Connect with us

ক্যাম্পাস

‎‎কুবিতে প্রথমবারের মতো শিক্ষকদের ফাউন্ডেশন ট্রেনিং শুরু

Published

on


কুবি প্রতিনিধি

‎কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুবি) ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাস্যুরেন্স সেলের (আইকিউএসি) উদ্যোগে শিক্ষকদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি, আধুনিক শিক্ষাদান পদ্ধতি এবং একাডেমিক মানোন্নয়নের লক্ষ্যে প্রথমবারের মতো ‘ফাউন্ডেশন ট্রেনিং ফর টিচার্স’ বিষয়ক শীর্ষক ৭ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মসূচি শুরু হয়েছে। যা শেষ হবে আগামী ২৪ জুলাই।

‎শনিবার (১৮ জুলাই) সকালে বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন একাডেমিতে (বার্ড) এ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি উদ্বোধন করা হয়।

‎প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের মোট ৩০ জন শিক্ষক অংশগ্রহণ করেছেন। তন্মধ্যে ২৬ জন প্রভাষক, ৩ জন সহকারী অধ্যাপক এবং ১ জন সহযোগী অধ্যাপক রয়েছেন।

‎উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. জাকির ছায়াদউল্লাহ খানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাসুদা কামাল, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলায়মান এবং আইকিউএসি এর পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সৈয়দুর রহমান।

‎প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে শিক্ষকদের নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোলাইমান বলেন, “গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম প্রত্যাশা ছিল মেধাভিত্তিক নিয়োগ, আর কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবীন শিক্ষকরা সেই নীতিতেই নিয়োগ পেয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম ও শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা পূরণে শিক্ষকদের গবেষণামুখী, যুগোপযোগী ও সুশৃঙ্খল শিক্ষাদান নিশ্চিত করতে হবে। শুধু তথ্য প্রদান নয়, শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল চিন্তা, সমস্যা সমাধান ও বাস্তব জীবনে জ্ঞান প্রয়োগে উদ্বুদ্ধ করার পাশাপাশি এআই, এলএমএস, ব্লেন্ডেড লার্নিংসহ আধুনিক শিক্ষাপদ্ধতি গ্রহণেও গুরুত্ব দিতে হবে।”

‎তিনি আরও বলেন, “জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থান যে আদর্শ ও চেতনার শিক্ষা দিয়েছে, তা ধারণ করে আমরা নিজেদেরকে প্রস্তুত করবো। আমাদের এমন শিক্ষক হতে হবে, যাদের দেখে মানুষ বলতে পারে-জুলাই স্বার্থক।”

‎উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মাসুদা কামাল বলেন, “জ্ঞানভিত্তিক, উদ্ভাবনী ও টেকসই অর্থনীতি গঠনে বিশ্ববিদ্যালয় এবং শিক্ষকদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শিক্ষকদের এমন একটি শিক্ষার পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে, যেখানে শিক্ষার্থীরা প্রশ্ন করতে উৎসাহিত হবে, নতুন ধারণা নিয়ে কাজ করবে এবং দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠবে। পাশাপাশি গবেষণা সংস্কৃতি, নৈতিক নেতৃত্ব, প্রযুক্তির কার্যকর ব্যবহার, আজীবন শেখার মানসিকতা এবং পেশাগত মূল্যবোধ চর্চায় গুরুত্ব দিতে হবে।”

‎তিনি আরও বলেন, “এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচির লক্ষ্য হলো নবীন শিক্ষকদের পাঠদান, গবেষণা, শিক্ষার্থী মূল্যায়ন, তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার, একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম, নৈতিকতা এবং পেশাগত আচরণে দক্ষ করে তোলা। এর মাধ্যমে জ্ঞান, মানবিকতা, গবেষণা, প্রযুক্তি ও সামাজিক দায়বদ্ধতার সমন্বয়ে একটি মানসম্মত বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তোলাই এই প্রশিক্ষণের লক্ষ্য।”

‎শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরীফুল করীম বলেন, “আমরা যদি প্রতিটি শিক্ষার্থীর নাম, সক্ষমতা ও শেখার ধরন জানি, তবে পাঠদান হবে আরও কার্যকর ও শিক্ষার্থী-কেন্দ্রিক। উদ্ভাবন, এআই ও ডিজিটাল রূপান্তরের এই যুগে আমাদেরও দক্ষতা ও কর্মপদ্ধতি যুগোপযোগী করতে হবে। আশা করি, এই প্রশিক্ষণ থেকে অর্জিত জ্ঞান শিক্ষার্থীদের কল্যাণে কাজে লাগবে।”

