Connect with us

top2

গাজার ছাই থেকে ফিলিস্তিনের পুনর্জন্ম

Published

on

হাজার বছরের অপমান, বঞ্চনা আর বন্দিত্বের নাগপাশ পেরিয়ে ফিলিস্তিন আবার নবজন্ম নিচ্ছে, যেখানে প্রতিটি শিশুর কান্না ইতিহাসে প্রতিরোধের ভাষা হয়ে উঠছে।

দীর্ঘ দশক ধরে বিশ্ব রাজনীতির মঞ্চে এক বিভ্রম ছড়ানো হয়েছিল—‘শুধু আলোচনাই শান্তি আনতে পারে।’ সেই বাক্যটি ছিল সভ্যতার মুখে পরানো এক মুখোশ, যার আড়ালে জমে উঠেছিল নীরব হত্যার ইতিহাস। অসলো চুক্তি ছিল সেই মুখোশের শীর্ষ অলংকার—যেখানে কূটনৈতিক কলমের আড়ালে চাপা পড়েছিল রক্ত, অবরোধ আর পরাধীনতার ক্রন্দন। বিশ্বের চোখে সেটি ছিল শান্তির মাইলফলক; কিন্তু গাজার শিশুর চোখে, হেবরনের মাতৃহারা নারীর কণ্ঠে আর পশ্চিম তীরের বালুময় মাটিতে সেটি কেবল এক নিঃশব্দ প্রতারণা। এই শান্তির মুখোশের আড়ালে দাঁড়িয়ে ছিল এক নিষ্ঠুর বাস্তবতা—দখলদারি, নিপীড়ন ও রাষ্ট্রীয় সহিংসতার দীর্ঘ ছায়া।

ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের অভিধানে ‘শান্তি’ মানে ছিল আনুগত্য—এমন এক নতজানু নেতৃত্ব, যারা স্বাধীনতার দাবিকে গিলে ফেলে ‘সংলাপ’-এর নামে আত্মসমর্পণ করবে। সেই ‘শান্তি প্রক্রিয়া’ হয়ে উঠেছিল দখলের এক নতুন রূপ—এক প্রাতিষ্ঠানিক প্রহসন, যার নাম দেওয়া হয়েছিল ‘শান্তি শিল্প’। ফিলিস্তিনকে নিয়ে নানা সময়ে নানা সংলাপ হয়েছে, কনফারেন্সে বাজানো হয়েছে করতালি, কিন্তু বাস্তবে গড়ে উঠেছে আরও উঁচু প্রাচীর। ইয়াসির আরাফাত, যিনি একদা মুক্তির প্রতীক ছিলেন, সেই প্রহসনের বৃত্তে প্রবেশ করেছিলেন আশায় যে আলোচনার টেবিলে হয়তো রক্তের ইতিহাসের অবসান ঘটবে। কিন্তু নির্মম সত্য হলো—তিনি যত ছাড় দিয়েছেন, তত বেড়েছে বন্দিত্বের পরিধি। তাঁর জনগণ পেয়েছে কাঁটাতারের বেড়া, চেকপোস্টের দীর্ঘ সারি আর ছিন্নভিন্ন মানচিত্র। অসলো চুক্তি তাই হয়ে উঠেছিল প্রতারণার দলিল। এখন সময় এসেছে নতুন বাস্তবতার মুখোমুখি হওয়ার: আলোচনার নয়, আত্মত্যাগের আগুনেই জেগে উঠতে হবে ফিলিস্তিনবাসীকে। এর বিকল্প কোনো পথ নেই।

১৯৫০-এর দশকে যখন আরব জাতিরা পরাজয়ের ভারে নুয়ে পড়েছিল, তখন এই সংকীর্ণ উপত্যকার বালুময় প্রান্তরে জন্ম নেয় ফেদায়িন আন্দোলন—মুক্তির জন্য আত্মোৎসর্গে প্রস্তুত এক প্রজন্ম। সমাজতান্ত্রিক স্লোগান, ইসলামি বিশ্বাস আর মুক্তিকামী রক্ত মিলেমিশে গড়ে তোলে এক আগুনে জনপদ—গাজা। যেখানে পশ্চিম তীরের শহরগুলো দমনযন্ত্র ও প্রশাসনিক বেষ্টনীর নিচে নিস্তব্ধ, সেখানে গাজা ছিল অগ্নিদীপ্ত দুর্গের মতো—এক ক্ষুদ্র স্পার্টা, যে জানে, পরাজয় মানে দাসত্ব, আর প্রতিরোধ মানে জীবন।

