Connect with us

top1

এনসিপি প্রার্থী নাহিদ ইসলামকে শোকজ

Published

on

আসন্ন ত্রয়োদশ নির্বাচনে ঢাকা-১১ আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী নাহিদ ইসলামকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) পাঠানো হয়েছে। নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে রোববার (১৮ জানুয়ারি) নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে তাকে শোকজ নোটিশ পাঠানো হয়।

শোকজ নোটিশে বলা হয়েছে, ‘মো. নাহিদ ইসলাম, আপনি জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) কর্তৃক মনোনীত ঢাকা-১১ আসনের একজন বৈধ প্রার্থী। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ঢাকা-১১ আসনের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ স্থানে আপনার নিজের বিশাল আকৃতির রঙিন ছবি, ঢাকা-১১ উল্লেখপূর্বক ‘দেশ সংস্কারের গণভোট হ্যাঁ-এর পক্ষে থাকুন’ স্লোগান সংবলিত বিলবোর্ড রিটার্নিং অফিসারের দৃষ্টিগোচর হয়েছে, যা জাতীয় সংসদ নির্বাচন আচরণ বিধিমালার পরিপন্থি।’

এতে আরও উল্লেখ করা হয়, সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫ এর বিধি ১৮ অনুযায়ী ‘কোনো নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল কিংবা তৎকর্তৃক মনোনীত প্রার্থী বা স্বতন্ত্র প্রার্থী কিংবা তাদের পক্ষে অন্যকোনো ব্যক্তি ভোটগ্রহণের জন্য নির্ধারিত দিনের ৩ সপ্তাহ সময়ের আগে কোনোপ্রকার নির্বাচনী প্রচার শুরু করতে পারবেন না। এই অবস্থায় আগামী ১৯ জানুয়ারি সকাল সাড়ে ৯টার মধ্যে সমস্ত বিলবোর্ড অপসারণের জন্য আপনাকে অনুরোধ করা হলো।

এ ঘটনায় নির্বাচন আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে আপনার বিরুদ্ধে কেন আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে না উল্লেখ করে শোকজ নোটিশে আরও বলা হয়েছে, আগামী ১৯ জানুয়ারি সকাল ১১টার মধ্যে আপনি নিজে বা আপনার প্রতিনিধির মাধ্যমে উপস্থিত হয়ে লিখিত জবাব রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে দাখিলের জন্য অনুরোধ করা হলো।

এদিকে জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে ২৭ আসনে প্রার্থী ঘোষণা করেছে এনসিপি। চূড়ান্ত হওয়া এনসিপির প্রার্থীদের মধ্যে ঢাকা-১১ আসনে দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, রংপুর-৪ আসনে সদস্যসচিব আখতার হোসেন, কুমিল্লা-৪ আসনে দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ, পঞ্চগড়-১ আসনে উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, ঢাকা-৮ আসনে মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও নোয়াখালী-৬ আসনে দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মুখ্য সমন্বয়ক আবদুল হান্নান মাসউদ নির্বাচন করছেন।

ঢাকা-১৮ আসনে আরিফুল ইসলাম আদীব, নরসিংদী-২ আসনে সারোয়ার তুষার, নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে আবদুল্লাহ আল আমিন, পার্বত্য বান্দরবান আসনে এস এম সুজা উদ্দিন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে মাওলানা আশরাফ মাহদী, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনে মোহাম্মদ আতাউল্লাহ, চট্টগ্রাম-৮ আসনে জোবাইরুল হাসান আরিফ ও লক্ষ্মীপুর-১ আসনে মাহবুব আলম, সিরাজগঞ্জ-৬ আসনে এস এম সাইফ মোস্তাফিজ এনসিপির প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন।

ঢাকা-১৯ আসনে দিলশানা পারুল, ঢাকা-২০ আসনে নাবিলা তাসনিদ, কুড়িগ্রাম-২ আসনে আতিক মুজাহিদ, ময়মনসিংহ-১১ আসনে জাহিদুল ইসলাম, টাঙ্গাইল-৩ আসনে সাইফুল্লাহ হায়দার, ঢাকা-৯ আসনে জাবেদ রাসিন, গাজীপুর-২ আসনে আলী নাছের খান, মুন্সীগঞ্জ-২ আসনে মাজেদুল ইসলাম, নোয়াখালী-২ আসনে সুলতান মুহাম্মদ জাকারিয়া, পিরোজপুর-৩ আসনে শামীম হামিদী, দিনাজপুর-৫ সংসদীয় আসনে মো. আবদুল আহাদ এবং নাটোর-৩ আসনে এস এম জার্জিস কাদির ‘শাপলা কলি’ প্রতীকে লড়বেন

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top1

জনগণের টাকা আর পাচার হতে দেব না: প্রধানমন্ত্রী

Published

on

By

বাসস

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘জনগণের অর্থ কোনোভাবেই বিদেশে পাচার হতে দেওয়া হবে না; বরং তা জনগণের কল্যাণ ও জীবনমান উন্নয়নে ব্যয় করা হবে।’

