Connect with us

top1

আজ প্রতীক নিয়ে কাল থেকে মাঠের লড়াইয়ে নামবেন প্রার্থীরা

Published

on

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের সময়সীমা শেষ হওয়ার পর আজ বুধবার চূড়ান্ত প্রতিদ্বন্দ্বীদের হাতে প্রতীক তুলে দিচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এর মাধ্যমেই আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হচ্ছে নির্বাচনের চূড়ান্ত আমেজ। আগামীকাল বৃহস্পতিবার থেকে প্রার্থীরা নামবেন মাঠের প্রচারে। এতে জাতীয় নির্বাচন ও গণভোটের বল আনুষ্ঠানিকভাবে মাঠে গড়াতে যাচ্ছে, যা চলবে ভোটের ৪৮ ঘণ্টা আগ পর্যন্ত।

কয়েকদিন ধরে নানা জল্পনা-কল্পনার পর গতকাল শেষ হয়েছে মনোনয়ন প্রত্যাহারের আনুষ্ঠানিকতা। যারা ভোটের লড়াই থেকে সরে দাঁড়ানোর তারা সরে গেছেন, এখন মাঠে রয়েছেন শুধু চূড়ান্ত প্রার্থীরা। আজ প্রতীক পাওয়ার পর আগামীকাল থেকেই শুরু হবে আনুষ্ঠানিক প্রচার। এরই মধ্যে মাইকিংসহ প্রচারের সব প্রস্তুতি সেরে রেখেছেন প্রার্থীরা। সকাল থেকেই প্রার্থীরা তাদের কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়বেন। ‘ভোটারদের দ্বারে দ্বারে যাওয়া’, ‘পথসভা’ আর ‘উঠান বৈঠকে’ মুখর হয়ে উঠবে পাড়া-মহল্লা। সারা দেশে শীতের আমেজের সঙ্গে যোগ হচ্ছে নির্বাচনী উষ্ণতা। প্রার্থীরা তাদের ইশতেহার নিয়ে ধরনা দেবেন সাধারণ মানুষের কাছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, প্রতীক বরাদ্দের মাধ্যমে নির্বাচনের বল এখন পুরোপুরি মাঠে গড়াল। কে হাসবেন শেষ হাসি, আর কার গলায় উঠবে জয়ের মালা, তা নির্ধারণে এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা। ভোট ও প্রচার নিয়ে সাধারণ ভোটারদের মধ্যেও বাড়ছে আগ্রহ। চায়ের দোকান থেকে ড্রয়িং রুম—সবখানেই এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু ‘ভোট’ এবং শুধুই ভোট।

নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ সময় ছিল ২৯ ডিসেম্বর, নির্ধারিত সময়ে এবার ৩০০ সংসদীয় আসনে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেন ৩ হাজার ৪২২ জন। এর মধ্যে ২ হাজার ৮৫ জন মনোনয়নপত্র জমা দেন। সেখান থেকে যাচাই-বাছাইকালে ৭২৬ জনের মনোনয়নপত্র বাতিল করেন রিটার্নিং কর্মকর্তারা। রিটার্নিং কর্মকর্তাদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ৬৩৯ জন আপিল করলে শুনানি শেষে ৪৩১ জনের প্রার্থীতা ফেরত দেয় কমিশন। গতকাল মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিনে ৩০৫ জন নির্বাচনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে নিজেদের সরিয়ে নেন। ফলে সারা দেশে ২৯৮টি আসনে কমবেশি ১ হাজার ৯৬৭ জন প্রার্থী চূড়ান্তভাবে মাঠে থাকলেন। রিটার্নিং অফিসারদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ৫ জানুয়রি থেকে আপিল আবেদন গ্রহণ শুরু হয়ে চলে ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত। ১০ জানুয়ারি থেকে আপিল শুনানি শুরু হয়ে একটানা রোববার পর্যন্ত চলে। অবশ্য পাবনা-১ ও পাবনা-২ আসনে আগে বৈধ হওয়া ১১ জন প্রার্থী (আগের তপশিল অনুযায়ী মনোনয়নপত্র জমা ১৩ জনের) এ তালিকা থেকে বাদ যাবে। ভোটের দিন একই রেখে এ দুই আসনে নতুন তপশিল ঘোষণা করা হয়েছে।