‎শিক্ষার্থীদের সেবা দেওয়া নিয়ে তিনি বলেন, “আমরা ‘স্টুডেন্ট ফার্স্ট’ দর্শনকে সামনে রেখে ‘স্টুডেন্ট সাপোর্ট সার্ভিস ইউনিট’ চালু করতে যাচ্ছি। এই ইউনিটের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সেবা দ্রুত সময়ে নিশ্চিত করা হবে। একই সঙ্গে ক্যাম্পাসে খাবারের নিরাপত্তা ও গুণগত মান নিশ্চিত করা হবে। পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে শিক্ষার্থী-সংশ্লিষ্ট সেবা ইউনিটগুলোকে নিবন্ধনের আওতায় এনে একটি সুশৃঙ্খল ব্যবস্থার মধ্যে পরিচালনার উদ্যোগ নেওয়া হবে।”

‎তিনি আরও বলেন, “আমরা আমাদের নতুন ক্যাম্পাসকে একটি ‘গ্রিন ক্যাম্পাস’ হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। এটি একটি দীর্ঘমেয়াদি যাত্রা। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে আমরা নানাভাবে পরিবেশের সঙ্গে অন্যায় করে চলেছি। আমাদের কথা, আচরণ ও দৈনন্দিন কর্মকাণ্ডের মাধ্যমেও পরিবেশের ক্ষতি হচ্ছে। এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় আর্থিক ব্যবস্থাপনা যেমন গুরুত্বপূর্ণ, তেমনি সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন আমাদের চর্চা, আচরণ ও অভ্যাসে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা। আমরা চাই কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়কে একটি আধুনিক, শিক্ষণ-শেখনকেন্দ্রিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত করতে।”

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top3

ইবিতে অ্যারাবিক ক্লাবের নেতৃত্বে আমির-আমান-ফাহিম

Published

on

By

ইবি প্রতিনিধি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) আরবী ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের সংগঠন অ্যারাবিক ক্লাবের ২০২৬-২৭ বর্ষের কার্যকরী পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে সভাপতি হিসেবে ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আমির ফয়সাল, সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আমান উল্লাহ এবং সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ফাহিম ফয়সাল নির্বাচিত হয়েছেন।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) দুপুরে বিভাগীয় সেমিনার কক্ষে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। বিকেলে আনঅফিসিয়াল ফলাফল প্রকাশ করেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাচন কর্মকর্তা অধ্যাপক ড. শামছুল হক ছিদ্দিকী। 

নির্বাচনে মোট ৩১৩ জন ভোটারের মধ্যে ভোট দেন ১৮৪ জন, যার সবগুলোই বৈধ ব্যালট হিসেবে গণ্য হয়েছে। সভাপতি ও সহ-সভাপতি পদে মোট চারজন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এর মধ্যে সভাপতি পদে ১৩৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন আমির ফয়সাল। দুটি সহ-সভাপতি পদে নির্বাচিত হন নূর হোসেন আল রিফাত (২৮ ভোট) ও শহীদ উল্লাহ (১০ ভোট)।

সাধারণ সম্পাদক ও যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক পদে ছয়জন প্রার্থী ছিলেন। সাধারণ সম্পাদক পদে ১০৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন মো. আমান উল্লাহ। দুটি যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত হন কামরুল হাছান (৩৪ ভোট) ও ইউসুফ রাকিব (২০ ভোট)।

সাংগঠনিক সম্পাদক ও সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক পদে চারজন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। সাংগঠনিক সম্পাদক পদে ৮৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন ফাহিম ফয়সাল। দুটি সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক পদে নির্বাচিত হন ওমর ফারুক (৭৫ ভোট) ও শাকিল আহমেদ (১১ ভোট)।

ফলাফল ঘোষণার পর নবনির্বাচিতদের শুভকামনা জানিয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাচন কর্মকর্তা অধ্যাপক ড. শামছুল হক ছিদ্দিকী বলেন, অ্যারাবিক ক্লাবের উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করছি এবং অন্যান্য বিভাগের তুলনায় আরবী ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের শিক্ষার্থীদের আরও অনেক দূর এগিয়ে নেওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করছি।

