Connect with us

top3

গত ৩০ বছর ধরে হাতবদল করে জনগণের বিরুদ্ধে কাজ করেছে তারা: নাহিদ ইসলাম

Published

on

দেশকে বিপদের মুখে ঠেলে দেওয়ার একটি সুপরিকল্পিত চেষ্টা চলছে বলে অভিযোগ করেছেন ঢাকা-১১ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, কিছু রাজনৈতিক শক্তি দীর্ঘদিন ধরে নিজেদের স্বার্থে একে অপরের সঙ্গে সমঝোতা করে সাধারণ মানুষের বিরুদ্ধে কাজ করে যাচ্ছে।

রোববার সকালে রাজধানীর বাড্ডার ডিআইটি প্রজেক্ট এলাকার খেলার মাঠে ১১ দলীয় ঐক্যের নির্বাচনী জনসভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে এসব কথা বলেন তিনি। নাহিদ ইসলাম বলেন, রাজধানীর একেবারে কাছেই অবস্থান হলেও বাড্ডা-রামপুরা এলাকার মানুষ বছরের পর বছর অবহেলা ও বঞ্চনার শিকার হয়ে এসেছে। অনেক জায়গায় এখনো ঢাকার বদলে মফস্বলের চিত্র চোখে পড়ে।
তিনি বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় এই বাড্ডা ও রামপুরা এলাকাই আন্দোলন ও প্রতিরোধের অন্যতম কেন্দ্র হয়ে উঠেছিল।

প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীসহ এলাকাবাসীর সম্মিলিত প্রতিরোধে তখন ফ্যাসিবাদী শক্তিকে পিছু হটতে হয়। সেই আন্দোলনে এই আসনের বহু মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন, অনেকে আহত হয়েছেন।

এনসিপির আহ্বায়ক বলেন, এই এলাকার মানুষ শুধু আন্দোলনের সময়ই নয়, গত ২৮ বছর ধরে নানা সংগ্রামে পাশে থেকেছেন। এখন সেই ঋণ শোধ করার সময় এসেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সুযোগ পেলে আজীবন এই এলাকার মানুষের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রাখতে চান তিনি।

এলাকার উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হওয়ার পেছনে রাজনৈতিক ভূমিদস্যুতাই প্রধান কারণ বলে অভিযোগ করেন নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, শত শত মানুষের ব্যক্তিগত জমি, খাস জমি ও জলাশয় দখল করে ভরাট করা হয়েছে। এতে বহু পরিবার নিঃস্ব হয়ে পড়েছে। যারা রাজনীতিতে সক্রিয় ছিল, তারাই সরাসরি বা পরোক্ষভাবে এই ভূমি দখলের সঙ্গে জড়িত ছিল।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, গত ৩০ বছর ধরে প্রধান দুই রাজনৈতিক দলের স্থানীয় নেতারা নিজেদের মধ্যে ভাগ-বাটোয়ারা করে এই দখল কার্যক্রম চালিয়েছে। রাজনৈতিকভাবে তারা বিরোধী হলেও ব্যবসায়িক স্বার্থে সবসময় এক ছিল এবং সাধারণ মানুষের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে।

নাহিদ ইসলাম বলেন, কেউ কেউ দীর্ঘদিন বিদেশে থেকেও এখানকার অবৈধ ব্যবসা ও ভূমি দখলের ভাগ ঠিকই পেত। ৫ আগস্টের পর হাতবদল হয়েছে, কিন্তু দখলদারি ও চাঁদাবাজির চরিত্র বদলায়নি। এই হাতবদলের রাজনীতিই এতদিন জনগণের ক্ষতি করেছে।
ভূমিদস্যুদের চিরতরে উৎখাতের অঙ্গীকার করে তিনি বলেন, এই অঞ্চলের অর্থনৈতিক বৈষম্য দূর করা হবে এবং নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করা হবে। যাদের জমি দখল হয়ে গেছে, তাদের জমি ফিরিয়ে দেওয়া না গেলে ন্যায্যমূল্য দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে।

আরেকটি দল দেশকে অস্থিতিশীল করার পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, সেই ষড়যন্ত্র রুখতে ১২ ফেব্রুয়ারি গুরুত্বপূর্ণ দিন। ওইদিন ব্যর্থ হলে ৫ আগস্টের অর্জনও ব্যর্থ হয়ে যাবে। দেশকে দখলদার, আধিপত্য ও সন্ত্রাসমুক্ত করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top3

