Connect with us

ক্যাম্পাস

গোবিপ্রবির আইকিউএসি’র নতুন পরিচালক বশির উদ্দীন

Published

on

গোবিপ্রবি প্রতিনিধি:
গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (গোবিপ্রবি) ইন্সটিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসিউরেন্স সেল (IQAC)-এর নতুন পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. বশির উদ্দীন।

মঙ্গলবার (০৩ মার্চ) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মো. এনামউজ্জামানের স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।

অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়, গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের IQAC এর পরিচালক হিসেবে ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. বশির উদ্দীন-কে পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত পরিচালক, IQAC হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করা হলো। তিনি আসন্ন রমজানের ছুটি শেষে প্রথম কর্মদিবস থেকে এ দায়িত্ব পালন শুরু করবেন।

অফিস আদেশে আরও বলা হয়, দায়িত্ব পালনকালীন সময়ে তিনি বিধি মোতাবেক প্রাপ্য ভাতাদি প্রাপ্য হবেন।

উল্লেখ্য, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রমের গুণগত মান নিশ্চিতকরণ, মূল্যায়ন প্রক্রিয়া তদারকি এবং একাডেমিক উন্নয়ন কার্যক্রমে আইকিউএসি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ক্যাম্পাস

বিয়ের বয়স পার হয়ে যাচ্ছে ইবি ছাত্রদল নেতাদের, উঠতি নেতাকর্মীদের মাঝে হতাশা

Published

on

By

ইবি প্রতিনিধি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের নেতৃত্ব দিতে দিতে বিয়ের বয়স পার হয়ে যাচ্ছে অধিকাংশ নেতার। দীর্ঘদিন নেতৃত্বের পরিবর্তন না হওয়ায় এ অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। ফলে, হতাশা দেখা দিয়েছে এই সিনিয়র নেতাদের এবং নেতৃত্ব প্রত্যাশীদের মধ্যে। এদিকে গতকাল শুক্রবার (২৭ মার্চ) আনুমানিক ৪০ বছর উর্ধ্ব ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক (ইবি) ও কেন্দ্রীয় সদস্য রাশেদুল ইসলাম রাশেদের বিয়ে হয়। এতে অন্যান্য ছাত্রদল নেতাদের বিয়ের বয়স পার হওয়ার বিষয়টি সামনে আসে ক্যাম্পাসজুড়ে।

জানা যায়, ছাত্রদলের সদ্য-সাবেক সাধারণ সম্পাদক (ইবি) ও কেন্দ্রীয় সদস্য রাশেদুল ইসলাম রাশেদ আইন বিভাগের ২০০৪-০৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। ফলে তার বয়স আনুমানিক ৪০ উর্ধ্ব। এদিকে বর্তমান কমিটির আহ্বায়ক সাহেদ আহম্মেদ (২০০৭-৮ শিক্ষাবর্ষ), সদস্য সচিব মাসুদ রুমী মিথুন ও সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার পারভেজের (২০১১-১২ শিক্ষাবর্ষ) বয়স পার হলেও বিয়ে নিয়ে অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়েছে। তাদের নাই কোনো কর্মসংস্থান। আহ্বায়ক কমিটির নামে ক্যাম্পাসে এখনও তৎপর তারা। সংগঠনটির আহ্বায়ক সাহেদ আহম্মেদ ২০০৭-৮ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি হওয়ায় আনুমানিক বয়স ৩৭ অধিক। এদিকে সদস্য সচিব মাসুদ রুমী মিথুন ও সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার পারভেজ ২০১১-১২ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি হলে ২০১৭-১৮ দিকে শেষ হওয়ার কথা। যাদের আনুমানিক বয়স ৩২ এর কাছাকাছি।

