Connect with us

আন্তর্জাতিক

ইসলামিক বিপ্লবের পর যেসব ঘটনায় কেঁপেছিল ইরান

Published

on

১৯৭৯ সালে ইরানে ইসলামিক বিপ্লব মধ্য দিয়ে দেশটির শেষ রাজা বা শাহ-র পতন হয়। এরপর নিষেধাজ্ঞা, ভূমিকম্প, প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রীকে হত্যাসহ নানান ঘটনায় কেঁপেছিল ইরান।

১৯৭৯ : ওই বছরের ইসলামিক বিপ্লবের পর ফেব্রুয়ারি মাসে আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনি ইরাক ও ফ্রান্সে ১৪ বছরের নির্বাসিত জীবন কাটিয়ে দেশে ফিরেন। এরপর এপ্রিলে সংবিধানে সংশোধনী এনে ইরানকে ইসলামিক প্রজাতন্ত্র ঘোষণা করেন।

সে বছরের নভেম্বর মাসে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয়। মূলত তেহরানে মার্কিন দূতাবাসে কিছু মার্কিনিকে জিম্মি করায় এ নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। যুক্তরাষ্ট্র প্রথমে ইসলামিক বিপ্লবকে সমর্থন জানিয়েছিল। এরআগে ১৯৫৩ সালে সামরিক অভ্যুত্থানের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ মোসাদ্দেগকে ক্ষমতাচ্যুত করতেও সহায়তা করে যুক্তরাষ্ট্র।

১৯৮০ : সে বছর ইরাক ইরানে হামলা চালায়। এ দুই দেশের যুদ্ধে ৫ লাখের বেশি মানুষ মারা যান। বেশি ক্ষয়ক্ষতির শিকার হয় ইরান। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইরান-ইরাক যুদ্ধে পরিখা, মেশিনগান এবং বেয়নেটের সবচেয়ে বেশি ব্যবহার হয়েছিল। এর পাশাপাশি ইরাক ইরান এবং কুর্দিদের বিরুদ্ধে রাসায়নিক অস্ত্রও ব্যবহার করেছিল।

১৯৮১ : ওই বছর তেহরান মার্কিন জিম্মিদের ছেড়ে দেয়। এতে করে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উত্তেজনা কমে। কিন্তু সে বছরের জুনে ইসলামিক রিপাবলিকান পার্টির সদর দপ্তরে বোমা হামলায়। এতে বিচার বিভাগের প্রধান মোহাম্মদ বেহেস্তিসহ কয়েক ডজন নেতাকর্মী প্রাণ হারান। মোহাম্মদ খোমেনির পর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ব্যক্তি ছিলেন।

এ ঘটনা যখন পুরো দেশকে স্তব্ধ করে দেয় তখনই আগস্ট মাসে প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ আলী রাজাই এবং প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ জাভাদ বাহানোর তেহরানে এক বোমা হামলায় প্রাণ হারান। এ ঘটনার জন্য দায়ী করা হয় বিদ্রোহী মনোভাবাপন্ন মোজাহেদিন-ই-খালিক নামে একটি দলকে। এর আগের বছর এ দলটির ওপর ব্যাপক দমন চালিয়েছিল ইরান সরকার।

১৯৮২ : এ বছর লেবাননে হামলা চালায় দখলদার ইসরায়েল। এরপর লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠীকে সহায়তা শুরু করে ইরান। তাদের প্রচেষ্টায় জন্ম হয় হিজবুল্লাহর।

১৯৮৮ : এ বছর যুক্তরাষ্ট্রের মিসাইল ক্রুজার জাহাজ ইউএসএস ভিনসেনেস ইরানের একটি বেসামরিক বিমান ভূপাতিত করে। এতে বিমানে থাকা ২৯০ জনের সবাই প্রাণ হারান। বাড়ে উত্তেজনা।

ওই বছরই ইরাকের সঙ্গে ইরানের যুদ্ধবিরতি হয়। এতে সহায়তা করে জাতিসংঘ।

১৯৮৯ : ইসলামিক বিপ্লবের নেতা আয়াতুল্লাহ রুহুল্লা খোমেনি মারা যান। ৩ জুন তার মৃত্যু হয়। এরপরের দিন সংসদের বিশেষজ্ঞরা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে সুপ্রিম লিডার হিসেবে নির্বাচিত করে।

৯৯০ : ইরানে ওই বছর আঘাত হানে বড় এক ভূমিকম্প। এতে ৪০ হাজারেরও বেশি মানুষ নিহত হয়।

১৯৯৫ : যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর তেল ও বাণিজ্য নিষেধাজ্ঞা দেয়। যুক্তরাষ্ট্র অভিযোগ করে ইরান সন্ত্রাসবাদে সহায়তা করে এবং পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির চেষ্টা করছে।