২০০৬ সালে হামাসের নির্বাচনী বিজয়ের পর শুরু হয় আধুনিক ইতিহাসের দীর্ঘতম অবরোধ—একটি নগরীকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলা হয় পৃথিবী থেকে, যেন তাকে নিঃশেষ করা যায় ক্ষুধা, অন্ধকার ও মৃত্যুর মধ্য দিয়ে। কিন্তু গাজার মানুষ আত্মসমর্পণ করেনি। ধ্বংসপ্রাপ্ত ঘরের ইট দিয়ে তারা আবার ঘর তুলেছে; ভাঙা স্কুলের দেয়ালে লিখেছে বর্ণমালা; শত্রুর ফেলে যাওয়া গোলা দিয়ে বানিয়েছে নিজের অস্ত্র। এই প্রতিরোধ কোনো দলের নয়—এটি এক জাতির হৃদ্‌স্পন্দন, যা রক্তে, মাটিতে, শিশুর আঁকায় আর মায়ের অশ্রুতে মিশে আছে।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর থেকে আজ অবধি চলছে গাজার ওপর বোমা নিক্ষেপ। কিছু দিন আগেও যে যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল, সেটা আসলে ছিল একটা প্রতারণার ফাঁদ। অবশ্য কিছু দিন বোমা নিক্ষেপ বন্ধ থাকলেও, আবারও শুরু হয়েছে আগের মতো পরিস্থিতি।

তবুও গাজার মানুষ নত হচ্ছে না। মৃত্যুর ছায়াতেও তারা খুঁজে নিয়েছে জীবনের আলো। যে শহরে আকাশ মানে এখন ড্রোনের গুঞ্জন, সেখানেও মায়েরা শিশুর কপালে চুমু খেয়ে বলে, ‘আমরা মরে যাব, কিন্তু হার মানব না।’ এই বাক্য কোনো সামরিক কৌশল নয়—এটি এক আত্মিক প্রতিজ্ঞা, এক জাতির পুনর্জন্মের ঘোষণা। ‘যে জাতি মৃত্যুকেও অবরোধ করতে শেখে, তাকে পৃথিবীর কোনো শক্তি দমন করতে পারে না।’

ইতিহাসে কিছু যুদ্ধ শুধু ধ্বংস নয়—তারা হয়ে ওঠে এক জাতির আত্মপরিচয়ের পুনর্লিখন। গাজার যুদ্ধ তেমনই এক অধ্যায়। ইসরায়েল এই ক্ষুদ্র ভূখণ্ডে বর্ষণ করেছে দুই লাখ টনেরও বেশি বিস্ফোরক—ধ্বংস করেছে শহর, হাসপাতাল, স্কুল, শরণার্থী শিবির। কিন্তু বিজয়ের মুকুট আজ তাদের মাথায় নয়। গাজার ধূলি আর ধোঁয়ার মধ্যেই ফিলিস্তিনের পতাকাই উড়ছে—অমর প্রতিরোধের প্রতীক হয়ে। দুই হাজারেরও বেশি সামরিক যান ভস্মীভূত, শত শত ‘মেরকাভা’ ট্যাংক ইতিহাসের জঞ্জালে। যা করতে পারেনি কোনো আরব সেনাবাহিনী, তা করেছে অবরুদ্ধ গাজার মানুষ—নিজেদের ইচ্ছাশক্তি দিয়ে।

আজ গাজার মাটি পুরো আরব জাতির আত্মমর্যাদার প্রতীক। ইসরায়েলের নিজস্ব ইতিহাসবিদ ও সেনা কর্মকর্তারাও স্বীকার করছেন—গাজায় তাঁরা কেবল ব্যর্থ নয়, পরাজিত। গাজার মানুষ পুনরুদ্ধার করেছে তিনটি সত্য—আত্মসম্মান, আত্মনিয়ন্ত্রণ ও জাতিসত্তা। এই প্রতিরোধ কোনো দলের নয়, কোনো মতবাদের নয়—এটি ফিলিস্তিন নামক আত্মার জয়গান, যা রক্তে লেখা, প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে বহমান। গাজার ধ্বংসস্তূপ তাই শুধু যুদ্ধের সাক্ষী নয়; এটি নবজাগরণের প্রতীক—এক জাতির পুনর্জন্ম, যে জাতি জানে, ইতিহাসের শেষ কথা বলে তারাই, যারা শেষ পর্যন্ত দাঁড়িয়ে থাকে।