তিনি বলেন, ‘অনেকেই নানা কথা ও বিভ্রান্ত ছড়াতে চায়। এরা বলে ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ডের টাকা কোথা থেকে আসবে? আপনাদের সবাইকে সাক্ষী রেখে তাদের উদ্দেশ্যে আমি বলতে চাই, বিগত এক যুগ ধরে জনগণের অর্থ এই দেশ থেকে পাচার হয়ে গিয়েছিল। আমরা জনগণের টাকা আর পাচার হতে দেব না।’

বুধবার (১৭ জুন) দুপুরে মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার ভিক্টোরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘জনগণের টাকা দিয়ে জনগণের জন্য কাজ করা হবে। জনগণের অর্থ দিয়ে দেশের জন্য কাজ করা হবে, দেশের ভাগ্যের পরিবর্তনের জন্য কাজ করা হবে। কাজেই ইনশাআল্লাহ টাকার কোনো অভাব হবে না।’

তিনি বলেন, ‘যারা এই দেশ থেকে টাকা পাচার করেছে, যারা এ দেশ থেকে জনগণের অর্থ বিদেশে পাঠাতে চায়, আমরা আজ থেকে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করব। আমরা যদি সবাই চোখ-কান খোলা রাখি, তাহলে এ দেশের অর্থ কেউ বিদেশে পাচার করতে পারবে না। আমরা সবাই মিলে পরিশ্রম করব এবং সেই অর্থ দিয়ে দেশের মানুষের ভাগ্য পরিবর্তন করব।’

দেশের মানুষের ভাগ্য বদলে সরকারের উদ্যোগের সঙ্গে সবাই আছেন কিনা- জানতে চাইলে উপস্থিত হাজার হাজার চা শ্রমিকসহ শ্রীমঙ্গলের নারী-পুরষরা সমস্বরে ‘হ্যাঁ’ সূচক জবাব দেন।

এর আগে পবিত্র কুরআনসহ বিভিন্ন ধর্মগ্রন্থ পাঠের মধ্য দিয়ে শুরু হয় ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠান। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানের শুরুতে জাতীয় সংগীত এবং পরে বিএনপির দলীয় সংগীত পরিবেশন করা হয়।

অনুষ্ঠানে ১০ জন নারীর হাতে সরাসরি ফ্যামিলি কার্ড তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী। পরে কম্পিউটারে বাটন চেপে ফ্যামিলি কার্ড তৃতীয় পর্যায় কর্মসূচির উদ্বোধন করেন তিনি। একই সঙ্গে চা শ্রমিক আবাসন সমস্যা সমাধানে শ্রমিকদের দুই লাখ টাকা করে অনুদান, চা শ্রমিকদের সন্তানদের জন্য বৃত্তি প্রদান, প্রতিবন্ধীদের জন্য আর্থিক অনুদানের চেকও প্রদান করেন প্রধানমন্ত্রী।

বিএনপিকে গণমানুষের দল উল্লেখ করে দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেন, ‘বিএনপি সবসময় জনগণের কাতারে ছিল, সেজন্যই বিএনপির সবচেয়ে বড় শক্তি জনগণের শক্তি। সেই জন্যই বিএনপি সবসময় বলে থাকে জনগণই আমাদের সব ক্ষমতার উৎস।

Continue Reading

top1

নবম পে স্কেলে ১১-২০ গ্রেডে ভাতা বাড়ছে পাঁচ গুণ

Published

on

By

দীর্ঘ ১১ বছর পর সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য বহুল প্রতীক্ষিত নবম জাতীয় পে স্কেল-২০২৬ বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নতুন বেতন কাঠামোয় সবচেয়ে বেশি সুবিধা পাচ্ছেন ১১ থেকে ২০ গ্রেডের সরকারি কর্মচারীরা। জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির বাস্তবতায় তাদের মাসিক টিফিন ভাতা পাঁচ গুণ বাড়িয়ে ১ হাজার টাকা করার প্রস্তাব চূড়ান্ত করা হয়েছে।

বর্তমানে অষ্টম পে স্কেল অনুযায়ী সরকারি কর্মচারীদের মাসিক টিফিন ভাতা ২০০ টাকা। নতুন পে স্কেল কার্যকর হলে এ ভাতা বেড়ে হবে ১ হাজার টাকা।

প্রস্তাবিত এ সুবিধার আওতায় থাকবেন ১১ থেকে ২০ গ্রেডের সরকারি কর্মচারী এবং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা।

জাতীয় বেতন কমিশন সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গত এক দশকে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। বর্তমান বাজার পরিস্থিতিতে ২০০ টাকা টিফিন ভাতা বাস্তবতার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। কর্মচারীদের পুষ্টি ও কর্মদক্ষতা বিবেচনায় নিয়ে সাবেক অর্থসচিব জাকির আহমেদ খানের নেতৃত্বাধীন বেতন কমিশন এ ভাতা ১ হাজার টাকা করার সুপারিশ করে।

