Connect with us

আন্তর্জাতিক

ইরানে কঠোর আঘাত এখনও শুরু করিনি, মূল আক্রমণ শিগগিরই: ট্রাম্প

Published

on

ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন সামরিক অভিযানের একটি বড় ঢেউ এখনও বাকি আছে বলে মন্তব্য করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, চলমান অভিযান বৃহত্তর হামলার কেবল শুরু মাত্র। মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন।

ট্রাম্প বলেন, আমরা এখনও ইরানের ওপর কঠোর আঘাত শুরু করিনি। বড় ঢেউ এখনও আসেনি, খুব শিগগিরই মূল আক্রমণ হবে।

তিনি আরও বলেন, আমি চাই না এটি খুব বেশি দিন চলুক। সবসময় ভেবেছিলাম, এটি চার সপ্তাহ চলবে। তবে সময়সূচির চেয়ে একটু এগিয়ে আছি। বাহরাইন, জর্ডান, কুয়েত, কাতার এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতে ইরানের হামলার ঘটনায় বিস্মিত হয়েছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প।

এছাড়াও ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের প্রাথমিক যৌথ হামলায় ইরানের ৪৯ জন নেতা নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছেন তিনি।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

৩৫ হাজারের ইরানি ড্রোন ঠেকাতে ৪০ লাখ ডলার খরচ করছে যুক্তরাষ্ট্র

Published

on

By

ইরানের সস্তা ড্রোন ঠেকাতে গিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ব্যয়বহুল ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত দ্রুত ফুরিয়ে যাওয়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে।

প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, তেহরানের একেকটি ড্রোন তৈরিতে খরচ হয় মাত্র ৩৫ হাজার ডলার, অথচ সেটি ধ্বংস করতে ব্যবহৃত ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্রের পেছনে ব্যয় হচ্ছে ৫ থেকে ৪০ লাখ ডলার পর্যন্ত। মূলত এই বিশাল ব্যয়বৈষম্যই এখন পশ্চিমা সামরিক পরিকল্পনাকারীদের প্রধান উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বর্তমানে ইরান একযোগে ইসরায়েলসহ সংযুক্ত আরব আমিরাত, কুয়েত, বাহরাইন, কাতার ও সৌদি আরবে অবস্থিত মার্কিন ও মিত্রদের ঘাঁটিতে হামলা চালাচ্ছে। তেহরান প্রতিদিন গড়ে ২ হাজার ৫০০-এর বেশি ড্রোন ছুড়ে প্রতিপক্ষের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে বিভ্রান্ত করে ফেলছে। ওপেন সোর্স ইন্টেলিজেন্সের তথ্য অনুযায়ী, ইরানের কাছে বর্তমানে ৮০ হাজার থেকে ১ লাখ ‘শাহেদ’ ড্রোন মজুত আছে। এছাড়া প্রতি মাসে অন্তত ৫০০ ড্রোন তৈরির সক্ষমতা থাকায় তারা দীর্ঘ সময় এই হামলা চালিয়ে যাওয়ার সামর্থ্য রাখে।

২০২৫ সালের জুন মাসের লড়াইয়েই যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্রের মজুত ব্যাপকভাবে কমে গিয়েছিল। সে সময় মাত্র ১২ দিনে ইসরায়েলকে রক্ষা করতে যুক্তরাষ্ট্র ১৫০টি ‘থাড’ ইন্টারসেপ্টর ব্যবহার করেছিল, যা তাদের মোট মজুতের এক-চতুর্থাংশ। প্রতিটি থাড ইন্টারসেপ্টরের দাম প্রায় ১ কোটি ৫০ লাখ ডলার এবং এগুলো পুনরায় তৈরি করতে তিন থেকে আট বছর সময় লাগে। স্টিমসন সেন্টারের সিনিয়র ফেলো কেলি গ্রিকো ব্লুমবার্গকে বলেন, ‘আমরা ইন্টারসেপ্টর তৈরির চেয়ে দ্রুত হারে তা ব্যবহার করে ফেলছি, যা মজুতকে দ্রুত শূন্য করে দিতে পারে।’