ক্যাম্পাস সূত্রে জানা গেছে, ২০২০ সালের ১৬ জুন মো. সাহেদ আহম্মেদকে আহ্বায়ক ও মাসুদ রুমী মিথুনকে সদস্য সচিব করে ৩১ সদস্যের কমিটি দেয় কেন্দ্রীয় ছাত্রদল। কমিটিতে অছাত্রত্ব, বিবাহিত ও চাকরিজীবীদের পদ দেওয়ায় প্রতিবাদ করে কমিটি প্রত্যাখ্যান করে একাংশ। এর পরিপ্রেক্ষিতে আহ্বায়ক কমিটির সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক আনোয়ার পারভেজ, আহসান হাবীব, সবুজ হোসাইন ও সদস্য সাব্বির হোসেনকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়।

দলীয় তথ্য মতে, ৩১ সদস্যের কমিটিতে যুগ্ম আহ্বায়ক মো. আবু দাউদ চাকরিজীবী ও বিবাহিত, মো. ওমর শরীফ চাকরিজীবী ও দীর্ঘদিন নিষ্ক্রিয়, নাজমুল ইসলাম চাকরিজীবী ও নিষ্ক্রিয়, নৌশিন তাবাসসুম বিবাহিতা ও সদস্য মাহমুদুল মৃদুলও বিবাহিত। এছাড়াও যুগ্ম আহ্বায়ক শাহানুর হোসেন, মো. সবুজ হোসাইন, মেহেদী হাসান হিরা, মনিরুল ইসলাম, তুহিন হোসাইন, লিমন হোসাইন দীর্ঘদিন ধরে দলীয় কার্যক্রমে আসেন না। এছাড়াও ‘অপরিচিত’ হিসেবে কমিটিতে আছেন সদস্য রাজু আহমেদ, মো. সম্রাট হোসাইন, সানজিদা ইসলাম ও রুমা খাতুন। ইবি শাখার সক্রিয় নেতাকর্মীরা তাদেরকে চেনেন না বলে দাবি করেছেন। এদিকে বর্তমান কমিটিকে আঁকড়ে ধরলেও কিছু নেতার বিয়ের বয়স পার হয়ে যাচ্ছে। এছাড়া যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবীব ও আনারুলের বয়সও পার হয়ে গেছে।

নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক একাধিক তরুণ কর্মী জানান, কর্মী হিসেবে তাদের বয়সও পর্যাপ্ত। বাড়িতে কারো কারো বিয়ের আলাপ হলেও পদের আশায় প্রহর গুনছেন। নেতাদের তো অনেক আগেই বয়স পার হয়েছে। কমিটি ধরে রাখলে কর্মী বাড়বে না। কর্মীরা কেন রাজনীতিতে জড়ায়? একটা পরিচয় দেওয়ার সুযোগ না হলে কর্মী সমর্থক বাড়বে কী করে? আমাদেরও সুযোগ দিক আর ভাইয়েরাও সুযোগ নিক। এতে সমালোচনা থেকে পরিত্রাণ পাওয়া সম্ভব।

ছাত্রদলের তরুণ কর্মী তৌহিদুল ইসলাম জানান, “বিয়ের বিষয়টা ব্যক্তিগত, এতে কমেন্ট করতে পারি না। হয় তো সংগঠনকে ভালোবাসে বলেই সেক্রিফাইস করছেন। যদিও বিয়ে নিয়ে সংগঠনে লিখিত কোনো ধরাবাঁধা নিয়ম নাই। এদিকে একটা আফসোসের জায়গা থাকবে যে নিজের নামের সাথে কোনো পদবি না নিয়ে ক্যাম্পাস ছাড়তে হচ্ছে। পুরাতন কমিটি প্রায় ৫ বছর হয়ে যাচ্ছে। নতুন করে রাজনীতিতে যারা যুক্ত হয়েছে তারাও পুরাতন হয়ে গেছে। কেন্দ্রীয় কমিটির মেয়াদও শেষ, ওটা নিয়ে ব্যস্ত থাকবেন। আমাদের নিয়ে ভাবার সময় হয়তো আরও বিলম্ব হলো।” 