নতুন পে স্কেলে টিফিন ভাতার পাশাপাশি মূল বেতন ও অন্যান্য ভাতাতেও পরিবর্তনের সুপারিশ করা হয়েছে। এর মধ্যে ২০তম গ্রেডের সর্বনিম্ন মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা করার প্রস্তাব রয়েছে।

এ ছাড়া বৈশাখী ভাতা মূল বেতনের ২০ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৫০ শতাংশ, সন্তানদের শিক্ষা ভাতা ১ হাজার ৫০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২ হাজার টাকা করার সুপারিশ করা হয়েছে।

প্রথমবারের মতো সরকারি কর্মচারীদের জন্য স্বাস্থ্যবিমা সুবিধা চালুর পাশাপাশি প্রতিবন্ধী সন্তানদের জন্য মাসিক ২ হাজার টাকা অতিরিক্ত ভাতা দেওয়ার প্রস্তাবও রয়েছে।

মাঠপর্যায়ের কর্মচারী ও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা টিফিন ভাতা বৃদ্ধির প্রস্তাবকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। তাদের মতে, বর্তমান বাজার পরিস্থিতিতে ২০০ টাকার ভাতা কার্যত অপ্রতুল ছিল। নতুন হার কার্যকর হলে কর্মস্থলে দৈনন্দিন ব্যয় সামাল দিতে কিছুটা সহায়তা মিলবে।

অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটের অংশ হিসেবে আগামী ১ জুলাই থেকে ধাপে ধাপে নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর করা হবে। এ বিষয়ে শিগগিরই আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন জারি করা হতে পারে

Continue Reading

top1

১৩ দিনে শিশু ধর্ষণ মামলার রায়, আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

Published

on

By

চট্টগ্রাম নগরের বাকলিয়ায় চার বছরের এক শিশুকে ধর্ষণ মামলার চূড়ান্ত রায় ঘোষণা করেছেন আদালত। অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় মামলার একমাত্র আসামি মনির হোসেনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তাকে এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে।

বুধবার (১৭ জুন) চট্টগ্রামের শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক সৈয়দা হাফসা ঝুমা এই আলোচিত মামলার রায় ঘোষণা করেন।

গত ৪ জুন এই মামলার অভিযোগ পত্র জমা দিয়েছিল পুলিশ। এর ১৩ দিনের মাথায় বিচার শেষ করে রায় দিল আদালত।

ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মাহমুদ উল আলম চৌধুরী মারুফ রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, অপরাধের গুরুত্ব বিবেচনা করে মাত্র ৩ কার্যদিবসের মধ্যে ১৮ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ ও জেরা সম্পন্ন করা হয়। গত ১৬ জুন (মঙ্গলবার) আদালতে উভয় পক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ হওয়ার পর আজ এই রায় দেওয়া হলো।

মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, গত ২১ মে বিকেল ৪টার দিকে বাকলিয়া থানাধীন নূর হোসেন চেয়ারম্যানঘাটা এলাকার বালুরমাঠের কাছের একটি গুদামে এই ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী শিশুটি নিখোঁজ হওয়ার পর তাকে উদ্ধার করা হলে তার শারীরিক অবস্থা দেখে স্বজন ও প্রতিবেশীদের মনে সন্দেহের সৃষ্টি হয়।

ঘটনাটি জানাজানি হলে স্থানীয় বাসিন্দারা তীব্র ক্ষোভে ফেটে পড়েন। বিকেল ৫টার দিকে অভিযুক্ত মনির হোসেনকে (পেশায় স্থানীয় ডেকোরেশন দোকানের কর্মচারী) একটি ভবনে আটকে রেখে পুলিশে খবর দেয় জনতা।

আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে আসামিকে নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার চেষ্টা করলে সেখানে উপস্থিত হাজার হাজার বিক্ষুব্ধ জনতা বাধা দেয়। তারা আসামিকে পুলিশের গাড়ি থেকে নামিয়ে গণপিটুনি দেওয়ার দাবি জানায়। একপর্যায়ে জনতা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে এবং পুলিশের একটি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ও স্থানীয়দের মধ্যে প্রায় ৬ ঘণ্টা ধরে দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি শান্ত করতে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহার করে। রাত ১০টার দিকে ওই এলাকায় বিদ্যুৎ চলে গেলে পুলিশ কৌশলে আসামিকে উদ্ধার করে নিয়ে আসতে সক্ষম হয়। এই সংঘর্ষের ঘটনায় অন্তত ৩০ জন পুলিশ সদস্য এবং বেশ কয়েকজন সাংবাদিক আহত হন।

ঘটনার পরদিন শিশুটির পরিবারের পক্ষ থেকে বাকলিয়া থানায় মামলা দায়েরের পর পুলিশ অত্যন্ত দ্রুততার সঙ্গে তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করে। ডিএনএ পরীক্ষার রিপোর্টসহ প্রয়োজনীয় সব প্রযুক্তিগত ও ফরেনসিক প্রমাণাদি দ্রুত সংগ্রহ করে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে ৪ জুন একমাত্র আসামি মনির হোসেনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র (চার্জশিট) দাখিল করা হয়।

Continue Reading

Trending