চট্টগ্রাম ব্যুরো জানায়, চট্টগ্রামের ১৬টি সংসদীয় আসনের মধ্যে দশ আসনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মোট ১২ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন। তাদের মধ্যে চট্টগ্রাম-৬ আসনে বিএনপির প্রাথমিক মনোনয়নপ্রাপ্ত গোলাম আকবর খোন্দকারও রয়েছেন। জামায়াত নেতৃত্বাধীন দশ দলীয় জোটে চট্টগ্রাম-৮ আসনটি এনসিপিকে ছেড়ে দেওয়ার কথা থাকলেও সেখানে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেননি জামায়াতের প্রার্থী। রিটার্নিং কর্মকর্তা কার্যালয়ের তথ্যমতে, প্রত্যাহার শেষে চট্টগ্রামের ১৬ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১১১ জন।

রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্র জানায়, গতকাল দিন শেষে মোট মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারকারীর সংখ্যা ১২ জন। তারা হলেন চট্টগ্রাম-২ আসনে বিএসপির মো. ওসমান আলী ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের এইচ এম আশরাফ বিন এয়াকুব, চট্টগ্রাম-৫ আসনে বাংলাদেশ ইসলামী ফ্রন্টের সৈয়দ মুক্তার আহমেদ, চট্টগ্রাম-৬ আসনে বিএনপির গোলাম আকবর খোন্দকার, চট্টগ্রাম-৭ আসনে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মো. আবুল কালাম, চট্টগ্রাম-৮ আসনে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মো. এনায়েত উল্লাহ, চট্টগ্রাম-৯ আসনে নেজামে ইসলাম পার্টির মো. নেজাম উদ্দিন, চট্টগ্রাম-১১ আসনে আমার বাংলাদেশ পার্টির মো. লোকমান, চট্টগ্রাম-১২ আসনে গণঅধিকার পরিষদের এমদাদুল হাসান, চট্টগ্রাম-১৩ আসনে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মো. ইমরান, চট্টগ্রাম-১৬ আসনে এলডিপির মো. কফিল উদ্দিন চৌধুরী ও নেজামে ইসলাম পার্টির মো. মুসা।

তাদের মধ্যে চট্টগ্রাম-৬ আসনে বিএনপির গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরী ও গোলাম আকবর খোন্দকারকে প্রাথমিক মনোনয়ন দেওয়া হয়েছিল। সেখানে দলের চূড়ান্ত মনোনয়ন দেওয়া হয় গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীকে। অন্যদিকে, জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন দশদলীয় জোট থেকে চট্টগ্রাম-৮ আসনটি এনসিপিকে ছেড়ে দেওয়ার কথা ছিল। সে অনুযায়ী এনসিপি মনোনীত প্রার্থী জোবাইরুল হাসান সেখানে নির্বাচনী মাঠ গুছিয়ে আসছিলেন। কিন্তু দেখা গেছে, শেষ পর্যন্ত ওই আসনের জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী ডা. আবু নাছের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেননি। ফলে আসনটিতে জোটের দুজন প্রার্থী রয়ে গেলেন।

মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার শেষে চট্টগ্রাম-১ আসনে ৭ জন, চট্টগ্রাম-২ আসনে ৭ জন, চট্টগ্রাম-৩ আসনে ৪ জন, চট্টগ্রাম-৪ আসনে ৯ জন, চট্টগ্রাম-১০ আসনে ৯ জন, চট্টগ্রাম-১১ আসনে ১০ জন, চট্টগ্রাম-১২ আসনে ৭ জন, চট্টগ্রাম-১৩ আসনে ৬ জন, চট্টগ্রাম-১৪ আসনে ৮ জন, চট্টগ্রাম-১৫ আসনে ৩ জন ও চট্টগ্রাম-১৬ আসনে ৭ জন প্রার্থী বহাল রয়েছে।

