Connect with us

ক্যাম্পাস

পরিবার থেকে দূরে গোবিপ্রবি শিক্ষার্থীদের রমজান

Published

on

শাকিল আহমেদ, গোবিপ্রবি প্রতিনিধি 

“বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাঙ্গণ হলো বন্ধুত্বের ও সোনালি স্মৃতির আধার, যা জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত মানুষকে নস্টালজিক করে রাখে।” গত ২৬ ফেব্রুয়ারি গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (গোবিপ্রবি) ছুটি হলেও ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের ভিড় যেন কমছেই না। পরিবার থেকে দূরে শিক্ষার্থীদের রমজান কাটছে অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে। ফ্রেন্ড সার্কেলদের সঙ্গে ইফতার মাহফিল এবং নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে ক্যাম্পাসে তাদের রমজান মাস যেন এক আনন্দঘন পরিবেশে কাটছে।

সেহরিতে একে অপরকে দাওয়াত দিয়ে প্রভাতকেও করে তুলেছে আনন্দের শামিল। এ যেন পরিবারেই বসবাস করছেন তারা।

বিকেল হলে ক্যাম্পাসের সেন্ট্রাল ফিল্ড, প্রশাসনিক ভবনের সামনের মাঠ এবং ক্যাম্পাসের বিভিন্ন জায়গায় ইফতার মাহফিলের আয়োজন করে তারা।

রমজান যতই এগোচ্ছে, ততই যেন তাদের ইফতার মাহফিল বাড়ছে। সেই সঙ্গে রমজানের আনন্দ ভাগাভাগি করে নেওয়ার জন্য তাড়াহুড়ারও যেন শেষ নেই। বিকেলে ইফতার মাহফিলে তারা বিভিন্ন ধরনের ইসলামী সঙ্গীত ও কোরআন তেলাওয়াতসহ নানা আয়োজন করে থাকে। শুধু মুসলিম শিক্ষার্থী নয়, ইফতার মাহফিলে অন্যান্য ধর্মাবলম্বী শিক্ষার্থীদেরও অংশগ্রহণ করতে দেখা যায়।

রমজানে ক্যাম্পাসে থাকার অনুভূতি সম্পর্কে জানতে চাইলে একাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেম বিভাগের ২০২০–২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ হাবিব বলেন, ‘ক্যাম্পাসে থাকার একটি উদ্দেশ্য হলো আমাদের ইসলামী ছাত্র আন্দোলনের ইফতার মাহফিল ছিল। সব মিলিয়ে আরও কিছু কাজ আছে, যেমন বন্ধের পর সেমিস্টার পরীক্ষা শুরু হবে—সেজন্যও থেকে যাওয়া।’

“বন্ধুদের সাথে ইফতার-সেহরির আনন্দ”

বন্ধ ক্যাম্পাসে থাকার অনুভূতি প্রকাশ করেন ম্যানেজমেন্ট বিভাগের ২০২২–২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ আল মামুন। তিনি বলেন,

‘ক্যাম্পাসে গত বছর থাকা হয়নি, কিন্তু এ বছর থাকার পর মনে হচ্ছে যত দিন যাচ্ছে ততই ভালো লাগছে। এখানে বন্ধুদের সঙ্গে এবং বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের উদ্যোগে ইফতারের আয়োজন হয়। আমরা বিকেলে সবাই একসঙ্গে ইফতার মাহফিলে যোগ দিই। এলাকায় যেভাবে আনন্দের সঙ্গে ইফতার ও সেহরি করি, এখানেও যেন সেই আনন্দই বহমান রয়েছে। যত দিন যাচ্ছে, ততই মনে হচ্ছে আরও কিছুদিন থেকে যাই। আমরা অনেকেই আছি, এজন্য দিনগুলো বেশ ভালোই কাটছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘এখানে বড় ভাই, ছোট ভাই এবং অন্যান্য সঙ্গী-সাথীদের সঙ্গে থাকতে থাকতে বাসার কথা যেন ভুলেই গেছি। সব মিলিয়ে ক্যাম্পাসে রমজান মাস ভালোই কাটছে। এখনো বেশ কিছুদিন থাকব, হয়তো ঈদের দু-এক দিন আগেই বাসায় যাব।’