প্যাসিফিক ফোরামের উইলিয়াম আলবার্ক জানান, অ্যান্টি-ব্যালিস্টিক ইন্টারসেপ্টরের মজুত আগে থেকেই কম ছিল, যা বর্তমান পরিস্থিতিতে কয়েক দিনের মধ্যে শেষ হয়ে যেতে পারে। যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন যে এই যুদ্ধ আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে শেষ হতে পারে। তবে ইরান যদি ড্রোন হামলা অব্যাহত রাখে, তবে ট্রাম্পের দেওয়া সময়ের আগেই ইন্টারসেপ্টরের মজুত শেষ হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।

বিপুল খরচ কমাতে পশ্চিমারা এখন ‘এপিকেডব্লিউএস’ গাইডেড রকেট এবং ইসরায়েলের ‘আয়রন বিম’ লেজার সিস্টেম ব্যবহারের কথা ভাবছে। লেজার সিস্টেমে প্রতি শটে খরচ মাত্র কয়েক ডলার হলেও বর্তমানে এর মাত্র এক-দুটি ইউনিট সচল আছে এবং তা কেবল ইসরায়েলে সীমাবদ্ধ। সাবেক ইসরায়েলি নৌ কমান্ডার ইয়াল পিনকো সতর্ক করে বলেন, ইরানের কাছে হাজার হাজার ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রের বিশাল মজুত রয়েছে এবং নিজেদের অস্তিত্ব রক্ষায় তারা এখন সর্বাত্মক যুদ্ধে লিপ্ত।

Continue Reading

top1

ইরানকে সমর্থন জানাল চীন

Published

on

By

যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের হামলার বিরুদ্ধে আত্মরক্ষায় তেহরানকে সমর্থন জানিয়েছে বেইজিং। সোমবার (২ মার্চ) মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ার প্রেক্ষাপটে চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই ফোনালাপে তার ইরানি সমকক্ষকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের ডজনখানেক লক্ষ্যবস্তুতে হামলা শুরুর পর দেশটির কয়েকশ মানুষ নিহত হয়েছেন।

এর জবাবে তেহরান ইসরায়েল, উপসাগরীয় দেশগুলো এবং সাইপ্রাসে একটি ব্রিটিশ ঘাঁটির দিকে দফায় দফায় ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে।

রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম সিসিটিভির খবরে বলা হয়, ওয়াং আব্বাস আরাগচিকে জানান, বেইজিং চীন ও ইরানের ঐতিহ্যগত বন্ধুত্বকে গুরুত্ব দেয়, ইরানের সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা, ভৌগোলিক অখণ্ডতা ও জাতীয় মর্যাদা রক্ষায় সমর্থন করে এবং ইরানের বৈধ অধিকার ও স্বার্থ সুরক্ষায় সমর্থন জানায়।

সিসিটিভির উদ্ধৃতি অনুযায়ী ওয়াং বলেন, ‘চীন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে অবিলম্বে সামরিক অভিযান বন্ধ করতে উত্তেজনা আরও বৃদ্ধি এড়াতে এবং সংঘাতকে সমগ্র মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়া থেকে প্রতিরোধ করতে আহ্বান জানিয়েছে।’

ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সোমবারই পৃথক এক ফোনালাপে ওয়াং যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ‘ইচ্ছাকৃতভাবে ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ উসকে দিয়ে জাতিসংঘ সনদের উদ্দেশ্য ও নীতিমালা লঙ্ঘনের’ অভিযোগ তোলেন।

সিসিটিভির খবরে বলা হয়, ওয়াং ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আলবুসাইদিকে বলেন, ‘চীন ন্যায়বিচার সমুন্নত রাখা, শান্তির জন্য প্রচেষ্টা চালানো এবং জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে যুদ্ধ বন্ধে গঠনমূলক ভূমিকা রাখতে ইচ্ছুক।’

এ ছাড়া ফ্রান্সের জ্যাঁ-নোয়েল বারোর সঙ্গে আরেকটি ফোনালাপে ওয়াং সতর্ক করেন, বিশ্ব ‘জঙ্গলের আইনে প্রত্যাবর্তনের’ ঝুঁকিতে রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ‘প্রধান শক্তিগুলো তাদের সামরিক শ্রেষ্ঠত্বের ভিত্তিতে অন্য দেশগুলোর ওপর ইচ্ছামতো হামলা চালাতে পারে না। ইরানের পারমাণবিক ইস্যুটি শেষ পর্যন্ত রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সমাধানের পথে ফিরে আসতে হবে।’