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি জানান, নারায়ণগঞ্জে আসন্ন নির্বাচনে মনোনয়ন প্রত্যাহার শেষে চূড়ান্ত প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৭ জনে। মনোনয়ন প্রত্যাহারকারীরা হলেন—নারায়ণগঞ্জ-১ আসন থেকে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী আব্দুল কায়ুম শিকদার, নারায়ণগঞ্জ-২ আসন থেকে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মোহাম্মদ আবুল কালাম এবং নারায়ণগঞ্জ-৪ আসন থেকে খেলাফত মজলিসের প্রার্থী ইলিয়াস আহমেদ। এ তিন প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাহার করায় বর্তমানে চূড়ান্তভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় থাকছেন ৪৭ জন প্রার্থী।

রাজশাহীতে ৩ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার: রাজশাহী ব্যুরো জানায়, রাজশাহীর ৬টি সংসদীয় আসনে ৩২ জন প্রার্থীর মধ্যে ৩ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেন। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারকারী প্রার্থীরা হলেন রাজশাহী-১ আসনের সুলতানুল ইসলাম তারেক (স্বতন্ত্র), রাজশাহী-৩ আসনের মো. ওয়াহেদুজ্জামান (এলডিপি) ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মুহাম্মাদ ফজলুল করিম। রাজশাহী জেলা প্রশাসন কার্যালয়ের মিডিয়া সেলের সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট শাহরিয়ার ইসলাম নাসিফ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

নোয়াখালীতে ৫ প্রার্থীর মনোনয়ন প্রত্যাহার: নোয়াখালীর ছয়টি আসনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মনোনীত ও স্বতন্ত্র মিলিয়ে ৪৭ জন প্রার্থী ভোটের মাঠে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিনে নোয়াখালীর ৬টি নির্বাচনী আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ২ প্রার্থীসহ ৫ প্রার্থী নিজেদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন।

নোয়াখালী জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মনোনয়ন প্রত্যাহার করা প্রার্থীরা হচ্ছেন নোয়াখালী-২ আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী সাইয়েদ আহমেদ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস মনোনীত প্রার্থী তোফাজ্জল হোসেন, নোয়াখালী-৫ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হাসনা জসীম উদ্দিন মওদুদ, খেলাফত মজলিসের প্রার্থী আলী আহমদ ও নোয়াখালী-৬ আসনে জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী শাহ মাহফুজুল হক।

কর্মীদের বাধার মুখে মনোনয়ন প্রত্যাহার করতে পারলেন না জামায়াত প্রার্থী: নরসিংদী প্রতিনিধি জানান, নরসিংদী-২ (পলাশ) আসনে জোটগত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থিতা জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থীর জন্য ছেড়ে দেওয়া হলেও মনোনয়ন প্রত্যাহার করতে পারেননি জামায়াত মনোনীত প্রার্থী। গতকাল মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিনে জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মো. আমজাদ হোসাইনকে তার নিজ বাসায় আটকে রাখেন দলীয় কর্মী ও সমর্থকরা। ফলে তিনি মনোনয়ন প্রত্যাহার করতে পারেননি।

এদিকে, মঙ্গলবার মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিনে নরসিংদীর পাঁচটি সংসদীয় আসনের মধ্যে দুজন প্রার্থী তাদের মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন। তারা হলেন নরসিংদী-২ (পলাশ) আসনে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস মনোনীত প্রার্থী মো. ফারুক ভূঁইয়া এবং নরসিংদী-৩ (শিবপুর) আসনে গণফোরাম মনোনীত প্রার্থী জগলুল হায়দার আফ্রিক।

নওগাঁর ছয়টি আসনে চার প্রার্থীর মনোনয়ন প্রত্যাহার: নওগাঁ প্রতিনিধি জানান, নওগাঁর ছয়টি আসনে চারজন প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। ছয়টি সংসদীয় আসনে এখন ৩২ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন। মনোনয়ন প্রত্যাহারকারীরা হলেন নওগাঁ-২ আসনের ইসলামী আন্দোলন প্রার্থী দেলোয়ার হোসেন, খেলাফতে মজলিস প্রার্থী আব্দুর রহমান ও বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের হুমায়ুন কবির চৌধুরী এবং নওগাঁ-৫ আসনের এবি পার্টির কাজী আতিকুর রহমান।