“বন্ধুদের সঙ্গে ইফতার-সেহরিতে কম মনে পড়ে বাড়ির কথা”

ক্যাম্পাসে থাকার অনুভূতি ব্যক্ত করেছেন বায়োটেকনোলজি অ্যান্ড জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী রায়হান হাওলাদার। তিনি বলেন,

‘আমাদের ছুটি যদিও অনেক আগেই হয়ে গেছে, তবুও আমরা এখানে আছি। অনেকে টিউশনের জন্য যেতে পারছি না। আবার বন্ধুদের সঙ্গে সেহরি ও ইফতার একসঙ্গে করতে পারায় খুব বেশি খারাপ লাগছে না এবং বাসার কথাও কম মনে পড়ছে। এখনো অনেকে থাকায় রমজানের পরিবেশ ভালোই লাগছে।’

“শূন্য ক্যাম্পাসে পূর্ণতার রমাদান”

আইন বিভাগের শিক্ষার্থী ইমন ইসলামের অভিমতে, ‘শূন্য ক্যাম্পাসে পূর্ণতার রমাদান: এক টুকরো স্মৃতিকথা। বন্ধ ক্যাম্পাসে নিউমার্কেটের চেনা কোলাহল এখন নিস্তব্ধতার চাদরে ঢাকা। লাইব্রেরির টেবিলে জমেছে আলস্যের ধুলো। জনশূন্য এই করিডোরে ক্লাস-অ্যাসাইনমেন্টের দৌড়ঝাঁপ নেই ঠিকই, কিন্তু হলের প্রতিটি কোণে এক মায়াবী বসন্ত নেমেছে—পবিত্র রমজানের ছোঁয়ায়।

রাতের নিস্তব্ধতা, বসন্তের ফুলের সুগন্ধি মেশানো বাতাস সেহরির সময়টাকে করে তুলছে মায়াবী, স্মৃতিকাতর এবং অপার্থিব তৃপ্তিময়। ডাইনিংয়ের মামাদের হাঁকডাক, ছাতার দোকান কিংবা বালুর মাঠের মামাদের আমাদের জন্য অপেক্ষার প্রহর; এমনকি ক্যালিফোর্নিয়া এলাকায় হেঁটে বেড়িয়ে গল্পে মেতে বন্ধুদের সঙ্গে রাত জেগে সেহরির অপেক্ষা—এই স্মৃতিগুলোই ক্যাম্পাসের দিনগুলোকে রঙিন করে তোলে।

তাছাড়া ইফতারে বাড়ির ডাইনিংয়ের সেই চেনা পরিপাটি আয়োজন হয়তো নেই, তবে ক্যাম্পাসের নিস্তব্ধতায় বন্ধুদের সঙ্গে মাদুর পেতে অথবা নরম ঘাসের কোমল আদরে বসা—এ যেন এক পশলা মায়ার গল্প। ছোলা-মুড়ি মাখানো আর বরফ-ঠান্ডা শরবতের খোঁজে যখন নিউমার্কেট এলাকায় ছোটাছুটি; সব মিলিয়ে এক অদ্ভুত তৃপ্তি।

সূর্যাস্তের ঠিক আগমুহূর্তে আজানের প্রতীক্ষায় যখন আমরা সেন্ট্রাল ফিল্ডে গোল হয়ে বসি, বাড়ির শূন্যতাটুকু তখন বন্ধুদের হাসিমুখ আর এই ‘ভাগ করে খাওয়া’র আনন্দেই পূর্ণতা পায়। বিদায়লগ্নে দাঁড়িয়ে এই শূন্য ক্যাম্পাসটাই এখন আমার সবচেয়ে পূর্ণতার গল্প। হ্যাঁ, এটাই ক্যাম্পাসে শেষ রমাদান।