আরেক তরুণ ছাত্রদল কর্মী স্বাক্ষর জানান, “আমাদের সিভি নিয়েছেন রানিং স্টুডেন্টদের। রানিং দিবে কিনা বা মিক্সড করে নেতৃত্ব ঠিক করবে কিনা একান্ত সেন্ট্রাল ভালো জানবেন। আমরা আশাবাদী ভালো কিছু হবে।” 

আহ্বায়ক কমিটির সদস্য রাফিজ আহমেদ জানান, “বিবাহিত হলে সংগঠনে পদ পদবি পায় না, সেই দৃষ্টিকোণ থেকে অনেকে সেক্রিফাইজ করেন। যদিও এটা কেন্দ্রের মৌখিক নির্দেশনা। নতুন কমিটির বিষয়ে শুনে আসছি রানিং স্টুডেন্ট দিয়ে দিবেন। বাকিটা কেন্দ্র বুঝবেন।”

বিয়ে নিয়ে সংগঠনের ধারণা

শুধু ‘ছাত্রত্ব’ দিয়ে ছাত্র রাজনীতি করা যাবে না, হতে হবে ‘অবিবাহিত’ – এমনই রীতি ছাত্রদলের ওপর আরোপ করে দেন বিএনপি। এ নিয়ে দলটির দায়িত্বশীলদের যৌক্তিক ব্যাখ্যাও আছে। তারা মনে করেন— ছাত্ররা যেহেতু সমাজ পরিবর্তনের নিয়ামক, ফলে বিবাহিত অবস্থায় রাজপথের আন্দোলন-সংগ্রামে তাদের পক্ষে ঝুঁকি নেওয়াটা কঠিন হয়ে পড়ে। এ কারণেই ছাত্রদলে অলিখিত অবিবাহিত শর্ত আরোপ হয়েছে।

তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বিবাহিত হোক বা অবিবাহিত, ছাত্রত্ব থাকলেই যে কোনো ছাত্র সংগঠন করার অধিকার একজন শিক্ষার্থীর রয়েছে। এছাড়া ছেলেদের ২১ এবং মেয়েদের ১৮ বছর বয়সে বিয়ে করার আইনগত ও সাংবিধানিক অধিকার রয়েছে। রাজনীতির দোহাই দিয়ে ছাত্রনেতাদের এ অধিকার কেড়ে নেওয়া বেআইনি ও অন্যায্য। বরং রাজনৈতিক সংগঠনের কাজই হলো ছাত্র তথা সব নাগরিকের এসব অধিকার নিশ্চিত করা। তা করতে প্রয়োজন রাষ্ট্রীয়ভাবে কাজ করা।

সম্প্রতি সাংবাদিকদের এক সাক্ষাৎকারে কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দিন নাছির বলেন, “কারো বিরুদ্ধে বিয়ের ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পেলে আমরা পদোন্নতির বিষয়ে ব্যবস্থা নিচ্ছি।”

Continue Reading

ক্যাম্পাস

প্রধানমন্ত্রীর নাম উল্লেখ করে শাখা ছাত্রশিবির সভাপতির হুঁশিয়ারি

Published

on

By

ইবি প্রতিনিধি

জনগণের ম্যান্ডেটের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নাম উল্লেখ করে হুঁশিয়ারি বার্তা দিয়েছেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি মো. ইউসুব আলী।

২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল শেষে রাতে ফেসবুক স্টাটাসে হুঁশিয়ারি বার্তা দেন তিনি।

শিবির সভাপতি লিখেন, আমরা দোয়া করছি যে সমস্ত সূর্যসন্তানেরা ১৯৭১ সালে এ দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় জীবন উৎসর্গ করেছেন, আল্লাহ তা’আলা তাঁদের শাহাদাত কবুল করুন। আর যারা এতে অংশগ্রহণ করে গাজী হয়েছেন, আল্লাহ তাঁদের জীবনের গুনাহসমূহ ক্ষমা করে জান্নাতবাসী হিসেবে কবুল করুন।