দিনাজপুর প্রতিনিধি জানান, মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিনে দিনাজপুর জেলার ছয়টি সংসদীয় আসনের মধ্যে পাঁচজন প্রার্থী মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন। ফলে মোট ৪০ জন প্রার্থী আগামী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

দিনাজপুর-২ (বিরল-বোঁচাগঞ্জ) আসন থেকে জাতীয় পার্টি মনোনীত প্রার্থী সুধীর চন্দ্র শীল মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেন। দিনাজপুর-৩ (সদর) আসনে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস মনোনীত রেজাউল করিম মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন।

দিনাজপুর-৫ (ফুলবাড়ী-পার্বতীপুর) আসনে জামায়াত ইসলামী মনোনীত প্রার্থী আনোয়ার হোসেন, জামায়াত ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১০ দলীয় জোটের মনোনীত ডা. আব্দুল আহাদকে সমর্থন জানিয়ে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন। একই আসনের আরেক প্রার্থী বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস মনোনীত আব্দুল কাদের চৌধুরীও মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন।

এ ছাড়া দিনাজপুর-৬ (বিরামপুর-নবাবগঞ্জ-ঘোড়াঘাট-হাকিমপুর) আসনে আমার বাংলাদেশ পার্টি মনোনীত আব্দুল হক শেষ দিনে মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন।

শরীয়তপুর প্রতিনিধি জানান, শরীয়তপুর জেলার তিনটি সংসদীয় আসনে বৈধতা পাওয়া ২৩ জন প্রার্থীর মধ্যে দুজন তাদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করায় বর্তমানে তিন আসনে মোট বৈধ প্রার্থী ২১ জন। মনোনয়ন প্রত্যহারকারী দুজন হলেন শরীয়তপুর-১ আসনের বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী মো. মোশারফ হোসেন ও শরীয়তপুর-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ফারহানা কাদের রহমান।

ঝালকাঠি প্রতিনিধি জানান, মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিনে ঝালকাঠি-১ ও ঝালকাঠি-২ আসনে ডা. মাহমুদা মিতুসহ ৪ জন প্রার্থী তাদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন। বিকেলে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মো. মমিন উদ্দিনের কাছে তারা আনুষ্ঠানিকভাবে মনোনয়ন প্রত্যাহারের ফরম জমা দেন।

জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, ঝালকাঠি-১ (রাজাপুর-কাঁঠালিয়া) আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) মনোনীত প্রার্থী ডা. মাহমুদা মিতু, বিএনপির বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রার্থী গোলাম আজম সৈকত এবং বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরান তাদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন। অন্যদিকে, ঝালকাঠি-২ আসনে আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি) মনোনীত প্রার্থী শেখ জামাল তার মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করেছেন।

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি জানান, মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিনে মুন্সীগঞ্জ জেলার তিনটি সংসদীয় আসনে মোট চারজন প্রার্থী তাদের মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন। এর ফলে জেলায় মনোনয়ন দাখিলকারী মোট ২৩ জন প্রার্থীর মধ্যে চারজন নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোয় বর্তমানে তিনটি সংসদীয় আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯ জনে।

মনোনয়ন প্রত্যাহারকারীদের মধ্যে মুন্সীগঞ্জ-১ আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী ও কেন্দ্রীয় বিএনপির স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর শরফত আলী সপু ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে তার মনোনয়ন প্রত্যাহার করেন। এর আগে মনোনয়ন যাচাই-বাছাইয়ে তার মনোনয়ন বাতিল হলেও আপিলের মাধ্যমে তিনি বৈধতা ফিরে পেয়েছিলেন।

মুন্সীগঞ্জ-২ আসনে দুজন প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন। তারা হলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী অধ্যাপক এভিএম ফজলুল করিম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. আমিনুল ইসলাম। ১০ দলীয় জোটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী উভয় প্রার্থী নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন।

এদিকে মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী হাজি আব্বাস কাজী দলীয় সিদ্ধান্তের কারণে তার মনোনয়ন প্রত্যাহার করেছেন।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