“এমন সুখের দিন তুমি আর নাও পেতে পারো

প্রতিটা ক্ষণ আঁকড়ে ধরো, গাফলতি ঘুম ছাড়ো

খুশবু যে তার ছড়িয়ে যাবে ফেরদাউসের দ্বারে

সুশোভিত হয়ে দেখো দাঁড়ায়ে রাইয়ান।”

এছাড়াও টানা ৪৫ দিন ছুটি দেওয়ার ফলে শিক্ষার্থীরা বাসায় যেতে বিলম্ব করছে। সেই সঙ্গে তারা রমজানের আনন্দ বন্ধু ও সহপাঠীদের সঙ্গে ভাগাভাগি করার জন্য অনেকে ক্যাম্পাসেই রয়ে গেছে। মাঝে মাঝে রমজানের গান তাদের ইফতারি ও বিভিন্ন আড্ডাকে আরও বেশি আনন্দমুখর করে তুলছে।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top3

ইবির চার হলের নতুন প্রভোস্টের দায়িত্বে যারা

Published

on

By

ইবি প্রতিনিধি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) চারটি আবাসিক হলে নতুন প্রভোস্ট নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। নতুন নিয়োগপ্রাপ্তরা হলেন—শহীদ আনাস হলের প্রভোস্ট দাওয়াহ অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল করিম, জুলাই ৩৬ হলের প্রভোস্ট আল-ফিকহ অ্যান্ড ল’ বিভাগের অধ্যাপক ড. হামিদা খাতুন, উম্মুল মু’মিনীন আয়েশা সিদ্দিকা হলের প্রভোস্ট বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. রশিদুজ্জামান এবং খালেদা জিয়া হলের প্রভোস্ট অ্যাপ্লাইড নিউট্রিশন অ্যান্ড ফুড টেকনোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. এ এস এম আয়নুল হক আকন্দ।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. আতিকুর রহমান স্বাক্ষরিত পৃথক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।

পৃথক অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়, ২৯ সেপ্টেম্বর পূর্ববর্তী প্রভোস্টদের মেয়াদ শেষ হওয়ায় ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে নবনিযুক্ত প্রভোস্টরা দায়িত্ব পালন করবেন। দায়িত্ব পালনের জন্য তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রচলিত নিয়মানুযায়ী সুযোগ-সুবিধা পাবেন।

অফিস আদেশে আরও বলা হয়, দায়িত্ব পালন করায় পূর্ববর্তী প্রভোস্টদের প্রতি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করা হয়েছে।

দায়িত্ব পেয়ে শহীদ আনাস হলে প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল করিম বলেন, ‘ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও মাননীয় উপাচার্য আমার প্রতি আস্থা রেখে শহীদ আনাস হলের প্রাধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব দিয়েছেন। এজন্য মাননীয় উপাচার্যসহ সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। হলটিতে বর্তমানে হলটির এক্সটেনশন ভবনের নির্মাণকাজ প্রায় সমাপ্তির পর্যায়ে রয়েছে। সবাইকে সঙ্গে নিয়ে হলটিকে একটি আধুনিক আবাসিক হল হিসেবে গড়ে তোলার এবং সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার ক্ষেত্রে আমার সাধ্যমতো আন্তরিক প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে। এ কাজে সকলের সহযোগিতা প্রত্যাশা করছি।’

খালেদা জিয়া হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. এএসএম আয়নুল হক আকন্দ বলেন, ” আমি চিঠি হাতে পেয়েছি। হলে গিয়ে শিক্ষার্থী সমস্যাগুলো শুনবো এবং গুরুত্বের ভিত্তিতে সমাধানের চেষ্টা করবো। এজন্য আমি সকলের সহযোগিতা কামান করি।

উম্মুল মু’মিনীন আয়েশা সিদ্দিকা হলের প্রভোস্ট ড. মো. রশিদুজ্জামান বলেন, “আমি ইতোমধ্যে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বসেছি এবং হল ডিবেটিং সোসাইটি, কালচারাল সোসাইটি, স্পোর্টসসহ বিভিন্ন উইংয়ের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে তাদের সমস্যাগুলো শুনেছি। এসব কার্যক্রম আরও সক্রিয় করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।”