ব্যর্থতা ঢাকতে ছাত্রদলের হাতে অস্ত্র তুলে দিয়েছে সরকার: সাদিক কায়েম

Published

on

By

দেশের চলমান জ্বালানি সংকট, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি এবং শিক্ষার্থীদের ওপর নির্যাতনের অভিযোগ তুলে সরকার ও ছাত্রদলের কর্মকাণ্ডের তীব্র সমালোচনা করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি সাদিক কায়েম। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) মধ্যরাতে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া একটি স্ট্যাটাসে তিনি দেশব্যাপী অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির জন্য ছাত্রদলকে দায়ী করেছেন।

সাদিক কায়েম তার স্ট্যাটাসে উল্লেখ করেন যে, বর্তমান সরকার যখন জ্বালানি ব্যবস্থাপনা, কূটনৈতিক দুর্বলতা এবং আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে চরমভাবে ব্যর্থ হয়েছে, তখন সেই ব্যর্থতা আড়াল করতেই তারা ছাত্রদলের লাঠিয়াল বাহিনীর হাতে অস্ত্র তুলে দিয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, ক্যাম্পাসে রামদা ও চাপাতি নিয়ে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করা হচ্ছে এবং ভুয়া স্ক্রিনশট ব্যবহার করে শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার ও হত্যাচেষ্টা চালানো হচ্ছে।

ঘটনার বিস্তারিত বিবরণে তিনি জানান, একটি ফেসবুক স্ক্রিনশটকে ঘিরে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ছাত্রশিবিরের বিরুদ্ধে অপপ্রচার শুরু হয়, যা পরে ফ্যাক্ট চেকিং প্লাটফর্মে ভুয়া প্রমাণিত হয়েছে। এ ঘটনার বিচার ও নিরাপত্তার আবেদন জানাতে গিয়ে শাহবাগ থানায় গিয়ে ইসলামী ছাত্রশিবিরের প্রতিনিধি আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ, উবায়দুর রহমান হাসিবসহ ডাকসু ও হল সংসদের একাধিক নেতা ছাত্রদলের হামলার শিকার হয়েছেন। হামলায় মুসাদ্দিক, জুবায়ের, আলভি, সাদিক, জুমা ও সালমাসহ বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হয়েছেন বলেও তিনি জানান।

সাংবাদিকদের ওপর হামলার বিষয়টিও ডাকসু ভিপি তার স্ট্যাটাসে গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেছেন। তিনি জানান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ অন্তত ১৬ জন ক্যাম্পাস সাংবাদিককে ছাত্রদল হেনস্তা করেছে। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, উদ্ভূত পরিস্থিতিতে পুলিশ ও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনসহ সরকারের উচ্চপর্যায়ের ব্যক্তিদের কাছে সাহায্য চেয়েও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। পুরো বিষয়টিকেই তিনি শিক্ষাঙ্গনকে অস্থিতিশীল করার একটি পূর্বপরিকল্পিত অপচেষ্টা হিসেবে অভিহিত করেছেন।

পরিশেষে, সাদিক কায়েম সরকারের মন্ত্রী এবং বিএনপি নেতৃবৃন্দের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শৃঙ্খলা রক্ষায় তাদের অবিলম্বে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া প্রয়োজন। তিনি সতর্কবার্তা দিয়ে বলেন, ছাত্রদলের এই বেপরোয়া কর্মকাণ্ড অদূর ভবিষ্যতে তাদের বিরুদ্ধেই ব্যাকফায়ার করবে এবং বর্তমান প্রজন্ম ক্যাম্পাসে কোনো ধরনের কর্তৃত্ববাদী বা অস্ত্রনির্ভর রাজনীতি মেনে নেবে না

Continue Reading

top3

যেকোনো মুহূর্তে ফের যুদ্ধ শুরুর আশঙ্কা ইরানের

Published

on

By

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সাথে চলমান যুদ্ধবিরতি সত্ত্বেও মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনার পারদ আবারও তুঙ্গে উঠেছে। ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার ও প্রধান আলোচক মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, ওয়াশিংটনকে তেহরান বিন্দুমাত্র বিশ্বাস করে না এবং যেকোনো মুহূর্তে আবারও লড়াই শুরু হতে পারে।