২০২২ সালের পর সর্বোচ্চ দামে জ্বালানি তেল

Published

on

By

ইরান যুদ্ধে সম্ভাব্য পদক্ষেপের নতুন পরিকল্পনা নিয়ে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে অবহিত করতে যাচ্ছে মার্কিন সামরিক বাহিনী। এমন খবরের পর অপরিশোধিত জ্বালানি তেলের দাম বেড়েছে কয়েক গুণ।

বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) এশিয়ার বাজারে দেখা গেছে, ব্রেন্ট অপরিশোধিত তেলের দাম প্রায় ৭ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ১২৬ ডলারের বেশি হয়েছে। ২০২২ সালে ইউক্রেনে রাশিয়ার পূর্ণাঙ্গ আগ্রাসন শুরুর পর এই দাম সর্বোচ্চ।

যুক্তরাষ্ট্রে লেনদেন হওয়া ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট অপরিশোধিত তেলের দামও ২ দশমিক ৩ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি প্রায় ১০৯ ডলারে দাঁড়িয়েছে।

জুন মাসের ডেলিভারির জন্য বর্তমান ব্রেন্ট ফিউচার্স চুক্তির মেয়াদ বৃহস্পতিবার শেষ হবে। ফিউচার চুক্তি হলো একটি নির্দিষ্ট তারিখে কোনো সম্পদ ক্রয় বা বিক্রয় করার চুক্তি। এশিয়ায় সকালের লেনদেনে অপেক্ষাকৃত সক্রিয় জুলাই মাসের চুক্তিটি প্রায় ২ শতাংশ বেড়ে প্রায় ১১৩ ডলারে পৌঁছেছিল।

সূত্রের বরাতে অ্যাক্সিওস জানিয়েছে, তেহরানের সঙ্গে আলোচনায় অচলাবস্থা ভাঙার লক্ষ্যে মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড ইরানের ওপর ধারাবাহিক ‘স্বল্প ও শক্তিশালী’ হামলা চালানোর একটি পরিকল্পনা প্রস্তুত করেছে। প্রস্তাবিত এই হামলায় অবকাঠামোগত লক্ষ্যবস্তু অন্তর্ভুক্ত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

আরেকটি পরিকল্পনা ছিল হরমুজ প্রণালির একটি অংশ দখল করে সেটিকে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য পুনরায় খুলে দেওয়া এবং এই কাজে স্থলভাগে সেনা মোতায়েনের প্রয়োজন হতে পারে।

এ বিষয়ে মন্তব্যের জন্য বিবিসি মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড ও হোয়াইট হাউসের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে।

যুক্তরাষ্ট্র বলেছে, যতদিন তেহরান হরমুজ প্রণালি ব্যবহার করতে চাওয়া জাহাজগুলোকে হুমকি দেওয়া অব্যাহত রাখবে, তত দিন তারা ইরানের বন্দরগুলো অবরোধ করে রাখবে। এর ফলে বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সরবরাহ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হবে।

ইরানের ওপর ‘দীর্ঘমেয়াদি’ অবরোধের জন্য ওয়াশিংটন প্রস্তুতি নিচ্ছে, এমন খবরের পর বুধবার তেলের দাম ৬ শতাংশ বেড়েছে।

Continue Reading

top1

দুই মামলায় হাইকোর্টে জামিন পেলেন আইভী

Published

on

By

সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় করা দুটি মামলায় উচ্চ আদালতে জামিন পেয়েছেন নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভী। বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) এ আদেশ দেন বিচারপতি কেএম জাহিদ সারওয়ার ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের হাইকোর্ট বেঞ্চ।

এর আগে বুধবার (২৯ এপ্রিল) শুনানি শেষে হাইকোর্ট বেঞ্চ আদেশের জন্য এ দিন ধার্য করেন।

এদিকে আরও ৫ মামলায় সাবেক মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভীকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন নিয়ে আগামী রোববার (৩ মে) আদেশ দেবেন আপিল বিভাগ। গত সোমবার (২৭ এপ্রিল) আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলামের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ এই দিন ধার্য করেন।