২০০২ : যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ উত্তর কোরিয়া ও ইরাকের সঙ্গে ইরানকে ‘এক্সিস অব ইভিল’-এর অংশ হিসেবে অভিহিত করেন। তিনি দাবি করেন, এ দেশগুলো সন্ত্রাসবাদকে সমর্থন দেয়।

২০০৩ : যুক্তরাষ্ট্র ইরাকে হামলা চালায়। এরপ্রেক্ষিতে দেশটিতে থাকা শিয়া যোদ্ধাদের অর্থায়ন শুরু করে ইরান। যারা আজও দেশটিতে সক্রিয়।

আন্তর্জাতিক চাপে পড়ে ওই বছর ইরান ঘোষণা দেয় তারা ইউরেনিয়াম মজুদিকরণ পোগ্রাম বাদ দেবে। এছাড়া আন্তর্জাতিক আণবিক সংস্থাকে তারা নিজ দেশে ঢুকতে দেয়। সংস্থাটি পরবর্তীতে নিশ্চিত করে ইরানের কোনো পারমাণবিক অস্ত্র নেই।

ওই বছরই ইরানে আঘাত হানে আরেকটি শক্তিশালী ভূমিকম্প। এতে করে আরও ৪০ হাজার মানুষ নিহত হয়।

২০০৬ : সে বছর জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ ইরানের পারমাণবিক ম্যাটারিয়ালস এবং প্রযুক্তির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। এরআগে ইরান কূটনীতির বদলে তাদের পারমাণবিক কার্যক্রম বাদ দিতে ব্যর্থ হয়।

২০০৭ : যুক্তরাষ্ট্র ইরানের ওপর আরও কঠোর নিষেধাজ্ঞা দেয়।

২০১০ : ইরানের ওপর চতুর্থ দফায় নিষেধাজ্ঞা দেয় জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ। যারমধ্যে অস্ত্র এবং কঠোর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা ছিল।

২০১১ : মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশের মতো সিরিয়ায় ছোঁয়া পড়ে আরব বসন্তের। তখন সাধারণ মানুষকে দমন করতে নৃশংসতা চালান তৎকালীন প্রেসিডেন্ট বাসার আল-আসাদ। তাকে সহায়তা করতে বিপ্লবী গার্ডের সেনাদের পাঠায় ইরান।

২০১২ : ইরানের তেল বয়কটের ঘোষণা দেয় ইউরোপীয় ইউনিয়ন। ওই বছরের সেপ্টেম্বরে আন্তর্জাতিক আণবিক সংস্থা অভিযোগ করে ইরান তাদের পারমাণবিক অবকাঠামোতে তাদের কর্মীদের কাজ করতে দিচ্ছে না এবং ইরান ইউরেনিয়ামের মজুদ বাড়িয়েছে।

সে বছরের অক্টোবরে ইরানের ওপর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞার প্রভাব প্রকট হয়। এবং ওই বছর যুক্তরাষ্ট্রের ডলারের বিপরীতে ইরানের রিয়ালের ৮০ শতাংশ দরপতন হয়।

২০১৫ : ইরান যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা ও ইউরোপের দেশগুলোর পারমাণবিক সঙ্গে চুক্তি করে। এর বদলে তাদের ওপর অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয় দেশগুলো। তখন ইরান ভেবেছিল আন্তর্জাতিক অঙ্গনের ‘একঘরে’ থেকে তারা বেরিয়ে আসবে।

২০১৮ : ইরান প্রতিশ্রুতি রক্ষা করছে না এ অজুহাতে ডোনাল্ড ট্রাম্প ওই বছর ইরানের সঙ্গে পারমাণবিক চুক্তি বাতিল এবং আরও কঠোর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেন।

২০২০ : ওই বছর ইসলামিক বিপ্লবী গার্ডের চৌকস কুদস ফোর্সের প্রধান কাসেম সোলাইমানি ইরাকের রাজধানী বাগদাদে যুক্তরাষ্ট্রের ড্রোন হামলায় নিহত হন।

২০২২ : এ বছর মাহসা আমিনি নামে এক তরুণী হিজাব পরা নিয়ে নৈতিকতা পুলিশের হেফাজতে প্রাণ হারান। এরপর দেশটিতে হিজাব বিরোধী বিক্ষোভ শুরু হয়। যা দমনে কঠোর অবস্থান নেয় দেশটির সরকার। ওই সময় পাঁচ শতাধিক মানুষ নিহত হন। 