তিনি আরও বলেন, “আমি নিজে সাহিত্য-সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত। তাই হলে একটি পারিবারিক ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ গড়ে তুলতে চাই, যেখানে সবাই মিলেমিশে বসবাস করতে পারে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীরা যেসব যৌক্তিক ও নৈতিক বিষয় আমার নজরে আনবে, সেগুলো গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে সমাধানের চেষ্টা করব।”

এর আগে শহীদ আনাস হলে দাওয়াহ অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. আবদুল কাদের , খালেদা জিয়া হলে ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. জালাল উদ্দিন, উম্মুল মুমিনীন আয়েশা সিদ্দিকা হলে আল কুরআন এন্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. এ.কে.এম. রাশেদুজ্জামান ও জুলাই ৩৬ হলে আরবি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের অধ্যাপক ড. এ.কে.এম শামছুল হক ছিদ্দিকী দায়িত্ব পালন করেন।

Continue Reading

top3

জুলাই-৩৬ হলে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ

Published

on

By

রাবি প্রতিনিধি:

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) জুলাই-৩৬ হলে কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা এবং অন্তঃকক্ষ ক্রীড়া প্রতিযোগিতা-২০২৬-এর পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৭টায় হলরুমে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বিভাগের পরীক্ষায় ভালো ফলাফল অর্জনকারী ৪৬ জন কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়। পাশাপাশি অন্তঃকক্ষ ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানে অনুভূতি জানিয়ে জুলাই-৩৬ হলের অ্যাগ্রোনমি অ্যান্ড এগ্রিকালচারাল এক্সটেনশন বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী তাজনুর বর্ণ বলেন, ‘এত সুন্দর একটি আয়োজন করার জন্য হল কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানাই। আমাদের দীর্ঘদিনের পরিশ্রমের ফল হিসেবে এত সুন্দর একটি ফলাফল অর্জন করতে পেরেছি। এই ফলাফলের জন্য আমাদের যে সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে, এতে ভবিষ্যতে আরও ভালো কিছু করার অনুপ্রেরণা পেয়েছি।’

একই হলের ফার্মেসি বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী নিশাত আনজুমান মিতা বলেন, ‘আমি হল কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাতে চাই এত সুন্দর একটি অনুষ্ঠান আয়োজন করার জন্য। বিভাগে প্রথম হতে পেরে আমি সত্যিই আনন্দিত ও গর্বিত। তবে এই অর্জন শুধু আমার একার নয়—আমার শিক্ষক, পরিবার এবং সহপাঠীদের সহযোগিতা ও অনুপ্রেরণারও ফল। এই স্বীকৃতি আমাকে ভবিষ্যতে আরও ভালো করার অনুপ্রেরণা দিচ্ছে।’

অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মামুনুর রশীদ বলেন, ‘প্রতিটি বিভাগে নারী শিক্ষার্থীরা খুব ভালো করছে। বেশিরভাগ বিভাগে প্রথম দিকের সিরিয়ালে সব মেয়ে থাকে। এটা নারীদের জন্য খুবই ইতিবাচক একটি দিক। একসময় নারীদের শিক্ষা থেকে বঞ্চিত করা হতো। এখন সেখানেই তারা খুব ভালো করছে। এটা খুবই গর্বের। আজকে যারা পুরস্কৃত হলেন, তাদের জন্য শুভকামনা রইল।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি আশা করি আপনারা জুলাই-৩৬ হলকে আরও ভালো জায়গায় নিয়ে যাবেন। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়কে বিশ্বের সামনে তুলে ধরবেন। এছাড়া সমাজের প্রতিটি কাজে সমানভাবে অবদান রেখে যাবেন।’

উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল আলীম বলেন, ‘আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী শিক্ষার্থীরা খুবই ভালো করছে। এটা আমাদের জন্য গর্বের। তারা বিভাগের নাম, হলের নাম ও বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম উজ্জ্বল করছে। ভবিষ্যতেও এই ধারা অব্যাহত থাকবে বলে আশা করি। সবার জন্য শুভকামনা রইল।’