জানা গেছে, গত বছরের ৯ মে ভোর ৩টার দিকে নারায়ণগঞ্জ শহরের দেওভোগ এলাকার চুনকা কুটির থেকে সাবেক মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভীকে আটক করে বিভিন্ন মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

পরবর্তীতে হাইকোর্ট ৫ মামলায় জামিন পেলেও আপিল বিভাগে তা স্থগিত হয়ে যায়। এর মধ্যেই গত ১৮ নভেম্বর তাকে আরও ৫ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

পরবর্তীতে বিচারপতি কেএম জাহিদ সারওয়ার ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের হাইকোর্ট বেঞ্চ গত ২৬ ফেব্রুয়ারি তাকে জামিন দেন।

পাঁচটি মামলার মধ্যে যে চারটি মামলায় আইভীকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে সেগুলো হলো— ফতুল্লা থানায় করা বাসচালক আবুল হোসেন মিজি হত্যা, আব্দুর রহমান হত্যা, মো. ইয়াছিন হত্যা এবং পারভেজ হত্যা মামলা। এছাড়াও হামলা ও সরকারি কাজে বাধা দেয়ার অভিযোগে তার বিরুদ্ধে নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানায় অপর মামলাটি করা হয়েছে।

হাইকোর্টের জামিন আদেশের পর রাষ্ট্রপক্ষ আইভীর জামিন স্থগিত চেয়ে আপিল বিভাগে আবেদন করে। পরবর্তীতে গত ৫ মার্চ হাইকোর্টের দেওয়া জামিন আদেশ স্থগিত করেন আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত।

সে সঙ্গে বিষয়টি শুনানির জন্য নিয়মিত বেঞ্চে পাঠানো হয়। তবে এর মধ্যেই আরও দুই মামলায় সাবেক মেয়র সেলিনা হায়াৎ আইভীকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

Continue Reading

top1

পারমাণবিক যুগে বাংলাদেশের আনুষ্ঠানিক প্রবেশ

Published

on

By

পাবনার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে ইউরেনিয়াম জ্বালানি লোডিং কার্যক্রম উদ্বোধনের মধ্য দিয়ে দেশের জ্বালানি খাতে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হলো। এই মাইলফলকের মাধ্যমে বাংলাদেশ বিশ্বের ৩৩তম দেশ হিসেবে পারমাণবিক শক্তি প্রযুক্তি ব্যবহার শুরু করল। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর এই ধাপে পৌঁছানোকে দেশের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অগ্রযাত্রায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে দেখা হচ্ছে।

মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) রূপপুরে জ্বালানি লোডিং কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম। এসময় উপস্থিত ছিলেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ, রোসাটমের মহাপরিচালক অ্যালেক্সি লিখাচেভ এবং আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) মহাপরিচালক রাফায়েল মারিয়ানো গ্রোসিসহ শীর্ষস্থানীয় জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ব্যক্তিত্বরা উপস্থিত ছিলেন।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম বলেন, আজ আমরা এক ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের জ্বালানি লোডিং কার্যক্রমের মাধ্যমে বাংলাদেশ উন্নয়নের এক নতুন যুগে পদার্পণ করল। এটি শুধু একটি বিদ্যুৎ প্রকল্প নয়, এটি আমাদের আত্মনির্ভরতা, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য টেকসই উন্নয়নের প্রতীক।

তিনি বলেন, প্রযুক্তিগত দিক থেকে এই বিদ্যুৎকেন্দ্রটি অত্যাধুনিক। নিরাপত্তা আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশন এবং আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার মানদণ্ড অনুযায়ী প্রতিটি ধাপে কঠোরভাবে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে। এই প্রকল্পে বহুমাত্রিক সুরক্ষা ব্যবস্থা রয়েছে, যা যে কোনো ধরনের ঝুঁকি মোকাবিলায় সক্ষম। এই প্রকল্প বাস্তবায়নে সহযোগিতার জন্য ভ্লাদিমির পুতিন এবং রাশিয়ার রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান রোসাটমকে ধন্যবাদ জানান তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর ডাক ও টেলিযোগাযোগ উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ বলেন, রূপপুর প্রকল্প শুধু একটি বিদ্যুৎকেন্দ্র নয়, বরং এটি আন্তর্জাতিক সহযোগিতার একটি বাস্তব উদাহরণ, যা বাংলাদেশের প্রযুক্তিগত সক্ষমতাকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে।