রোববার (১৯ এপ্রিল) ভোরে ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া এক ভাষণে তিনি এই আশঙ্কার কথা জানান। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে দুই সপ্তাহের চলমান সাময়িক যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বৃদ্ধি এবং স্থায়ী সমাধানের বিষয়ে গভীর অনিশ্চয়তার মধ্যেই এমন কঠোর মন্তব্য সামনে এলো।

ইরানের এই সতর্কবার্তার পরপরই ইসরায়েলি সেনাবাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় থাকার নির্দেশ পেয়েছে। ইসরায়েলি আর্মি রেডিও সামরিক ও রাজনৈতিক সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, ইরানের সঙ্গে সম্পাদিত যুদ্ধবিরতি চুক্তির সম্ভাব্য সমাপ্তি এবং আকস্মিক হামলার আশঙ্কায় দেশটির সশস্ত্র বাহিনীকে ‘হাই অ্যালার্ট’ বা সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রাখা হয়েছে। যেকোনো অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় সীমান্ত ও কৌশলগত অবস্থানগুলোতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

এমন যুদ্ধংদেহী পরিস্থিতির মধ্যেই অভ্যন্তরীণ চাপে পড়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তার সরকারের পদত্যাগ এবং অবিলম্বে তদন্তের দাবিতে শনিবার রাতে তেল আবিবে কয়েক হাজার মানুষ বিশাল বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছেন।

বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, নেতানিয়াহু নিজের স্বার্থ রক্ষায় দেশকে এক অন্তহীন যুদ্ধের দিকে ঠেলে দিয়েছেন। রাফায়েল পিনাইনা নামে এক বিক্ষোভকারী মন্তব্য করেন যে, প্রধানমন্ত্রী ভেতর থেকে ইসরায়েলি সমাজকে ধ্বংস করছেন এবং পশ্চিমা বিশ্বের সাথে দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক নষ্ট করছেন।

বিক্ষোভ সমাবেশে অংশ নেওয়া সাধারণ নাগরিক ও সমাজকর্মীরা গত ৭ অক্টোবর এবং পরবর্তী ঘটনাগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেছেন। তারা মনে করেন, জনগণের সত্য জানার অধিকার আছে। লি হফম্যান-আজিভ নামে এক সমাজকর্মী জানান, তিনি সেইসব শোকাতুর পরিবারের পাশে দাঁড়াতে এসেছেন, যারা প্রধানমন্ত্রীর শুরু করা এই দীর্ঘমেয়াদী যুদ্ধে প্রিয়জন হারিয়েছেন।

বিক্ষোভকারীদের অনেকেই মনে করেন, লেবানন ও ইরানে যুদ্ধ শুরু করা ইসরায়েলের একটি বড় কৌশলগত ভুল ছিল। হাইম ট্রিভ্যাক্স নামে এক প্রতিবাদকারী সরাসরি অভিযোগ করেন যে, নেতানিয়াহু দেশের বৃহত্তর স্বার্থের কথা চিন্তা না করে কেবল সম্ভাব্য কারাদণ্ড থেকে নিজেকে বাঁচাতেই যুদ্ধের এই পথ বেছে নিয়েছেন

Continue Reading

top3

বাংলাদেশের খেলা দেখতে মিরপুর স্টেডিয়ামে জাইমা রহমান

Published

on

By

মিরপুর শের-ই বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শুরু হয়েছে বাংলাদেশ-নিউজিল্যান্ড সিরিজ। এই ম্যাচে বাংলাদেশ দলকে সমর্থন জানাতে মাঠে উপস্থিত হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কন্যা জাইমা রহমান।

শুক্রবার সকাল ১১টায় ম্যাচ শুরু হওয়ার প্রায় এক ঘণ্টা পর স্টেডিয়ামে পৌঁছান তিনি। এর আগে গত মাসে পাকিস্তানের বিপক্ষে ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচেও তাকে গ্যালারিতে দেখা গিয়েছিল।

আগেরবার প্রেসিডেন্ট বক্সে বসে খেলা উপভোগ করলেও এবার তিনি অবস্থান নিয়েছেন প্রেসবক্সের বিপরীত পাশে থাকা ইন্টারন্যাশনাল স্ট্যান্ডের কর্পোরেট বক্সে।

ম্যাচের শুরুতে টস হেরে ফিল্ডিংয়ে নামে বাংলাদেশ। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ৩১ ওভারে ৪ উইকেট হারিয়ে নিউজিল্যান্ডের সংগ্রহ ১৫১ রান।

Continue Reading

Trending