জুলাই-৩৬ হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. লাভলী নাহার বলেন, “আমাদের কৃতি শিক্ষার্থীদের এই সাফল্যে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত। তাদের দীর্ঘদিনের পরিশ্রম ও অধ্যবসায়ের স্বীকৃতি হিসেবে আজকের এই সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়েছে। এই স্বীকৃতি তাদের ভবিষ্যতে আরও ভালো ফলাফল অর্জন এবং নিজ নিজ ক্ষেত্রে সাফল্য লাভে অনুপ্রেরণা জোগাবে। আমরা আশা করি, তারা রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ও জুলাই-৩৬ হলের সুনাম আরও উজ্জ্বল করবে এবং ভবিষ্যতে সমাজ ও দেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।”

জুলাই-৩৬ হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. লাভলী নাহারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল আলীম এবং উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মামুনুর রশীদ, জনসংযোগ দপ্তরের প্রশাসক অধ্যাপক ড. এস এম কামারুজ্জামান, প্রক্টর অধ্যাপক ড. মাহবুবুর রহমান।

Continue Reading

top3

ইবির নতুন ছাত্র-উপদেষ্টা ড. মো. মামুন আল রশীদ

Published

on

By

ইবি সংবাদদাতা

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) নতুন ছাত্র-উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ফলিত রসায়ন ও কেমিকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মামুন আল রশীদ। উপাচার্য অধ্যাপক ড. একেএম মতিনুর রহমান আগামী এক বছরের জন্য তাঁকে এ পদে নিয়োগ দেন।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. আতিকুর রহমান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।

অফিস আদেশ সূত্রে, বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসা আরবী ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. ওবায়দুল ইসলামের মেয়াদ ২৭ সেপ্টেম্বর (২০২৬) শেষ হওয়ায় তাঁর স্থলে অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মামুন আল রশীদকে ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ থেকে এক বছরের জন্য ছাত্র-উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. একেএম মতিনুর রহমান। অফিস আদেশ অনুযায়ী, নতুন ছাত্র-উপদেষ্টা বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা পাবেন।

এদিকে, দীর্ঘদিন নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে ছাত্র-উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করায় অধ্যাপক ড. মো. ওবায়দুল ইসলামকে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানানো হয়েছে।

নবনিযুক্ত ছাত্র উপদেষ্টা বলেন, আমি চিঠি পেয়েছি। কর্তৃপক্ষের কাছে কৃতজ্ঞ। সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা এবং বেশকিছু পরিকল্পনা নিয়ে সামনে আগাবো ইনশাআল্লাহ।
ইবি সংবাদদাতা

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) নতুন ছাত্র-উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ফলিত রসায়ন ও কেমিকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মামুন আল রশীদ। উপাচার্য অধ্যাপক ড. একেএম মতিনুর রহমান আগামী এক বছরের জন্য তাঁকে এ পদে নিয়োগ দেন।

সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. আতিকুর রহমান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।

অফিস আদেশ সূত্রে, বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসা আরবী ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. ওবায়দুল ইসলামের মেয়াদ ২৭ সেপ্টেম্বর (২০২৬) শেষ হওয়ায় তাঁর স্থলে অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মামুন আল রশীদকে ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ থেকে এক বছরের জন্য ছাত্র-উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. একেএম মতিনুর রহমান। অফিস আদেশ অনুযায়ী, নতুন ছাত্র-উপদেষ্টা বিধি অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা পাবেন।

এদিকে, দীর্ঘদিন নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে ছাত্র-উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করায় অধ্যাপক ড. মো. ওবায়দুল ইসলামকে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানানো হয়েছে।

নবনিযুক্ত ছাত্র উপদেষ্টা বলেন, আমি চিঠি পেয়েছি। কর্তৃপক্ষের কাছে কৃতজ্ঞ। সংশ্লিষ্ট সবার সহযোগিতা এবং বেশকিছু পরিকল্পনা নিয়ে সামনে আগাবো ইনশাআল্লাহ।

Continue Reading

Trending