Continue Reading

ক্যাম্পাস

ম্যানেজিং কমিটির মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগের সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবিতে বেরোবিতে বিক্ষোভ

Published

on

By

বেরোবি প্রতিনিধি

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ম্যানেজিং কমিটির মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষমতা ফিরিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ এবং বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) মাধ্যমে আগের মতো নিয়োগ বহাল রাখার দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) শিক্ষার্থীরা।

সোমবার (১০ আগস্ট) রাত সাড়ে ৮টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে ‘সাধারণ শিক্ষার্থী’দের ব্যানারে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

‘শিক্ষার স্বার্থে ঐক্যবদ্ধ হই, অন্যায় সিদ্ধান্ত রুখে দিই’ স্লোগানে বের হওয়া বিক্ষোভ মিছিল থেকে শিক্ষার্থীরা ‘শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতি চলবে না’, ‘যোগ্যতার ভিত্তিতে চাকরি দে’, ‘চাকরি আমার অধিকার, নিয়োগ হবে স্বচ্ছতার’ ও ‘মেধা নিয়ে গড়িমসি চলবে না’সহ নানা স্লোগান দেন।

মিছিল শেষে প্রধান ফটকের সামনে অনুষ্ঠিত সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য দেন অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী মেহেদী হাসান, লোকপ্রশাসন বিভাগের সিদ্দিকুর রহমান, সমাজবিজ্ঞান বিভাগের আহসান হাবিব এবং ইতিহাস ও প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের সানোয়ার হোসেন।

সমাবেশে শিক্ষার্থীরা বলেন, ম্যানেজিং কমিটির হাতে নিয়োগ প্রক্রিয়া ছেড়ে দিলে স্বচ্ছতা বিনষ্ট হবে এবং মেধার মূল্যায়ন বাধাগ্রস্ত হবে। শিক্ষক নিয়োগে যোগ্যতা ও মেধ্যাক সর্বোচ্চ প্রাধান্য দিতে হবে; স্বজনপ্রীতি বা আর্থিক লেনদেনের কোনো সুযোগ রাখা যাবে না।

ইতিহাস ও প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের শিক্ষার্থী সানোয়ার হোসেন বলেন, “এই পদ্ধতির মাধ্যমে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে মেধাবীদের দূরে রাখার চক্রান্ত চলছে। সিদ্ধান্ত বাতিল না হওয়া পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলবে।”

বেরোবির শিক্ষার্থী শামসুর রহমান সুমন বলেন, “বিগত দিনে শিক্ষক নিয়োগে কমিটির পেছনে টাকা নিয়ে ঘোরার যে দুর্নীতির পরিবেশ ছিল, তা আর ফিরতে দেওয়া হবে না। যেভাবে শিক্ষার্থীরা বৈষম্যের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছে, একইভাবে এই সিদ্ধান্তও প্রতিহত করা হবে। অবিলম্বে এনটিআরসিএর মাধ্যমে স্বচ্ছ ও প্রতিযোগিতামূলক নিয়োগ বহাল রাখতে হবে।”

দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত ধারাবাহিক আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

Continue Reading

ক্যাম্পাস

ইবির নতুন প্রধান প্রকৌশলী আব্দুল মালেক

Published

on

By

ইবি প্রতিনিধি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ভারপ্রাপ্ত প্রধান প্রকৌশলী এ. কে. এম. শরীফ উদ্দীনকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (মেকানিক্যাল) মো. আব্দুল মালেক মিয়াকে ভারপ্রাপ্ত প্রধান প্রকৌশলী হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. মনজুরুল হক স্বাক্ষরিত অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।

অফিস আদেশে বলা হয়েছে, প্রধান প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) এ. কে. এম. শরীফ উদ্দীনের ১১ আগস্টের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তাকে ওই পদ থেকে ১১ আগস্ট ২০২৬ তারিখ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (মেকা) মো. আব্দুল মালেক মিয়াকে প্রধান প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) হিসেবে ১২ আগস্ট ২০২৬ তারিখ থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ভাইস-চ্যান্সেলরের অনুমোদনক্রমে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

এ দায়িত্ব পালনের জন্য তিনি নিয়ম অনুযায়ী সুযোগ-সুবিধা পাবেন বলেও অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।

অন্যদিকে, দীর্ঘদিন নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে প্রধান প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত)-এর দায়িত্ব পালন করায় এ. কে. এম. শরীফ উদ্দীনকে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানানো হয়েছে।

Continue Reading

Trending