পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড। তার ভাষ্য অনুযায়ী, অভিযানের আগে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও প্রশাসনের এক বৈঠকে গ্রেনেড ও মারণাস্ত্র ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল এবং সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরের ঘটনায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটরের কাছে প্রথম অভিযোগ দায়ের করেন হেফাজতে ইসলামের নেতা আজিজুল হক। তিনি হেফাজতের নেতা জুনায়েদ আল হাবিব ও মাওলানা মামুনুল হকের পক্ষে অভিযোগটি জমা দেন। প্রাথমিক অভিযোগে ২১ জনকে আসামি করা হলেও তদন্ত শেষে প্রসিকিউশন ৪১ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করে।

শুনানি শেষে আদালত শেখ হাসিনাসহ ৪১ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নিয়ে পলাতক ৩১ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। একই সঙ্গে গ্রেপ্তার থাকা ১০ আসামিকে পরবর্তী শুনানিতে আদালতে হাজির করার নির্দেশ দেওয়া হয়। মামলার পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ১৬ আগস্ট দিন ধার্য করা হয়েছে।

Continue Reading

Trending