তার ভাষায়, এই প্রকল্প দেশের জন্য জ্ঞানভিত্তিক ও প্রযুক্তিনির্ভর অর্থনীতি গঠনের পথে দৃঢ় ভিত্তি তৈরি করছে।

তিনি বলেন, রাশিয়ার সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা, অর্থায়ন এবং প্রযুক্তিগত সহায়তার সমন্বয়ে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হয়েছে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার কারিগরি সহায়তা এবং আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসরণের ফলে প্রকল্পটি নিরাপত্তা ও গ্রহণযোগ্যতার দিক থেকে শক্ত অবস্থান অর্জন করেছে।

প্রকল্প বাস্তবায়নে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধান, বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের প্রযুক্তিগত নেতৃত্ব এবং বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের কঠোর নিয়ন্ত্রক ভূমিকার বিষয়টি বিশেষভাবে তুলে ধরা হয়। নিরাপত্তা, সুরক্ষা ও সেফটির ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক মান বজায় রেখে একটি শক্তিশালী নিরাপত্তা সংস্কৃতি গড়ে তোলার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে রোসাটমের মহাপরিচালক এলেক্সি লিখাচভ বলেন, এই প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশ শান্তিপূর্ণ পারমাণবিক প্রযুক্তি ব্যবহারে একটি স্বীকৃত অবস্থান অর্জন করছে। তিনি জানান, মহামারি, বৈশ্বিক অস্থিরতা এবং অভ্যন্তরীণ নানা চ্যালেঞ্জ সত্ত্বেও নির্মাণকাজ একদিনের জন্যও বন্ধ হয়নি এবং এখন প্রকল্পটি সমাপ্তির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, দ্বিতীয় ইউনিটে বর্তমানে পাইপলাইন ও পাম্পিং সরঞ্জাম স্থাপনের কাজ চলছে এবং আগামী বছর সেখানে পরীক্ষামূলক কার্যক্রম শুরু করার লক্ষ্য রয়েছে। প্রকল্প বাস্তবায়নে রাশিয়া ও বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর সমন্বিত কাজ আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা মান নিশ্চিত করতে সহায়তা করেছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

মানবসম্পদ উন্নয়নের প্রসঙ্গে লিখাচভ জানান, গত কয়েক বছরে রাশিয়ার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে রোসাটমের কোটা অনুযায়ী ৯০০-এর বেশি বাংলাদেশি শিক্ষার্থী উচ্চতর পারমাণবিক শিক্ষা লাভ করেছে। তাদের অনেকেই ইতোমধ্যে এই প্রকল্পে যুক্ত হয়েছে। পাশাপাশি ১১০০-এর বেশি বিশেষজ্ঞ তৈরি করার পরিকল্পনার কথাও তুলে ধরেন তিনি, যারা বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিচালনা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব আনোয়ার হোসেন বলেন, ২০১৭ সালে শুরু হওয়া এই প্রকল্প এখন পূর্ণাঙ্গ রূপ পাচ্ছে। এক বছরের মধ্যে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ যন্ত্রপাতি স্থাপনের মাধ্যমে কাজ দ্রুত এগিয়েছে। তিনি জানান, শুধু অবকাঠামো নির্মাণ নয়, বরং দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলার দিকেও সমান গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র জাতীয় গ্রিডে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বিদ্যুৎ যোগ করবে, যা শিল্পায়ন, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে এটি পরিবেশবান্ধব বিদ্যুৎ উৎপাদনের একটি দীর্ঘমেয়াদি উৎস হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, যার সম্ভাব্য আয়ুষ্কাল প্রায় এক শতাব্দী।

জ্বালানি লোডিং কার্যক্রমের মাধ্যমে রূপপুর প্রকল্প এখন বিদ্যুৎ উৎপাদনের চূড়ান্ত প্রস্তুতির দিকে এগিয়ে গেল, যা বাংলাদেশের জ্বালানি ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

Continue Reading

Trending