ফিলিস্তিনের নতুন প্রজন্ম বুঝে গেছে, স্বাধীনতা চাওয়া যায় না—অর্জন করতে হয়। গাজা প্রমাণ করেছে, প্রতিরোধই একমাত্র ভাষা যা দখলদার বুঝতে পারে—এক ভাষা যেখানে শব্দ নেই, আছে আগুন; নেই বক্তৃতা, আছে আত্মত্যাগের সুর। যে নগরী মৃত্যুর উপত্যকায় পরিণত হয়েছে, সেখান থেকেই উঠেছে জীবনবোধের সর্বশ্রেষ্ঠ কবিতা—‘আমরা আছি, আমরা থাকব।’ এই বাক্য কেবল এক জাতির নয়—এটি পুরো মানবজাতির বিবেকের উচ্চারণ। কারণ, গাজার ধ্বংসস্তূপের নিচে চাপা পড়েছে সভ্যতার ভণ্ড শান্তিনীতি, আর উঠে এসেছে এক নতুন পৃথিবীর স্বপ্ন। যদি কেউ প্রশ্ন করে—‘শেষ পর্যন্ত কে জিতেছে?’ উত্তরটি লেখা আছে গাজার আকাশেই—যেখানে বোমার ধোঁয়া সরে গেলে দেখা যায় এক পতাকা, রক্তে ভেজা কিন্তু উড়ছে অবিচল; যেখানে প্রতিটি শিশুর চোখে প্রতিফলিত হয় সেই অমর ঘোষণা—‘আমরা আছি, আমরা থাকব।’

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

top2

লারিজানি হত্যার প্রতিশোধ নেওয়ার ঘোষণা ইরানের

Published

on

By

ইসরায়েলের বিমান হামলায় ইরানের শীর্ষ নিরাপত্তা প্রধান আলি লারিজানি প্রাণ হারিয়েছেন। এ হত্যার প্রতিশোধ নেওয়া হবে বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন দেশটির সেনাপ্রধান আমির হাতামি। খবর বিবিসির।

প্রতিবেদনে ব্রিটিশ গণমাধ্যমটি জানায়, লারিজানি হত্যার চূড়ান্ত প্রতিশোধ নেওয়া কথা জানিয়েছেন হাতামি। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, “উপযুক্ত সময় ও স্থানে অপরাধী আমেরিকা এবং রক্তপিপাসু জয়নিস্ট শাসনের বিরুদ্ধে একটি চূড়ান্ত প্রতিরোধমূলক এবং অনুতাপজনক জবাব দেওয়া হবে।”

বিবৃতিতে লারিজানিকে শহীদ আখ্যা দিয়েছেন ইরানের সেনাপ্রধান। 

এদিকে, লারিজানির মৃত্যুর ‘প্রতিশোধ’ হিসেবে ইতোমধ্যেই মধ্য ইসরায়েলে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করার কথা জানিয়েছে ইরানের রেভোল্যুশনারি গার্ডস কোর (আইআরজিসি)। কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আল-জাজিরা বলছে, ইরানের হামলায় মধ্য ইসরায়েলে দু’জন নিহত হয়েছেন। এছাড়া কাতার, সৌদি আরব, কুয়েতসহ মধ্যপ্রাচ্যের অনেক দেশে হামলার সাইরেন বাজতে শোনা গেছে।

কাতারের প্রতিরক্ষা বাহিনী বলছে, আমাতের সশস্ত্র বাহিনী ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ইন্টারসেপ্ট করেছে। আর কুয়েতের ন্যাশনাল গার্ড সাতটি মানবহীন ড্রোন ভূপাতিতের কথা জানিয়েছে।

অন্যদিকে, লেবাননে হামলা অব্যাহত রেখেছে ইসরায়েলি বাহিনী। রাজধানী বৈরুতে তীব্র শব্দ শোনা গেছে। 

Continue Reading

top2

ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানী কার্যক্রমের উদ্বোধন শনিবার