Continue Reading

top1

রণক্ষেত্র লেবানন, কুয়েতে মার্কিন যুদ্ধবিমান ভূপাতিতসহ যা যা জানা গেলো

Published

on

By

ইরানকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযান সোমবার তৃতীয় দিনে পদার্পণ করেছে। যুদ্ধের পরিধি এখন ইরান ছাড়িয়ে লেবানন পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছে। এরই মধ্যে কুয়েতে মার্কিন যুদ্ধবিমান ভূপাতিত হওয়া এবং মধ্যপ্রাচ্যের একাধিক দেশে ইরানের পাল্টা হামলায় পরিস্থিতি আরও জটিল রূপ নিয়েছে।

লেবাননে নতুন রণক্ষেত্র

শনিবার শুরু হওয়া এই যুদ্ধের নতুন একটি ফ্রন্ট খুলেছে সোমবার। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মৃত্যুর প্রতিশোধ নিতে এদিন ইসরায়েল লক্ষ্য করে একঝাঁক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ছুড়েছে হিজবুল্লাহ। জবাবে লেবাননের রাজধানী বৈরুত ও দক্ষিণাঞ্চলে ভয়াবহ বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। লেবাননের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, সোমবারের হামলায় দেশটিতে অন্তত ৩১ জন নিহত এবং ১৪৯ জন আহত হয়েছেন।

কুয়েতে ভুলবশত ৩টি মার্কিন এফ-১৫ ভূপাতিত

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, কুয়েতের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ভুলবশত যুক্তরাষ্ট্রের তিনটি এফ-১৫ যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করেছে। বিমানগুলো ইরান-সংক্রান্ত অভিযানে নিয়োজিত ছিল। তবে বিমানে থাকা ছয়জন ক্রু সদস্যই নিরাপদে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হয়েছেন এবং বর্তমানে তাদের অবস্থা স্থিতিশীল।

ইরানজুড়ে লাশের মিছিল

ইরানি রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটি জানিয়েছে, শনিবার থেকে এ পর্যন্ত ১৩১টি শহরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় অন্তত ৫৫৫ জন নিহত হয়েছেন। অন্যদিকে, উপসাগরীয় অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের মিত্র দেশগুলো ইরানের পাল্টা হামলার মুখে পড়েছে। দুবাই, আবুধাবির নিকটবর্তী আল-সামহা এবং কাতারের রাজধানী দোহায় বিকট বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। ড্রোন হামলায় আগুন ধরে যাওয়ায় সৌদি আরব তাদের বৃহত্তম তেল শোধনাগারটি বন্ধ করে দিয়েছে।

পারমাণবিক কেন্দ্রে তেজস্ক্রিয়তার আশঙ্কা

ইরানের নাতাঞ্জ পারমাণবিক সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্রে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল বিমান হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থায় (আইএইএ) নিযুক্ত ইরানি রাষ্ট্রদূত রেজা নাজাফি। আর জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) মহাপরিচালক রাফায়েল গ্রসি সতর্ক করে বলেছেন, যদি বেসামরিক পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোতে হামলা হয় এবং সেখান থেকে তেজস্ক্রিয়তা ছড়িয়ে পড়ে, তবে মধ্যপ্রাচ্যের শহরগুলো থেকে গণ-উচ্ছেদ প্রয়োজন হতে পারে। তবে তিনি নিশ্চিত করেছেন যে, সাম্প্রতিক মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলায় ইরানের কোনও পারমাণবিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার কোনও ইঙ্গিত এখন পর্যন্ত পাওয়া যায়নি।

উপসাগরীয় দেশ ও আমেরিকার যৌথ বিবৃতি

এক যৌথ বিবৃতিতে উপসাগরীয় দেশগুলো এবং যুক্তরাষ্ট্র মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে ইরানের ‘নির্বিচার এবং বেপরোয়া’ ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে। বিবৃতিতে সতর্ক করা হয়েছে যে, বাহরাইন, ইরাক (কুর্দিস্তান অঞ্চলসহ), জর্ডান, কুয়েত, ওমান, কাতার, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতে ইরানের এই হামলা আঞ্চলিক স্থিতিশীলতাকে হুমকির মুখে ফেলছে।