২০২৪ : দখলদার ইসরায়েল সিরিয়ার দামেস্কে ইরানের দূতাবাসে হামলা চালিয়ে বিপ্লবী গার্ডের দুই জেনারেলসহ সাতজনকে হত্যা করে।

এ বছর ইরানের জন্য ছিল খারাপ। কারণ ওই বছরেরই মে মাসে হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় প্রেসিডেন্ট ইব্রাহিম রাইসি ও পররাষ্ট্রমন্ত্রীসহ বেশ কয়েকজন প্রাণ হারান।

২০২৫ : এ বছরের জুনে দখলদার ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের যুদ্ধ বাধে। যা ১২ দিন স্থায়ী হয়। এ যদ্ধে ৬১০ ইরানি এবং ২৮ ইসরায়েলি নিহত হয়।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

যুদ্ধ শেষ করতে যুক্তরাষ্ট্রের ১৫ শর্ত, ইরানের ৫

Published

on

By

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান ভয়াবহ সংঘাত নিরসনে ইরানকে ১৫ দফার একটি বিস্তৃত প্রস্তাব পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। অপরদিকে, যুদ্ধ বন্ধের চুক্তিতে পৌঁছাতে পাল্টা ৫টি কঠোর শর্ত জুড়ে দিয়েছে তেহরান। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস, দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল, সিএনএন এবং দ্য ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদনে এই কূটনৈতিক তৎপরতার তথ্য উঠে এসেছে।

কূটনৈতিক সূত্র অনুযায়ী, পাকিস্তানের মাধ্যমে তেহরানে পাঠানো এই প্রস্তাবের মূল লক্ষ্য হলো যুদ্ধ বন্ধ করা, ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি সীমিত করা এবং মধ্যপ্রাচ্যে তেহরানের ভূমিকা পুনর্গঠন। এই মধ্যস্থতা প্রক্রিয়ায় পাকিস্তানের সেনাপ্রধান সৈয়দ আসিম মুনির গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। পাশাপাশি পাকিস্তান, তুরস্ক ও মিসর এই তিন দেশ সরাসরি আলোচনার আয়োজন করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রস্তাবে ইরানকে তাদের তিনটি প্রধান পারমাণবিক স্থাপনা নাতানজ, ইসফাহান ও ফোরদো বন্ধ করার আহ্বান জানানো হয়েছে। একইসঙ্গে যেকোনো ধরনের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বন্ধ, সমৃদ্ধ উপাদান আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার কাছে হস্তান্তর এবং তদারকি সংস্থাকে পূর্ণাঙ্গ প্রবেশাধিকার দেওয়ার শর্ত দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন: বিশ্ববাজারে সোনার দামে টানা ১০ দিনের পতন, দেশে ভরি কত?

পরিকল্পনায় এক মাসের যুদ্ধবিরতি, পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি না করার আনুষ্ঠানিক প্রতিশ্রুতি, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি স্থগিত এবং মধ্যপ্রাচ্যে বিভিন্ন প্রক্সি গোষ্ঠীকে সমর্থন বন্ধের কথা বলা হয়েছে। এছাড়া হরমুজ প্রণালীকে একটি উন্মুক্ত ও নিরাপদ আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক পথ হিসেবে রাখার শর্তও এতে যুক্ত। এর বিনিময়ে ইরানের ওপর থেকে সব পারমাণবিক নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং বুশেহর পারমাণবিক কেন্দ্রকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য বেসামরিক সহায়তা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে ওয়াশিংটন।

ইসরায়েলি সংবাদমাধ্যম চ্যানেল ১২-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরান যুদ্ধ বন্ধে ৫টি বিশেষ শর্ত দিয়েছে। তাদের দাবিগুলো হলো:
১. যুদ্ধ আর নতুন করে শুরু হবে না—এমন নিশ্চয়তা প্রদান।
২. হরমুজ প্রণালির নিয়ন্ত্রণ কার্যত ইরানের হাতে রাখা।
৩. মধ্যপ্রাচ্যে থাকা সকল মার্কিন সামরিক ঘাঁটি বন্ধ করা।
৪. যুদ্ধের কারণে হওয়া ক্ষয়ক্ষতির জন্য আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদান।
৫. ইরানের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো সংবাদকর্মী বা ব্যক্তিদের হস্তান্তর অথবা তাদের বিরুদ্ধে বিচার বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছেন, ইরানের সঙ্গে ‘খুব ভালো ও ফলপ্রসূ’ আলোচনা হয়েছে এবং তারা চুক্তিতে পৌঁছাতে আগ্রহী। সংঘাত নিরসনের অংশ হিসেবে ইরানের জ্বালানি অবকাঠামোতে সম্ভাব্য হামলা ৫ দিনের জন্য স্থগিত রাখার ঘোষণাও দিয়েছেন তিনি। শুরুতে অস্বীকার করলেও পরে ইরানি সূত্র সিএনএনকে জানায়, যুদ্ধ শেষ করতে তারা একটি ‘টেকসই’ প্রস্তাব শুনতে আগ্রহী এবং দুই পক্ষের মধ্যে যোগাযোগ চলছে।

উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া এই যুদ্ধ এখন চতুর্থ সপ্তাহে প্রবেশ করেছে। কূটনৈতিক তৎপরতা চললেও দুই পক্ষের অবস্থানের মধ্যে এখনো বড় ধরনের দূরত্ব রয়ে গেছে এবং অঞ্চলটিতে হামলা অব্যাহত রয়েছে বলে জানা গেছে।

Continue Reading

আন্তর্জাতিক

একজোট হচ্ছে সৌদি তুরস্ক মিসর ও পাকিস্তান

Published

on

By

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে সম্ভাব্য আঞ্চলিক নিরাপত্তা জোট গঠনের লক্ষ্যে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেছে তুরস্ক, সৌদি আরব, মিসর ও পাকিস্তান। বৃহস্পতিবার রিয়াদে ইসলামিক দেশগুলোর এক সম্মেলনের সাইডলাইনে দেশগুলোর পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা এই আলোচনা করেন।

কূটনৈতিক সূত্র জানায়, গত বছর থেকেই তুরস্ক একটি নিরাপত্তা জোট গঠনের উদ্যোগ নিচ্ছে, যেখানে পাকিস্তান ও সৌদি আরবকে অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা চলছে। পরে এই প্রক্রিয়ায় মিসরকেও যুক্ত করার প্রচেষ্টা শুরু হয়।

তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান বলেন, আঞ্চলিক প্রভাবসম্পন্ন দেশ হিসেবে আমরা কীভাবে নিজেদের শক্তিকে একত্র করে সমস্যার সমাধান করতে পারি, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, এই জোট ন্যাটোর মতো আনুষ্ঠানিক প্রতিরক্ষা চুক্তি হবে না। বরং এটি একটি নিরাপত্তা প্ল্যাটফর্ম হিসেবে কাজ করবে, যার মাধ্যমে প্রতিরক্ষা খাত ও সামরিক সহযোগিতা বাড়ানো যাবে।

বৈঠকে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের ইরানবিরোধী সামরিক অভিযান এবং এর জবাবে তেহরানের পাল্টা হামলার বিষয়ও গুরুত্ব পায়। আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি মোকাবিলায় যৌথভাবে কী করা যায়, সে বিষয়েও আলোচনা হয়।

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান অস্থিরতা ও সংঘাতের প্রেক্ষাপটে এই ধরনের আঞ্চলিক সহযোগিতা ভবিষ্যতে নতুন কৌশলগত সমীকরণ তৈরি করতে পারে।

Continue Reading

top1

ইসরায়েলে নতুন করে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করল ইরান

Published

on

By

ইরান থেকে নতুন করে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হয়েছে। এতে ইসরায়েলজুড়ে সতর্কতা জারি করা হয়েছে। রোববার (২২ মার্চ) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টেলিগ্রামে দেওয়া এক বার্তায় এ তথ্য জানিয়েছে ইসরায়েলি ডিফেন্স ফোর্সেস (আইডিএফ)।

আইডিএফ জানায়, ইরান থেকে তাদের ভূখণ্ড লক্ষ্য করে ফের ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় রাখা হয়েছে এবং ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের মোবাইল ফোনে সতর্কবার্তা পাঠানো হয়েছে।

এদিকে, ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি দাবি করেছে, নতুন করে হামলার এই ধাপ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে।

অন্যদিকে, আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতির মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, রোববার তারা ইরান থেকে নিক্ষিপ্ত চারটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং ২৫টি ড্রোন ভূপাতিত করেছে।

সামাজিক মাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে সংস্থাটি আরও জানায়, ইরানের ‘প্রকাশ্য আগ্রাসন’ শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত তাদের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা মোট ৩৪৫টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, ১৫টি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং ১৭৭৩টি ড্রোন প্রতিহত করেছে।

এর আগে ইসরায়েলের মধ্যাঞ্চলে ইরানি হামলার পর জেরুজালেমে বেশ কয়েকটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। গার্ডিয়ানের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী ইরান থেকে ধেয়ে আসা ক্ষেপণাস্ত্রের বিষয়ে সতর্ক করার পরপরই এই বিস্ফোরণগুলো ঘটে।

Continue Reading

Trending