Published

on

By

রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে শনিবার (১৪ মার্চ) সকাল ১০টায় ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের সম্মানী প্রদান কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। দেশের ধর্মীয় প্রতিনিধিদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি ও সহযোগিতা প্রদানের লক্ষে এই বিশেষ কর্মসূচি হাতে নিয়েছে সরকার।

বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের এক জরুরি বার্তায় এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা ইমরানুল হাসানের পাঠানো ওই বার্তায় জানানো হয় যে, এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দেশের ধর্মীয় সেবকদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণ হতে যাচ্ছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কেবল ইমাম ও মুয়াজ্জিনদেরই নয়, বরং দেশের সব ধর্মের ধর্মীয় প্রতিনিধিদের এই সম্মানী কার্যক্রমের আওতায় আনা হচ্ছে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, একই দিনে মসজিদের খাদেম, মন্দিরের পুরোহিত ও সেবায়েত এবং বৌদ্ধ বিহারের অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষদেরও এই সম্মানী প্রদান কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করা হবে। সরকারের এই উদ্যোগকে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষা এবং ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের সেবকদের জীবনমান উন্নয়নে একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের এই ঘোষণার পর ধর্মীয় প্রতিনিধিদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে। দীর্ঘ প্রতীক্ষিত এই সম্মানী কার্যক্রম বাস্তবায়নের ফলে সারা দেশের কয়েক হাজার ধর্মীয় সেবক সরাসরি উপকৃত হবেন।

মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, স্বচ্ছতা বজায় রেখে এই সম্মানী বন্টন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতিকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে এবং এটি দেশের সামগ্রিক ধর্মীয় কাঠামোর প্রতি সরকারের সদিচ্ছার বহিঃপ্রকাশ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

Continue Reading

top2

বেঁচে আছেন খামেনির স্ত্রী

Published

on

By

ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির স্ত্রী মানসুরেহ খোজাস্তেহ বাগেরজাদেহ জীবিত আছেন। তাকে ঘিরে ছড়িয়ে পড়া মৃত্যুর খবর সঠিক নয় বলে জানিয়েছে ইরানের আইআরজিসি-সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যম ফার্স নিউজ।

বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, খামেনির স্ত্রী মারা গেছেন—এমন যে দাবিগুলো বিভিন্ন মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে, সেগুলো ভিত্তিহীন।

ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি বৃহস্পতিবার তার প্রথম বিবৃতিতে মায়ের মৃত্যুর বিষয়টি উল্লেখ না করায় বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসে।

এর আগে যুদ্ধের শুরুর দিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হন বলে খবর প্রকাশিত হয়। পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, ওই হামলায় তার স্ত্রীও নিহত হয়েছেন।

তবে ফার্স নিউজ জানিয়েছে, মানসুরেহ খোজাস্তেহ বাগেরজাদেহ জীবিত রয়েছেন এবং তার মৃত্যুর খবর সত্য নয়।

কোমায় আছেন মোজতবা খামেনি— ব্রিটিশ গণমাধ্যমের দাবিকোমায় আছেন মোজতবা খামেনি— ব্রিটিশ গণমাধ্যমের দাবি
খামেনির স্ত্রী সাধারণত জনসম্মুখে খুব কমই আসতেন। তিনি ইরানের শাসক পরিবারের সবচেয়ে ব্যক্তিগত জীবনযাপন করা সদস্যদের একজন হিসেবে পরিচিত।

এদিকে স্থানীয় কয়েকটি গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ২৮ ফেব্রুয়ারি যুদ্ধের প্রথম দিনে হওয়া হামলায় আলী খামেনির পরিবারের আরও কয়েকজন সদস্য নিহত হয়েছেন। যাদের মধ্যে পুত্রবধূ, জামাতা, মেয়ে ও নাতি-নাতনিও রয়েছেন।

অন্যদিকে ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে প্রথম জনসম্মুখের ভাষণে মোজতবা খামেনি চলমান যুদ্ধে নিহত ইরানিদের রক্তের প্রতিশোধ নেওয়ার অঙ্গীকার করেছেন। রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে একজন সংবাদ উপস্থাপকের মাধ্যমে প্রচারিত ওই বিবৃতিতে তিনি তেহরানের অবস্থানও তুলে ধরেন এবং হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকার কথাও উল্লেখ করেন।

সূত্র: ইরান ইন্টারন্যাশনাল।

Continue Reading

Trending