এদিকে সাইপ্রাসে অবস্থিত ব্রিটিশ ঘাঁটিতে হামলার উদ্দেশ্যে আসা দুটি ড্রোন সোমবার রুখে দেওয়া হয়েছে। এর আগে রবিবার রাতেও সেখানে একই ধরনের হামলা হয়েছিল।

জ্বালানি বাজারে যুদ্ধের ধাক্কা

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধের প্রভাবে টালমাটাল হয়ে পড়েছে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থা। রণক্ষেত্রে পরিণত হওয়া এই অঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা বন্ধ হয়ে যাওয়া এবং ট্যাঙ্কার চলাচলে বিঘ্ন ঘটায় হু হু করে বাড়ছে তেল ও গ্যাসের দাম। ইউরোপে প্রাকৃতিক গ্যাসের দাম এক লাফেই ৪২ শতাংশ বেড়ে গেছে।

সোমবার কাতার এনার্জি তাদের তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) উৎপাদন বন্ধের ঘোষণা দেওয়ার পর এই অস্থিরতা শুরু হয়। আইসিই কমোডিটি এক্সচেঞ্জে এপ্রিল মাসে সরবরাহের জন্য গ্যাসের ফিউচার কন্টাক্টের মূল্য দাঁড়িয়েছে ৪৫.৪৬ ইউরোতে। ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে রাশিয়ার পাইপলাইন গ্যাস হারানো ইউরোপ এখন পুরোপুরি কাতার ও অন্যান্য দেশের এলএনজি চালানের ওপর নির্ভরশীল। ফলে কাতারের এই সিদ্ধান্ত ইউরোপের জন্য বড় দুঃসংবাদ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সৌদি আরবের রাস তানুয়া তেল শোধনাগারে সোমবার ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ড্রোনগুলো ভূপাতিত করা হয়েছে। তবে হামলার পর সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে রাষ্ট্রীয় তেল কোম্পানি সৌদি আরামকো ওই শোধনাগারটির কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ করে দিয়েছে।

দাম্মামের কাছে অবস্থিত রাস তানুয়া শোধনাগারটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এখান থেকে প্রতিদিন ৫ লাখ ব্যারেলেরও বেশি অপরিশোধিত তেল শোধন করার সক্ষমতা রয়েছে।

বাতিল হাজার হাজার ফ্লাইট

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলা এবং এর জবাবে ইরানের পাল্টা আক্রমণের জেরে মধ্যপ্রাচ্যের আকাশপথ কার্যত অচল হয়ে পড়েছে। বিশ্বের অন্যতম দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরসহ উপসাগরীয় অঞ্চলের প্রধান প্রধান বিমানবন্দরগুলো গত দুই দিন ধরে বন্ধ থাকায় বিশ্বজুড়ে বিমান চলাচলে চরম বিপর্যয় নেমে এসেছে।

ফ্লাইট ট্র্যাকিং প্রতিষ্ঠান ‘ফ্লাইটঅ্যাওয়ার’-এর তথ্য অনুযায়ী, মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে হাজার হাজার ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। বিশ্বের বৃহত্তম আন্তর্জাতিক এয়ারলাইন এমিরেটস আগামী সোমবার পর্যন্ত দুবাই থেকে তাদের সব ফ্লাইট বাতিল করেছে। কাতার এয়ারওয়েজও তাদের কার্যক্রম স্থগিত রেখেছে। জার্মানির লুফথানসা আগামী ৮ মার্চ পর্যন্ত এই অঞ্চলের সব ফ্লাইট বাতিলের ঘোষণা দিয়েছে।

ফ্লাইটরাডার২৪ জানিয়েছে, বর্তমানে ইরান, ইরাক, কুয়েত, বাহরাইন, ইসরায়েল, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কাতারের আকাশপথে কোনও বিমান চলাচল করছে না। ইরানের আকাশসীমা ৩ মার্চ সকাল পর্যন্ত বন্ধ রাখার কথা থাকলেও পরিস্থিতি কবে স্বাভাবিক হবে, তা নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান, এপি

Continue Reading

Trending