১৯৪৭ সাল থেকে এ পর্যন্ত যারা এ দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষার জন্য নিজেদের জীবন উৎসর্গ করেছেন, আল্লাহ তা’আলা তাঁদের সকলকে শহীদ হিসেবে কবুল করে জান্নাতের সর্বোচ্চ মর্যাদা দান করুন।

তিনি আরও লিখেন, আমাদের শহীদরা একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার জন্য নিজেদের জীবন বিলিয়ে দিয়েছেন। কিন্তু আমরা সাংবিধানিকভাবে স্বাধীনতা অর্জন করলেও বাস্তবে সেই স্বাধীনতার পূর্ণ স্বাদ এখনো পাইনি। সর্বশেষ ২৪ জুলাইয়ের আন্দোলনের পর প্রত্যাশা ছিল, হয়তো এবার আমরা সত্যিকারের স্বাধীনতা উপভোগ করতে পারব। কিন্তু দুঃখজনকভাবে বর্তমান পরিস্থিতিতে সেই প্রত্যাশাও খর্ব হয়েছে।

তিনি বর্তমান সরকারকে হুঁশিয়ারি দিয়ে লিখেন, ক্ষমতাসীনরা ক্ষমতায় আসার পর দেশের (প্রদত্ত ভোটের) প্রায় ৭০% ভোটারের ম্যান্ডেটকে উপেক্ষা করে জাতির সাথে প্রতারণার পথে এগোচ্ছে যা অত্যন্ত হতাশাজনক। আমরা প্রত্যাশা করি, জনাব তারেক রহমান নির্বাচনের পূর্বে যেভাবে গণভোটে ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে প্রচারণা চালিয়েছিলেন, একইভাবে জনগণের ম্যান্ডেটের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করবেন।অন্যথায়, এ দেশের জনগণের সাথে প্রতারণার যে পরিণতি, তা ভোগ করার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।আল্লাহ আমাদের দেশকে সত্যিকারের স্বাধীনতা ও ইনসাফের পথে পরিচালিত করুন। আমীন।

Continue Reading

ক্যাম্পাস

ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ইবি উপাচার্য

Published

on

By

ইবি প্রতিনিধি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ভিসি অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, কর্মচারী-সহ সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তিনি সবার অনাবিল সুখ, শান্তি, সমৃদ্ধি ও মঙ্গল কামনা করেছেন।

শনিবার (২১ মার্চ) সাংবাদিকদের পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি ঈদের এই শুভেচ্ছা জানান।

শুভেচ্ছা বাণীতে উপাচার্য বলেন, পবিত্র ঈদুল ফিতর ধনী-গরিব, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব শ্রেণি-পেশার মানুষের জীবনে সৌহার্দ, সহমর্মিতা, সহনশীলতা ও ভ্রাতৃত্বের বার্তা নিয়ে আসে। ঈদুল ফিতর সবার মাঝে আত্মশুদ্ধি, উদারতা, নৈতিকতা ও মানবিক মূল্যবোধ জাগ্রত করে। সব ভেদাভেদ ভুলে এই দিনে সবাই সাম্য, মৈত্রী ও সম্প্রীতির বন্ধনে মিলিত হয়। বিশেষ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের সকল শিক্ষার্থীর পরিবারের প্রতি ঈদুল ফিতরের প্রীতি সালাম জানিয়েছেন তিনি।

ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানিয়ে উপাচার্য বলেন, পবিত্র রমজান মাসের আত্মশুদ্ধি ও সংযমের শিক্ষা গ্রহণ করে বর্তমান নবনির্বাচিত সরকারের নেতৃত্বে একটি উন্নত, সমৃদ্ধ, অসাম্প্রদায়িক ও মানবিক সমাজ প্রতিষ্ঠায় সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।

Continue Reading

Trending